‘মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ রয়েছে’
মঙ্গলের পৃষ্ঠে সন্ধান পাওয়া একটি বড় আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে প্রাণের উপস্থিতি থাকার মতো যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। মার্কিন বিজ্ঞানীদের এ-সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে।
গবেষকেরা বলছেন, প্রাণের উপস্থিতি প্রমাণের জন্য সাধারণত যে অণুজীবের (মাইক্রো-অর্গানিজম) উপস্থিতির প্রয়োজন, তা এ পর্যন্ত মঙ্গলে প্রাপ্ত উপাদানের মধ্য থেকেই পাওয়া যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের ম্যাকলাওগ্লিন আগ্নেয়গিরির ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। মার্স রিকনোসেন্স অরবিটার (এমআরও) নামের নাসার কৃত্রিম উপগ্রহ মঙ্গলগ্রহ প্রদক্ষিণ করছে। উপগ্রহটি ম্যাকলাওগ্লিন জ্বালামুখের ১ দশমিক ৪ মাইল গভীর থেকে পাওয়া তথ্য স্পেক্টোমিটারের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠায়। এই তথ্য বিশ্লেষণ করে নাসার গবেষকেরা জানিয়েছেন, এখানকার মাটিতে কার্বোনেট ও কাদামাটির মতো খনিজ আছে। আর এই খনিজ সাধারণত গভীর পানির নিচে চাপে থাকলেই তৈরি হয়। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এই জ্বালামুখের মধ্যেই বদ্ধ অবস্থায় একসময় পানি ছিল। এই পানিতে ভেজা পরিবেশে হয়তো জীবনের অস্তিত্বও ছিল।
এ ছাড়া এই জ্বালামুখের মধ্যে স্রোতের ধারার অস্তিত্ব দেখা গেছে। নাসার গবেষকেরা ধারণা করছেন, পানির স্রোতধারা হ্রদের মধ্যে পড়ত। সুপ্ত আগ্নেয়গিরির মুখে ৫৭ মাইল প্রশস্ত এই হ্রদের বৈশিষ্ট্য ঠিক পৃথিবীর জ্বালামুখে সৃষ্ট হ্রদের মতোই। নাসার রোবট নভোযান কিওরিউসিটি মঙ্গলের পাথরের নমুনা সংগ্রহ করছে এবং দুষপ্রাপ্য সব ছবি পাঠিয়ে যাচ্ছে। এএফপি ও ইনডিপেনডেন্ট।







ABDUL MAJID QUAZI
২০১৩.০১.২৫ ১০:২৮
২০১৩.০১.২৬ ১৮:২৭nurul absar hussain
২০১৩.০১.২৬ ২২:৫৬