জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা ২০১৬

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ কুমার দাস | আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ

 রচনামূলক প্রশ্নোত্তর
প্রিয় পরীক্ষার্থী, আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের ওপর রচনামূলক প্রশ্নোত্তর দেওয়া হলো।

প্রশ্ন: কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো কী কী?
উত্তর: কম্পিউটার ভাইরাস হলো একধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার, যা পুনরুত্পাদনে সক্ষম এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিক হতে পারে।
কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো হলো:
১. কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া।
২. কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাওয়া।
৩. কম্পিউটার ঘন ঘন রিবুট হওয়া।

প্রশ্ন: পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পাঁচটি সুবিধা লেখো।
উত্তর: পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার পাঁচটি সুবিধা নিচে দেওয়া হলো:
১. পাসওয়ার্ডের ব্যবহার ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
২. হ্যাকারদের কবল থেকে তথ্যকে সুরক্ষা প্রদান করে।
৩. যন্ত্রের সফটওয়্যার রক্ষা করতে পাসওয়ার্ডের কোনো বিকল্প নেই।
৪. ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য অন্যের হাতে চলে যাওয়া থেকে পাসওয়ার্ড সুরক্ষা প্রদান করে।
৫. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিরাপদ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

প্রশ্ন: হ্যাকার ও হ্যাকিং বলতে কী বোঝো?
উত্তর: যারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে, তাদের কম্পিউটার
হ্যাকার বলা হয়। আর এ বিষয়টিকে হ্যাকিং বলে।
নানা কারণে একজন হ্যাকার অন্যের কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে অনুপ্রবেশ করতে পারে। এর মধ্যে টাকা কামানো, কোনো অসত্ উদ্দেশ্য কিংবা কোনো প্রতিবাদ কিংবা চ্যালেঞ্জ করার বিষয়ও হতে পারে। তবে অনেক কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হ্যাকারদের অসত্ অনুপ্রবেশকারী বলতে চান না। তাঁরা অসত্ উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশকারীদের ক্র্যাকার হিসেবে চিহ্নিত করতে পছন্দ করেন।

প্রশ্ন: রেসিডেন্ট ভাইরাস ও নন-রেসিডেন্ট ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উত্তর: রেসিডেন্ট ভাইরাস ও নন-রেসিডেন্ট ভাইরাসের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। নিচে তা দেওয়া হলো:
রেসিডেন্ট ভাইরাস নন-রেসিডেন্ট ভাইরাস
১. রেসিডেন্ট ভাইরাস হলো স্থায়ী ভাইরাস। ১. নন-রেসিডেন্ট ভাইরাস হলো অস্থায়ী ভাইরাস।
২. এটি মেমোরিতে স্থায়ী হয়ে বসে থাকে। ২. এটি মেমোরিতে থাকে না।
৩. এ ভাইরাস মেমোরিতে স্থায়ী হয়ে বসে থাকে। যখনই কোনো প্রোগ্রাম চালু হয়, তখনই সেটি সেই প্রোগ্রামকে চালু করে। ৩. এ ভাইরাস সক্রিয় হয়ে ওঠার পর অন্য কোন কোন প্রোগ্রামকে সংক্রমণ করা যায়, তা খুঁজে বের করে। তারপর সেগুলোকে সংক্রমণ করে।
৪. এটি সংক্রমণ শেষ হওয়ার পরও কর্মক্ষেত্রে অবস্থান করে। ৪. এটি কাজ শেষ হওয়ার পর মূল প্রোগ্রামের কাছে নিয়ন্ত্রণ দিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।

প্রশ্ন: হ্যাকারের প্রকারভেদ লেখো।
উত্তর: যারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে, তাদের কম্পিউটার হ্যাকার বলা হয়। হ্যাকারদের বিভিন্ন দলে ভাগ করা হয়। যথা:
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার ও ৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার।
নিচে এদের সম্পর্কে বর্ণনা দেওয়া হলো:
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: এরা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের করে। এদের এথিক্যাল হ্যাকারও বলা হয়।
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: এরা অসত্ উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ক্ষতি করে থাকে।
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল করে কম্পিউটারের ক্ষতি করে থাকে।
বাকি অংশ ছাপা হবে আগামীকাল
মাস্টার ট্রেইনার, প্রভাষক
মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনি কি পরিচয় গোপন রাখতে চান
আমি প্রথম আলোর নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
View Mobile Site
   
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
ফোন: ৮১৮০০৭৮-৮১, ফ্যাক্স: ৯১৩০৪৯৬, ই-মেইল: info@prothom-alo.info
 
topউপরে