রাস্তার ঢালে গুলিবিদ্ধ চোখ বাঁধা তিন লাশ

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি | তারিখ: ২৫-০১-২০১৩

  • ৩২ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও শ্রীনগর উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনটি লাশ পাওয়া গেছে। তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনজনের লাশই পড়ে ছিল সড়কের পাশে। সবার চোখ ছিল নতুন গামছা দিয়ে বাঁধা। নিহত ব্যক্তিরা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ ছিলেন বলে তাঁদের স্বজনেরা জানিয়েছেন।
এর আগেও এই এলাকা থেকে একইভাবে গুলিবিদ্ধ এবং হাত ও মুখ গামছায় বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা কোনো বাহিনীর হাতে তাঁরা গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছিলেন বলে তাঁদের স্বজনেরা অভিযোগ করেছিলেন।
মুন্সিগঞ্জে গতকাল উদ্ধার হওয়া নিহত তিন ব্যক্তিরই পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন: রাজধানীর পূর্ব জুরাইনের মো. ইব্রাহীম (২০), ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তানাক্কা মার্কেটের তৈরি পোশাক (মিনি গার্মেন্টস) ব্যবসায়ী কুদ্দুস বেপারী (৪০) ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আমবাগিচা এলাকার রাঢ়ী মাসুদ (৩০)। লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ইব্রাহীম জুরাইনের স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা ইসমাইল হোসেন মোল্লা হত্যা মামলার আসামি। গত ৩১ ডিসেম্বর নিজ বাসার সামনে খুন হন ইসমাইল। বাকি দুজনের মধ্যে রাঢ়ী মাসুদের বাবার নাম মির্জাহান খান আর কুদ্দুসের বাবা মৃত আবদুল খালেক। কুদ্দুসের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে। এই দুজনের সম্পর্কে এর বেশি কিছু জানতে পারেনি পুলিশ।
পুলিশ জানায়, তিনটি লাশেরই বুকে, গলায় ও মাথায় গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এঁদের চোখ ছিল নতুন গামছা দিয়ে বাঁধা। পুলিশের ধারণা, একই দুর্বৃত্তদের হাতে তিনজন খুন হতে পারেন। অন্য কোথাও হত্যার পর এঁদের এখানে পৃথক দুই জায়গায় ফেলে রাখা হয়েছে। নিহত মাসুদের পরনে ছিল আকাশি রঙের ট্রাউজার ও ফুলহাতা সাদা গেঞ্জি। অপর দুজন কালো প্যান্ট ও গেঞ্জি পরা ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক থেকে নিমতলী-সিরাজদিখান সড়ক ধরে চার কিলোমিটার এগোলেই রশুনিয়া ইউনিয়নের ইমামগঞ্জ। এখানেই গতকাল সকাল আটটার দিকে পুলিশ দুটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে। পরে মো. ইব্রাহীম ও কুদ্দুস বেপারী নামে তাঁদের শনাক্ত করেন স্বজনেরা। সড়কের ঢালে ১০০ গজের মতো দূরত্বে লাশ দুটি পড়ে ছিল। আশপাশে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে আলুখেত। ঘটনাস্থলের এক বর্গকিলোমিটারের মধ্যে কোনো ঘরবাড়ি নেই। পুলিশের ধারণা, গাড়ি থেকে লাশগুলো ফেলে চলে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এর কয়েক ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার হাঁসাঢ়া-বাড়ৈখালী সড়কের পাশের শ্রীধরপুর থেকে আরেকটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সকালে লাশ দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিয়েছিল। পরে স্বজনেরা এসে তাঁকে রাঢ়ী মাসুদ নামে শনাক্ত করেন।
