‘মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ রয়েছে’

প্রথম আলো ডেস্ক | তারিখ: ২৫-০১-২০১৩

  • ৩ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

মঙ্গলের পৃষ্ঠে সন্ধান পাওয়া একটি বড় আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে প্রাণের উপস্থিতি থাকার মতো যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। মার্কিন বিজ্ঞানীদের এ-সংক্রান্ত গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার জিওসায়েন্স জার্নালে।
গবেষকেরা বলছেন, প্রাণের উপস্থিতি প্রমাণের জন্য সাধারণত যে অণুজীবের (মাইক্রো-অর্গানিজম) উপস্থিতির প্রয়োজন, তা এ পর্যন্ত মঙ্গলে প্রাপ্ত উপাদানের মধ্য থেকেই পাওয়া যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের ম্যাকলাওগ্লিন আগ্নেয়গিরির ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। মার্স রিকনোসেন্স অরবিটার (এমআরও) নামের নাসার কৃত্রিম উপগ্রহ মঙ্গলগ্রহ প্রদক্ষিণ করছে। উপগ্রহটি ম্যাকলাওগ্লিন জ্বালামুখের ১ দশমিক ৪ মাইল গভীর থেকে পাওয়া তথ্য স্পেক্টোমিটারের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠায়। এই তথ্য বিশ্লেষণ করে নাসার গবেষকেরা জানিয়েছেন, এখানকার মাটিতে কার্বোনেট ও কাদামাটির মতো খনিজ আছে। আর এই খনিজ সাধারণত গভীর পানির নিচে চাপে থাকলেই তৈরি হয়। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এই জ্বালামুখের মধ্যেই বদ্ধ অবস্থায় একসময় পানি ছিল। এই পানিতে ভেজা পরিবেশে হয়তো জীবনের অস্তিত্বও ছিল।
এ ছাড়া এই জ্বালামুখের মধ্যে স্রোতের ধারার অস্তিত্ব দেখা গেছে। নাসার গবেষকেরা ধারণা করছেন, পানির স্রোতধারা হ্রদের মধ্যে পড়ত। সুপ্ত আগ্নেয়গিরির মুখে ৫৭ মাইল প্রশস্ত এই হ্রদের বৈশিষ্ট্য ঠিক পৃথিবীর জ্বালামুখে সৃষ্ট হ্রদের মতোই। নাসার রোবট নভোযান কিওরিউসিটি মঙ্গলের পাথরের নমুনা সংগ্রহ করছে এবং দুষপ্রাপ্য সব ছবি পাঠিয়ে যাচ্ছে। এএফপি ও ইনডিপেনডেন্ট।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১৩.০১.২৫ ১০:২৮
আমাদের বিশ্ব যেভাবে উষ্ণ হচ্ছে একদিন সব গাছপালা মরে যাবে মানুস নিশ্চিহ্ন হবে [অবশ্য মানুসই তার জনয় দায়ী], নদ নদি খাল বিল শুকিয়ে যাবে, মরুভুমি হবে পৃথিবী, তারপর সুর্যের তাপে আরও উত্তপ্ত হতে হতে মংগলের রূপ ধারন করবে । বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে অন্য গ্রহ বসবাসের উপযোগি হবে, মানুস বা তার চেয়েও বুদ্ধিমান কোন জাতির উদ্ভব হবে - তারাও আমাদের পৃথিবি নিয়ে এভাবেই নানা রকম ধারনা করবে প্রানির অস্তিত্ব ছিল কিনা । যেভাবে উষ্ণায়নের ফলে অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল হচ্ছে এভাবে দাবানল আমাদের ধারনার চাইতে দ্রুত আমাদের

২০১৩.০১.২৬ ১৮:২৭
হ্যা, একদল পিপড়া হুড়োহুড়ি করে গরতে ঢুকে গেল! ABDUL MAJID QUAZI: আপনার ধারণাই মনে হয় ঠিক।

nurul absar hussain

nurul absar hussain

২০১৩.০১.২৬ ২২:৫৬
অবিস্কারকেরা প্রথমে ওই খনে গিয়া প্রমান করিলে মানব জাতি নতুন ঠিকানা খুঁজে পাইবে।