রাউজানে উদ্ধার লাশের পরিচয় মিলেছে
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া থেকে গত বুধবার রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা লাশটি পল্লি চিকিৎসক লিটন দাশের (৪০)। তিনি পটিয়া থানাধীন কেলিশহরের মইতলা গ্রামের মৃত বিধুভূষণ দাশের ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা বলছেন, গত মঙ্গলবার রাতে রোগী দেখার কথা বলে তাঁকে ডেকে নেওয়া হয়। এর পর থেকে লিটনের মুঠোফোন বন্ধ ছিল।
গত বুধবার সকালে রাউজান থানাধীন নোয়াপাড়া পেট্রলপাম্পের সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। লিটন দাশ চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানাধীন ঝাউতলা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। ঝাউতলা এলাকায় প্রিয়া ফার্মেসি নামে তাঁর একটি ওষুধের দোকান আছে।
লিটন দাশের ভাই টোটন দাশ প্রথম আলোকে জানান, মঙ্গলবার রাত আটটার পর তাঁর মুঠোফোনে কেউ একজন ফোন করেন। রোগী দেখার কথা বলে তাঁকে কোথাও যেতে বলা হয়। এর পরপর তিনি দোকান বন্ধ করে বেরিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, দোকানের একটু দূরেই একটি প্রাইভেটকার অপেক্ষা করছিল। ওই কারে করেই তিনি চলে যান। এর পর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ ছিল।
পুলিশ সূত্র জানায়, এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নগরের খুলশী ও পাঁচলাইশ থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ডায়েরিতে উল্লেখ আছে, রোগী দেখতে নগরের জালালাবাদ যাওয়ার উদ্দেশে লিটন দোকান থেকে বের হন।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘লিটনের ব্যবহার করা মুঠোফোনটি আমরা উদ্ধার করতে পারিনি। তবে তাঁর মুঠোফোন নম্বর ধরে আমরা তদন্ত করছি। প্রাথমিকভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বলে মনে হলেও তাঁর শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।’
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন







সাইনইন
মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন