বিশ্বজিৎ হত্যা

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে পুলিশের সন্দেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২০-১২-২০১২

  • ৫২ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
বিশ্বজিৎ দাস

বিশ্বজিৎ দাস

বিশ্বজিৎ দাসের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বিশ্বজিতের ওপর হামলার যে ছবি টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে, তা দেখে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বক্তব্য শুনে এ প্রশ্ন সামনে এসেছে। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে বিশ্বজিতের শরীরে একটি কাটা ও দুটি জখমের কথা বলা হয়। আর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে একটি কাটা ও একটি জখমের কথা বলা হয়।
বিশ্বজিৎ দাসের সুরতহাল প্রতিবেদনে সূত্রাপুর থানার পুলিশ লিখেছে, ‘কোমরের ওপরে পিঠে হালকা ফোলা জখম দেখা যায়। ডান হাতের পাখনার (বগলের) নীচে আনুমানিক তিন ইঞ্চি কাটা রক্তাক্ত জখম ও বাম হাঁটুর নীচে ছেঁড়া জখম রয়েছে।’
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক লিখেছেন, ‘পিঠে ডান কাঁধের (বগলের) নীচে সাড়ে তিন ইঞ্চি চওড়া দেড় ইঞ্চি গভীর একটি ছুরিকাঘাতের জখম এবং বাম হাঁটুর জোড়ায় থেঁতলানো জখম রয়েছে। বগলের নীচে জখমের ফলে তাঁর শরীরের একটি বড় ধমনী কাটা গেছে।
শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলো স্বাভাবিক ও ফ্যাকাসে এবং হূৎপিণ্ডের দুটি প্রকোষ্ঠই ছিল খালি। ডান কাঁধের নীচে (বগলে) ও বাম হাঁটুতে জখমের চিহ্ন।’
বিশ্বজিৎ হত্যা নিয়ে সূত্রাপুর থানার পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আইনজীবীদের মিছিল ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়া ছাত্রদের একটি মিছিল মুখোমুখি হলে সেখানে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। তখন বিশ্বজিৎ দৌড়ে যেতে থাকলে ২০-২৫ জন মিছিলকারী হাতে চাপাতি, রড, লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া করে ভিক্টোরিয়া পার্কসংলগ্ন উত্তর পাশের পেট্রলপাম্পের মোড়ে তাঁকে চাপাতি দিয়ে কোপ দেয়। প্রাণে বাঁচতে বিশ্বজিৎ পাশের একটি মার্কেটের দোতলায় একটি দন্ত চিকিৎসালয়ের বারান্দায় যান। সেখানেও হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। বিশ্বজিৎ নিচে নেমে আসার পরেও তাঁকে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট ডিবি কর্মকর্তারা বলেন, বিশ্বজিৎকে এলোপাতাড়ি কোপানোর কথা ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা স্বীকার করেছেন। কিন্তু ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে একটি মাত্র ছুরিকাঘাতের জখম ও পায়ে একটি জখমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু টিভিতে তাঁকে যেভাবে পেটানোর দৃশ্য দেখা গেছে, তাতে তাঁর শরীরে অনেক ‘নীলা-ফোলা’ জখম থাকার কথা ছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার কিছু নেই। এতে আসামিদের আইনের ফাঁক দিয়ে বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে আশঙ্কা করেন ডিবি কর্মকর্তারা। কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, হামলাকারীদের রক্ষা করতেই এ ধরনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে ময়নাতদন্তকারী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের শিক্ষক মাকসুদুর রহমান দাবি করেন, বিশ্বজিতের শরীরে বড় ধরনের একটি ছুরিকাঘাত ছিল, দু-একটি ছিল ছোটখাটো। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে সব কটিই উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনেও এ ধরনের আঘাতের উল্লেখ আছে।
তবে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারীরা বলছেন, সুরতহাল হলো মৃতদেহের ভৌতাবস্থার বিবরণ। একজন পুলিশ কর্মকর্তা যে অবস্থায় দেহটি পান, সে অবস্থার বিবরণ সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। এমনকি মৃতদেহ পরিষ্কার করারও সুযোগ থাকে না সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময়। ময়নাতদন্তকারীরা মৃতদেহ পরিষ্কার করে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ভেতর-বাহির পরীক্ষা করেন। শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে—তা সুরতহালে দৃষ্টি এড়াতে পারে, তবে ময়নাতদন্তে তা এড়ানোর কথা নয়।
জানতে চাইলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী সূত্রাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্বজিতের শরীরে বেশ কয়েকটি নীলা ফোলা জখম ও ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। কিন্তু রক্তে পুরো শরীর ভেসে যাওয়ায় অনেক ক্ষত চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
তবে সুরতহাল প্রতিবেদন কিছু অপ্রাসঙ্গিক তথ্য লেখা হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। যেমন—বিরোধী দলের অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকা আদালতপাড়া থেকে আইনজীবীরা একটি মিছিল বের করেন। একই সময়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরেকটি মিছিল বের হয়। মিছিল দুটি মুখোমুখি হলে সেখানে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। তখন বিশ্বজিৎ দৌড়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী সুরতহাল প্রতিবেদনে লাশের পা থেকে মাথা পর্যন্ত ভৌতাবস্থার বর্ণনা থাকবে। শরীরের বাহ্যিক কোন অঙ্গটি কীভাবে পাওয়া গেছে, কোনো আঘাত বা দাগের চিহ্ন আছে কি না ইত্যাদি বিষয় এখানে উল্লিখিত হয়। মৃত ব্যক্তির আচরণ কেমন ছিল, পরিস্থিতি কেমন ছিল—এসব তথ্য সুরতহালে অপ্রাসঙ্গিক।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Raihanul Islam