ঢাকা-মাওয়া সড়ক থেকে হাঁসাঢ়া-বাড়ৈখালী সড়ক ধরে পাঁচ কিলোমিটার এগোলেই ঘটনাস্থল। সড়কটি চলে গেছে আড়িয়ল বিলের ভেতর দিয়ে। এর আশপাশে কৃষিজমি, মাছের ঘাট ছাড়া কোনো বাড়িঘর নেই।
নিহত ইব্রাহীম: ইব্রাহীমের বাবা খোরশেদ আলম জানান, তাঁর ছেলে ১৬ জানুয়ারি কাতারে যাওয়ার জন্য বনানীতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে যান। পরীক্ষা শেষে বেলা তিনটার দিকে বাড়িতে ফোন করেছিলেন। ওটাই ছিল শেষ যোগাযোগ। এর পর থেকে তিনি নিখোঁজ। তাঁর ফোনও বন্ধ ছিল। এর পরদিন তাঁরা কদমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রসঙ্গে তাঁর বাবা বলেন, ‘হ্যায় বিদেশ যাওয়ার লাইগা দৌড়াদৌড়ি করতাছিল। হ্যায় খুন করব কির লাইগা।’
তবে রাজধানীর কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা ইসমাইল মোল্লা হত্যার ঘটনায় সন্দিগ্ধ ছিলেন ইব্রাহীম। ওই হত্যা মামলায় জুরাইনের বউবাজারের সজীব ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ঘটনার সঙ্গে ইব্রাহীমের জড়িত থাকার কথা বলেছেন। তাঁর দাবি, ইব্রাহীম ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত ডাকাত শহীদের প্রতিদ্বন্দ্বী দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী কালা মীর গ্রুপের সদস্য ছিলেন।
কুদ্দুস ও মাসুদ: স্বজনেরা জানান, ১০ জানুয়ারি নিখোঁজ হয়েছিলেন কুদ্দুস ও মাসুদ। কুদ্দুস বেপারীর ভাতিজা আবু রায়হান জানান, মিনি গার্মেন্টসের ব্যবসা ছিল তাঁর চাচার। ১০ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না, তাঁর বিশেষ কোনো শত্রুও ছিল না।
হাসপাতালে লাশ শনাক্ত করতে এসেছিলেন মাসুদের মা ডালিয়া বেগম ও ভাবি নূরজাহান বেগম। মাসুদ নিখোঁজের বিষয়ে করা জিডির কাগজটি হাতে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন তাঁর মা। বিলাপ করে বলছিলেন, মাসুদ সোনালি রঙের পাঞ্জাবি-পায়জামা ও কালো স্যান্ডেল পরে বের হয়েছিলেন। কিন্তু এখন গায়ে আকাশি ট্রাউজার আর সাদা গেঞ্জি। লাশ ধরে বিলাপ করে মা বলছিলেন, ‘মনে হয়, কাউলকাই মারছে। বুকে তাজা রক্ত এহনো জমাট বাইধা রইছে।’
মাসুদের স্বজনেরা জানান, তিনি আগে কেরানীগঞ্জের সোয়ারীঘাটে খেয়াঘাটের টোল আদায় করতেন। কয়েক মাস ধরে বেকার ছিলেন।
তবে কুদ্দুস বেপারী ও রাঢ়ী মাসুদের নিখোঁজের বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন।
সিরাজদিখান থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, সিরাজদিখান থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি লাশেরই একই জায়গায় একইভাবে গুলি করা হয়েছে। শ্রীনগর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, শ্রীনগরের শ্রীধরপুর থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের সঙ্গে সিরাজদিখানে উদ্ধার হওয়া দুই লাশের হত্যার ধরনে মিল পাওয়া গেছে। একইভাবে গুলি করে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। এই লাশের চোখ তিনটি নতুন গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) এহসানুল করিম জানান, দুজনের ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হয়েছে। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় একজনের করা হয়নি। কাল (আজ) করা হবে। তিনি জানান, তিনজনের হত্যার ধরন একই রকমের। নিহত ব্যক্তিদের শরীরের ছিদ্রগুলো যে গুলির চিহ্ন, তা নিশ্চিত বলা যায়।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।

Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।

২০১৩.০১.২৫ ০৪:২৮
এসব হত্যাকান্ড কিসের আলামত ? এগুলো কোন সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ হতে পারে । গুম খুনের পর এক সময় শুনলাম পুকুরে বা ডোবায় বা নদীতে হঠাত্‍ হঠাত্‍ লাশ ভেসে উঠতে এখন আবার রাস্তার ধারে বা যেখানে সেখানে গুলিবিদ্ধ লাশ পরে থাকতে দেখা যাচ্ছে । যা জনসাধারনের জন্য ভয়ের কারন হয়ে দেখা দিয়েছে । এভাবে চলতে থাকলে দেশে চরম অস্তিরতা দেখা দিতে পারে । যা কখনো আমাদের কাম্য নয় । প্রশাসনের উচিত হবে এসব হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারন খুজে বের করা । আর যারা এসব ঘটাচ্ছে তারা দেশবাসির মনে আতংঙ্ক ছড়াতে পারে । দ্রুত হত্যাকারীদের খুজে বের করে বিচারের মুখমুখী করতে না পারলে সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা হতে পারে । এখনই প্রশাসনকে সর্বশক্তি নিয়োগের প্রকৃত সময় ।

Md Dalim

Md Dalim

২০১৩.০১.২৫ ০৫:২৭
it is bangladesh , no problem , i hate aowamileg &bnp
২০১৩.০১.২৫ ০৭:১৫
প্রতিদিন এভাবে লাশের ছবি দেখলে মনে হয় কিছূ মানুষের কাছে কিছু মানুষের জীবন বার্ডফ্লু রোগে আক্রান্ত মুরগীর চেয়েও কম হয়ে গেছে । কেন এমন হচ্ছে ? যখন কোন জনপদের অধিকাংশ মানুষ স্বেচ্ছাচারিতার সীমা লংঘন করে , 'সত কাজের আদেশ, অসত কাজের নিষেধ' বিলুপ্ত হয়ে যায়, তখন সেই জনপদে জালিম এর শাসন কায়েম হয় । আজ আমাদের অবস্থান সেরকমই স্থানে গিয়েছে কী না, চিন্তাশীলদের ভাবতে অনুরোধ করছি ।

m.a hanif

m.a hanif

২০১৩.০১.২৫ ০৭:৫০
আর কত লাশ হলে এই দেশের আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে সরকার নজর দেবে ।দেশে এসব কি হচ্ছে , প্লিজ ... প্লিজ আর কোন লাশের খবর শুনতে চাইনা... ।

২০১৩.০১.২৫ ০৮:০৮
বর্তমান সরকারের সময়ে দেশে কি এখন নবযুগের রক্ষীবাহিনীর শাসন চলছে..?

Runa Rahim Sheikh

Runa Rahim Sheikh

২০১৩.০১.২৫ ০৮:১৩
৭১ সনে রাস্তার পাশে লাশ এবং মেয়েদেরকে ধর্ষণ- এখনো আমারা মুক্তি পাই নাই, জীবনের নিরাপত্তা পাই নাই!!!!!!!!

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

২০১৩.০১.২৫ ০৮:২৩
দেশে এ কি চলছে ! লাশ আর লাশ, শুধুই লাশের মিছিল। ভয় হয়, কবে আমিই না ঐ লাশের মিছিলে শামিল হয়ে যাই। যে দেশে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের জামাই-আদরে ছেড়ে দেয়া হয়, সেদেশে এ ছাড়া আর কি-ইবা আশা করা যায়।

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১৩.০১.২৫ ০৮:৪৬
১৯৭১ সালের চেয়ে কোন অংশে দেশ এখন ভাল নয় ! শুধু পার্থক্য তখন মানুষ স্বপ্ন দেখত স্বাধীনতার একটি অালো ঝলমলে সুদিনের । অার এখন কোন স্বপ্ন দেখিনা সুধুই দেখি অন্ধকার ! তখন মানুষ দোষ দিত পাকিস্থানি অার রাজাকারদের । অার এখন কাকে দোষ দেব ?নিজেকে নাকি যাদের হাতে দেশকে তুলে দিয়েছিলাম তাদের ?

২০১৩.০১.২৫ ০৮:৫৪
এখন দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ, এইসব গুম, খুন, হত্যাকান্ড কি ছাত্রলীগ, পুলিশলীগ এবং র্যাবলীগ করছে? আওয়ামী সরকার মানেই কি একনায়কতন্ত্র?? আজ দেশের সার্থ বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুন, গুম, মামলাবাজ এবং দুর্নীতিবাজ শাসকের উপাধী দেওয়া উচিত।

Akas

Akas

২০১৩.০১.২৫ ০৮:৫৮
এই হল, আওয়ামিলীগ-যুগ ! '৭১ পরবর্তী অপশাসন আর খুন-হত্যা, ডাকাতি-রাহাজানির কথা মানুষ ভুলে গেছে !!!!!!

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১৩.০১.২৫ ০৯:২৪
এই হল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রির শান্তি শৃংখলা রক্ষার নমুনা ।

Anwarul Azim

Anwarul Azim

২০১৩.০১.২৫ ০৯:২৬
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে!!!

