‘আমার স্বপ্ন’ পাঠক সংখ্যার জন্য অসংখ্য শিক্ষার্থী সারা দেশ থেকে লেখা পাঠিয়েছে। তার মধ্য থেকে নির্বাচিত কিছু লেখা প্রকাশ করা হলো এই বিশেষ সংখ্যায়

আমার স্বপ্ন আমার গল্প

প্রথম আলো ডেস্ক | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ

গাজী মো. হাসানাত জাহানযেতে হবে বহু দূর

ছোটবলায় টিভি সিরিয়াল দেখে বা কোনো ডাক্তার চাচুর কাছে গিয়ে তাঁর অমায়িক ব্যবহার দেখে স্বভাবতই ডাক্তার হওয়ার ঝোঁক বেড়ে গিয়েছিল। আমাকে তখন কেউ যদি জিজ্ঞেস করতেন ‘বাবু, তুমি বড় হয়ে কী হবে?’ তখন সোজাসুজি উত্তর দিতাম ‘ডাক্তার হব’। স্কুল-কলেজের মূল সময়টা কেটেছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজে। ওই সময়টায় মাথায় ঘুরে বেড়াত মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হব। কিন্তু মানুষের স্বপ্ন যে মানুষকে কোথায় নিয়ে যায়, আগে থেকে বলা মুশকিল। এখন পড়ছি আইইউটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শেষ সেমিস্টারে। যেতে হবে বহু দূর। স্বপ্ন দেখি পাস করে রোবোটিক্সের ওপর উচ্চশিক্ষা নেব, দেশের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করব। 

 

গাজী মো. হাসানাত জাহান
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, গাজীপুর

Untitled-12স্বপ্ন দেখি একটি কার্টুন স্টুডিও প্রতিষ্ঠার
আমার মতে, মানুষের মৌলিক চাহিদা সাতটা। সেই সাত নম্বর চাহিদাটা হলো, মন ভরে ইচ্ছামতো স্বপ্ন দেখার, আর স্বপ্নগুলো মন খুলে বলার।
সময় পেলেই আমি অ্যানিমেশন মুভি দেখতে বসে যাই। মা বলে, ছোটবেলা থেকেই আমি নাকি ভাত-মুড়ির মতো কার্টুন গিলে খেতাম! ছবিগুলো ঘরে বসে দেখেই আমার এত আনন্দ। আর যারা ছবিগুলো বানায়, কল্পনার রূপকে বাস্তবের আলোয় নিয়ে আসে—তাদের না যেন কত আনন্দ।

কথাগুলো ভাবতেই কেমন যেন ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়ি। তাই আমার স্বপ্ন, একটি কার্টুন স্টুডিও বানানোর। আমার মতো কার্টুন-পাগলেরা মিলে কাজ করব সেখানে। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন কার্টুন ও অ্যানিমেশন মুভি বানানো হবে সেই স্টুডিওতে।

আফিয়া আনজুম
পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ

 

এস এম আশরাফুল আলমবৈষম্যহীন সমাজ চাই
ছোটবেলার একবার ক্লাসে স্যার প্রশ্ন করলেন, তোমার স্বপ্ন বলো? উত্তরে বলেছিলাম, স্যার, রাতের দেখা স্বপ্ন তো ভুলে গেছি। ক্লাসে সবার সে কী অট্টহাসি! পরে স্যার বোঝালেন, এই স্বপ্ন মানে বড় হয়ে তুমি কী হতে চাও? এসএসসির পর কৈশোরের অবুঝ সব স্বপ্ন ডালপালা ছড়িয়ে নবরূপে দেখতে শুরু করে। কখনো পাইলট হয়ে পাখির মতো আকাশে ওড়ার, কখনো বা নাবিক হয়ে রোমাঞ্চকর সমুদ্রযাত্রার।

 স্বপ্নযাত্রার নানা পথ পেরিয়ে পড়ছি অর্থনীতি বিভাগে। এখন স্বপ্ন দেখি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের, যেখানে থাকবে না ক্ষুধার্ত শিশুর আর্তনাদ, নারীর বঞ্চনা, ধনী-গরিবের আকাশ-পাতাল ব্যবধান। পড়াশোনা শেষ করে দেশের অর্থনীতিকে চাঙা করতে তাই অর্থনীতি নিয়ে কাজ করব।

এস এম আশরাফুল আলম
অর্থনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

 

আসমা-উল-হোসনাহতে চাই উদ্যোক্তা

আমার স্বপ্নগুলো একেকটা ডানা ছড়ানো পাখির মতো, নীল আকাশে মুক্ত হয়ে ওড়াউড়িতে তাদের যত আনন্দ। জীবনের একেকটা ধাপে এসে একেক রকম স্বপ্ন জেগেছে মনে। গান গাইতাম সেই ছোট্টটি থেকেই, তাই গানের জগতে থাকতে থাকতে একেক সময় ইচ্ছা হতো সফল একজন গায়িকা হতে। ভালোবাসি বই পড়তে, সেই বইয়ের পাতায়ই মগ্ন থেকে কখনো আবার ইচ্ছা হয়েছে কল্পনার হ্যারি পটারের জগতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে। এত এত সব কল্পনা আর স্বপ্নের মাঝে থেকেই একসময় কেমন করে যে স্কুল আর কলেজজীবনটা পার করে ফেললাম, টেরও পেলাম না যেন। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেক জীবন শেষ করে মনে হচ্ছে, দেশের উন্নয়নের জন্য এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আসলে সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ। ব্যবসার খুঁটিনাটি পড়তে পড়তে আমার তাই আগ্রহ এখন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা। স্বপ্ন দেখি দেশের অন্যতম একজন উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার। 

আসমা-উল-হোসনা
ফিন্যান্স বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


জেমস ফজলে রাব্বিপথশিশুদের জন্য কাজ করব

আমি স্বপ্ন দেখি পথশিশুদের নিয়ে। ‘বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ চিরসত্য কথাটি যাদের বেলায় খাটে না, মায়ের স্নেহ কী, তাদের অনেকেই জানে না। অনেকের বাবা-মাও নেই। কারও কারও হয়তো থেকেও নেই। অবহেলা শব্দটি ওদের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যে সময় ওদের হাতে বই থাকার কথা, তখন খাদ্যের সন্ধানে ওদের কাটে কাগজ কুড়িয়ে অথবা বোঝা টেনে। কেউ বা আবার খারাপ লোকের দ্বারা চালিত হয়ে ভুল পথে পা বাড়ায়। এই পথশিশুদের জন্য কাজের ফাঁকে সম্পূর্ণ বিনা বেতনে শিক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করা দরকার। গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তে ওদের জন্য আনতে হবে কার্যকর পদ্ধতি। যার দ্বারা শিশুরা স্কুলবিমুখ না হয়ে স্কুলগামী হয়। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে নৈতিক শিক্ষার। তাদের শেখাতে হবে স্বপ্ন দেখতে। সেই শিশুদের স্বপ্ন দেখাতেই আমি কাজ করতে চাই। আমি জানি এ পথে সাফল্য এত সহজ নয়। তবে অসম্ভবও নয়। সঙ্গে চাই, কিছু মানবতাবাদী বন্ধকে।

জেমস ফজলে রাব্বি
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।

 

তাসনিয়া লস্করগড়ব ফ্যাশন হাউজ

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। তারপর চাকরির জন্য ধরনা দেওয়া। এখানে নয় ওখানে। ওখানে নয়, অন্য কোনোখানে। অথচ কত প্রতিভা লুকিয়ে থাকতে পারে সেই চাকরিপ্রার্থীর মধ্যে, যা দিনের পর দিন চাকরি খুঁজতে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর তরুণেরা নিত্যনতুন উদ্যোগ নিয়ে হচ্ছে লাখপতি-কোটিপতি। তাই আমার মনে হয়েছে, আর চাকরি নয়। চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেব। কর্মক্ষেত্রে নামব নিজের মেধা দিয়ে। গড়ে তুলব একটি ফ্যাশন হাউস। দেশের প্রতিটি জেলায় ঘুরে ঘুরে পরিবেশ আর প্রকৃতির উপাদান খুঁজে তৈরি করব পোশাকের নতুন নকশা। প্রকৃতির সঙ্গে যার থাকবে নতুন বন্ধন। মাটি, কাঠ, পাতা, বাঁশ থেকে তৈরি হবে অপরূপ সব গয়না। পুঁতি, কুঁড়ি, শামুক, ঝিনুক থেকে তৈরি হবে জুতোর নকশা আর তার মধ্যে জ্বলজ্বল করবে সেই নাম বাংলাদেশ। শুধু দেশ নয়, বিদেশেও ছড়িয়ে দিতে চাই আমার ফ্যাশন হাউসের পরিধি। এর মাধ্যমে বিশ্ব জানবে বাঙালিরা তাদের বুদ্ধি, মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে একটি ছোট বালু কণাকেও যেন হীরায় পরিণত করতে পারে। 

