ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেন বাসের চালক ও সহযোগী

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি | তারিখ: ২৫-০১-২০১৩

  • ৩১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

মানিকগঞ্জে চলন্ত বাসে তরুণী ধর্ষণ ঘটনায় দোষ স্বীকার করেছেন চালক ও তাঁর সহযোগী। তাঁদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ শুক্রবার বিকেলের দিকে পুলিশ মানিকগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শেখ মো. মুজাহিদ-উল ইসলামের আদালতে আসামিদেরকে হাজির করে। আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তাঁরা। জবানবন্দি শেষে বিচারক বাসের চালক দীপু মিয়া (৩০) ও বাসচালকের সহকারী (হেলপার) কাসেম মিয়াকে (২৮) জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে আসামিরা পুলিশের কাছে ১৬১ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুর রহমান প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আজ বিকেল সাড়ে চারটার দিকে অভিযুক্ত দিপু মিয়া এবং কাসেম মিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাঁরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এদিকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সুষ্ঠু বিচার ও তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সংগঠন। এ সময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ মহিলা সংস্থা, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়নের সদস্যরাও মানববন্ধনে অংশ নেয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে চলন্ত বাসে পোশাকশ্রমিক এক তরুণী (১৮) ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের অভিযোগে ওই বাসের চালক দীপু মিয়া (৩০) ও বাসচালকের সহকারী (হেলপার) কাসেম মিয়াকে (২৮) পুলিশ গ্রেপ্তার করে। কাসেম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দীঘি ইউনিয়নের ধোলাপাড়া গ্রামের বিদু মিয়ার ছেলে এবং দীপু একই উপজেলার গুরকি গ্রামের আতরাব আলীর ছেলে। মানিকগঞ্জ সদর থানায় গতকাল রাত ১১টার দিকে পুলিশ কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের কাছে কাসেম ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

SHAMSUL HUDA

SHAMSUL HUDA

২০১৩.০১.২৫ ১৯:২৮
ধর্ষণের মহৎসব চলছে দেশময় আর ম খা আলামগীরের পুলিশ ব্যাসত ফখরুল ইসলাম আলামগীরকে নিয়ে ।

Md Abdul Jalil

Md Abdul Jalil

২০১৩.০১.২৬ ০২:০৬
দুজনেক এক সােথ দ্রুত ফঁািস েদয়া দরকার।

zaman

zaman

২০১৩.০১.২৬ ০২:০৯
যে দেশে মখা আলমগিরের মত লোক কে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয় সে দেশে তার ছে বেশি কি আশা করা যায়...

BIMAN BAIN (Tungipara)

BIMAN BAIN (Tungipara)

২০১৩.০১.২৬ ০৮:০৭
দেশে কি শুরু হয়েছে ঠিক বুঝতে পারছি না? এক এর পর এক ধর্ষের শিকার হচ্ছে আমাদের নিরিহ মা বোনেরা। এর কি শেষ নেই?

Saydujjaman

Saydujjaman

২০১৩.০১.২৬ ০৮:৩৮
যত দিন পর্যন্ত না , রাজাকারদের বিচার করে কোঠর শাস্তি দেয়া হবে , ততদিন খুন , ধর্ষণ , রাহাজানি চলতেই থাকবে । সেই ১৯৭১ থেকে শুরু করেছে , এখন ও যখন সুযোগ পায় তখন ই তাদের অস্ত্র প্রয়োগ করে ।

Dr. Sabur

Dr. Sabur

২০১৩.০১.২৬ ০৮:৫৯
দ্রুত বিচার আইনে ফাসী দেওয়া হোক

Tarique Bin Shahid

Tarique Bin Shahid

২০১৩.০১.২৬ ০৯:১৫
Government should not waist time as they given statement already at court no need more documents & need HANG JUST NOW then this will not happen again .Our country always follow indian culture in this case also same History .

Abdur Rahman

Abdur Rahman

২০১৩.০১.২৬ ০৯:৩৫
I wonder month ago there was least one or two news of rape in the news paper in every three or four day now there is three oor five rape news everday what the hell is going on.Is this just media awarness after india's rape incident or rapists mockery againest law and order of this god forsaken lawless country.I recommand instead just imprisionment or hanging ,inject of hormone to permanently disable sex drive will be good civilize punishment for this capital offense

humayun kabir

humayun kabir

২০১৩.০১.২৬ ০৯:৪২
যদিও অমানবিক। তবু বলতে বাধ্য হচ্ছি, ধর্ষণকারীকে প্রকাশ্যে ফাসির ব্যবস্থা করা হোক।

Abdul Halim

Abdul Halim

২০১৩.০১.২৬ ০৯:৫৮
সামাজিক অবক্ষয় এত বেশি হয়েছে যে, ধর্ষনের নিউজটা যেন নিত্য বেপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর জন্যে উপযুক্ত শাস্তিমূলক আইন, তারচেয়েও বড় আইনের প্রয়োগ থাকতে হবে। আইনের প্রয়োগ হয়না বলেই এত অবক্ষয়।

মঈন উদ্দিন

মঈন উদ্দিন

২০১৩.০১.২৬ ১০:১২
এদের দুজনকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেওয়া হোক....সরকার যদি এদের ফাঁসি দিতে পারে তাহলে জনগনের হাতে ছেড়ে দেওয়া হোক।

tariq

tariq

২০১৩.০১.২৬ ১০:৫১
যে যাই বলেন না কেন আসলে আমাদের মানণীয় প্রধানমন্ত্রী ই ঠিক কারণ উনি চান দেশটাকে ভারতের মত সুন্দর করে গড়তে দেশ ঠিক সে ভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে !!!!!!!!!!!! এবং তারা খুশি
২০১৩.০১.২৬ ১০:৫৯
যে ধর্ষিত হয় সে তো কারো না কারো বোন, কারো না কারো মেয়ে। এখানে আর তো তদন্নের দরকার আছে বলে মনে হয় না। তাহলে দ্রুত বিচার শেষ করতে অসুবিধা কোথায়? না হয় এ ধরনের ঘটনা বন্ধ হবে না।
২০১৩.০১.২৬ ১১:০৭
আইন পরিবরতন করা দরকার ।

Shahriar Hasan

Shahriar Hasan

২০১৩.০১.২৬ ১১:৩৯
পত্রিকা খুললেই দেখি একের পর এক খুনের খবর, একের এক ধর্ষণের খবর, গণধর্ষণের খবর, ছাত্রলিগের টেন্ডারবাজি, কোপাকুপি, খুনোখুনি, রাহাজানি, হত্যা আরো কতো খারাপ সংবাদ। তারপরও আমাদের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাস্ট্রমন্ত্রী স্বস্তির ঢেকুর তুলে বলেন আইন শৃংখলা পরিস্থিতি যেকোনো সময়ের তুলনায় ভাল। যখন আমাদের সরকারের মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মচারী পর্যন্ত ঘুষ, দুর্নীতিতে আচ্ছন্ন, তখন সুযোগ সন্ধানীরা অপরাধ করবেই। কারণ অপরাধ করলেও নেতা-নেত্রীদের, বিচারকদেরকে টাকা ঘুষ দিয়ে, দলের পরিচয়ে হুমকী-ধামকী দিয়ে শাস্তি ছাড়াই জামাই আদরে মামলা থেকে খালাস পাওয়া যায়। আমাদের সরকার নিজের গদি নিয়ে সন্তুষ্ট, বিরোধীদল নিজেদের গাবাঁচাতে আর কি করে ক্ষমতায় যাওয়া যায় সেটা নিয়ে ব্যস্ত। এদিকে পাবলিকের জান যায় যায় অবস্থা। আর এ অবস্থা চলতে দেয়া যায় না।
এসব ব্যাপারে চুপ থাকলে হবেনা, নিন্দা জানিয়েও কিছু হবেনা। দরকার বিশাল আন্দোলনের, প্রতিবাদের। নারীর প্রতি অন্যায় রোধে এবং আইন শৃংখলা ফিরিয়ে আনার দাবিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের সুশীল সমাজ, লেখক-বুদ্ধিজীবি, ছাত্র-শিক্ষক, সচেতন নাগরিককে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে, নাহলে এ জাতি হায়েনাদের যাঁতাকলে পিষ্ট হতেই থাকবে।

sirazul

sirazul

২০১৩.০১.২৬ ১১:৪৪
যারা বাংলাকে বাদ দিয়ে এদেশে ইন্ডিয়ান সংস্কৃতি বুকে লালন করে তারাই বড় রাজাকার।
২০১৩.০১.২৬ ১১:৪৫
এই বাস চালক এবং হেল্পারের বিচার হবে এবং অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত, কিন্তু যারা ধর্ষনের সেঞ্চুরীয়ান, যারা গভীর রাতে মহিলা হোষ্টেলে প্রবেশকারী তাদের কি হবে, তাদের বিচার করার কি কেউ নেই....?