Raihanul Islam

২০১২.১২.২০ ০২:৩৮
বিশ্বজিৎ দাস কোন দিন বাংগালী জাতিকে খমা করবে না।

২০১২.১২.২০ ০২:৪৫
Government Again Stared New Drama about This Murder .

MD FARUK KHAN

MD FARUK KHAN

২০১২.১২.২০ ০২:৪৫
ছাত্রলীগের চাপাতি শাকিল কি বলে দেখুন......গ্রেপ্তার হব কল্পনাই করিনি।তাইলে আগেই চাপাতি আড়াল করতাম।চাপাতি দিয়ে ৬-৭টি কোপ দিয়েছি ।কয়েকটি কোপ মিস হয়েছে তবে জায়গা মত লেগেছে ২-৩টা।শাকিল আরো বলেছে--- ঘটনার দিন সকাল
৯টা থেকে সারে ৯টার দিকে মিছিল নিয়ে বের হই রাস্তায়।মিছিলে ছিলেন জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি । হটাত কক্টেলের বিস্ফোরণ ঘটলে বিশ্বজিতকে ধরার নির্দেশ দেন নেতারা ।তখনই ২০-২৫ জন নেতা কর্মি এক জোগে দৌরে গিয়ে বিশ্বজিতকে মারধর শুরুকরে।তবে রাজন,ইউনুস ও মস্তফা ভাই ছুরি মেরে সাইট কেটে চলে যায় ।রাজন ভাইয়ের মুখ ছিল রুমালে ঢাকা।এরপর আমাদের নাগালে পাই বিশ্বজিতকে ।বড়ভাইয়ের দেখা দেখি আমিও চাপাতি দিয়ে কোপাই।রড দিয়ে পেটায় নাহিদ,লিমন সহ আরো অনেকে।কিন্তু আমার কোপই ফোকাস হয়েছে।বারবার ক্যামেরায় দেখানো হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদে সেবলে,জবিতে ভর্তির পর থেকেই ছাত্রলীগের সাথে জড়িত।এখন শুন্তেছি আমরা দলের সক্রিয় কর্মি না।আসলে বিপদে পরলে এগিয়ে আসেনা — অথচ সরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এর আগে মিথ্যi দাবি করেছেন, হামলাকারীরা ছাত্রলীগের কর্মী নন।।প্রকাশ্যে আওয়ামিলীগ সক্রিয় সন্রাসীরা একটা মানুষ কে কুপিয়ে হত্যা করেছে জা TV channel গুলো দেখালো,পত্রিকায় ছবি প্রকাশিত হয়েছে।
২০১২.১২.২০ ০২:৫১
ঘটনাঃ১ ছাত্রলীগের হাতে বিশ্বজিৎ খুন।
ঘটনাঃ২ বিএনপির সাবেক ভূমি উপমন্ত্রীর ছোঁড়া গুলিতে নিহত যুবলীগ নেতা পলাশ।
ঘটনাঃ৩ হরতালের সমর্থকদের হাতে নিহত কাজী আল মাহমুদ।
সুশীল সমাজঃবিশ্বজিৎ হত্যা্র বিচার চাই।
মন্তব্যঃখুনী্রা খুনীই।এদের কোন দল নেই।যারা সারাদিন ফেসবুক,ব্লগ,টক-ঝাল-মিস্টি শোতে গিয়ে বিশ্বজিৎ হত্যা্র বিচার চাই বুলি আওড়িয়ে মুখে ফেনা তুলেন তাদের মুখে আমি মুতি।লাশ নিয়ে রাজনী্তি বন্ধ করুন। পলাশ আর মাহমুদ কি দোষ করলো?তাদের কথা আপনারা বলছেন না কেন? বিশ্বজিৎ,পলা্‌শ, মাহমুদ সবার খুনিদের বিচার চাই। যারা বিশ্বজিৎ হত্যা নিয়ে অনেক উৎকণ্ঠিত তাদের কাছে প্রশ্ন পলাশ , আল মাহমুদ হত্যা কি আপনাদের চোখে পড়ে নাই ??? না বিশ্বজিৎ হত্যা শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক ইস্যু যা আপনাদের দাবার গুটিতে পরিণত হয়েছে ???

