শীত-গরমের লুকোচুরি
শীত কমে গিয়ে আবহাওয়া এই একটু উষ্ণ, আবার দেখা যাচ্ছে তাপমাত্রা নেমে গিয়ে বইতে শুরু করেছে কনকনে হিমেল হাওয়া। মাঘের মাঝামাঝি সময়ে শীত-গরমের এই লুকোচুরি চলছে সারা দেশে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ শুক্রবার তা ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। একই সঙ্গে বইছে কনকনে শীতল হাওয়া। আজ এ পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে। তা হচ্ছে ৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে (৭ দশমিক ৪ ডিগি সেলসিয়াস)।
এ সপ্তাহের প্রথম দিকে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ আবহাওয়া ছিল দেশজুড়ে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ছিল বলে রাজধানী ঢাকার রাজপথে অনেক পথচারীর গায়ে গরম পোশাক দেখা যায়নি।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহ আলম প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘উচ্চচাপবলয়ের কারণে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এখন হালকা থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। এ কারণে ঠান্ডা বেড়েছে। তাপমাত্রা আর ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর নিচে নামলে আমরা বলব যে শৈত্যপ্রবাহ বইছে।’
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাতে আবারও তা কমে যেতে পারে। শীতের এই দাপট আরও দু-তিন দিন থাকতে পারে। তবে তা এ মাসের প্রথম দিকে সারা দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহের মতো হবে না। ঢাকাসহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শীতের তীব্রতা থাকলেও পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রাম বিভাগে শীত বেশ কম। গত বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে। তা ছিল ২৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দিনের ব্যাপ্তি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তাপমাত্রা আরও বাড়তে থাকবে। ওই সময় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও মার্চ মাসের প্রথম দিকে কালবৈশাখী হতে পারে। এদিকে আজ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে—চট্টগ্রামে ১৩ দশমিক ৮, সিলেটে ১১, রাজশাহীতে ৭ দশমিক ৪, রংপুর ও খুলনায় ৯ দশমিক ৮ ও বরিশালে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন







সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন