মহাসমুদ্রের মহাগর্জন
ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি
যত দূর চোখ যায়, শুধু মানুষ আর মানুষ। মহাসমুদ্রের কেন্দ্রবিন্দু ছিল গতকালের শাহবাগ। পশ্চিমে কাঁটাবনের মোড়, পূর্বে মৎস্য ভবন, উত্তরে রূপসী বাংলা হোটেল আর দক্ষিণে টিএসসি ছাড়িয়ে গেছে জনতার সেই ঢল
ছবি: সাহাদাত পারভেজ
এ যেন জাতির নবজাগরণ। যত দূর চোখ যায়, কেবল মানুষ আর মানুষ। লাখো জনতার এই মহাসমুদ্রের কেন্দ্রবিন্দু শাহবাগের ‘প্রজন্ম চত্বরের’ নবজাগরণ মঞ্চ। তবে পশ্চিমে কাঁটাবনের মোড়, পূর্বে মৎস্য ভবন, উত্তরে রূপসী বাংলা হোটেল আর দক্ষিণে টিএসসি ছাড়িয়ে গেছে জনতার সেই ঢল। সমবেত এই জনতার কণ্ঠে নানা স্লোগান, চোখেমুখে রাজপথে থাকার দৃপ্ত শপথ।
গতকাল শুক্রবার বেলা তিনটায় এই ছিল শাহবাগ ও আশপাশের এলাকার চিত্র। লাখো জনতা যখন চিৎকার করে সমবেত কণ্ঠে বলছিলেন ‘জয় বাংলা’, যখন বলছিলেন ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’; ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’; তখন মনে হচ্ছিল, এই বুঝি সত্যিই এক রণাঙ্গন। যেন প্রিয় স্বদেশকে হায়েনার হাত থেকে রক্ষার শপথ নিচ্ছেন জনতা।
কাদের মোল্লাসহ মানবতাবিরোধী সব অপরাধীর ফাঁসির দাবিতে গতকালের শাহবাগের মহাসমাবেশে যোগ দিতে এসেছিলেন এই জনতা। সবার একটাই কথা, ‘ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’। বেলা তিনটায় পূর্বঘোষিত এই মহাসমাবেশ শুরু হলেও সকাল থেকেই শাহবাগ ও এর আশপাশের এলাকায় জনতার ঢল নামে।
বেলা তিনটায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে মহাসমাবেশ শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত জনতা একাত্তরের হত্যাকারী আর ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন। এই মহাসমাবেশ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার দাবিও তোলা হয়। দাবি আদায়ে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ নেন উপস্থিত জনতা।
কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় প্রত্যাখ্যান করে গত মঙ্গলবার বিকেলে শাহবাগ মোড়ে এই বিক্ষোভের সূচনা করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এ আন্দোলনে যোগ দেন। মঙ্গলবারের পর সকাল পেরিয়ে দুপুর, দুপুর পেরিয়ে রাত, রাত পেরিয়ে আবার সকাল হয়েছে অনেকবার। কিন্তু আন্দোলনকারীদের তাতে কোনো ক্লান্তি নেই, কোনো ক্লান্তি নেই সাধারণ মানুষের। কোনো ক্লান্তি নেই বাংলাদেশের।
গন্তব্য শাহবাগ: গতকাল সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন জড়ো হতে শুরু করেন শাহবাগে। কয়েক দিন ধরে রাত জাগার ক্লান্তি ধুয়ে ফেলে ভোরের আলো ফোটার পরপরই প্রতিবাদী আন্দোলনের কর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানান আগতদের। সব মিলিয়ে সকাল থেকে আবার মুখরিত হয়ে ওঠে শাহবাগ।
ছাত্র ও যুবকদের এই মহাসমাবেশে যোগ দিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দেন। শিক্ষক-চিকিৎসক-প্রকৌশলী—সব শ্রেণী-পেশার মানুষ এসেছিলেন এই মহাসমাবেশে। নারী-পুরুষ-কিশোর-তরুণী-যুবক—সব বয়সের মানুষেরই সরব উপস্থিতি ছিল এই শাহবাগে। এমনকি যে শিশু হাঁটতে জানে না, সেও এসেছিল মা-বাবার কোলে চড়ে। এসেছিলেন অনেক মুক্তিযোদ্ধাও। বোন এসেছে ভাইয়ের হাত ধরে।
উপস্থিত জনতার একটাই দাবি, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি। আর তাই আগতদের অনেকেই সেসব দাবি লিখেছিলেন তাঁদের শরীরে। উপস্থিত অনেকের পরনেই ছিল লাল-সবুজের পোশাক, অনেকের কপালে লেখা ছিল—বাংলাদেশ।
রংপুর থেকে এই আন্দোলনে যোগ দিতে এসেছিলেন স্কুলশিক্ষিকা পঞ্চাশোর্ধ্ব বেবী চৌধুরী। সমাবেশ মঞ্চের কাছে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘কোনোভাবেই ঘরে বসে থাকতে পারছিলাম না। তাই রংপুর থেকে চলে এসেছি। এখন আমার অনেক শান্তি লাগছে।’
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শাহবাগে বাড়তে থাকে মানুষের অংশগ্রহণ। রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসা মানুষের হাতে ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার ছিল। মুক্তিযোদ্ধারা আসেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের লাল পতাকা নিয়ে। প্রতিটি মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশ করলে আশপাশের সহযোদ্ধারা তাঁদের তুমুল করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান।
সকালে শাহবাগ চত্বর থেকে বারডেম হাসপাতাল পর্যন্ত প্রায় ১০০ ফুট লম্বা তিনটি সাদা কাপড় বিছানো হয় রাজপথে। সেখানে হাজার হাজার মানুষ লিখছেন তাঁদের মনের কথা, মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার আকুলতার কথা। তাঁরা লিখছেন, ‘হয় আমাকে ফাঁসি দাও, নয়তো কাদের মোল্লাসহ সব রাজাকারকে।’ উদয়ন স্কুলের এক ছাত্র লিখেছে, ‘যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় না শুনে বাড়ি ফিরে যাব না।’ ইস্কাটনের বাসিন্দা সাইফ তানভীর লিখেছেন, ‘কোথায় তোমার মুক্তিসেনা, কোথায় আছ তোমরা? জেগে ওঠো বাংলাদেশ।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের ছাত্রীরা মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন ঝাড়ু হাতে। তাঁরা প্রতীকী কুশপুত্তলিকা বানিয়ে ঝাড়ু দিয়ে পেটাচ্ছিলেন। চারুকলার শিক্ষার্থীরা সকাল থেকেই রং-তুলি হাতে ছড়িয়ে ছিলেন বিভিন্ন স্থানে। তাঁরা অনেকের কপালে-গালে এঁকে দিয়েছেন লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা। জাদুঘরের সামনে আলোকচিত্রীরা আন্দোলনের ছবির প্রদর্শনীর আয়োজন করেন। সকাল থেকেই শাহবাগের কোথাও চলে গণসংগীত, কোথাও নাটক, আবার কোথাও বা যুদ্ধাপরাধীবিরোধী চিত্রাঙ্কন। বেলা দুইটার দিকে শাহবাগসহ আশপাশের গোটা এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
মহাসমাবেশ শুরু: শাহবাগে লাখো জনতার সরব উপস্থিতি। শাহবাগ মোড়ে একটি ছোট ট্রাকে তৈরি হয়েছে মূল মঞ্চ। সেখান থেকে চরমপত্র পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহাসমাবেশ। চরমপত্র পড়ে শোনান ব্লগার শহীদুল ইসলাম। তবে আনুষ্ঠানিক মহাসমাবেশ শুরু হয় বেলা তিনটায়। খোলা ট্রাকে করা মঞ্চে হাজির হন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের নেতারা। সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, দেশের বরেণ্য শিল্পী, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও এসেছিলেন সমাবেশে।
বেলা তিনটায় সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয় জাতীয় সংগীত। লাখো মানুষ বুকে হাত দিয়ে গেয়ে ওঠে প্রাণের প্রিয় সংগীত: ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’। এ সময় সমাবেশস্থলে উপস্থিত অনেকেই কাঁদছিলেন। সব মিলিয়ে তৈরি হয় ভিন্ন এক আবহ।
জাতীয় সংগীতের পর কিছুক্ষণ স্লোগান চলে। এরপর শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পালা। ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন। তাঁদের সবার একটাই কথা—এটি কোনো দলের আন্দোলন নয়, এটি জাতীয় আন্দোলন। মানবতাবিরোধীদের মৃত্যুদণ্ড না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।
