গণজাগরণ মঞ্চ

শাহবাগ ছড়িয়ে গেল মিরপুরে

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৬-০২-২০১৩

  • ২০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
  • রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে গতকাল গণজাগরণ মঞ্চের মহাসমাবেশ। সমাবেশ থেকে শপথ উঠেছে, জামা

    রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে গতকাল গণজাগরণ মঞ্চের মহাসমাবেশ। সমাবেশ থেকে শপথ উঠেছে, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধসহ গণজাগরণ মঞ্চের ছয় দফা দাবি যত দিন পূরণ না হবে, তত দিন কেউ বাড়ি ফিরে যাবেন না

    ছবি: প্রথম আলো

  • মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গতকাল শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

    মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গতকাল শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

    ছবি: প্রথম আলো

শাহবাগ থেকে রায়েরবাজার। তারপর মিরপুর, শত শহীদের রক্তে ভেজা মিরপুর। গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের ছোঁয়ায় সেই মিরপুর যেন জেগে উঠেছিল গতকাল সোমবার। বুদ্ধিজীবী কবরস্থান আর জল্লাদখানার স্মৃতি-শোক নয়, প্রতিরোধ আর প্রতিশোধের দৃপ্ত স্লোগানে প্রকম্পিত হয়েছিল চারদিক। ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে শেওড়াপাড়া, মিরপুর ২ নম্বর, পল্লবী আর ভাষানটেক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল জনতার সমাবেশ।
মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে হাতে হাত রেখে মিরপুরবাসী শাহবাগের আন্দোলনের সঙ্গে ঐকতান তৈরি করে গতকাল। সমাবেশ থেকে জনতা শপথ নিয়েছেন, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধসহ গণজাগরণ মঞ্চের ছয় দফা দাবি যত দিন পূরণ না হবে, তত দিন কেউ বাড়ি ফিরে যাবেন না।
গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন নিয়ে অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক উসকানিদানকারী হিসেবে চিহ্নিত করে আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবি ওঠে মিরপুরের সমাবেশ থেকে। শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের আদলে সমাবেশস্থলে কাদের মোল্লা, গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামীসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়। ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে মিরপুরের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সমাবেশে যোগ দেয়।
মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে জাগরণ সমাবেশ শেষে নতুন কর্মসূচি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবিতে তাঁরা আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করবেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে। কাল বুধবার মতিঝিলে তৃতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান বক্তারা।
আপস নয়: আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ইমরান এইচ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের সব সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান বর্জন করার শপথ করান। তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো আপস নয়। এ ছাড়া তিনি ইসলামী ব্যাংক, আমার দেশ ও নয়া দিগন্ত পত্রিকা বর্জন করতে এবং প্রত্যেককে নিজের জায়গা থেকে আন্দোলনে সংহতি জানানোর আহ্বান জানান। আন্দোলনের ধরন সম্পর্কে ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘আমরা অহিংস আন্দোলন করছি। সহিংসতার আশ্রয় নিইনি। তার মানে এই নয় যে আমাদের সেই শক্তি নেই।’
জামায়াতের সঙ্গে আলেমরা নেই: সমাবেশে বাংলাদেশ মুফতি বোর্ডের চেয়ারম্যান মুফতি মাহবুবুর রহমান জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের মুসলিম আলেম সমাজ একমত নয় বলে জানান। তিনি যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসেবে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে বলেন, জামায়াতসহ ধর্মভিত্তিক ১২ দল ইসলামের নামে অন্যায় করছে। তাদের সঙ্গে দেশের আলেম-ওলামাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
সমাবেশে ছাত্রনেতাদের মধ্যে ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হাসান তারেকসহ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ছাত্রলীগ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীসহ বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন। তাঁরা জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। মাগরিবের আজান দেওয়ার আগেই সমাবেশ শেষ করা হয়।
কঠোর নিরাপত্তা: এদিকে সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিরপুরজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়। দুপুর ১২টা থেকে তালতলা, মিরপুর ১ নম্বর, ১৪ নম্বর ও পল্লবীর প্রধান সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে পুলিশের তল্লাশিচৌকি বসানো হয়। ১০ নম্বর গোলচত্বরের চারপাশে পুলিশের তিনটি সাঁজোয়া যান মোতায়েন করা হয়। গোলচত্বর ওভারব্রিজের ওপরে ও বিভিন্ন স্থানে র‌্যাবের ২০০ জন সদস্য অবস্থান নেন।
বেলা দুইটা থেকে মিরপুরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একে একে মিছিল সমাবেশস্থলে পৌঁছাতে থাকে। ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের সামনে রাখা মঞ্চে মিরপুর সাংস্কৃতিক ফোরামের সদস্যরা প্রতিবাদী গান ও কবিতা পাঠ করতে থাকেন। শাহবাগের জাগরণ মঞ্চের নেতারা এসে পৌঁছলে বেলা সাড়ে তিনটায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। শুরুতে বিডিআরে বিদ্রোহে নিহত সেনাসদস্যদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সমাবেশস্থলের পাশেই জাগরণ মঞ্চের দাবির পক্ষে স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানও চলে।
আবার শপথ: মহাসমাবেশ শেষে সবাই দাঁড়িয়ে হাত তুলে ইমরান এইচ সরকারের সঙ্গে শপথবাক্য পড়েন। এ সময় যে যেখানে আছেন, সেখানে থেকেই সবাইকে শপথ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়। ইমরানের সঙ্গে সঙ্গে মহাসমাবেশে উপস্থিত সবাই বলেন: ‘আমরা শপথ করছি যে, কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের রায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব, যুদ্ধাপরাধী, দেশবিরোধী সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে, যুদ্ধাপরাধীদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো আমরা বর্জন করব এবং যুদ্ধাপরাধীদের গণমাধ্যম বয়কট করব।’
শাহবাগে গণস্বাক্ষর চলছে: যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসেছিলেন মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। সেটা দুই দিন আগের ঘটনা। নিজে স্বাক্ষর করার পর প্রজন্ম চত্বরের মিডিয়া সেন্টার থেকে আরও কিছু কাগজ নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। গতকাল আবার এলেন ওই কাগজগুলো ফিরিয়ে দিয়ে যাওয়ার জন্য। মাত্র দুই দিনে তিনি সংগ্রহ করে এনেছেন শ পাঁচেক স্বাক্ষর।
সাভারের ষাটোর্ধ্ব এই মুক্তিযোদ্ধা বললেন, ‘এই বয়সে তরুণদের আন্দোলনের জন্য আর কীই-বা করতে পারি? তবে এই কথা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, রাজাকার-আলবদরের ফাঁসির এই আন্দোলনে আছি। থাকব সব সময়।’
সানারপাড় থেকে আসা আরেক মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমি এসেছি। আরও লোকজন পাঠাব স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য। আসলে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন ঘুরে দাঁড়াতে হবে।’
প্রজন্ম চত্বরে স্বাক্ষর সংগ্রহের দায়িত্বে নিযুক্ত তরুণদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, মানবতাবিরোধীদের ফাঁসির দাবিতে স্বাক্ষর শাহবাগে লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তাঁরা বলেন, সারা দেশেই চলছে স্বাক্ষর সংগ্রহ। বিদেশেও বাঙালিরা স্বাক্ষর সংগ্রহ করছেন। তাই শেষ পর্যন্ত কত স্বাক্ষর সংগৃহীত হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।

