বিশ্বায়নের কাল

একজন প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রয়োজন

কামাল আহমেদ | তারিখ: ০৯-০২-২০১৩

  • ১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) তার ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড ডিফেন্স প্রোগ্রামের অধীনে এক জরিপ চালিয়ে বলেছে যে সামরিক খাতে বাংলাদেশে দুর্নীতির ঝুঁকি বেশি। অন্যান্য দেশের মতোই বাংলাদেশ সরকারের কাছেও তারা তাদের জরিপের ফলাফল বিষয়ে মতামত চেয়ে পাঠিয়েছিল। কিন্তু সাড়া পায়নি।
এর আগে গত সপ্তাহে রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্র ক্রয়ের বিষয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বিতর্কের পটভূমিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে অস্ত্র ক্রয়ের প্রয়োজনীয়তা এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সহযোগিতার বিবরণ তুলে ধরে সমালোচকদের সমালোচনার জবাব দেন। অবশ্য, তার আগে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকেও নজিরবিহীনভাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই অস্ত্রচুক্তির যৌক্তিকতা এবং আইনগত অবস্থা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। এসব সংবাদ সম্মেলনে সব প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে কি না, তা সামরিক বিশেষজ্ঞরাই ভালো বলতে পারবেন।
এর আগেও বর্তমান সরকারের আমলে একাধিকবার প্রতিরক্ষা বাহিনী-সম্পর্কিত একাধিক বিতর্ক আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। এর একটি হলো নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না হওয়া, অন্যটি মেট্রোরেলের প্রস্তাবিত রুট পরিবর্তনে বিমানবাহিনীর ভূমিকা ও চাপ প্রয়োগ। এ সবকিছুর ক্ষেত্রেই বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর যোগসূত্র স্থাপনের কাজটি হওয়ার কথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। কিন্তুু বাংলাদেশে যেহেতু সব সরকারের আমলেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সব সময় থেকেছে সরকারপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রীর হাতে, সে কারণে প্রতিরক্ষাবিষয়ক যেকোনো সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে তা যদি স্পর্শকাতর কিছু হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে সরকারপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ছাড়া কারও পক্ষেই কিছু বলা বা করার উপায় থাকে না। ট্রান্সপারেন্সির অনুরোধে প্রতিরক্ষাসচিব কিংবা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সচিব কেন নিরুত্তর থেকেছেন (সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী), তা বুঝতে তাই কারও কষ্ট হওয়ার কথা নয়।
বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীতে অনেক দিন ধরেই একধরনের অন্তর্মুখীন সংস্কৃতি চালু আছে। এমনকি কোনো সেনা কর্মকর্তাকে বেসামরিক কোনো দায়িত্বে নিয়োগ করা হলেও তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে চান না বা কোনো তথ্য নিজে থেকে প্রকাশ করতে চান না। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিটিআরসি, বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বা এমনকি বাংলাদেশ বিমানের মতো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে চেয়ারম্যান পদে অনেক দিন ধরেই সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আর এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য বেসামরিক পরিচালক বা অন্য কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যতটা পাওয়া যায়, ততটা সেখানকার নির্বাহী প্রধানদের কাছ থেকে পাওয়া যায় না। অথচ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে যে প্রতিষ্ঠান হিসেবে সামরিক বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হতে পারে, সে বিষয়টিকে তাঁরা হয় গুরুত্ব দেন না, নতুবা বুঝতে চান না। একটা ছোট্ট উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করে নানা ধরনের অনিয়ম চিহ্নিত করে সেগুলো নিষ্পত্তি করার কাজটি করে থাকেন মহাহিসাব নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক। সরকারি ব্যয়ে অনিয়ম চিহ্নিত হলে এবং তার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা না পেলে সে বিষয়ে তিনি তাঁর প্রতিবেদন পেশ করেন রাষ্ট্রপতির কাছে; যেটা রাষ্ট্রপতি আবার সংসদে উপস্থাপনের জন্য পাঠিয়ে থাকেন। সংসদ তখন