বিশ্বজিৎ হত্যা
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে পুলিশের সন্দেহ
বিশ্বজিৎ দাস
বিশ্বজিৎ দাসের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশ্বজিতের ওপর হামলার যে ছবি টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে, তা দেখে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বক্তব্য শুনে এ প্রশ্ন সামনে এসেছে। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে বিশ্বজিতের শরীরে একটি কাটা ও দুটি জখমের কথা বলা হয়। আর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে একটি কাটা ও একটি জখমের কথা বলা হয়।
বিশ্বজিৎ দাসের সুরতহাল প্রতিবেদনে সূত্রাপুর থানার পুলিশ লিখেছে, ‘কোমরের ওপরে পিঠে হালকা ফোলা জখম দেখা যায়। ডান হাতের পাখনার (বগলের) নীচে আনুমানিক তিন ইঞ্চি কাটা রক্তাক্ত জখম ও বাম হাঁটুর নীচে ছেঁড়া জখম রয়েছে।’
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক লিখেছেন, ‘পিঠে ডান কাঁধের (বগলের) নীচে সাড়ে তিন ইঞ্চি চওড়া দেড় ইঞ্চি গভীর একটি ছুরিকাঘাতের জখম এবং বাম হাঁটুর জোড়ায় থেঁতলানো জখম রয়েছে। বগলের নীচে জখমের ফলে তাঁর শরীরের একটি বড় ধমনী কাটা গেছে।
শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলো স্বাভাবিক ও ফ্যাকাসে এবং হূৎপিণ্ডের দুটি প্রকোষ্ঠই ছিল খালি। ডান কাঁধের নীচে (বগলে) ও বাম হাঁটুতে জখমের চিহ্ন।’
বিশ্বজিৎ হত্যা নিয়ে সূত্রাপুর থানার পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আইনজীবীদের মিছিল ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়া ছাত্রদের একটি মিছিল মুখোমুখি হলে সেখানে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। তখন বিশ্বজিৎ দৌড়ে যেতে থাকলে ২০-২৫ জন মিছিলকারী হাতে চাপাতি, রড, লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করে ভিক্টোরিয়া পার্কসংলগ্ন উত্তর পাশের পেট্রলপাম্পের মোড়ে তাঁকে চাপাতি দিয়ে কোপ দেয়। প্রাণে বাঁচতে বিশ্বজিৎ পাশের একটি মার্কেটের দোতলায় একটি দন্ত চিকিৎসালয়ের বারান্দায় যান। সেখানেও হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। বিশ্বজিৎ নিচে নেমে আসার পরেও তাঁকে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট ডিবি কর্মকর্তারা বলেন, বিশ্বজিৎকে এলোপাতাড়ি কোপানোর কথা ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা স্বীকার করেছেন। কিন্তু ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে একটি মাত্র ছুরিকাঘাতের জখম ও পায়ে একটি জখমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু টিভিতে তাঁকে যেভাবে পেটানোর দৃশ্য দেখা গেছে, তাতে তাঁর শরীরে অনেক ‘নীলা-ফোলা’ জখম থাকার কথা ছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার কিছু নেই। এতে আসামিদের আইনের ফাঁক দিয়ে বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে আশঙ্কা করেন ডিবি কর্মকর্তারা। কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, হামলাকারীদের রক্ষা করতেই এ ধরনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে ময়নাতদন্তকারী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের শিক্ষক মাকসুদুর রহমান দাবি করেন, বিশ্বজিতের শরীরে বড় ধরনের একটি ছুরিকাঘাত ছিল, দু-একটি ছিল ছোটখাটো। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে সব কটিই উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনেও এ ধরনের আঘাতের উল্লেখ আছে।