২০১৩.০২.২৬ ০২:৩২
আগুন সর্বত্র ছড়িয়ে যেতে পারে ।

Benju Khan

Benju Khan

২০১৩.০২.২৬ ০২:৩৩
শহীদের রক্তে ভেজা মিরপুর আজ কিছুটা হলেও ধন্য।

মুক্তার ইবনে রফিক

মুক্তার ইবনে রফিক

২০১৩.০২.২৬ ০৪:১৪
শাহবাগে সাইবার যুদ্ধের একজন যোদ্ধা হিসেবে ছিলাম মিরপুরের মহাসমাবেশে। হাজারো মানুষের ঢল নেমেছিল মিরপুরে, মুহুর্মুহু স্লোগানে উত্তাল ছিল মিরপুর। আপামর জনতার একটাই দাবী- ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি.........

ওভারব্রিজের উপর বসে ছিলাম ল্যাপটপ নিয়ে। প্রচণ্ড রোদ। হঠাৎ চোখ আটকে গেল একটি শিশুর দিকে। মাথায় জাতীয় পতাকা বাঁধা, বাবার কাঁধে চড়ে বুঝার চেষ্টা করছে এখানে কি হচ্ছে। কেমন যেন বুক খচখচ করছিল শিশুটিকে দেখে। এই শিশুটির জন্য স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করে যেতে পারবো তো ?? হুম, পারতেই হবে......... এখন নয়, তো কখনও নয়।

Bappa

Bappa

২০১৩.০২.২৬ ০৭:৫৩
keep going

হেলাল

হেলাল

২০১৩.০২.২৬ ০৮:৩৩
শাহাবাগের গণজাগরণের মঞ্চকে আমি সত্যি এই জন্যই সমর্থন করি যে জামাতের ভিতরের কিছু কার্যকলাপের আমি খুবই রাগান্বিত !

