সহজ হলো অনলাইন লেনদেন
সর্বজনীন পেমেন্ট গেটওয়ে না থাকায় দেশে ইন্টারনেটে কেনাকাটার ক্ষেত্রে ছিল সীমাবদ্ধতা। অবশেষে এ সমস্যার সমাধান হয়েছে।
দীর্ঘদিন পর গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক চালু করেছে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি)। ইলেকট্রনিক এ পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর ফলে এটিএম কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিংসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং পদ্ধতি একই প্ল্যাটফর্মে চলে এসেছে। এনপিএসবির ফলে অতিরিক্ত কোনো খরচ ছাড়াই যেকোনো ব্যাংকের এটিএম কার্ড অন্য ব্যাংকের বুথে ব্যবহার করে টাকা তোলা যাবে। এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং, খুচরা কেনাকাটার পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) কার্যক্রম ও ইন্টারনেট লেনদেনের বিষয়গুলো সহজ হয়ে গেল। যেকোনো ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং করা যাবে অন্য ব্যাংকে। কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক পেমেন্টে গেটওয়ে ছাড়াই ভিসা ও মাস্টার কার্ড দিয়ে কেনাকাটা করা যাবে দেশের মধ্যেই। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের (সিবিএসপি) আওতায় এনপিএসবি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। বর্তমানে প্রাথমিকভাবে পূবালী ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংক এ কার্যক্রমের আওতায় এসেছে।
দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংককে শিগগিরই এনপিএসবি চালু করতে হবে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এনপিএসবি চালুর ফলে ৪৭টি ব্যাংকের উদ্যোগে স্থাপিত প্রায় তিন হাজার এটিএম বুথ এবং আড়াই হাজার পিওএস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জন্য একটি প্ল্যাটফর্মে চলে এসেছে। এর ফলে এসব মাধ্যমের ব্যাংকিং লেনদেনকে প্রযুক্তিনির্ভরভাবে সমাধান করার পাশাপাশি সব লেনদেন নিরাপদ ও দ্রুত হবে। এ ছাড়া এ পদ্ধতি সব আর্থিক লেনদেনের ইলেকট্রনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের ই-কমার্সকে আরও নিরাপদ, দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা জানান, নতুন এ সেবার মাধ্যমে দেশের ব্যাংকিং খাত নতুন যুগে প্রবেশ করল। খুব শিগগির বেশির ভাগ ব্যাংকই এ সুবিধার আওতায় আসবে বলেও জানান তিনি। এনপিএসবি ব্যাংক খাতের কেন্দ্রীয় সার্ভার হিসেবে কাজ করবে। এর ফলে একটি মাত্র সুইচের মাধ্যমে সব ব্যাংকের লেনদেন সম্পন্ন করা যাবে। লেনদেনের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম অ্যানালিস্ট হিমাদ্রি শেখর সরদার জানান, যখন একজন গ্রাহক এটিএম কার্ড অন্য কোনো ব্যাংকের এটিএম বুথে প্রবেশ করাবেন, তখন সেটি গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব যেখানে, সেখান থেকে মিলিয়ে নেবে। তারপর সেটি এনপিএসবিতে পাঠাবে। এনপিএসবি থেকে গ্রাহকের ব্যাংকে অ্যাকাউন্টের তথ্য পাঠাবে। তখন গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সঠিক তথ্য এলেই তিনি লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন। এ সময় পুরো কাজটি হবে এনপিএসবি সার্ভারে। এখানে এনপিএসবি সমন্বয়ের কাজটি করছে বলেও জানান তিনি। সব ব্যাংক এনপিএসবি আওতায় যুক্ত হয়ে গেলে বিভিন্ন ব্যাংকের গ্রাহকেরা এ সুবিধা পাবেন।







Dr. Nahid Arjuman Banu
২০১৩.০১.২৫ ০৬:৫২Shah Neoaj
২০১৩.০১.২৫ ১০:০৮Abdullah Al Zubayer
২০১৩.০১.২৫ ১০:২৭syed Kamal mohammad Mukul
২০১৩.০১.২৫ ১১:৪৫
২০১৩.০১.২৫ ১২:৫৫Engr. Md. Nurul Islam
২০১৩.০১.২৫ ১৩:০৩Saiful Islam
২০১৩.০১.২৫ ১৯:২৪ধন্য আমাদের উন্নয়নের গতি! আর ডিটিটাইজড বিশ্বে পিছিয়ে থেকেও আমরা কিনা ডিজিটাল হওয়ার গর্ব করি!
Maruf Abdullah Rion
২০১৩.০১.২৬ ২২:০৭