• হোম
  • সারা দেশ
  •   মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সজাগ থাকতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সজাগ থাকতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রথম আলো ডেস্ক | তারিখ: ২০-১২-২০১২

  • ১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
রাজধানীতে গতকাল ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স ও আর্মড ফ

রাজধানীতে গতকাল ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০১২-এর গ্র্যাজুয়েটদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ছবি: পিআইডি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সজাগ থাকতে সামরিক বাহিনী এবং জনপ্রশাসনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তাসহ দেশপ্রেমিক জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
গতকাল বুধবার রাজধানীর মিরপুর ক্যান্টনমেন্টের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসি) মিলনায়তনে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স অ্যান্ড আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স ২০১২-এর গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) মানোন্নয়নে এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নতুন পর্যায়ে উন্নীত করার ব্যাপারে সচেষ্ট হতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। খবর বাসসের।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূইয়া, নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল জহির উদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল মোহাম্মদ ইনামুল বারী ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল আব্দুল ওয়াদুদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও সাংসদেরা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট ও শিক্ষকেরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এই স্টাফ কলেজের কমান্ড্যান্ট লে. জেনারেল মোল্লা ফজলে আকবর অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, সরকার সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের চাহিদা পূরণে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আশা করেন যে এই কলেজ থেকে কোর্স সম্পন্ন করা সামরিক ও বেসামরিক সার্ভিসের কর্মকর্তারা দেশ উন্নয়নের কাজে তাঁদের অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবেন।
প্রধানমন্ত্রী গত চার বছরে খাদ্য উৎপাদন, জিডিপি প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদন, রেমিট্যান্স আয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের সাফল্যের বিবরণ দেন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Ibrahim

Ibrahim

২০১২.১২.২০ ১২:৩৩
এ পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীর বিচারের যে অবস্থা, তাতে মনে হয় এই বিচারকে বাধাগ্রস্থকারীরা এখনো এগিয়ে। সরকারের চেয়ে অনেক বেশী চালাক। সরকারের মুখেই সব বিচার। আমি চ্যালেন্জ করে বলতে পারি, এই সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে পারবে না। এগুলো শুধু ভোট নেবার পায়তারা।