মহাসমাবেশ চলাকালে মঞ্চের সামনে মুক্তিযোদ্ধা দাউদ খান এক হাতে স্টেনগান, আরেক হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবির প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। মহাসমাবেশের ভেতরেই বসে ছিলেন জাফর ইকবাল। হঠাৎ আয়োজকেরা তাঁর নাম বললে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন জনতা। একপর্যায়ে তরুণেরা অনেকটা পাঁজাকোলা করেই তাঁকে মঞ্চে নিয়ে আসেন। বক্তব্য শুরু করতে এসে তিনি নিজেও জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া শুরু করেন। সমাবেশের মূল মঞ্চে প্রথমে অঞ্জন রায় এবং পরে মুক্তিযোদ্ধা ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসির উদ্দীন ইউসুফ সমাবেশ পরিচালনা করেন। সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত এ সমাবেশ চলে।
স্লোগানে মুখর শাহবাগ: নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এসেছিলেন এই মহাসমাবেশে। তাঁরা কেবল সংহতিই প্রকাশ করেননি, তাঁদের বক্তব্যে উজ্জীবিত করেছেন তরুণদের। দিনভর শাহবাগে চলে নানা আয়োজন। কখনো প্রতিবাদী গান, কখনো আবৃত্তি। ক্ষণে ক্ষণে বক্তৃতা। তবে সবকিছু ছাড়িয়ে স্লোগানে মুখর ছিল শাহবাগ। লাখো কণ্ঠে উচ্চারিত এসব স্লোগান মনে হয়েছে জনতার মহাগর্জন।
‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’; ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’; ‘বীর বাঙালির হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’; ‘জামায়াত মারার হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’; ‘শিবির মারার হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’; ‘জামায়াতের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’; ‘সাম্প্রদায়িকতার আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’; ‘জ্বালো জ্বালো আগুন জ্বালো’; ‘পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা, পাকিস্তানেই ফিরে যা’; ‘লাখো শহীদ ডাক পাঠাল, সারা বাংলায় খবর দে, সারা বাংলা ঘেরাও করে জামায়াত-শিবির কবর দে’; ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’; ‘বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াত-শিবিরের ঠাঁই নাই’; ‘আমাদের ধমনিতে শহীদের রক্ত, এই রক্ত কোনো দিনও বৃথা যেতে দেব না’; ‘আর কোনো দাবি নাই, রাজাকারের ফাঁসি চাই’; ‘জামায়াতে ইসলাম, মেড ইন পাকিস্তান’; ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’—এসব স্লোগানে নতুন এক কাব্যের জন্ম হয় শাহবাগে। আর সব স্লোগানের শেষ ছিল: ‘জয় বাংলা’।
তুই রাজাকার, তুই রাজাকার: অসংখ্য স্লোগান উঠলেও শাহবাগের এখন সবচেয়ে বড় স্লোগান: তুই রাজাকার। নতুন এই স্লোগান এবং নতুন এক বর্ণমালা পুরো শাহবাগকে এখন উজ্জীবিত করে রেখেছে। গতকালের মহাসমাবেশে কিছুক্ষণ পরপরই এই স্লোগান চলছিল। বিশেষ করে লাকী যখন সমাবেশ মঞ্চে উঠে এই স্লোগান দেওয়া শুরু করেন, তখন পুরো সমাবেশ যেন নতুন প্রাণ পায়।
লাকী মাইকের এক পাশ থেকে শুরু করেন, ‘ক তে কাদের মোল্লা’। সমস্বরে হাজারো জনতা চিৎকার করে বলতে থাকেন: ‘তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’। আবার মাইক থেকে বলা হয়, ‘ক তে কামারুজ্জামান’। সমস্বরে উত্তর: ‘তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’। ‘গ তে গোলাম আযম’। সমস্বরে উত্তর: তুই রাজাকার, তুই রাজাকার। ‘স তে সাকা’। সমস্বরে উত্তর: তুই রাজাকার, তুই রাজাকার। ‘ম তে মুজাহিদ’। সমস্বরে উত্তর: ‘তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’। ‘ন তে নিজামী’। সমস্বরে উত্তর: ‘তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’। ‘স তে সাঈদী’। সমস্বরে উত্তর: ‘তুই রাজাকার, তুই রাজাকার’। জাফর ইকবাল নিজেও এই স্লোগান দিয়ে জনতাকে উজ্জীবিত করেন। এ সময় তিনি বলেন, একসময় এ দেশে তুই রাজাকার বলা যেত না। হুমায়ূন আহমেদ টিয়া পাখি দিয়ে এই স্লোগান শুরু করেছিলেন। এখন তিনি ওপর থেকে সব দেখছেন। লাখো শহীদ আর জাহানারা ইমামও সব দেখছেন।