Faruk

Faruk

২০১৩.০১.২৫ ০৯:২৮
যখন কোন খুনের ঘটোনা ঘটে , তখন বেশির ভাগ সময়ে দেখা যায় যে - পুলিশ বলছে খুন হওয়া ব্যাক্তিটি অমুক কেসের আসামি । একজন আসামিকে যদি কেউ খুন করে তবে সেটা কি অপরাধ নয় ? এদেশের পুলিশ কখনো তাদের অযোগ্যতা সিকার করে না । যদি অপরাধ না হয় তাহলে তো এদেশে পুলিশ বাহিনির কোন দরকার নেই ।

Abir

Abir

২০১৩.০১.২৫ ০৯:৪৬
পেপারে প্রতিদিন লাশের খরব দেখতে দেখতে যেদিন লাশের খরব না দেখি পেপার পানসে লাগে। আরো বেশি বেশি খুন হোক, দেশের জনসংখ্যা কমে যাক। আমরা যারা বেঁচে থাকব তারা শান্তিতে থাকতে পারব। আরো মানুষ মারা যাক, মানুষের চোটে ঢাকা শহরে চলারও জায়গা পাওয়া যায় না। ইদানিং অনেক আনন্দ লাগে লাশের খবর দেখলে।

Mehedi

Mehedi

২০১৩.০১.২৫ ০৯:৪৭
আওয়ামেলীগ সরকার তো এমনই হয় । এটা আওয়ামেলীগের ঐতিহ্য !

s rahman

s rahman

২০১৩.০১.২৫ ১০:১৫
বিকাশের মতো আরও অনেককে ছেড়ে দেয়া হোক তাহলে আমরা আরও অনেক অনেক লাশ উপহার পাব। আসলে আমরা জনগণই চরমভাবে ব্যর্থ.......

Hossain Ahamed

Hossain Ahamed

২০১৩.০১.২৫ ১১:২৮
দয়া করে এই ধরনের খবর আর লিখবেন না। আর সয্য হয় না। কিছু দিন আগে আমরা দেখেছি আমাদের দেশ নাকি সুখি দেশের তালিকায় ১১ নম্বর কিন্তু আমার তো মনে হয় আমরা নরকে আছি।

jafar

jafar

২০১৩.০১.২৫ ১১:৪০
no comments otherwise i will be crossfired .

shirin sultana

shirin sultana

২০১৩.০১.২৫ ১১:৪৪
মাননীয় স্বররাস্ট্রমন্ত্রী এ ধরনের খবর শুনতে খুবই খারাপ লাগে। দয়া করে জোরাল ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
২০১৩.০১.২৫ ১১:৫১
গুম,গুপতহত্যার পর এসব হত্যাকান্ড দেশের জন্য অশনি সংকেত । আইনের শাসন বিতাড়িত করে দেশকে মৃত্যপুরী বানানোর পরিনতি ভয়ংকর হতে পারে ।
২০১৩.০১.২৫ ১২:০৯
এসব হত্যাকান্ডের আলামত আমাদের ৭২-৭৩ সালের কথা মনে করিয়ে দেয়। তৎকালীন সময়েও রাস্তার ধারে বা যেখানে সেখানে গুলিবিদ্ধ লাশ পরে থাকতে দেখা যেত।
২০১৩.০১.২৫ ১২:১৪
এসব হত্যাকান্ডের মাধ্যমে আতংক সৃষিট করে ওরা ফাকা মাঠে গোল করার ফনিদ ফিকির করছে। গুম,গুপতহত্যা ও এসব রহস্যজনক খুনের পরিনতি অতীতে শুভ ফল বয়ে আনেনি।

MASUDUR RAHMAN

MASUDUR RAHMAN

২০১৩.০১.২৫ ১২:২৪
এগুলি কি ছাড়া পাওয়া বিকাসদের কাজ ??

alamin

alamin

২০১৩.০১.২৫ ১৩:০৫
মহাজোট সরকারের মহা উপহার !!!!!!!!