Touhidul IslamTareq

Touhidul IslamTareq

২০১৩.০১.২৬ ১১:৫৩
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আপনি ওতো একজন মহিলা এগুলা ফিল করতে পারেননা, শুধু যুদ্বা অপরাধীর বিচার হলে দেশ হয়ত কলংক্ক্ মুক্ত হবে, কিন্তু এক এর পর এক ধর্ষের শিকার হচ্ছে আমাদের নিরিহ মা বোনেরা কি হবে ওদের ?

২০১৩.০১.২৬ ১২:০৯
আদলতের সামনে দোষ স্বীকার করার পর এই মামলার বিচার কার্যক্রম দীর্ঘায়িত করার কোন মানে নেই। যত দ্রুত সম্ভব রায় প্রদান করে তা কার্যকর করলে বাদি-বিবাদি, সরকার এবং সাধারণ জনগন সকল পক্ষই উপকৃত হতো।

Md. Obaidur Rahman

Md. Obaidur Rahman

২০১৩.০১.২৬ ১২:৪২
ধর্ষণকারীকে প্রকাশ্যে ফাসির ব্যবস্থা করা হোক।
২০১৩.০১.২৬ ১২:৪৪
কঠোর শাস্তিই পারে এই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতে। দ্রুততম সময়ে সরবোচ্চ শাস্তি দেয়া উচিত।

Majed

Majed

২০১৩.০১.২৬ ১৩:১৩
ধর্ষকদের ফাসিতে ঝুলানোর আগে তাদের দুই হাত কেটে ফেলে বুঝানা উচিত সম্ভ্রমহানি এবং অঙ্গহানির ব্যথা কি রকম !

M. Omar Khyam

M. Omar Khyam

২০১৩.০১.২৬ ১৩:১৫
আইন প্রয়োগ কারী কোনো সংস্থা যখন কোনো কুখ্যাত আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে, মানবাধিকার সংস্থা গুলো সরব হযে উঠেন. আশ্চর্য হলেও সত্যি যে এই ঘটনাটি নিয়ে কারোরই কোনো বক্তব্য নাই. এইরূপ ঘটনা গুলো কি তাহলে মানবাধিকারের আওতায় পড়েনা ???

MD Ziauddin

MD Ziauddin

২০১৩.০১.২৬ ১৩:৩১
সরকার খুব ব্যাসত পুরন বিচারের কাজে । দেশে খুন, গুম, ধর্ষন, এগুলো চোখে পড়েনা, মহামান্যজন খুনিদের খমা করবেন, সরকারের সবাই বলবে তাদের সকল সাপোরটার কেউ কোন খারাপ কাজ করতেই পারেন না ।যা করা হয় যুদ্দআপরাধিদের বিচার বানচালের জন্য । হায়রে দেশের নেতা ।

K.M. Moin

K.M. Moin

২০১৩.০১.২৬ ১৪:৩৪
When the government’s rule and regulation becomes very weak then all kind of crime raises more and more. Government should be more active for public security. Just hang those rapists without waiting and it will not repeat again because this day’s rape increased much which not acceptable at all.
with thanks Moin

Faruk

Faruk

২০১৩.০১.২৬ ১৪:৪১
খুবই অবাক হই , যে দেশের প্রধানমন্ত্রী একজন মহিলা , সেখানে অন্য একজন মেয়ে ধর্ষ ন হয়ে ঠিকমতো বিচার পাবেনা ভেবে । কারন এদেশের বিচারের রায় শুধু টাকাওয়ালাদের ও খমতা বানদের পখখেই যায় ।

MD : SHAHIN

MD : SHAHIN

২০১৩.০১.২৬ ১৪:৫৮
আদলতে দোষ স্বীকার করার পর মামলার বিচার কার্যক্রম দীর্ঘায়িত করার কোন দরকার নেই । দ্রুত ফাঁসি দেওয়া হোক l

raju

raju

২০১৩.০১.২৬ ১৫:১৮
এদেরকে জনসমুখখে এনে গুলি করে মেরে ফেলা দরকার...। নো ফঁfশি .........
২০১৩.০১.২৬ ১৫:২৬
ধর্ষণকারীকে প্রকাশ্যে ফাসির ব্যবস্থা করা হোক।

২০১৩.০১.২৬ ১৫:৪০
ধর্ষনের শাস্তি ফাঁসী করা হোক।এবং ২১ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করে ফাঁসী কার্যকর করতে হবে। না হলে এই পশুদের থামনো যাবে না। একটা মেয়ে ধর্ষনের সাথে সাথেই খুন হয়ে যায়। তাই খুনের অপরাধেই শাস্তি হতে হবে।

Aslam

Aslam

২০১৩.০১.২৬ ১৫:৪৭
এদেরকে নিয়ে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারে যায় না কেনো??