মঞ্চ থেকে এ সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্যপদ খারিজেরও দাবি জানানো হয়।
শপথে শেষ: সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে শাহবাগের মহাসমাবেশের মঞ্চ থেকে উপস্থিত জনতাকে শপথ পাঠ করান ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ইমরান এইচ সরকার। তিনি এ সময় বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। সারা দেশে জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করার ঘোষণাও দেন তিনি। এ ছাড়া জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং জামায়াতকে যারা সহায়তা করছে, তাদের প্রতিহত করার ঘোষণাও দেওয়া হয়। তাঁর শপথের পরই মহাসমাবেশের বক্তব্য পর্ব শেষ হয়।
এরপর আবারও শুরু হয় সাংস্কৃতিক পর্ব। চলে প্রতিবাদী গান ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। শাহবাগের এই মহাসমাবেশ শেষ করে সন্ধ্যায় শিশুপুত্রকে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন রাহেলা বাবলী। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘সেই মিরপুর থেকে অনেক কষ্টে এসেছিলাম শাহবাগে। এখন তৃপ্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছি।’
আন্দোলনের আরেক রাত: সন্ধ্যার পর আবারও সেই একই চিত্র। বিভিন্ন স্থানে চলছে স্লোগান। চলছে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। মোমবাতি আর মশালে সৃষ্টি হয়েছে অন্য এক আবহ। আন্দোলনকারী ক্ষুধার্ত মানুষদের খাওয়াতে অনেকেই বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে এসে দিয়ে যাচ্ছেন। অনেক বৃদ্ধ পরম মমতায় হাত বোলাচ্ছেন তরুণ আন্দোলনকারীদের। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হচ্ছে। কিন্তু শাহবাগের স্লোগান তখনো থামেনি। শাহবাগের আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা অপেক্ষায় আছেন নতুন এক বাংলাদেশের।
পাঠকের মন্তব্য
সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন







Asad
২০১৩.০২.০৯ ০৩:৪০-এক মা তার ছেলেকে ফোন করে বলতেছে,"এক মুহূর্ত দেরি করবি না,তর বড় আপুকে নিয়ে তাড়াতাড়ি শাহবাগ চলে আয়"
-এক পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা হুইল চেয়ারে করে আসছে,মাথায় পতাকা বাঁধা,চোখ দিয়ে পানি পড়তেছে আর বলতেছে,"রাজাকারের ফাঁসি চাই"
-যে রিকশা চালক, রিকশা চালায় পেট চালানোর জন্য,সে আজ আমার ছোট ভাইকে বিনামূল্যে শাহবাগে নিয়ে গেছে...
-এক বড় আপুকে দেখলাম কলসিতে পানি ভরে সবাইকে পানি খাওয়াচ্ছে...
-এক বাবা তার তিন মাসের বাচ্চাকে নিয়ে এসেছে।এত ছোট বাচ্চাকে কেন নিয়ে এসেছেন জিজ্ঞেস করতেই উনি বললেন,"আমি চাই আমার বাচ্চার রক্তে স্বাধীনতার চেতনা
ঢুকুক,তার রক্তে থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ভালবাসা আর রাজাকারদের প্রতি ঘৃণা"
এই হচ্ছে বাঙালির দেশ প্রেম ... যাদের শরীরে বাঙালির রক্ত বইছে শুধু তাদের পক্ষেই সম্ভব দেশের জন্য এই টান অনুভব করা ... কোনও রাজাকারের পক্ষে
এই দেশ প্রেম বোঝা সম্ভব না ...
