গাইবান্ধা ও বোয়ালমারীতে সংঘর্ষে দুজন নিহত

বিশাল বাংলা ডেস্ক | তারিখ: ০৬-১২-২০০৯

  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক কিশোর নিহত হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন:
বোয়ালমারী (ফরিদপুর): ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে শুক্রবার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ঠাণ্ডু সিকদার (৫২) নামে একজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন। ঠাণ্ডুর বাড়ি উপজেলার শেখর ইউনিয়নের দুর্গাপুর (পশ্চিমপাড়া) গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী, গ্রামবাসী ও বোয়ালমারী থানার পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও শেখর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে একই ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রইসুল ইসলাম ওরফে পলাশের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যানের ভাতিজা জাহিদ ও মশিউরের নেতৃত্বে আট থেকে ১০ জন চেয়ারম্যানের সমর্থক বাদলের পক্ষ নিয়ে তাঁর ভাই বিএনপি সমর্থক কলম সরদারকে পিটিয়ে জখম করে। এর জের ধরে শুক্রবার শেখর ও দুর্গাপুর গ্রামের আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকেরা দুই দলে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে আওয়ামী লীগ সমর্থক ঠাণ্ডু সিকদার আহত হন। ওই দিন চিকিত্সার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। সংঘর্ষে আহত বিএনপি সমর্থক আফিয়ার রহমান, ফরিদ শেখ, বাকিয়ার মোল্লা ও আওয়ামী লীগ সমর্থক জাকির হোসেনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকি ১০ জনকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বোয়ালমারী থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তৈয়বুর রহমান জানান, পুলিশ এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। দুই পক্ষই মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার উত্তর কাজিবাড়ী সন্তোলা গ্রামে শুক্রবার বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মুছা আকন্দ (১৩) নামে এক কিশোর নিহত ও সাত ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, বাড়ির সীমানা নিয়ে গ্রামের মুনছুর আলীর সঙ্গে তাঁর ভাই আশরাফ আলীর ঝগড়া বাঁধে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে আটজন আহত হয়। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মুছা আকন্দকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়। সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান ইমাম বলেন, এ ঘটনায় নিহত মুছার বাবা ইউনুস আলী বাদী হয়ে সাদুল্যাপুর থানায় একটি মামলা করেছেন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।


সাইনইন

মন্তব্য প্রদানের জন্য সাইনইন করুন 

 
আপনার মতামত দিন