প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলে, যার পরিণতিতে সেগুলোর কোনো কোনোটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) গিয়েও ঠেকতে পারে। এ বিষয়ে মহাহিসাব নিরীক্ষক বছর দুয়েক আগে আমাকে বলেছিলেন যে প্রতিরক্ষা খাতের হিসাব নিরীক্ষায় তাঁরা অনিয়ম পান খুব কমই। আর, যদি কোনো অসংগতি তাঁরা পান, তাহলে তার নিষ্পত্তিও হয় খুব তাড়াতাড়ি। তাহলে প্রতিরক্ষা খাতের ব্যয়-বিষয়ক তথ্য নিয়ে গোপনীয়তার কি কোনো যুক্তি আছে? সমরাস্ত্র অথবা সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহ কিংবা কোনো নিরাপত্তা কার্যক্রম বিষয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখা যুক্তিসংগত হলেও সামরিক বাহিনীর সব বিষয়ই সাধারণের চোখের আড়ালে থাকত হবে, এমনটা কাম্য নয়।
সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর পদস্থ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার জবাব পেতেও এ জন্য অপেক্ষা করতে হয় দিনের পর দিন। সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২০১১ সালের সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নেরই জবাব দিতে পারেনি আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর। এই অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে তো জাতীয় নিরাপত্তা বা গোপনীয়তা দৃশ্যমান নয়। সাবেক সেনাপ্রধানের কাউকে কাউকে দাওয়াত না দেওয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলদের কাউকে কাউকে দাওয়াত দিয়ে তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার কারণ জানতে গিয়েছিলেন যেসব সাংবাদিক, তাঁরা কেউ-ই সফল হননি।
বর্তমান সংসদে দেখা গেছে, প্রতিরক্ষা বিষয়ে সাংসদদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব কয়েকবার পড়েছিল কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর ওপর। আর সরকারের মধ্যে যদি কেউ এসব বিষয়ে জানতে চান, তাহলে সম্ভবত তাঁকে যেতে হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টার কাছে। সাধারণ মানুষের মনে এ বিষয়ে কোনো আগ্রহ তৈরি হলেও তাদের তা জানার সুযোগ নেই। খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন সংসদে ওই দায়িত্বটি পড়ত মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদের ওপর। তাঁর অবশ্য এ ধরনের উপদেষ্টা ছিলেন না।
সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রকল্পে জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে অনুসন্ধান চালানোর সময় সাবেক সেনাপ্রধানদের একজন (যিনি কোনো রাজনীতিতে জড়িত নন) আমাকে তাঁর পরিচয় গোপন রাখার শর্ত দিয়েছিলেন এই বলে যে তিনি কোনো ঝামেলায় জড়িয়ে হয়রানির শিকার হতে চান না। রাজনৈতিক কারণে অবসর নেওয়ার পর যদি জেনারেলরা সামরিক বাহিনীর কোনো অনুষ্ঠানের প্রবেশাধিকার হারান, তাহলে এটা সহজেই অনুমেয় যে কেন তাঁরা চাকরিতে থাকা অবস্থায় মুখ খুলতে চান না।
নারায়ণগঞ্জের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না হওয়ায় যে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার কারণটা সপ্তাহ খানেক পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছিলেন। বিদেশ থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী জানালেন যে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হলে সশস্ত্র বাহিনীকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয় এবং যেহেতু তিনি সে সময় বিদেশে ছিলেন, সেহেতু ওই সময়ে তাঁর দপ্তর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি। (দ্য ডেইলি স্টার, ৪ নভেম্বর, ২০১১)
প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা এবং অভিজ্ঞতার পটভূমিতে তাহলে বলা চলে যে অন্য কেউ যদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হতেন, তাহলে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতো না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা বাদ দিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে যে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় যদি কোনো কারণে (যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধারকাজ) জরুরি ভিত্তিতে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হয়, তাহলে কী হবে? ঢাকায় ভবন ধসের ঘটনায় যে রকম সেনা মোতায়েন করার প্রয়োজন হয়েছিল, তেমনই কোনো একটা জরুরি পরিস্থিতি যে কখনো তৈরি হবে না, সে কথা কি কেউ জোর দিয়ে বলতে পারবেন?
ঢাকার গণপরিবহনব্যবস্থায় উন্নয়নের লক্ষ্যে যে মেট্রোরেল প্রকল্প সরকার হাতে নিয়েছে, তার গতিপথ পরিবর্তনে বিশেষজ্ঞদের বিপরীতে বিমানবাহিনীর মতামত প্রাধান্য পেয়েছে। কথা উঠেছিল যে প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝানো হয়েছে। অভিজ্ঞ আমলা ও রাজনীতিবিদদের অনেকেই বলেছেন যে যদি অন্য কেউ প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকতেন, তাহলে মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংসদ এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে যাঁরা এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন না (স্পিকারের প্রকাশ্য বিরোধিতা এ ক্ষেত্রে স্মরণীয়), তাঁরা বিষয়টি নিয়ে তাঁদের যুক্তিতর্ক তুলে ধরতে পারতেন, যেটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার সুযোগ, সাহস অথবা কোনোটা অনেকের নেই। কথাও উঠেছে যে ওই রকম পরিস্থিতিতে বরং অন্য কেউ প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা তুলে ধরার জন্য তাঁকে অনেক বেশি সতর্ক হতে হতো এবং সে কারণে সেই সিদ্ধান্ত সম্ভবত অনেক বেশি তথ্য ও যুক্তিনির্ভর হতো।
বাংলাদেশে রাজনীতিবিদদের কাছে সামরিক বাহিনী-সম্পর্কিত সব বিষয়ই স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। আর বোধগম্য কারণেই বড় দুই দলের দুই প্রধান এ-সংক্রান্ত সবকিছুর দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে নিয়ে নেন। দীর্ঘ সামরিক শাসনের ইতিহাসের কারণে গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের প্রথম দিকে তাঁদের এই দায়িত্ব পালন হয়তো প্রয়োজনও ছিল। কিন্তু সামরিক শাসন অবসানের ২৩ বছর পরও এ ধরনের বিশেষ স্পর্শকাতরতার অবসান প্রয়োজন। সামরিক শাসনের জন্য কিংবা সামরিক বাহিনীর ভেতরে পেশাদারি আর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় এমন কিছু হয়নি যে পুরোনো ক্ষত সারানোর জন্য দলীয় ও সরকারপ্রধানকেই তাঁদের ভালো-মন্দ এবং চাহিদার বিষয়গুলো দেখতে হবে। দীর্ঘতম সামরিক শাসনের মূল হোতা যিনি, তাঁকে তো রাষ্ট্রদ্রোহ কিংবা সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে বিচারের কাঠগড়ায়ও দাঁড়াতে হয়নি। কেবল দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলায় তাঁকে কয়েক বছর জেলে থাকতে হয়েছে।
আর বিষয়টা ভাবতেও কষ্ট হয় যে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলে দ্বিতীয় আর কেউ নেই, যাঁরা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় চালানোর যোগ্যতা রাখেন। এমনিতেই প্রধানমন্ত্রীর হাতে যতগুলো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রয়েছে, তা একজনের পক্ষে সামাল দিতে তাঁকে হতে হয় অতিমানব। তার ওপর অন্য মন্ত্রীদের সমর্থনে প্রায়ই তাঁকে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হয়। এই যেমন শেয়ারবাজারের বিষয়ে শেষ পর্যন্ত তাঁকেই ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। কিছুদিন আগে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কথাও নিশ্চয়ই আমরা ভুলিনি। অর্থ সাশ্রয়ের জন্য মন্ত্রীর সংখ্যা সীমিত রাখার মতো কোনো কারণও তো আমরা দেখি না; বিশেষ করে, যেখানে মন্ত্রিসভায় উজিরে খামাখাও রয়েছেন। সর্বোপরি দলীয় প্রধান হিসেবে তাঁর রয়েছে আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ওলামা লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে দিকনির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্ব।
প্রতিবেশীদের দিকে তাকিয়েও দ্বিতীয় আর কোনো দেশ দেখছি না, যেখানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকেই নিতে হচ্ছে। এমনকি পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী ভারত কিংবা পাকিস্তানেও নয়।
ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী যদি তাঁর মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন আনেন (যদিও নির্বাচনের বছর খানেক আগে তেমন সম্ভাবনা নেই বলে ধরে নেওয়া যায়), তাহলে তাতে একজন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেলে সরকারের যেমন গতিশীলতা বাড়বে, তেমনি আশা করা যায়, সামরিক বাহিনীর বিষয়গুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিও আসবে। ভবিষ্যৎ সরকারের জন্যও তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
কামাল আহমেদ: প্রথম আলোর লন্ডন প্রতিনিধি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 
২০১৩.০২.০৯ ১০:৪৭
Thanks a lot for such a precious, valuables subeditorial ` Ekjon Potirakshamontrir Proyajhan'. I have seen in his essay that one of Ex CAG of Bangladesh told him that the offices of CAG find small irregularity in defence sector. So far I know, the CAG office don`t have courrages to audit the different department of Armed Forces in Bangladesh. Army regularly procure materials and work without following the Public Procurement Act 2006 and the Public Procurement Rules -2008. The cost of implementation of a project done by Army is three or four times higher than the civil department. There is no transparency in selecting Contractor or Supplier. Though the Procurement law does not allow Defence forces to procure ignoring the Procurement Act and Rules of Bangladesh. We see the political governments always try to satisfy this sector. The office of CAG never try to find out how the defence forces pocure works and materials. In Bangladesh, those who have muscles and arms, the regulatory different don`t search or examine the matters of that department. Even the media keep themselves in mum about these. I congratulate TIB to comments on the activities the Armed Forces of the Bangladesh.