mostafa
২০১৩.০২.০৯ ০৩:৪৪Asad
২০১৩.০২.০৯ ০৩:৪৬M A SARKER
২০১৩.০২.০৯ ০৩:৫৭mahabubul Haque
২০১৩.০২.০৯ ০৪:০৮ক তে কাদের মোল্লা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ক তে কামারুজ্জামান,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
গ তে গোলাম আযম,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
স তে সাকা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ম তে মুজাহিদ,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ন তে নিজামী,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
Hasina CHowdhury
২০১৩.০২.০৯ ০৪:২০Rubel
২০১৩.০২.০৯ ০৪:৪৫রাজাকারের ফাঁসি ।
shaikh osman gani
২০১৩.০২.০৯ ০৭:১২Ferdous Younus
২০১৩.০২.০৯ ০৭:১৬Ronju Khan
২০১৩.০২.০৯ ০৭:২০মনিরুজ্জামান
২০১৩.০২.০৯ ০৭:৪০Azizul Haque
২০১৩.০২.০৯ ০৮:২৯Dear Leader of Opposition(Khaleda Zia) please carefully listen peoples' voice and take decision either with the youth's demand or with the Jamat-Shibir and get peoples verdict for the place and judgement of history.
Fahia Chowdhury
২০১৩.০২.০৯ ০৯:০৩Arif Akhanda
২০১৩.০২.০৯ ০৯:২১mahahosain2009@gmail.com
২০১৩.০২.০৯ ০৯:২২Abu Sayed
২০১৩.০২.০৯ ০৯:২৯Pranto
২০১৩.০২.০৯ ০৯:৩৫Nill Akash
২০১৩.০২.০৯ ০৯:৪৭sharif
২০১৩.০২.০৯ ০৯:৪৮mohammad abu hanif sarker
২০১৩.০২.০৯ ০৯:৫৪"মা-গো ভাবছ কেন ?
আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে ,
তবু শত্রু এলে অস্ত্র তুলে ধরতে জানি ;
তোমার ভোয় নেই মা-
আমরাও প্রতিবাদ করতে জানি"
এগিয়ে যাও বন্ধুরা আমরা আছি তোমাদের সাথে ।
siddik
২০১৩.০২.০৯ ১০:০৪siddik
২০১৩.০২.০৯ ১০:০৬Prince Mahmud Doel
২০১৩.০২.০৯ ১০:০৬Moin
২০১৩.০২.০৯ ১০:১১এই দুই শত্রুদের রুখে দাঁড়াবার এখনই সময় …
জাগো দেশের তরুণ প্রজন্ম… আমরা রুখে দাড়ায় এই শত্রুদের বিরুদ্ধে
এসো গড়ে তুলি আমাদের সোনার বাংলাদেশ...
md rakib rayhan ( khulna)
২০১৩.০২.০৯ ১০:১৯sanjay saha
২০১৩.০২.০৯ ১০:২৫Partho Das
২০১৩.০২.০৯ ১০:২৬মামুন- অর-রশীদ
২০১৩.০২.০৯ ১০:৩১
২০১৩.০২.০৯ ১০:৩৪তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ক তে কামারুজ্জামান,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
গ তে গোলাম আযম,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
স তে সাকা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ম তে মুজাহিদ,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ন তে নিজামী,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
সাথে আমি শাহাবাগ স্কয়ারে।
sagar
২০১৩.০২.০৯ ১০:৩৯সেই সঙ্গে অত্যন্ত পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ করছি, কিছু লোক প্রজন্ম চত্বরের এই অরাজনৈতিক বিশাল-জনসমূদ্রর মধ্যেও জনগণের সম্পৃক্ততা দেখতে পাচ্ছে না, তারা দেখতে পাচ্ছে শুধু কিছু বামদল সম্পৃক্ত মানুষ। তাদের কাছে জানতে ইচ্ছে করে জনগণ কারা? আসলে আমাদের রাজনীতিকরা (আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জামাত, জাতীয় পার্টি তথা প্রতিটি রাজনৈতিক দল) মনে করে শুধু তাদের মতাদর্শের অনুসারিরাই জনগণ এর বাইরে কোন জনগণ থাকতে পারে না।
রাজনীতিকদের কাছে অনুরোধ করবো আপনাদের কথায় কথায় তথাকথিত জনগণের নাম ভাঙ্গিয়ে দেশের সাধারণ জনগণকে হেয় করার এই প্রয়াস বন্ধ করুন।
We all therefore support wholeheartedly these people demanding capital punishment for Kader and others, chanting slogans for banning Jamatists or jihadists. Again, we know we have so many other problems, but none but a fool can think of getting rid of all problems overnight.