DEEPROY

DEEPROY

২০১৩.০১.২৫ ১৩:৪৪
কোনো হত্যাকান্ডই সমর্থন যোগ্য নয়।একটি হত্যাকান্ড পরবর্তিতে অনেকগুলি হত্যাকান্ডের সুত্রপাত করে।আগে দরকার আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন।সচেতন নাগরিক হিসাবে অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে এবং তা শুরু করতে হবে আমাদের নিজেদের পরিবার থেকে।দেশের প্রতিটি পরিবার যদি অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে পারে তবে এই সমস্থ হত্যা ধর্ষন অপহরন চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে।আমার সন্তান আমার ভাই বা আপন জন কোথায় কি করছে কার সাথে সঙ্গ দিচ্ছে সেটা দেখার দ্বায়িত্ব আমার ই তো হওয়া উচিৎ।শুধু সরকার বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপকর্ম বা ব্যার্থতা অন্বেষন না করে নিজের পরিবার ও সমাজের সদস্যরা অপরাধমুক্ত কিনা সেটা খতিয়ে দেখা সকল পরিবারের কর্তাদের অনুরোধ করব।মনে রাখতে হবে অপরাধী কোনো গায়েবি দুনিয়া থেকে আসেনা।আমাদের আপনজন কিম্বা আমাদের আশেপাশের ভদ্রচিত ছেলেটিই হয়ত অনেক বড় অপরাধের সঙ্গে যুক্ত- আমরা কিন্তু আমরা জানিনা।একজন ব্যাক্তি মারা গেলে(যেভাবেই হোক- হত্যা বা ক্রসফায়ার) আমরা সবসময় ই তাদেরকে নিপরাধ করে হা হুতাশ করি।কারন ঐ ব্যাক্তির মৃত্যুর সাথে সাথেই তার অপকর্মগুলোর ও মৃত্যু ঘটে যা অপ্রকাশিতই থেকে যায়। তাই কোন মায়ের বুক খালি হবার আগেই- সে অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়বার শুরুতেই যদি তার পরিবার সচেতন হয় এবং তার অপরাধগুলোকে সমর্থন না করে কঠোর হয় তবে সহজেই তাকে ঐ পথ থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।মনে রাখতে হবে আমাদের অতি স্নেহ উদারতা আমাদের সন্তানদের বেশীরভাগ সময় বিপথগামি করে তোলে।তাই আদর ভালবাসার সাথে সাথে তাদেরকে সামাজিক মুল্যবোধ ও শিষ্টাচার শিক্ষা দেওয়া আমাদের ই কর্তব্য।

mahamud

mahamud

২০১৩.০১.২৫ ১৫:৩৬
১৯৭২-৭৫ সালের রক্কিবাহিনীর যুগ ফিরিয়া আসিয়াছে।

emon

emon

২০১৩.০১.২৬ ০২:৪৬
"এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।দেশের আইন শৃঙ্খলা আগের যে কোন সময়ের চেয়ে ভাল।" অদ্ভূত উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ।

২০১৩.০১.২৬ ১১:৫৫
বর্তমান সরকারের সময়ে দেশে কি এখন নবযুগের রক্ষীবাহিনীর শাসন চলছে..? ১৯৭১ সালের চেয়ে কোন অংশে দেশ এখন ভাল নয় ! শুধু পার্থক্য তখন মানুষ স্বপ্ন দেখত স্বাধীনতার একটি অালো ঝলমলে সুদিনের । অার এখন কোন স্বপ্ন দেখিনা সুধুই দেখি অন্ধকার ! তখন মানুষ দোষ দিত পাকিস্থানি অার রাজাকারদের । অার এখন কাকে দোষ দেব ?নিজেকে নাকি যাদের হাতে দেশকে তুলে দিয়েছিলাম তাদের ? এই হল, আওয়ামিলীগ-যুগ ! '৭১ পরবর্তী অপশাসন আর খুন-হত্যা, ডাকাতি-রাহাজানির কথা মানুষ ভুলে গেছে !!!!!! আওয়ামেলীগ সরকার তো এমনই হয় । এটা আওয়ামেলীগের ঐতিহ্য ! এসব হত্যাকান্ডের আলামত আমাদের ৭২-৭৩ সালের কথা মনে করিয়ে দেয়। তৎকালীন সময়েও রাস্তার ধারে বা যেখানে সেখানে গুলিবিদ্ধ লাশ পরে থাকতে দেখা যেত। ১৯৭২-৭৫ সালের রক্কিবাহিনীর যুগ ফিরিয়া আসিয়াছে।

২০১৩.০১.২৬ ১২:০১
আমার বাবর রোডের বাসার কথা বলি, বেতারে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর খবর প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে একতলায় রক্ষীবাহিনীর সুবেদার পালিয়ে গেলেন। তাঁর দুই মেয়ে, একজন গর্ভবতী, ছুটে এল মায়ের কাছে। তাদের আশ্রয় দিতে হবে। মা বললেন, তোমাদের আশ্রয় দিতে হবে কেন? তোমরা কী করেছ? তারা কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, খালাম্মা, এখন পাবলিক আমাদের মেরে ফেলবে।
এই ছোট্ট ঘটনা থেকে রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার এবং তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও ঘৃণাও টের পাওয়া যায়।-- দেয়াল, হুমায়ুন আহমেদ !

Kulsum Al-Nazrul

Kulsum Al-Nazrul

২০১৩.০১.২৬ ১৩:১৭
এসব দমন অতিব প্রয়োজন ।

Md.Shariful Islam

Md.Shariful Islam

২০১৩.০১.২৬ ১৫:১৪
It is Bangladesh so, no Tension !!!

২০১৩.০১.২৬ ২০:২৯
আমাদের স্বরাস্ট্রমন্ত্রী কি রক্ত মাংসের মানুষ ?