Ratan Jyoti

Ratan Jyoti

২০১৩.০২.২৬ ০৮:৪৯
অহিংস তারুণ্যের বন্যায় ঘুচে যাবে সব গ্লানি।

mohammed mohiuddin

mohammed mohiuddin

২০১৩.০২.২৬ ০৯:৫৭
we will patience this mean , we are not weakness
we are young generation , if we are start revolution, JAMAT SIBIR, BNP can not stop to us
So we request to Government , fulfill our demand

Mamun Reza

Mamun Reza

২০১৩.০২.২৬ ১০:০৩
ফাসি ফাসি ফাসি চাই.......... রাজাকারের ফাসি চাই ।

Iqbal Mahmud

Iqbal Mahmud

২০১৩.০২.২৬ ১০:১১
শাহবাগে আমাদের এ আন্দোলন শুধু শাহবাগ, মিরপুর বা বাংলাদেশের অন্য কোন জেলায় বন্দী নয়...এ আন্দোলন এখন সমস্ত তরুনের মন ও মননে। জয় হো তারুন্য, বিপ্লব জ্বালো- বিদ্রোহ জ্বালো ঘরে ঘরে। দুর্জয় তারুন্য কে রুখবে-কার সাধ্য আছে?
২০১৩.০২.২৬ ১০:৩০
আমরা এখনো স্বপ্ন দেখছি নতুন ভোরের

sabrina

sabrina

২০১৩.০২.২৬ ১০:৩৮
আমরা নির্বাক আমরাই দুরন্ত আমরাই প্রতিবাদ ব্রিস্তিতঁ

Babul

Babul

২০১৩.০২.২৬ ১১:৪৭
joi bangla

Md. Obaidul Kabir

Md. Obaidul Kabir

২০১৩.০২.২৬ ১২:১৭
এখান থেকেই সকল আন্দোলন পরিচালিত হবে। ১ম যুদ্ধ অপরাধী তারপর, দূনীতি। জয় বাংলা !!!

Mehdi

Mehdi

২০১৩.০২.২৬ ১২:১৮
ইনশাল্লাহ, আল্লাহ্‌পাক আমাদের সেই শক্তি দেন যাতে নতুন প্রজন্মের এই চেতনা সফলতা লাভ করে। সত্তের জয় একদিন হবেই। আমরা গরিব হতে পারি, হাজারো সমস্যা আমাদের কিন্তু অন্যায়ের শাস্তি পেতেই হবে। শুধুমাত্র এই জন্যই অন্যায়কারীরা বার বার পার পেয়ে যায়।

Moinak

Moinak

২০১৩.০২.২৬ ১২:৩৯
মাতৃভাষা আর মাতৃদুগ্ধ সমান .. যারা মাতৃভাষার বিরোধিতা করেছিল তাদের ক্ষমা নেই ... এপার বাংলা থেকে ভালবাসা ও শ্রদ্ধা রইলো... মোদের আশা মোদের ভাষা . জয় বাংলা. রাজাকার তোর নিস্তার নেই।

tofael ahmed

tofael ahmed

২০১৩.০২.২৬ ১২:৪৫
কঠিন

মুক্তি ইসলাম

মুক্তি ইসলাম

২০১৩.০২.২৬ ১৩:০৯
স্বাধীন দেশে স্বাধীনতার পক্ষে কথা বললে জীবন নাশের হুমকি ! এ বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থান নিতে হবে। একথা প্রমানিত সত্য যে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ছাড়া দেশ উন্নত হবেনা।জয় বাংলা!

Rukon

Rukon

২০১৩.০২.২৬ ১৩:৪১
Thanks Mehdi, ইনশাল্লাহ, আল্লাহ্‌পাক আমাদের সেই শক্তি দেন যাতে নতুন প্রজন্মের এই চেতনা সফলতা লাভ করে। সত্তের জয় একদিন হবেই। আমরা গরিব হতে পারি, হাজারো সমস্যা আমাদের কিন্তু অন্যায়ের শাস্তি পেতেই হবে। শুধুমাত্র এই জন্যই অন্যায়কারীরা বার বার পার পেয়ে যায়।

Sujon Ahmed

Sujon Ahmed

২০১৩.০২.২৬ ১৮:২৭
শহীদের রক্তে ভেজা মিরপুর আজ কিছুটা হলেও ধন্য।

FARUK KHAN

FARUK KHAN

২০১৩.০২.২৬ ১৮:৫৭
রাজাকাররা কত ভয়াবহ উগ্রো যার আশে পাশে দুই একটা আছে সে বুঝতে পারবে হাড়ে হাড়ে .। এদের দমন করার এখনি সময় .।