সব

উন্নয়ন অন্বেষণের প্রতিবেদন

ব্যাংক খাতে এখন মন্দাবস্থা চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট সংস্করণ

গবেষণাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন অন্বেষণের মতে, ঋণ বিতরণ ও প্রবৃদ্ধির হারে নিম্নগতি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় অপকর্ষ দেশের ব্যাংকিং খাতের মন্দাবস্থাকে নির্দেশ করে।
প্রতিষ্ঠানটি আরও মনে করে, ঋণ বিতরণ কমে গিয়ে বিনিয়োগ হ্রাসের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার সংকুচিত হবে।
উন্নয়ন অন্বেষণের ডিসেম্বর মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে এসব অভিমত তুলে ধরা হয়েছে, যা গত শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, ব্যাংক খাতে নেওয়া উদারীকরণ নীতিসমূহ সুদের হার কমাতে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত করতে পারেিন৷ অন্যদিকে দুর্বল তত্ত্বাবধানব্যবস্থার ফলে খেলাপি ঋণ বেড়ে গেছে। বিভিন্ন কেলেঙ্কাির ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে অধিক মন্দাবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ঋণের বিস্তার ও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির মধ্যে যোগসূত্র নির্দেশ করে উন্নয়ন অন্বেষণ বলছে, ঋণের প্রবৃদ্ধির হারের নিম্নগতি বিনিয়োগ হ্রাস করবে। ফলে মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাবে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জন্য ৭ দশমিক ২ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য জিডিপির অন্তত ৩২ শতাংশ বিনিয়োগ দরকার।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকাির ও বেসরকারি খাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক শেষে ঋণের প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১৭ দশমিক ৭২ শতাংশ।
একইভাবে শিল্প খাতে মেয়ািদ ঋণ বিতরণ ২০১২-১৩ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকের নয় হাজার ৭২০ কোটি টাকা থেকে কমে চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকে আট হাজার ৮৮০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা দাঁড়ায়, যা গত পাঁচ প্রািন্তকের মধ্যে সবচেয়ে কম। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রািন্তকে শিল্পঋণপ্রবাহ কমে গিয়ে আট হাজার ৬৫৮ কোটি কোটি টাকায় দাঁড়াতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঋণ নিয়ে কেলেঙ্কাির বেড়েছে। আবার সম্পদের আয় হার এবং ইক্যুইটির আয় হারের ক্রমাগত অবনতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
২০১২ সালে ব্যাংকিং খাতের সার্বিক সম্পদ আয়ের হার দশমিক ৬০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০১০ সালে ছিল ১ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল। এ ধারা চলতে থাকলে তা ২০১৩ সালে দশমিক ৫৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বিষয় পর্যালোচনা করতে গিয়ে উন্নয়ন অন্বেষণ বলছে যে গ্রাম এলাকায় ব্যাংকের শাখা ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিল প্রায় ৫৮ শতাংশ ছিল, যা ২০১২ সালের ডিসেম্বরে কমে হয় ৫৭ দশমিক ২০ শতাংশ ৷ আবার একই সময়ে শহর অঞ্চলে ব্যাংকের শাখা ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪২ দশমিক ৮০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর বিদেশি ব্যাংকের কোনো শাখা এখন পর্যন্ত গ্রামে স্থাপিত হয়নি।
উন্নয়ন অন্বেষণের মতে, সঠিক তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণসক্ষমতা অর্জন এবং বিচক্ষণ নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে এ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব।

চামড়াবিহীন জুতায় বড় স্বপ্ন

চামড়াবিহীন জুতায় বড় স্বপ্ন

ধনীদের জন্য পয়মন্ত ২০১৬ সাল!

ধনীদের জন্য পয়মন্ত ২০১৬ সাল!

ইথিওপিয়ায় বাংলাদেশের কারখানা চালু সেপ্টেম্বরে

ইথিওপিয়ায় বাংলাদেশের কারখানা চালু সেপ্টেম্বরে

২০১৯ সাল থেকে বড় প্রভাব ফেলবে অর্থনৈতিক অঞ্চল

২০১৯ সাল থেকে বড় প্রভাব ফেলবে অর্থনৈতিক অঞ্চল

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
1 2 3 4
 
আরও মন্তব্য

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

default image

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি ব্যাংকের সহযোগী কোম্পানির পরিচালক সর্বোচ্চ ৯ জন

রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর...
default image

ইউএনডিপির সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি মানব উন্নয়নে মধ্যম মানে বাংলাদেশ

গড় আয়ু বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়সহ সামাজিক বিভিন্ন সূচকে উন্নতি করেছে বাংলাদেশ।...
ঢাকায় শুরু গাড়ি ও বাইক মেলা

ঢাকায় শুরু গাড়ি ও বাইক মেলা

ঢাকায় শুরু হয়েছে ১২তম মোটর শো, বাইক শো, কমার্শিয়াল অটোমোটিভ শো এবং অটো পার্টস...
default image

ব্র্যাক ব্যাংকের মুনাফা ৪০৬ কোটি টাকা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংকের মুনাফায় ৭৪ শতাংশ...
অভিযান চলছে, সরানো হচ্ছে বাসিন্দাদের

অভিযান চলছে, সরানো হচ্ছে বাসিন্দাদের

সিলেট মহানগরের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকায় সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় অভিযান...
বিশ্বসভায় যেতে চায় বাংলাদেশ

একাত্তরের গণহত্যা বিশ্বসভায় যেতে চায় বাংলাদেশ

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে শুরুতে...
ছবিতে অভিযানের প্রস্তুতি

ছবিতে অভিযানের প্রস্তুতি

সিলেট মহানগরের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকায় সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় অভিযান...
এবার বুফনের ‘১০০০’

এবার বুফনের ‘১০০০’

শুক্রবার নিজের ক্যারিয়ারের ১০০০তম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচটি খেলতে নেমেছিলেন...
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
© স্বত্ব প্রথম আলো ১৯৯৮ - ২০১৭
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভেনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫
ফোন: ৮১৮০০৭৮-৮১, ফ্যাক্স: ৯১৩০৪৯৬, ইমেইল: info@prothom-alo.info