I am not sure of the destiny of this rally of the young generation because there is always differences in opinion when a small cohort turns into an incredible mass. On that note, may I humbly draw your attention to the fact that emotion takes you to a battle, but you need strategies to win the battle. Joy Bangla.
SA.
Md. Rashedul Islam
২০১৩.০২.০৯ ১১:০১কথা ও সুর: কবীর সুমন
বিমানে উড়তে তিরিশ মিনিট
এতো কাছে তবু দূর
বিলকুল নেই পাসপোর্ট ভিসা
সীমানা চেনেনা সুর।
সীমানা চিনিনা আছি শাহবাগে
আমার গীটারও আছে,
বসন্ত আজ বন্ধুরা দেখো
গণদাবী হয়ে বাঁচে।
বাঁচো গণদাবী, বাঁচো গণদাবী
আসল বিচার চাই,
যার যা পাওনা তাকে সেটা দাও
গণদাবী একটাই।
চল এগিয়ে চল বীর বাঙ্গালী! জয় বাঙলা, জয় বঙ্গবন্ধু! জয় নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ।
siddik
২০১৩.০২.০৯ ১১:১২We eagerly wait for this moment!!!
Subir Kashmir Pereira
২০১৩.০২.০৯ ১১:২১জাগাবো হাসি,
যেইক্ষণে হবে
রাজাকারের ফাঁসি ।
ফারহানা জামান লিজা
২০১৩.০২.০৯ ১১:২১Sabuj
২০১৩.০২.০৯ ১১:২২Prabir Das
২০১৩.০২.০৯ ১১:২৪Nur Sahed
২০১৩.০২.০৯ ১১:২৯Kiron Ahmed
২০১৩.০২.০৯ ১১:২৯Kiron Ahmed
২০১৩.০২.০৯ ১১:৩১Sharif
২০১৩.০২.০৯ ১১:৩১জয় বাংলা, জয় নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ।
সুখেন্দু বিশ্বাস
২০১৩.০২.০৯ ১১:৫৩সুজন পাল
২০১৩.০২.০৯ ১১:৫৮এই আন্দোলন সফল হবেই। না হওয়া পর্যন্ত এই জনতা ঘরে ফিরবে না। ৭১ এর কালিমা মুছে দেবার এটাই শেষ সুযোগ।
যারা এই আন্দোলনের বিরোধিতা করছে, তারা সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নয়। আর তারা কখনোই আমাদের সোনার বাংলা উপহার দিতে পারবে না। সোনার বাংলা একমাত্র স্বাধীনতার স্বপক্ষের তরুণরাই গড়তে পারবে।
দেশের জন্য আমাদের সবাইকে এই আন্দোলনে যোগ দেয়া উচিৎ।
Abdullah Al Mamun
২০১৩.০২.০৯ ১২:০১a.h kaysar ahmed
২০১৩.০২.০৯ ১২:০৭আমি সেই দিন হব শান্ত
জবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন রোল আকাশ বাতাসে ধবনিবেনা
অত্যাচারীর খড়গ ক্রিপান ভিম রন ভুমে রনিবে না
বিদ্রোহী রন ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত
mohammed mohiuddin
২০১৩.০২.০৯ ১২:১১Bikash
২০১৩.০২.০৯ ১২:১৪Md Mokbul Hossain
২০১৩.০২.০৯ ১২:২৬Sukumar Sarkar
২০১৩.০২.০৯ ১২:২৮কারন ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ না দেখলেও ২০১৩ এর মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি।
Atiqur Rahman Ramzan
২০১৩.০২.০৯ ১২:৫২আজ শুধু ই শাহবাগ নয় সাড়া বাংলার আনাছে- কানাছে সকল বয়সের, সকল পেশার মানুষ, প্রকৃ্ত ভাবে এরা কোন বিশেষ দল বা গোষ্টির নয় তথা সমগ্র জাতি আজ একত্রিত হয়েছে শুধু মাত্র এক টি দাবী নিয়ে " রাজাকারের ফাঁসি" । এই দাবী আজ ১৬ কোটি মানুষের প্রানের দাবী। আজ যেন মনে করিয়ে দেয় আমাদের ফেলে আসা ৫২>৫৪>৬৬>৬৯>৭১ এর কথা । আজ আমাদের শান্তিকামী মুক্তিকামী জনতা প্রানের দাবী নিয়ে আমরন রনক্ষেত্রে উপস্থিত হয়েছে এ যেন পলাশীর রণাঙ্গণ । সাবাস সাবাস এগিয়ে চলো, আমরা যেখানে আছি যে ভাবেই আছি আমরা আপনাদের সাথে একাত্বতা ঘোষনা করে সরকারের কাছে প্রশ্ন কেন এই প্রহসন ।।
Md.Nur Uddin
২০১৩.০২.০৯ ১২:৫৭Md. Al-amin
২০১৩.০২.০৯ ১৩:১৩এসেছে জোয়ার
রাজাকারদের ফাসি রুখবে কে আর ?