তবে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারীরা বলছেন, সুরতহাল হলো মৃতদেহের ভৌতাবস্থার বিবরণ। একজন পুলিশ কর্মকর্তা যে অবস্থায় দেহটি পান, সে অবস্থার বিবরণ সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। এমনকি মৃতদেহ পরিষ্কার করারও সুযোগ থাকে না সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময়। ময়নাতদন্তকারীরা মৃতদেহ পরিষ্কার করে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ভেতর-বাহির পরীক্ষা করেন। শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে—তা সুরতহালে দৃষ্টি এড়াতে পারে, তবে ময়নাতদন্তে তা এড়ানোর কথা নয়।
জানতে চাইলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী সূত্রাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্বজিতের শরীরে বেশ কয়েকটি নীলা ফোলা জখম ও ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। কিন্তু রক্তে পুরো শরীর ভেসে যাওয়ায় অনেক ক্ষত চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
তবে সুরতহাল প্রতিবেদন কিছু অপ্রাসঙ্গিক তথ্য লেখা হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। যেমন—বিরোধী দলের অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকা আদালতপাড়া থেকে আইনজীবীরা একটি মিছিল বের করেন। একই সময়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরেকটি মিছিল বের হয়। মিছিল দুটি মুখোমুখি হলে সেখানে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। তখন বিশ্বজিৎ দৌড়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী সুরতহাল প্রতিবেদনে লাশের পা থেকে মাথা পর্যন্ত ভৌতাবস্থার বর্ণনা থাকবে। শরীরের বাহ্যিক কোন অঙ্গটি কীভাবে পাওয়া গেছে, কোনো আঘাত বা দাগের চিহ্ন আছে কি না ইত্যাদি বিষয় এখানে উল্লিখিত হয়। মৃত ব্যক্তির আচরণ কেমন ছিল, পরিস্থিতি কেমন ছিল—এসব তথ্য সুরতহালে অপ্রাসঙ্গিক।







Raihanul Islam
২০১২.১২.২০ ০২:৩৮
২০১২.১২.২০ ০২:৪৫MD FARUK KHAN
২০১২.১২.২০ ০২:৪৫৯টা থেকে সারে ৯টার দিকে মিছিল নিয়ে বের হই রাস্তায়।মিছিলে ছিলেন জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি । হটাত কক্টেলের বিস্ফোরণ ঘটলে বিশ্বজিতকে ধরার নির্দেশ দেন নেতারা ।তখনই ২০-২৫ জন নেতা কর্মি এক জোগে দৌরে গিয়ে বিশ্বজিতকে মারধর শুরুকরে।তবে রাজন,ইউনুস ও মস্তফা ভাই ছুরি মেরে সাইট কেটে চলে যায় ।রাজন ভাইয়ের মুখ ছিল রুমালে ঢাকা।এরপর আমাদের নাগালে পাই বিশ্বজিতকে ।বড়ভাইয়ের দেখা দেখি আমিও চাপাতি দিয়ে কোপাই।রড দিয়ে পেটায় নাহিদ,লিমন সহ আরো অনেকে।কিন্তু আমার কোপই ফোকাস হয়েছে।বারবার ক্যামেরায় দেখানো হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদে সেবলে,জবিতে ভর্তির পর থেকেই ছাত্রলীগের সাথে জড়িত।এখন শুন্তেছি আমরা দলের সক্রিয় কর্মি না।আসলে বিপদে পরলে এগিয়ে আসেনা — অথচ সরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এর আগে মিথ্যi দাবি করেছেন, হামলাকারীরা ছাত্রলীগের কর্মী নন।।প্রকাশ্যে আওয়ামিলীগ সক্রিয় সন্রাসীরা একটা মানুষ কে কুপিয়ে হত্যা করেছে জা TV channel গুলো দেখালো,পত্রিকায় ছবি প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনাঃ২ বিএনপির সাবেক ভূমি উপমন্ত্রীর ছোঁড়া গুলিতে নিহত যুবলীগ নেতা পলাশ।
ঘটনাঃ৩ হরতালের সমর্থকদের হাতে নিহত কাজী আল মাহমুদ।
সুশীল সমাজঃবিশ্বজিৎ হত্যা্র বিচার চাই।
মন্তব্যঃখুনী্রা খুনীই।এদের কোন দল নেই।যারা সারাদিন ফেসবুক,ব্লগ,টক-ঝাল-মিস্টি শোতে গিয়ে বিশ্বজিৎ হত্যা্র বিচার চাই বুলি আওড়িয়ে মুখে ফেনা তুলেন তাদের মুখে আমি মুতি।লাশ নিয়ে রাজনী্তি বন্ধ করুন। পলাশ আর মাহমুদ কি দোষ করলো?তাদের কথা আপনারা বলছেন না কেন? বিশ্বজিৎ,পলা্শ, মাহমুদ সবার খুনিদের বিচার চাই। যারা বিশ্বজিৎ হত্যা নিয়ে অনেক উৎকণ্ঠিত তাদের কাছে প্রশ্ন পলাশ , আল মাহমুদ হত্যা কি আপনাদের চোখে পড়ে নাই ??? না বিশ্বজিৎ হত্যা শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক ইস্যু যা আপনাদের দাবার গুটিতে পরিণত হয়েছে ???
Golam Wadud
২০১২.১২.২০ ০৪:০৬Golam Wadud
২০১২.১২.২০ ০৪:০৯........ হায়রে সোনার বাংলা !!!