Golam Wadud

Golam Wadud

২০১২.১২.২০ ০৪:০৬
খুনিদের বাচাতে কেন এই খেলা ??

Golam Wadud

Golam Wadud

২০১২.১২.২০ ০৪:০৯
এতে আসামিদের আইনের ফাঁক দিয়ে বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে আশঙ্কা করেন ডিবি কর্মকর্তারা। কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, হামলাকারীদের রক্ষা করতেই এ ধরনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
........ হায়রে সোনার বাংলা !!!

Farina

Farina

২০১২.১২.২০ ০৪:৪১
বিশ্বজিতের নিথর দেহের সুরতহাল বনাম ঘুনে খাওয়া জাতির আক্কেলের ময়নাতদন্ত :
- পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বজিতের শরীরে বেশ কয়েকটি নীলা ফোলা জখম ও ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। কিন্তু রক্তে পুরো শরীর ভেসে যাওয়ায় অনেক ক্ষত চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।
- শাকিল এর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বিশ্বজিত কে ৮-১০ টি চাপাতির কোপ দেয়া হয় যার মধ্যে ৩-৪ টি তার শরীরে লাগে
- প্রত্যক্ষ্যদর্শী ও ক্যামেরার কল্যানে লাখো পরোক্ষদর্শীর মতে এলোপাথাড়ি কোপ,কিল ঘুষি,লাঠি, রড, চাপাতি ও ছুরির আঘাত মিলিয়ে মোট আঘাত ১৫-২০ টির কম হবে না
- সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ফরেনসিক বিভাগের মতে-
বিশ্বজিতের শরীরে একটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে (দৈনিক যুগান্তর, ১৯ সে ডিসেম্বর ২০১২)
ডান কাঁধের নীচে একটি ছুরিকাঘাতের জখম এবং বাম হাঁটুর জোড়ায় থেঁতলানো জখম রয়েছে (প্রথম আলো, ২০ ডিসেম্বর ২০১২)
ইতিহাস বিবেচনায় ধরলে পুলিশের বিষয়ে নতুন কিছু বলার নাই কারণ ইতিপূর্বে আরো বহু হত্যাকান্ডে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদনে স্যাটলাইট থেকে পাওয়া চিত্রনাট্য সংযোজন করেছে। উদাহরণ, হেনা আক্তার নামের সেই নির্যাতিত কিশোরী টি কে যখন দোররা মেরে হত্যা করা হয়, তখন লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে নড়িয়া থানার এসআই আসলাম উদ্দিন লিখেছেন, "হেনা আক্তারের সঙ্গে তার চাচাত ভাই মাহবুবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল" এবং প্রতিবেদনে শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন নেই বলে উল্লেখ করা হয়। রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসের এক বাসা থেকে উদ্ধার করা গৃহকর্মীর মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে ক্যান্টনমেন্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) স্বপন চন্দ্র সরকার লেখেন : "মৃতা অনেকটা উগ্র স্বভাবের এবং পাগলের ন্যায় হাসত এবং তাকিয়ে থাকত। এতে কর্নেল (অব.) আবুল কালাম মো. জাকিরের স্ত্রী মিসেস মাহাবুবা জাকির শাসন করিলে অদ্য ১৭-০৪-১১ অনুমান ২০-৩০ মিনিটের সময় সকলের অগোচরে মৃতা নাসরিন (নাজমা) ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করে।" (প্রথম আলো, ৬ ই আগস্ট ২০১১)। কাজেই বিশ্বজিতের কপাল ভালো, শুধু একটু পারিপার্শিক ও রাজনৈতিক অবস্থার কথা বলা হয়েছে আর কি !
