ব্র্যাক ব্যাংক -প্রথম আলো অদম্য মেধাবী তহবিল
এ বছর থেকে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে যারা দরিদ্র, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এবং যাদের শিক্ষার জন্য নিজেরা পরিশ্রম করে এ রকম দেশ ব্যাপী কিছু ছাত্রছাত্রীর মধ্যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে‘ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড’ । মাধ্যমিক পর্যায়ে এসএসসিতে যারা জিপিএ ৫ পেয়েছেন। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পড়াশোনার জন্য ৫০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষাবৃত্তি পাচ্ছেন । এককালীন দুই হাজার ৫শ টাকা। আর প্রতিমাসে ১৫০০ টাকা করে দুই বছর পর্যন্ত দেওয়া হবে। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে উচ্চ শিক্ষার জন্য ও সহযোগিতার করবে‘ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড’। এ বছর প্রথম আলোর শিক্ষাবৃত্তি পেয়ে আসছেন তাদের মধ্যে থেকে উচ্চতর পর্যায়ে ১৬ জনকে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষাবৃত্তি। প্রত্যেককে এককালীন ১৩ হাজার টাকা। আর প্রতিমাসে ২০০০ টাকা করে ৪ বছর পর্যন্ত দেওয়া হবে। এসব বৃত্তিপ্রাপ্তদের ব্যাংকের হিসাবে এ টাকা প্রতিমাসের নিদ্দিস্ট তারিখে পৌঁছে দেওয়া হয়। অদম্য মেধাবীদের শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।
অদম্য মেধাবী
প্রথম আলো ট্রাস্ট মাধ্যমিক পরিক্ষায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে যারা দরিদ্র, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এবং যাদের শিক্ষার জন্য নিজেরা পরিশ্রম করে এরকম দেশ ব্যাপী কিছু ছাত্রছাত্রীর মধ্যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশাল বাংলার সাংবাদিকদল খবরের জন্য দেশব্যাপী ঘুড়ে বেড়ান এবং সংবাদ সংগ্রহ করেন। ফলে এই সুবাদে দেশের আনচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা মেধাবী অথচ দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সংস্পর্শে আসেন। সামান্য অর্থের অভাবে যাদের উজ্জল ভবিষ্যত থাকা স্বত্বেও শিক্ষা জীবন গুরুতর ঝুঁকির মুখে তাদেরকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিচ্ছে প্রথম আলো।
বিশাল বাংলার সাংবাদিকগণ প্রথমে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত দরিদ্র ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে যারা প্রচণ্ড সমস্যার মাঝেও কষ্ট করে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে তাদের একটি তালিকা তৈরি করেন। সেই তালিকা প্রথম আলোর কর্মকর্তাগণ বাছাই করে অঞ্চল, নারী-পুরুষ এই প্রভৃতি বিষয়ের উপর একটি সামঞ্জস্যতা ও ভারসাম্য বজায় রেখে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। এরপর শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ২ বছরের জন্য নির্বাচিত ছাত্র/ছাত্রীকে ১৫০০ টাকা মাসিক ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। এছাড়া ২৫০০ টাকা দেয়া হয় ভর্তিকালীন সময়ে। এই ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে অবশ্য দুই/এক জন আরও উচ্চতর পর্যায়ে যথা চিকিত্সা ও প্রকৌশল শাখায় লেখাপড়া করছে। তবে উচ্চতর পর্যায়ে সহযোগিতার হার খুব বেশী নয়। বর্তমানে বরিশাল মেডিকেল কলেজে নুপুর আকতার নামে একজন শিক্ষার্থীকে মাসে ৩০০০ টাকা হিসেবে মাসিকভাবে নিয়মিত সহযোগিতা করা হচ্ছে। বিগত ৩ বছর যাবত্ এই কর্মসূচী আরম্ভ হয়েছে আজ পর্যন্ত সর্বমোট ৭২ ছাত্রছাত্রীকে এই সহযোগিতা করা হয়েছে। এই প্রকল্প দরিদ্র ছাত্রীদের একটু বেশী সুবিধা প্রদান করে থাকে যেন এই মেধাবী দরিদ্রছাত্রীরা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলতে পারে। প্রথম আলো তহবিল থেকে যারা সাহায্য পায়, তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশেপাশের সকলেই তাদের প্রতি অনেক সহানুভূতিশীল হয় এবং সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে।