Farina
২০১২.১২.২০ ০৪:৪১- পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বজিতের শরীরে বেশ কয়েকটি নীলা ফোলা জখম ও ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। কিন্তু রক্তে পুরো শরীর ভেসে যাওয়ায় অনেক ক্ষত চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
- শাকিল এর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বিশ্বজিত কে ৮-১০ টি চাপাতির কোপ দেয়া হয় যার মধ্যে ৩-৪ টি তার শরীরে লাগে
- প্রত্যক্ষ্যদর্শী ও ক্যামেরার কল্যানে লাখো পরোক্ষদর্শীর মতে এলোপাথাড়ি কোপ,কিল ঘুষি,লাঠি, রড, চাপাতি ও ছুরির আঘাত মিলিয়ে মোট আঘাত ১৫-২০ টির কম হবে না
- সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের মতে-
বিশ্বজিতের শরীরে একটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে (দৈনিক যুগান্তর, ১৯ সে ডিসেম্বর ২০১২)
ডান কাঁধের নীচে একটি ছুরিকাঘাতের জখম এবং বাম হাঁটুর জোড়ায় থেঁতলানো জখম রয়েছে (প্রথম আলো, ২০ ডিসেম্বর ২০১২)
ইতিহাস বিবেচনায় ধরলে পুলিশের বিষয়ে নতুন কিছু বলার নাই কারণ ইতিপূর্বে আরো বহু হত্যাকান্ডে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদনে স্যাটলাইট থেকে পাওয়া চিত্রনাট্য সংযোজন করেছে। উদাহরণ, হেনা আক্তার নামের সেই নির্যাতিত কিশোরী টি কে যখন দোররা মেরে হত্যা করা হয়, তখন লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে নড়িয়া থানার এসআই আসলাম উদ্দিন লিখেছেন, "হেনা আক্তারের সঙ্গে তার চাচাত ভাই মাহবুবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল" এবং প্রতিবেদনে শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন নেই বলে উল্লেখ করা হয়। রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসের এক বাসা থেকে উদ্ধার করা গৃহকর্মীর মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে ক্যান্টনমেন্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) স্বপন চন্দ্র সরকার লেখেন : "মৃতা অনেকটা উগ্র স্বভাবের এবং পাগলের ন্যায় হাসত এবং তাকিয়ে থাকত। এতে কর্নেল (অব.) আবুল কালাম মো. জাকিরের স্ত্রী মিসেস মাহাবুবা জাকির শাসন করিলে অদ্য ১৭-০৪-১১ অনুমান ২০-৩০ মিনিটের সময় সকলের অগোচরে মৃতা নাসরিন (নাজমা) ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করে।" (প্রথম আলো, ৬ ই আগস্ট ২০১১)। কাজেই বিশ্বজিতের কপাল ভালো, শুধু একটু পারিপার্শিক ও রাজনৈতিক অবস্থার কথা বলা হয়েছে আর কি !
আসি ফরেনসিক এর বিষয়ে, শুনেছিলাম ডোম দের নাকি প্রচুর পরিমানে মদ গাঁজা খেতে হয়, তা না হলে সুস্থ্য চেতনায় ছেড়া পঁচা লাশ কাটাকুটি সম্ভব হয় না ।স্পর্শকাতর এই ফরেনসিক রিপোর্ট টি তৈরী ও এতে সই যিনি করেছেন, একসময় বোধয় তিনি মেডিকেলে পড়তেন, কঙ্কাল নেড়ে নেড়ে অস্থিবিদ্যা শিখতেন, অপঘাতে মৃত কোনো তরুনীর মৃতদেহ থেকে হৃদপিন্ড কেটে অবাক বিস্ময়ে ভাবতেন, আহা, কত বেদনাই না জমাট হয়ে আছে এখানে! আজ এত বছর পরে সেই অস্থিবিদ্যা আর দেহতত্বের শ্রাদ্ধ করেছেন তিনি হয়ত কিছু অর্থের বিনিময়ে, উচ্চপদের লোভে নয়তো হুমকির মুখে । ডাক্তার সাহেব - মুর্খ বিশ্বজিত খালি হাতে মরে নি, নিয়ে গেছে শাকিল দের শিক্ষার আর আপনার ডাক্তারি সনদ। আপনি আপনার ডিগ্রী বিকিয়ে দিয়ে পরিনত হয়েছেন একজন "ডোম" এ । ডাক্তার সাহেব .... দর্জি বিশ্বজিত এর জাদুবিদ্যা আপনাকে ডাক্তার থেকে ডোম বানিয়ে দিয়ে গেছে ... নতুন এই জীবনে স্বাগতম ....