আসি ফরেনসিক এর বিষয়ে, শুনেছিলাম ডোম দের নাকি প্রচুর পরিমানে মদ গাঁজা খেতে হয়, তা না হলে সুস্থ্য চেতনায় ছেড়া পঁচা লাশ কাটাকুটি সম্ভব হয় না ।স্পর্শকাতর এই ফরেনসিক রিপোর্ট টি তৈরী ও এতে সই যিনি করেছেন, একসময় বোধয় তিনি মেডিকেলে পড়তেন, কঙ্কাল নেড়ে নেড়ে অস্থিবিদ্যা শিখতেন, অপঘাতে মৃত কোনো তরুনীর মৃতদেহ থেকে হৃদপিন্ড কেটে অবাক বিস্ময়ে ভাবতেন, আহা, কত বেদনাই না জমাট হয়ে আছে এখানে! আজ এত বছর পরে সেই অস্থিবিদ্যা আর দেহতত্বের শ্রাদ্ধ করেছেন তিনি হয়ত কিছু অর্থের বিনিময়ে, উচ্চপদের লোভে নয়তো হুমকির মুখে । ডাক্তার সাহেব - মুর্খ বিশ্বজিত খালি হাতে মরে নি, নিয়ে গেছে শাকিল দের শিক্ষার আর আপনার ডাক্তারি সনদ। আপনি আপনার ডিগ্রী বিকিয়ে দিয়ে পরিনত হয়েছেন একজন "ডোম" এ । ডাক্তার সাহেব .... দর্জি বিশ্বজিত এর জাদুবিদ্যা আপনাকে ডাক্তার থেকে ডোম বানিয়ে দিয়ে গেছে ... নতুন এই জীবনে স্বাগতম ....

Albert Khan

Albert Khan

২০১২.১২.২০ ০৪:৪৮
আসামীদের বাঁচানোর এই প্রচেষ্টার মধ্যে পুলিশের বা হাসপাতাল কতৃপক্ষের কোনো স্বার্থ থাকতে পারে না l সরকারের চাপের মুখে তাদের এটা করতে হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস l

Titon

Titon

২০১২.১২.২০ ০৫:০৫
shame!
২০১২.১২.২০ ০৬:১৬
সঠিক তথ্য না দিয়ে থাকলে ,ময়নাতদন্তকারী, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের শিক্ষক মাকসুদুর রহমান ও সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী সূত্রাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করা হউক।

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

২০১২.১২.২০ ০৬:৪১
বিশ্বজিৎ দাসকে কারা হত্যা করেছে, তা এখন আমাদের দেশের অগ্রসর প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কল্যাণে একটা শিশুও জানে, আর সেখানে এ নৃশংস হত্যাকান্ডটা নিয়ে নিজ দলকে ও তার অঙ্গ-সংগঠন ছাত্রলীগকে পূতঃপবিত্র হিসেবে উপস্থাপন করতে আওয়ামী মহাজোট সরকার কি প্রাণান্তকর প্রচেষ্টাটাই না চালাচ্ছে। এতে করে হত্যাকারীদের হয়তোবা বাচানো যেতে পারে, কিন্তু দেশের আপামর মানুষের ঘৃণা-দৃষ্টি থেকে কি সরকার, আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগকে আদৌ বাচানো যাবে ? বরং হত্যাকান্ডটার সঠিক ও ন্যায়ানুগ বিচারের ব্যাবস্থা করুন, তাহ'লে হন্তারক ঐ নরপশুরা ডুববে ঠিকই, সরকার ও আওয়ামী লীগের ডুবন্ত ভাবমূর্তি কিছুটা হ'লেও জেগে উঠতে পারে।

s.nahar bithi

s.nahar bithi

২০১২.১২.২০ ০৭:৪০
আইন অনুযায়ী সুরতহাল প্রতিবেদনে লাশের পা থেকে মাথা পর্যন্ত ভৌতাবস্থার বর্ণনা থাকবে। শরীরের বাহ্যিক কোন অঙ্গটি কীভাবে পাওয়া গেছে, কোনো আঘাত বা দাগের চিহ্ন আছে কি না ইত্যাদি বিষয় এখানে উল্লিখিত হয়। মৃত ব্যক্তির আচরণ কেমন ছিল, পরিস্থিতি কেমন ছিল—এসব তথ্য সুরতহালে অপ্রাসঙ্গিক। এই অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মদদ পুষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের কাজ তারা সরকারকে তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে খুশি করার জন্য এ ধরনের অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্যর অবতারনা করে থাকেন এবং আসল ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্ঠা করেন ।

Nahiduzzaman Khan

Nahiduzzaman Khan

২০১২.১২.২০ ০৮:১৭
Thank you very much for this important articles.Awami League have to learn many things from this articles

yusuf howladar

yusuf howladar

২০১২.১২.২০ ০৮:৪৮
আমরা যারা সদা সচেতন থাকার চেষ্টা করি তাদের দুর্ভাগ্য যে,মাথা প্রতি ভোট হিসেবের কারণে অনেক অযোগ্য লোক ও এ দেশের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থানে বসে আছেন। বিশ্বজিতের হত্যার বিষয়ে সবচেয়ে সরব থাকার কথা বিরোধী দলের অথচ এই বিষয়টি নিয়ে তাদের কোনই মাথাব্যথা নেই। গণমাধ্যম শতর্ক দৃষ্টি না রাখলে যে কী হত তা ভাবতেও গা শিওরে ওঠে।

Md. Mahbubur Rab

Md. Mahbubur Rab

২০১২.১২.২০ ০৮:৫৭
দেশের যাবতীয় প্রশাসনে ও বিচার ব্যবস্থায় যদি দলীয় করন হয়, তাহলে পুলিশ, ডাক্তার, দুদক সবাই শাসকদলের গা বাচিয়ে যত্নের সাথে রিপোট গুলো দিবে এবং যেহতু অপরাধী দলীয় লোক, সে আইনের ফাকদিয়ে বেরিয়ে যাবে।
২০১২.১২.২০ ০৯:২১
অরাজনীতিবিদরা এখন রাজনীতি ভালভাবেই বুঝেন। দুচার জনকে বাচালেও এর দৃশ্য দেখে কত ভোট যে কমছে বা কমবে তার একটা সমীক্ষা করলে ভাল হত।

Md.Shahreza biplob

Md.Shahreza biplob

২০১২.১২.২০ ০৯:৪৪
এদেশের কিছু নোংরা মনের গৃহপালীত ডাক্তার, পুলিশ,আইনজীবি আছে যাদেরকে রাখা হয়েছে রাজনীতিবীদদের স্বার্থের জন্য।এই সমস্ত পরজীবি গুলিকে তারা নিজেদের চাকরের মতো করে ব্যবহার করে।এদের একটু হলেও বোঝা উচিত যে যারা তাদের ব্যবহার করে তারা নিজেও ঐ পরজীবিদের পছন্দ করেনা।

Engr. Sohel (Singapore)

Engr. Sohel (Singapore)

২০১২.১২.২০ ০৯:৫১
Now-a-days, corruption everywhere.

২০১২.১২.২০ ০৯:৫৫
Joy-to AL

alamin

alamin

২০১২.১২.২০ ১০:১০
লজ্জা লজ্জা লজ্জা বড়ই লজ্জা !!!!!!!! ছি : তোদের কে এদের মানুষের পয়সায় পরানো ডা: তোরা

২০১২.১২.২০ ১০:২৬
আরে ভাই যে ময়না তদন্ত রির্পোট করেছে তারও তো বউ বাচ্চা ‍জীবন আছে,
বিকাশ ছাড়া পেয়েছে ‍এ কথা তো সবাই শুনেছে তাই না!!

zahid

zahid

২০১২.১২.২০ ১০:২৮
DOCTOR ARE NOW CORRUPTED AND CRIMINAL LIKE KILLER. WE MUST HATE THAT KIND OF DOCTOR.

Mohammad Nuruddin Jahangir

Mohammad Nuruddin Jahangir

২০১২.১২.২০ ১০:৪৩
সরকারের গৃহপালীত ডাক্তার রা কি সত্য ক থা বলতে পারবে ? তাদের কলম বা মুখ থেকে সরকারের শিকিয়ে দেওয়া বুলি বের হবে দুদকের মত।

২০১২.১২.২০ ১১:০১
Politicians are speaking lie continuously, so why not others!!!!

Rashedul Farhad

Rashedul Farhad

২০১২.১২.২০ ১১:১০
রাজনীতি না করলেও রাজনীতির ছোবল থেকে কেউ নিরাপদ নয়। হায়রে বাংলাদেশ!

Akramul Amin

Akramul Amin

২০১২.১২.২০ ১১:২৯
এতে আসামিদের আইনের ফাঁক দিয়ে বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে আশঙ্কা করেন ডিবি কর্মকর্তারা। আইন জিনিসটা আসলে কি ? অমানুষদের রক্ষাকবচ ?

Nasimul Islam

Nasimul Islam

২০১২.১২.২০ ১১:৩১
আমরা হলাম গনতান্ত্রীক দেশের রাজতান্ত্রীক নাগরিক। নামেই আমাদের গনতন্ত্র, না আছে জীবনের নিরাপ্ত্তা ন, আছে সুষ্টবিচার, কার কাছে জাব আমরা ?

Syed Harun ur Rashid Towhid

Syed Harun ur Rashid Towhid

২০১২.১২.২০ ১১:৪২
সত্যকে কতভাবে ঢাকা যায় তা এই আওয়ামী সরকার বাঙ্গালীকে পদে পদে দেখিয়ে দিচ্ছে !!!

Aga Khan Sohel

Aga Khan Sohel

২০১২.১২.২০ ১২:৩৫
প্রথম আলো কেন লিখেন নাই যে উক্ত ডাক্তার কোন দলের সক্রিয় সদস্য কি না? এই দেশের চৌকিদার থেকে শুরু করে সচিব পর্যন্ত হয় ম্যাডামের নয় আপার সমর্থক- অতএব সুরতহাল, ময়নাতদন্ত সহ যে কোন কিছু সুবিধা মত লেখা যায়!

anwar

anwar

২০১২.১২.২০ ১২:৪২
i will say only that, this gov. is shamless. go to hell this gov. who is telling lie.

ekramul hoq

ekramul hoq

২০১২.১২.২০ ১২:৫৯
সমাজ যতটা নষ্ট হয় বিশ্বজিৎদের খুনিদের জন্য, তার চেয়ে বেশী নষ্ট হয় ডঃ মাকসুদের মত লোকদের জন্য। যারা বিশ্বজিৎদের শরীরে শত আঘাতের চিহ্ন থাকা স্বতেও ময়না তদন্ত রিপোর্ট লিখে একটি সাধারণ আঘাতের চিহ্ন। দিনের আলোয়ে যে নির্মম সত্য তা মিথ্যার চাঁদরে ঢেকে দিতে চায়। এরা ডাক্তারই থেকে যায় আজীবন কোন দিন মানুষ হয়ে উঠতে পারে না । সত্যিই সমাজে আজ সৎ মানুষের বড়ই অভাব.

২০১২.১২.২০ ১৩:০৮
খুনী এবং যারা অবিচারের আয়োজন করছে, তাদেরকে একমাত্র প্রকৃতিই উপযুক্ত শাস্তি দিবে।

Nahian Salehin

Nahian Salehin

২০১২.১২.২০ ১৩:২০
পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, হামলাকারীদের রক্ষা করতেই এ ধরনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এতে বুঝা যায় চাপাতি লীগের এই নৃসংশতার বিচার ভিনন দিকে নিয়ে যেতে কারা সচেষট রেয়েছে ।

Metul Mahmud

Metul Mahmud

২০১২.১২.২০ ১৩:২১
সবকিসু ভুলে যাব আমরা। আবার আমরা তাদের কে নিরবাচিত করব। কিন্তু ...........

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.১২.২০ ১৩:২৪
বিশ্বজিৎ হত্যাকারীদের যারা বাচাতে চেষটা করে তাদের কাছে বিচারের আশা করে লাভ নেই। আমাদেরকেই সিদধান্ত নিতে হবে আমরা চাপাতির নীচে বসবাস করব নাকি শান্তি ও মানবাতের পথে বেচে থাকব ।
২০১২.১২.২০ ১৩:৩৮
ময়না তদেন্তো দলীয়করণ!

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.১২.২০ ১৩:৪৪
শুরু থেকেই তালবাহানা চলছে খুনকে বিপথে পরিচালিত করার জন্য। এতে আমরা আশ্চর্য্য নই পুলিশ তার পিঠের চামরা রক্কার্থে এসব লিখবে । একটিও কাটা দাগ নেই যে লিখেনি সেটার জন্য ও হয়ত তাদের কৈফিয়ত দিতে হতে পারে।

MD.Asibul Alam Limon

MD.Asibul Alam Limon

২০১২.১২.২০ ১৪:০৩
Today or tomorrow we might see the criminal are declared free from court due to lack of sufficient evidence!!!

MD.Asibul Alam Limon

MD.Asibul Alam Limon

২০১২.১২.২০ ১৪:০৫
Today or tomorrow we might see the criminals are declared free from court due to lack of sufficient evidence!!!Our previous experiences are not good....

Md. Tazemul Haque

Md. Tazemul Haque

২০১২.১২.২০ ১৪:০৬
@ Farina, Thank you very much for your wonderful comments.
২০১২.১২.২০ ১৪:০৮
সরকারের গৃহপালীত ডাক্তাররা কি সত্য কথা বলতে পারবে ? তাদের কলম বা মুখ থেকে সরকারের শিকিয়ে দেওয়া বুলি বের হবে দুদকের মত।
২০১২.১২.২০ ১৪:০৯
খুনিদের বাচাতে কেন এই খেলা ? লজ্জা লজ্জা লজ্জা বড়ই লজ্জা !

Golam Mostofa

Golam Mostofa

২০১২.১২.২০ ১৪:২৬
বিশ্বজিৎ দাসের লাশ নিয়ে কোন রাজনীতি করাই শ্রেয়। আজ বিশ্বজিৎ দাস যে ভাবে খুন হলো কালকে আপনার আমার ভাই খুন হবে না। এ গ্যারান্টি কি দিতে পারেন?

২০১২.১২.২০ ১৪:৩৪
আমি এত দিন ভিডিওটি দেখতে ভয় পাচ্ছিলাম কিন্তু আজ আর না দেখে থাকতে পারলাম না। যতগুলো মানুষের সামনে এই ঘটনাটি ঘটেছে তারা কি আসলে মানুষই ছিল ..আমরা মানুষ তাই এখন আমরা শুধু লজ্জিত হতে পারি!!!

Raju(Jhalakathi,Barisal)

Raju(Jhalakathi,Barisal)

২০১২.১২.২০ ১৪:৫৬
Allah see everything

G.M ALAMGIR HUSSEN

G.M ALAMGIR HUSSEN

২০১২.১২.২০ ১৫:৫১
biswajit er mrito atta gure gure bolse aami to more bechegasi ekhon tomader pala...........

CHAMPAK

CHAMPAK

২০১২.১২.২০ ১৮:২৪
সবাই শুধু ডাক্তার দের দোষারপ করছেন। ওই ময়নাতদন্ত রিপোর্ট কোনো ভাবেই ডাক্তার মাক্সুদ মিথ্যে লেখেন নি। মিডিয়া তে সেটা ঠিকভাবে আসেনি। উনি আসলেই কি লিখেছেন তা ইত্তেফাক এ রিপোর্ট তি প্রকাশ হোয়ার পর সেদিন উনার ক্লাসে ছাত্রদের কে আসল রিপোর্ট টি দেখিয়েছিলেন। তাতে এ মৃত্যু কে কারো দ্বারা সংঘঠিত হত্যাকান্ড পরিষ্কার ভাবে লেখা আছে।

