
ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেন বাসের চালক ও সহযোগী
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি | তারিখ: ২৫-০১-২০১৩

মানিকগঞ্জে চলন্ত বাসে তরুণী ধর্ষণ ঘটনায় দোষ স্বীকার করেছেন চালক ও তাঁর সহযোগী। তাঁদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার বিকেলের দিকে পুলিশ মানিকগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শেখ মো. মুজাহিদ-উল ইসলামের আদালতে আসামিদেরকে হাজির করে। আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তাঁরা। জবানবন্দি শেষে বিচারক বাসের চালক দীপু মিয়া (৩০) ও বাসচালকের সহকারী (হেলপার) কাসেম মিয়াকে (২৮) জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে আসামিরা পুলিশের কাছে ১৬১ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আজ বিকেল সাড়ে চারটার দিকে অভিযুক্ত দিপু মিয়া এবং কাসেম মিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাঁরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সুষ্ঠু বিচার ও তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সংগঠন। এ সময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ মহিলা সংস্থা, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়নের সদস্যরাও মানববন্ধনে অংশ নেয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলন্ত বাসে পোশাকশ্রমিক এক তরুণী (১৮) ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের অভিযোগে ওই বাসের চালক দীপু মিয়া (৩০) ও বাসচালকের সহকারী (হেলপার) কাসেম মিয়াকে (২৮) পুলিশ গ্রেপ্তার করে। কাসেম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দীঘি ইউনিয়নের ধোলাপাড়া গ্রামের বিদু মিয়ার ছেলে এবং দীপু একই উপজেলার গুরকি গ্রামের আতরাব আলীর ছেলে। মানিকগঞ্জ সদর থানায় গতকাল রাত ১১টার দিকে পুলিশ কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের কাছে কাসেম ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন।