বড় পুরস্কার পিটারসেনের
টেস্ট সিরিজ খেলে দেশে ফিরলেন, ফিরছেন পূর্ণ চুক্তিতেও
ওয়েবসাইট
সাফল্যের পুরস্কার হাতেনাতেই পেতে যাচ্ছেন কেভিন পিটারসেন। ইংল্যান্ডের ভারত জয়ে বিরাট অবদান রেখেছেন শেষ মুহূর্তে দলে ফেরা এই ব্যাটসম্যান। মুম্বাইয়ে তাঁর ১৮৬ রানের ইনিংসটাই অনেকের মতে সিরিজের টার্নিং পয়েন্ট। অবিস্মরণীয় সিরিজ জয়ের অন্যতম নায়কের জন্য ইংল্যান্ডের উপহার—পূর্ণাঙ্গ চুক্তি। শোনা যাচ্ছে সাময়িক চুক্তিতে থাকা পিটারসেনকে শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ চুক্তির আওতায় আনছে ইসিবি।
অনেক ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে ভারত সফরের দলে এসেছিলেন পিটারসেন। দফায় দফায় গোপন বৈঠক, দুঃখ প্রকাশ, দলের প্রতি নিবেদনের নিশ্চয়তা দিয়েই তবে আসতে হয়েছিল দলে। অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবে সাবেক অধিনায়কের সঙ্গে চার মাসের চুক্তি করেছিল বোর্ড। শুধু প্রতিপক্ষ নয়, পিটারসেনের জন্য ভারত সফরটা ছিল নিজ দলের কাছেও একটা পরীক্ষা।
সেই পরীক্ষায় লেটার মার্কস পেয়েই পাস করেছেন পিটারসেন। ব্যাট হাতে করেছেন দুই দল মিলিয়ে সিরিজের তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩৩৮ রান। মুম্বাইয়ের টার্নিং ট্র্যাকে তাঁর ২৩৩ বলে ১৮৬ রানের ইনিংসটাকে মনে করা হচ্ছে ভারতের মাটিতে সব সময়ের সেরা ইনিংসগুলোর একটি। সিরিজ জয়ের পর সব সতীর্থের অটোগ্রাফ নেওয়া জার্সি পরে বুঝিয়ে দিয়েছেন ড্রেসিংরুমেও এখন তিনি সুখী। সব মিলিয়ে মাঠের ভেতর ও বাইরের পিটারসেনকে দেখে মুগ্ধ কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, ‘চুক্তি কোনো সমস্যাই নয় এখন। ভারতে সব দিক থেকেই কেভিন ছিল অসাধারণ। যেভাবে সিরিজটা গেছে তাতে কেভিনের গর্বিত হওয়া উচিত, ব্যক্তিগতভাবে যেমন, তেমনি ক্রিকেটার হিসেবেও।’
প্রথম টেস্টে উড়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় টেস্টে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। ফ্লাওয়ারের ধারণা, মুম্বাইয়ে পিটারসেনের ইনিংসটাই সিরিজের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে, ‘প্রথম দিন থেকে বল ঘুরছে এমন উইকেটে নিজের সত্যিকারের স্কিল দেখিয়েছে সে ওই টেস্টে (মুম্বাই)। শুধু বড় ইনিংসই খেলেনি, এত দ্রুত রান করেছে যে প্রতিপক্ষ চাপে পড়ে গেছে। সেখান থেকেই আসলে আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু। পরের দুই টেস্টেও সে ৫৪ ও ৭৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ দুটি ইনিংস খেলেছে। মাঠের ভেতরে ও ড্রেসিংরুমে সে ছিল অসাধারণ।’
সাম্প্রতিক অতীতের ঝামেলা যে আর প্রভাব ফেলেনি, তার প্রমাণ তো পারফরম্যান্সই। ইংল্যান্ড কোচের আশা, দল এভাবেই এগিয়ে যাবে, ‘নিজেদের মধ্যে বৈঠকগুলোর পর আমরা সব ভুলে সামনে তাকিয়েছি। আমি চাই, এই ধারা অব্যাহত থাকুক। অতীত থেকে আমরা শিক্ষা নেব, কিন্তু অতীতে ফিরে যেতে চাই না।’ ওয়েবসাইট।








khaled rana
২০১২.১২.২০ ১০:৫১