ক তে কাদের মোল্লা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ক তে কামারুজ্জামান,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
গ তে গোলাম আযম,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
স তে সাকা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
স তে সাঈদী,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ম তে মুজাহিদ,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ন তে নিজামী,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
Mohammad Siam Hossain Khan
২০১৩.০২.০৯ ১৩:৩৮akash ahmed
২০১৩.০২.০৯ ১৩:৪৩Pulak Chakraborty
২০১৩.০২.০৯ ১৩:৫৩JASHIM UDDIN
২০১৩.০২.০৯ ১৩:৫৬ক তে কাদের মোল্লা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ক তে কামারুজ্জামান,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
গ তে গোলাম আযম,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
স তে সাকা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ম তে মুজাহিদ,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ন তে নিজামী,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
Sheikh Rafiq
২০১৩.০২.০৯ ১৪:০৮dibakar .
২০১৩.০২.০৯ ১৪:১০manjur
২০১৩.০২.০৯ ১৪:১২Porimol
২০১৩.০২.০৯ ১৪:২৬Apollo
২০১৩.০২.০৯ ১৪:২৮এই আন্দোলন চলবেই চলবে। যতক্ষণ পর্যন্ত একজন রাজাকার-আল বদর-আল সামস এই বাংলার বুকে থাকবে।
Porimol
২০১৩.০২.০৯ ১৪:৩৯সঞ্জীব
২০১৩.০২.০৯ ১৪:৪০Saifur Rahman
২০১৩.০২.০৯ ১৪:৪৪Joynal
২০১৩.০২.০৯ ১৪:৪৫Aminur Rahman
২০১৩.০২.০৯ ১৪:৫৯(প্রজন্ম স্কয়ারের তরুনদের উদ্দেশ্যে)
ভালইতো কাটছিল দিনগুলো
ভালো মন্দে শরতের আকাশের মত
ঘা-টাও শুকিয়ে আসছিল যেন চৈত্রের মরা গাঙ
দাগ হয়তো থাকতো একটা
কলঙ্কের - কষ্ঠের
হয়তো তাও বোঝার মত কিছু নয় ।
কেন তা রক্তাক্ত করা হলো খুচিয়ে খুচিয়ে
অন্তরের রক্তক্ষরণ যেন
কেন তাতে নুনের ছিটা - কাচা হয়ে ওঠা
পুরনো ঘায়ে?
পিতার রক্তাক্ত লাশের উপর হামাগুড়ি দেয়া
ধর্ষিতা মায়ের সন্তান আমি - উঠে দাড়িয়েছি নব স্ফুলিঙ্গে
আমার যে আর ঘরে ফেরার উপায় নেই
হাতে সময় কম ফুরসুৎ নেই পেছন ফেরার।
দুহাত তুলে ভিক্ষা নয়
বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি
পিতৃ হত্যার বিচার - মায়ের অপমানের প্রতিশোধ।
আমার যে আর ফেরার উপায় নেই
দেখে নিও এবার আমি আর খালি হাতে ফিরবো না
সত্যিই তোমরা দেখে নিও।
Sushanta Mishra
২০১৩.০২.০৯ ১৫:০৭Mohammad Enayet Ullah-Milon (Gazipur)
২০১৩.০২.০৯ ১৫:০৮SHAHADAT H SHAD (শাহাদাত শাদ )
২০১৩.০২.০৯ ১৫:১৮ক তে কাদের মোল্লা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ক তে কামারুজ্জামান,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
গ তে গোলাম আযম,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
স তে সাকা,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ম তে মুজাহিদ,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
ন তে নিজামী,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার !!