Md. Rumman Hossain

Md. Rumman Hossain

২০১২.১২.২০ ১৮:৪০
ধিক জানাই এই আমারা নাগরিকদের কারন আমরাই এইসব নরপিশাচদের নির্বাচন করি আর যার কারনে নিরীহ বিশ্বজিৎ মারা পড়ে।

Hasan

Hasan

২০১২.১২.২০ ২০:৫৭
বিশ্বজিতের বেশিরভাগ আঘাত তেমন গুরুতর ছিলনা।
প্রায় ৩ইঞ্চি গভীর চাপাতির আঘাতে তার বগলের নীচে জখমের ফলে তাঁর শরীরের একটি বড় ধমনী কাটা পরে। এতে দ্রুত রক্তক্ষরন হতে থাকে। বিশ্বজিত পিটুনি খেতে খেতে দোতালা থেকে নিচেও নামে। আঘাত মোটেও গুরুতর ছিল না, কারন সে একবারও লুটিয়ে নিথর হয়ে পরেনি। অনেক্ষন রক্তক্ষরনে দুর্বল হয়ে যাওয়ার পর সে বসে পরে এবং সঙ্গা হারায়। বিশ্বজিত অনেক্ষন পড়ে থাকার পর এক দয়ালু রিক্সা চালক তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। এতে ৪০ মি লাগে, হাসপাতালে আধা ঘন্টা ফেলে রাখা হয়, কারন ইমারজেন্সিতে কোন ডাক্তার নেই। বিশ্বজিত তখনো জীবিত। এরপর ডাক্তার এলে রিক্সাওয়ালাকে সেলাইন ও রক্ত কিনে আনতে বলা হয়, রিক্সাওয়ালার কাছে অল্প টাকা ছিল। সে সুধু একটা সেলাইন কিনে আনে। হাসপাতাল কতৃপক্ষ রক্ত দেয়ার কোন ব্যাবস্থা না করায় কিচ্ছুক্ষন পর বিশ্বজত বিনা চিকিৎসায় মারা যায়। রিক্সা চালকের সাথে দুএকজন সাংবাদিক থাকলে বিশ্বজিতকে দ্রুত রক্ত দিয়ে বাচানো যেত।

md. saiduzzaman

md. saiduzzaman

২০১২.১২.২০ ২৩:২০
there is far difference between common sense and medical science.
post mortem report এ স্পষ্ট লেখা আছে homicidal death অর্থাৎ খুন। সদিচ্ছা থাকলে এই রিপোর্ট দিয়েই ন্যায়বিচার করা সম্ভব।

Mizanur Rahaman

Mizanur Rahaman

২০১২.১২.২০ ২৩:২৮
।স্পর্শকাতর এই ফরেনসিক রিপোর্ট টি তৈরী ও এতে সই যিনি করেছেন, একসময় বোধয় তিনি মেডিকেলে পড়তেন, কঙ্কাল নেড়ে নেড়ে অস্থিবিদ্যা শিখতেন, অপঘাতে মৃত কোনো তরুনীর মৃতদেহ থেকে হৃদপিন্ড কেটে অবাক বিস্ময়ে ভাবতেন, আহা, কত বেদনাই না জমাট হয়ে আছে এখানে! আজ এত বছর পরে সেই অস্থিবিদ্যা আর দেহতত্বের শ্রাদ্ধ করেছেন তিনি হয়ত কিছু অর্থের বিনিময়ে, উচ্চপদের লোভে নয়তো হুমকির মুখে । ডাক্তার সাহেব - মুর্খ বিশ্বজিত খালি হাতে মরে নি, নিয়ে গেছে শাকিল দের শিক্ষার আর আপনার ডাক্তারি সনদ। আপনি আপনার ডিগ্রী বিকিয়ে দিয়ে পরিনত হয়েছেন একজন "ডোম" এ । ডাক্তার সাহেব .... দর্জি বিশ্বজিত এর জাদুবিদ্যা আপনাকে ডাক্তার থেকে ডোম বানিয়ে দিয়ে গেছে ... নতুন এই জীবনে স্বাগতম .... !!Welldone My Dear(???!!!)Doctor!Allah Bless you with HIS Mercy!!!!!!

Abdul Aziz

Abdul Aziz

২০১২.১২.২১ ০০:২৮
VERY GOOD NEWS 4 THIS GOVT.