তাসনিয়া লস্কর
রংপুর সরকারি কলেজ, রংপুর

 

যারীন যাপনপরিবর্তনের স্বপ্ন দেখি

স্বপ্ন দেখি দেশকে নিয়ে, দেশের মানুষকে নিয়ে। বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখি। নিশ্চয় সেদিন খুব দূরে নয়, পুরুষেরাও নারীর প্রতি অনেক সহমর্মী হবে। সমাজে নারী-পুরুষের ব্যবধান শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। মা-বাবা বুঝতে পারবেন, ছেলেমেয়ে দুজনই তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মেয়েরা এখন আর পিছিয়ে নেই। জ্ঞান, বিজ্ঞান, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্যে তাঁরা পুরুষের সঙ্গে সমান কাতারে অংশগ্রহণ করছেন। আমি পড়ছি বিবিএ নিয়ে। স্বপ্ন দেখি, ক্যামেরন হ্যারলডের মতো খ্যাতিমান উদ্যোক্তা হওয়ার। করতে চাই মার্ক জাকারবার্গের মতো সৃষ্টিশীল কিছু। ইচ্ছা আছে সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। স্বপ্ন দেখি এমন কিছু করার, যাতে অন্য দেশের মানুষ বলে, ওই যে্, ওই সফল মেয়েটা তো বাংলাদেশের!

যারীন যাপন,
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

 

নাজমুল হাসানলেখক হতে চাই

ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির প্রতি একটা আগ্রহ কাজ করত। এত দিন সেটাকে নির্দ্বিধায় শখ বলে চালিয়ে দিয়েছি। কিন্তু সেই অনাবিষ্কৃত শখটা যে আজ স্বপ্নতে পরিণত হবে, কে জানত। একজন ডাক্তার তৈরি করতে মেডিকেল কলেজই যথেষ্ট, আর প্রকৌশলী তৈরি করতে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। তবে লেখক হওয়ার কোনো পাঠশালা নেই। কোনো প্রতিষ্ঠানই একজনকে নিশ্চয়তা দেয় না। লেখক হতে হয় নিজে নিজেই। লেখক সব সময় নিজের আলোয় নিজেই উদ্ভাসিত হয়। হয়তো সেই কারণে লেখালেখিকে ‘পিওর ক্রিয়েটিভিটি’ বলে মনে হয়, যা কোনো প্রভাবক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না।
সময়ই বলে দেবে, লেখক হিসেবে আমি কতটা সফল হব। তবে কল্পনা করি, একজন বৃদ্ধ যখন আমার লেখা গল্প পড়ে চায়ের কাপে ফুঁ দেবেন আর গল্পের চরিত্রগুলো নিয়ে ভাববেন আর নিজের অজান্তেই হারিয়ে যাবেন কৈশোরে, তখন এর থেকে বড় পাওয়া আমার আর কী হতে পারে! কোনো কিশোর যখন আমার গল্প পড়ে দু-একটা বাক্য গুছিয়ে লেখার বা বলার চেষ্টা করবে, হয়তো তখনই হবে আমার লেখক হিসেবে সার্থকতা।
শুধু নিজের মধ্যে বেঁচে থাকার কৃপণতার চেয়ে সবার মধ্যে বেঁচে থাকাই তো জীবনের সার্থকতা। এই বার্তাটিই আমি লেখক হিসেবে সবার কাছে পৌঁছে দিতে চাই।
নাজমুল হাসান
পুরকৌশল বিভাগ, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)

 

অর্পণ ত্রিপুরাস্বপ্ন দেখি দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার

ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছি। কিন্তু জীবনের গতি থেমে নেই। জীবন চলে যাচ্ছে জীবনের নিয়মে। আমি স্বপ্ন দেখি দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার। পাহাড়ের নিপীড়িত নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার। স্বপ্ন দেখি পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার।

অর্পণ ত্রিপুরা
শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

 