Albert Khan
২০১২.১২.২০ ০৪:৪৮Titon
২০১২.১২.২০ ০৫:০৫মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #
২০১২.১২.২০ ০৬:৪১s.nahar bithi
২০১২.১২.২০ ০৭:৪০Nahiduzzaman Khan
২০১২.১২.২০ ০৮:১৭yusuf howladar
২০১২.১২.২০ ০৮:৪৮Md. Mahbubur Rab
২০১২.১২.২০ ০৮:৫৭Md.Shahreza biplob
২০১২.১২.২০ ০৯:৪৪Engr. Sohel (Singapore)
২০১২.১২.২০ ০৯:৫১
২০১২.১২.২০ ০৯:৫৫alamin
২০১২.১২.২০ ১০:১০
২০১২.১২.২০ ১০:২৬বিকাশ ছাড়া পেয়েছে এ কথা তো সবাই শুনেছে তাই না!!
zahid
২০১২.১২.২০ ১০:২৮Mohammad Nuruddin Jahangir
২০১২.১২.২০ ১০:৪৩
২০১২.১২.২০ ১১:০১Rashedul Farhad
২০১২.১২.২০ ১১:১০Akramul Amin
২০১২.১২.২০ ১১:২৯Nasimul Islam
২০১২.১২.২০ ১১:৩১Syed Harun ur Rashid Towhid
২০১২.১২.২০ ১১:৪২Aga Khan Sohel
২০১২.১২.২০ ১২:৩৫anwar
২০১২.১২.২০ ১২:৪২ekramul hoq
২০১২.১২.২০ ১২:৫৯
২০১২.১২.২০ ১৩:০৮Nahian Salehin
২০১২.১২.২০ ১৩:২০Metul Mahmud
২০১২.১২.২০ ১৩:২১Mustafiz Rahman
২০১২.১২.২০ ১৩:২৪ABDUL MAJID QUAZI
২০১২.১২.২০ ১৩:৪৪MD.Asibul Alam Limon
২০১২.১২.২০ ১৪:০৩MD.Asibul Alam Limon
২০১২.১২.২০ ১৪:০৫Md. Tazemul Haque
২০১২.১২.২০ ১৪:০৬Golam Mostofa
২০১২.১২.২০ ১৪:২৬
২০১২.১২.২০ ১৪:৩৪Raju(Jhalakathi,Barisal)
২০১২.১২.২০ ১৪:৫৬G.M ALAMGIR HUSSEN
২০১২.১২.২০ ১৫:৫১CHAMPAK
২০১২.১২.২০ ১৮:২৪Md. Rumman Hossain
২০১২.১২.২০ ১৮:৪০Hasan
২০১২.১২.২০ ২০:৫৭প্রায় ৩ইঞ্চি গভীর চাপাতির আঘাতে তার বগলের নীচে জখমের ফলে তাঁর শরীরের একটি বড় ধমনী কাটা পরে। এতে দ্রুত রক্তক্ষরন হতে থাকে। বিশ্বজিত পিটুনি খেতে খেতে দোতালা থেকে নিচেও নামে। আঘাত মোটেও গুরুতর ছিল না, কারন সে একবারও লুটিয়ে নিথর হয়ে পরেনি। অনেক্ষন রক্তক্ষরনে দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর সে বসে পরে এবং সঙ্গা হারায়। বিশ্বজিত অনেক্ষন পড়ে থাকার পর এক দয়ালু রিক্সা চালক তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। এতে ৪০ মি লাগে, হাসপাতালে আধা ঘন্টা ফেলে রাখা হয়, কারন ইমারজেন্সিতে কোন ডাক্তার নেই। বিশ্বজিত তখনো জীবিত। এরপর ডাক্তার এলে রিক্সাওয়ালাকে সেলাইন ও রক্ত কিনে আনতে বলা হয়, রিক্সাওয়ালার কাছে অল্প টাকা ছিল। সে সুধু একটা সেলাইন কিনে আনে। হাসপাতাল কতৃপক্ষ রক্ত দেয়ার কোন ব্যাবস্থা না করায় কিচ্ছুক্ষন পর বিশ্বজত বিনা চিকিৎসায় মারা যায়। রিক্সা চালকের সাথে দুএকজন সাংবাদিক থাকলে বিশ্বজিতকে দ্রুত রক্ত দিয়ে বাচানো যেত।
md. saiduzzaman
২০১২.১২.২০ ২৩:২০post mortem report এ স্পষ্ট লেখা আছে homicidal death অর্থাৎ খুন। সদিচ্ছা থাকলে এই রিপোর্ট দিয়েই ন্যায়বিচার করা সম্ভব।
Mizanur Rahaman
২০১২.১২.২০ ২৩:২৮Abdul Aziz
২০১২.১২.২১ ০০:২৮