আত্মরক্ষায় ছুরি ও মরিচের গুঁড়া বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ২৫-০১-২০১৩

  • ৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
নারীদের মধ্যে ছুরি ও মরিচের গুঁড়া বিতরণ করে শিব সেনা

নারীদের মধ্যে ছুরি ও মরিচের গুঁড়া বিতরণ করে শিব সেনা

যৌন নির্যাতন ঠেকাতে ভারতের মুম্বাই শহরে নারীদের মধ্যে ছুরি ও মরিচের গুঁড়া বিতরণ করেছে সেখানকার ক্ষমতাসীন কট্টর হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল শিব সেনা। আজ শুক্রবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান বিরোধী দল বিজেপির সহযোগী শিব সেনা বলেছে, শহরে নারীদের মধ্যে তারা তিন ইঞ্চি (সাত সেন্টিমিটার) ফলাবিশিষ্ট ২১ হাজার ছুরি বিতরণ করেছে। তাদের এক লাখ ছুরি বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।
মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, তারা ছুরিগুলো পরীক্ষা করে দেখবে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
শিব সেনার মুখপাত্র রাহুল নারভেকার জানান, ছুরিগুলোর দৈর্ঘ্য ছয় ইঞ্চির চেয়ে কম। তাই এটিকে অস্ত্র বলা যাবে না। এ ছাড়া হামলাকারীদের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটানোর জন্য নারীদের মধ্যে মরিচের গুঁড়ার ছোট ব্যাগ বিতরণ করে দলটি। তিনি বলেন, ‘এটি একটি প্রতীকী পদক্ষেপ।’
নারভেকার বলেন, ‘এটি তরুণীদের উত্ত্যক্তকারী, সমাজবিরোধী ও নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ করা ব্যক্তিদের জন্য একটি সংকেত। এর মধ্য দিয়ে ওই দুর্বৃত্তরা বুঝতে পারবে, নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে এবং তারা নিজেদের দেখভাল করতে পারে।’
ছুরি বিতরণের প্রচারকাজ চলাকালে দলের পত্রিকা ‘সামানা’তে অজয় চৌধুরীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘কেউ যদি তোমাদের ওপর হামলা চালায়, তাহলে তোমরা পাল্টা হাতিয়ার হিসেবে এই ছুরি ব্যবহার করতে ভয় পেয়ো না। এতে যদি তোমাদের কোনো আইনি জটিলতায় পড়তে হয়, তাহলে তোমাদের রক্ষায় নয়জন আইনজীবীর সমন্বয়ে একটি দল গঠন করা হয়েছে।’
গত ১৬ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে গণধর্ষণের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন মেডিকেলের এক ছাত্রী। এর পর উন্নত চিকিত্সার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ২৯ ডিসেম্বর চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পাশবিক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো ভারতে জনরোষের সৃষ্টি হয়। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি ওঠে সমাজের সর্বস্তরে। অনেক নারীই আত্মরক্ষার্থে নিজেদের সঙ্গে মরিচের গুঁড়া রাখা শুরু করেন। এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দেশটিতে প্রতি ২০ মিনিটে একজন ধর্ষণের শিকার হয়।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

বিকাশ সরকার

বিকাশ সরকার

২০১৩.০১.২৫ ১৮:০৩
এসব দিয়ে কি আর ধর্ষণ ঠেকানো যাবে ?

বাপি দে (কলকাতা)

বাপি দে (কলকাতা)

২০১৩.০১.২৫ ১৮:১০
আমি তো যতদুর জানি, আগ্নেও অস্ত্র ছাড়া অন্য হাতিয়ারে কোন পারমিশন লাগে না ভারতে। আমার নিজের বাড়িতে ৩ টে খুরকি আর ২ টো ভজালি আছে। গ্রামের বাড়িতে রামদাও ছিল, কিন্তু শহরে সিফ্টের সময় ওটা হারিয়ে যায় বা কেউ চুরি করে নেয়। কিছুদিন আগেই Science city তে আয়োজিত International trade fair এর নেপালি স্টল থেকে নতুন একটা খুরকি কিনে নিয়ে এসেছি। যদিও পুলিশের কিছু হয়নি তবে আমি যতদুর জানি এগুলো রাখা বেআইনি নয়।

BIMAN BAIN (Tungipara)

BIMAN BAIN (Tungipara)

২০১৩.০১.২৬ ০৮:৩২
আমি মনে করি শুধু ছুরি আর মরিচের গুরা দিয়ে ধর্ষন বন্ধ করা যাবে না বন্ধ করতে হলে দেশের সকল নাগরিকের সচেতন ও বিচার কাজ শক্ত হতে হবে।

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১৩.০১.২৬ ০৮:৫০
যত সব হাস্যকর ব্যাপার ! ধর্ষক তো অাগে ছুরি অার মরিচের গুড়া কেরে নেবে !তখন ধর্ষকের অস্ত্র হবে তিনটা !যত সব ফালতু কান্ড কারখানা !