নাজমুন নুসরাতকাজ করব প্রকৃতি নিয়ে

ছোটবেলার অসংখ্য স্বপ্নের মধ্যে একটা খুব অদ্ভুত স্বপ্ন ছিল কার্টুন বানানো শেখার। কীভাবে ওরা হাতে আঁকা ছবিগুলোকে এত প্রাণবন্ত করে তোলে, তা আমাকে এখনো বিস্মিত করে! মাঝে মাঝে বৃষ্টির দিনে একাকী খালি গলায় গান গাইতে গাইতে মনে হয় ‘না, গানই গাইব’। মনে আছে, স্কুলে থাকতে বান্ধবীরা মিলে একটা ব্যান্ড বানিয়েছিলাম। পড়ালেখার জন্য সবাই একেক জায়গায় চলে যাওয়ায় সেই চিন্তায় ধুলো পড়ে গেলেও স্মৃতিগুলো এখনো তাজা হয়ে আছে।
পড়ছি উদ্ভিদবিদ্যায়, তাই প্রকৃতির সঙ্গে আমার সব সময়ের সখ্য। দেশের জন্য কিছু করতে চাই, প্রকৃতির জন্য কিছু করতে চাই; হোক না তা ক্ষুদ্র পরিসরে। স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশের নাম উন্নত দেশের মাঝে উচ্চারিত হবে।
নাজমুন নুসরাত
শিক্ষার্থী, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

 

শুভাশ্রী চাকমাঅভিনেত্রী হতে চাই

আমার কাছে স্বপ্ন মানে বিভিন্ন রঙের সমারোহ। যে রং ঘুরে বেড়ায় মনের অজানা দশ দিগন্তে।
একসময় যখন গান করতাম তখন গায়িকা, এরপর চিত্রশিল্পী, আবৃত্তিকার, এরপর শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু দিনের পর দিন আমার স্বপ্নের গণ্ডি আরও বড় হতে থাকল। অদ্যাবধি তা ডালাপালা মেলে বিস্তৃত হয়েই চলেছে।
বর্তমানে অভিনয়টা আমাকে অনেক বেশি টানে। যখনই এমন কোনো চরিত্র দেখি যে চরিত্রটি আমাকে মুহূর্তের মধ্যে কাঁদায় কিংবা ভাবিয়ে তোলে, ঠিক সেই চরিত্রটিতে নিজেকে দাঁড় করাই। আর বলি, ইশ্, এই চরিত্রটিতে আমি অভিনয় করলে তা আরও ভালো করে ফুটিয়ে তুলতে পারতাম।
এসব আকাশকুসুম নানা চিন্তার ভিড়ে এখন আমার মনে ভর করেছে অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন।
শুভাশ্রী চাকমা
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ

 

নিবেদিতা সাহাহতে চাই বিসিএস ক্যাডার

আমার স্বপ্ন যে রূপ বদল করে করে তা কত হাজার রঙা হয়েছে, তার হিসাব কিন্তু আমার কাছেও নেই! ছোটবেলা হারমোনিয়ামে সা-রে-গা-মা তুলতে তুলতে ভেবেছি, একদিন গায়িকা হব। কলেজের মঞ্চে দ্বৈত আবৃত্তি করতে গিয়ে ভেবেছি, আবৃত্তিকার হওয়ার কথা। কিন্তু স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে যখন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রবেশ করলাম, স্বপ্নের রং আবার তার খোলস পাল্টাল। এখন আমার স্বপ্নের তরি নোঙর করেছে নতুন ভুবনে। আমি বিসিএস কর্মকর্তা হওয়ার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। বিসিএসে আমার প্রথম পছন্দ প্রশাসন। সৎ মানুষ হিসেবে প্রশাসনে কাজ করতে চাই। আর স্বপ্নের ভুবনে গানের জন্য নেশা, গানের জন্য ভালোবাসা তো থাকবেই। 

নিবেদিতা সাহা
ইংরেজি বিভাগ, ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা
যাঁদের সহযোগিতায় এ সংখ্যা
আফরিনা হোসেন, মারুফ ইসলাম, জাহিদ হোসাইন খান, মোজাহিদুল ইসলাম ও সজীব মিয়া

পাঠকের মন্তব্য ( ২ )

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনি কি পরিচয় গোপন রাখতে চান
আমি প্রথম আলোর নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
View Mobile Site
   
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
ফোনঃ ৮১৮০০৭৮-৮১, ফ্যাক্সঃ ৯১৩০৪৯৬, ই-মেইলঃ info@prothom-alo.info
 
topউপরে