...............কথা এক, দাবী এক, আওয়াজ এক, মিলন মেলাও এক "রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ"....
Md. Imran Hossain
২০১৩.০২.০৯ ১৫:২৬Uddin
২০১৩.০২.০৯ ১৫:২৭khurshid alam
২০১৩.০২.০৯ ১৫:৩৯Haroon-Or Rashid
২০১৩.০২.০৯ ১৫:৪১সময় এসেছে আজ তোমরা থেকো না ঘরে বসে
তোমরা শক্তি, তোমরা বল, তোমরা দেশের প্রাণ
বন্ধ দরজা খুলে এসো তোমরা আজকের জাগরণে
তোমরা যদি জেগে উঠো তবে পালাবে শকুনেরা
Samser Ali
২০১৩.০২.০৯ ১৫:৪৭Syed Kamrul Huq
২০১৩.০২.০৯ ১৬:২৯Taifur Rahman
২০১৩.০২.০৯ ১৬:৩২kosteachi
২০১৩.০২.০৯ ১৭:০৮রাজাকারের ফাঁসি।
m a islam
২০১৩.০২.০৯ ১৭:০৮Safiqul Islam Chowdhury
২০১৩.০২.০৯ ১৭:৩০Tarique Bin Shahid
২০১৩.০২.০৯ ১৭:৩০মুক্তিযুদ্ধ হয়নি শেষ, জেগে থাকো বাংলাদেশ।
Tarique Bin Shahid
২০১৩.০২.০৯ ১৭:৪৯মুক্তিযুদ্ধ হয়নি শেষ, জেগে থাকো বাংলাদেশ।
saheel noor
২০১৩.০২.০৯ ১৮:১৩Ashek
২০১৩.০২.০৯ ১৯:৪২আর আমার দেশ পত্রিকার শিরোনাম হলো “শাহবাগে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি : গৃহযুদ্ধের উসকানি বক্তাদের গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার : আওয়ামী বুদ্ধিজীবীদের রণহুঙ্কার”।
আমার দেশ পত্রিকার শ্লোগান হলো: স্বাধীনতার কথা বলে।
যারা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করে দেখে, রাজাকারদের দালালি করে তারা কিভাবে স্বাধীনতার কথা বলে?
যারা সাধারণ মানুষের রাজাকারদের ফাসির দাবিতে আন্দোলনকে আওয়ামীপন্থী আন্দোলন বলে জনগনকে উসকানি দেয়।
আমি এর তিব্র প্রতিবাদ জানাই এবং জনগনকে এইসব উসকানিতে বিব্রান্থ না হওয়ার আহ্বান জানাই।
কাদের মোল্লা সহ সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই।
জয় বাংলা...
Ariful hachan Sumon
২০১৩.০২.০৯ ২০:০৭masudur rahaman
২০১৩.০২.০৯ ২০:১২রুখতে পারিনি নিজেরে,
আত্মগ্লানিতে ভেসেছি!
এসেছি এখানে,
জাত-পাত,প্রথা ভেদে!
দেখসি প্রাণে প্রাণ,
মিশেছে নিস্বার্থ প্রতিশোধের জেদে!
দেখাতে আসিনি,
বাঙালির আসল রূপ দেখতে এসেছি!
হরিয়া যাওয়া এই আমারে,
জনতার ভিরে খুঁজে ফিরেছি!
এসেছি এখানে,
শ্রেষ্ঠ বাঙালিদের সম্মান দেখাতে,
রাজাকারদের কুশপুত্তলিকায়.....
লাখো থুতু একসাথে মারতে!
(শাহবাগের চিরযুবা বাঙালিদের সম্মানে)
asraful islam russel
২০১৩.০২.০৯ ২১:২৫nor sentence me to death.