কিংসের জয়ে আবারও গুঞ্জন
রানের জন্য ছুটছেন নাঈম ইসলাম ও ব্রেন্ডন টেলর। কাল এই দুই ওপেনারই ৫৮ করে রান করেছেন, জুটিতে ১১৮
প্রথম আলো
মুশফিকুর রহিমের নাকি হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট। তবে আগের ম্যাচেই ফিফটি করা শিবনারায়ণ চন্দরপল ও ডার্ক ন্যানেস কেন খেললেন না কে জানে! এ নিয়ে প্রেসবক্সে নানা রকম গুঞ্জন। গুঞ্জন ছিল সিলেট রয়্যালসের ব্যাটসম্যানদের আউটের ধরন ও চিটাগং কিংসের ক্রমাগত বড় ব্যবধানে জেতা নিয়েও। আগের তিন ম্যাচে ৮ উইকেট, ৫৪ ও ৮৯ রানে জয়ের পর কাল সিলেট রয়্যালসকেও হারাল ১১৯ রানে। এবারের বিপিএলে কাল পর্যন্ত রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয় এটাই।
পরশু ১৯৭ রান তাড়া করেও ৬ উইকেটে জিতেছিল সিলেট রয়্যালস। কিন্তু কাল দলটা পুরোই অন্য চেহারায়। চিটাগং কিংসের দুই পেসার শন টেইট ও রুবেল হোসেনের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল শীর্ষ দলের ব্যাটসম্যানরা। তিন উইকেট করে নিয়েছেন দুজনই। সিলেট অলআউট হয়েছে ৭৪ রানে, তবে ২৮ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পরই ম্যাচ এক রকম শেষ হয়ে গিয়েছিল। সিলেটের প্রথম সাত ব্যাটসম্যানের মধ্যে দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পেরেছেন কেবল মোহাম্মদ নবী (৩৫)।
অন্যদিকে চিটাগং কিংস রীতিমতো টগবগিয়ে ছুটছে। ব্রেন্ডন টেলর ও নাঈম ইসলামের ১১৮ রানের ওপেনিং জুটির সৌজন্যে ৪ উইকেটে করে ১৯৩ রান। ৫৮ রান করে করেছেন দুই ওপেনারই। ১১৮ রানে নাঈম ফিরে যাওয়ার পর স্কোরটা ১৩০-এ যেতে যেতে ড্রেসিংরুমে ফেরেন টেলর আর মিলারও। তবে রায়ান টেন ডেসকাট আর মাহমুদউল্লাহ ইনিংসের শেষটা করেছেন দুর্দান্ত। ইনিংস শেষ হওয়ার ৪ বল আগে ডেসকাট (২৩ বলে ৩৭) ফিরে গেলেও অধিনায়কের সঙ্গে ততক্ষণে মাত্র ২৭ বলে হয়ে গেছে তাঁর ৫৬ রানের জুটি! শেষ ৫ ওভারেই এসেছে ৬৩ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
চিটাগং কিংস: ২০ ওভারে ১৯৩/৪ (টেলর ৫৮, নাঈম ৫৮, মিলার ০, টেন ডেসকাট ৩৭, মাহমুদউল্লাহ ২৪*, কুপার ১*; নবী ৩/২৭, নাজমুল ১/৩৬)।
সিলেট রয়্যালস: ১৩.৫ ওভারে ৭৪ (মাসাকাদজা ২, স্টার্লিং ০, নবী ৩৫, মমিনুল ১, মিলন ৩, জসিমউদ্দিন ২, চিগুম্বুরা ০, সোহরাওয়ার্দী ১৩, সোহাগ ১০*, বেন ৪, নাজমুল ০; রুবেল ৩/১৪, এনামুল জুনিয়র ৩/১৪, টেট ৩/১৬)।
ফল: চিটাগং কিংস ১১৯ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ব্রেন্ডন টেলর।
পাঠকের মন্তব্য
সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন









২০১৩.০২.০৯ ০৯:৪৩Mehdi
২০১৩.০২.০৯ ২৩:১৪