পদ্মা সেতু দুর্নীতির ষড়যন্ত্র

আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২০-১২-২০১২

  • ৩০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

পদ্মা সেতু প্রকল্পে নির্মাণ তদারকি পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াসহ চার আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযানে নেমেছে সংস্থার বিশেষ দল। গতকাল বুধবার দিনভর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান দুদকের পরিচালক ও উইং কমান্ডার তাহিদুল ইসলাম।
দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত সূত্র জানান, চার আসামির বাসায় অভিযান চালালেও তাঁদের পাওয়া যায়নি। তবে যেকোনো মুহূর্তে তাঁরা গ্রেপ্তার হতে পারেন।
এ বিষয়ে সন্ধ্যায় দুদকের কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, মামলার তালিকাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি তদন্তের স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে দুদকের বিশেষ দলকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। দুদক কমিশনার আরও জানান, পদ্মার মামলার এজাহারের নথি গত মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুদক সূত্র জানান, মামলার অন্যতম আসামি সেতু বিভাগের সাবেক সচিবের ধানমন্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসাটি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। অন্য আসামিদের বাসাও নজরদারিতে রয়েছে।
আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, তদন্ত দলকে এসব বিষয় নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তে কোনো ধরনের অন্তরায় না আসে। জানা গেছে, দুদক থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, আসামিদের গ্রেপ্তারে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা, বিশেষ করে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যা ব) সাহায্য নেওয়া হয়েছে।
গত সোমবার পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির মামলায় সাতজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সাত আসামির মধ্যে বাংলাদেশের চারজন হচ্ছেন: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, সেতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগে দরপত্র মূল্যায়নে গঠিত কমিটির সদস্যসচিব কাজী মো. ফেরদাউস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ আহমেদ জাবের ও ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালট্যান্ট লিমিটেডের (ইপিসি) উপমহাব্যবস্থাপক মো. মোস্তফা। আর তিন বিদেশি আসামি হচ্ছেন: এসএনসি-লাভালিনের সাবেক তিন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল, রমেশ শাহ ও কেভিন ওয়ালেস।
পদ্মা সেতু নিয়ে অর্থমন্ত্রী: এদিকে, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পদ্মা সেতু প্রকল্পে ‘কোনো দুর্নীতি হয়নি’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সচিবালয়ে গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন।
বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইনের সঙ্গে আজই (বুধবার) কথা হয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তাঁকে বললাম, তাড়াতাড়ি করুন। উনি বললেন, জানুয়ারিতে জানাবেন।’ অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি খুবই আশাবাদী। শুধু পদ্মা নয়, সব বিষয়েই আমি আশাবাদী। আমি নিশ্চিত যে, এই প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি হয়নি।’
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এখন দুদক সরাসরিই বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে। সম্প্রতি দুদক মামলা করেছে সাতজনের নামে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ীই প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (এফআইআর) তৈরি হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, বিশ্বব্যাংক মাত্র গত ১৩ নভেম্বর একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। এর আগে দেয়নি। এই প্রতিবেদনেই কিছু সাক্ষীসাবুদ রয়েছে, যার ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। অভিযোগটি হলো, সাতজন একটি পার্টির (পদ্মা সেতুর কাজ পেতে আগ্রহী) পক্ষে কাজ করেছিলেন। এ বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদান হয়েছে। ওই পার্টির লোকেরা দুজনের (সৈয়দ আবুল হোসেন ও আবুল হাসান চৌধুরী) সঙ্গে শুধু দেখা করেছেন। কেউ দেখা করলেই তো কাউকে দায়ী করা যায় না। এই জন্য তাঁদের নাম এফআইআরএ আসেনি।
বারবার সেতু প্রকল্পের কমিটি ভাঙা হলো কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, ‘আমি তো মনে করি, বারবার কমিটি ভাঙাই হলো দুর্নীতি ঠেকানোর বড় প্রমাণ।’
মন্ত্রীকে না জানিয়ে সচিব নিজে কমিটি ভেঙে দিয়েছেন বা পরিবর্তন করেছেন, এটা কি বিশ্বাসযোগ্য, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তাই তো হয়েছে। মন্ত্রী পরে জেনেছেন।’
সরকারের শেষ সময়ে এসে পদ্মা সেতুর ভাগ্যে কী থাকতে পারে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি, যাওয়ার আগে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হবে এবং সেতুর জাজিরা অংশে কাজ হবে পুরোদমে।’ সহ-অর্থায়নকারীরা কি থাকবে এই প্রকল্পে—প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা অবশ্যই থাকবে। তবে কে থাকবে না থাকবে, তা আমি জানি না।’
যাওয়ার আগে মানে কি, নাও তো যেতে হতে পারে, এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘না, আমি আর মন্ত্রী হতে চাই না। তবে এমপি হব।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.১২.২০ ০২:৩০
এমন প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, ‘আমি তো মনে করি, বারবার কমিটি ভাঙাই হলো দুর্নীতি ঠেকানোর বড় প্রমাণ।’ - this is the reason why you are Finance Ministerof BD.

JONY

JONY

২০১২.১২.২০ ০৩:২৫
বুঝলাম না ২ আবুল বাদ দিয়ে মামলা হয় কি করে . মাথাই কিছু আসতেছে না।

অভি

অভি

২০১২.১২.২০ ০৩:৫২
নাকের উপর চশমা রেখে তা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না !! ভাই, অমুক অমুক জায়গায় আমরা রেইড দিব, আপনারা আসবেন না ! গ্রেফতার হবে ক্যামনে ?

Golam Wadud

Golam Wadud

২০১২.১২.২০ ০৪:১৬
পদ্মা সেতু নাটকের মূল নায়ক আবুলদ্বয়কে বাদ দিলে নাটকটি সুপার ফ্লপ হবে।

Albert Khan

Albert Khan

২০১২.১২.২০ ০৪:৩৩
সরকার এবং দুদক মিলে যা করছে তা লজ্জাকর l সরকার দুদককে দিয়ে শেষ যে নাটক ফেদেছে তাতেও অনেক ফাঁক আছে l দুই আবুল কিভাবে মামলা থেকে বাদ যায় ? সরকারের নির্লজ্জতা স্পষ্টত দৃশ্বমান l

rakibraj

rakibraj

২০১২.১২.২০ ০৫:১৮
পুটি মাছ থেকে শুরু হয়ে রুই কাতলা পর্যন্ত সবখানে দুর্নীতি।
২০১২.১২.২০ ০৬:৩৯
এই সরকারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে । একদিকে চলছে আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা । অন্য দিকে মাননীয় অর্থমন্ত্রী সাহেব হেসে হেসে বলছেন, পদ্মা সেতু নিয়ে কোন দুর্ণীতি হয়নি ।

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

২০১২.১২.২০ ০৬:৫৮
আমাদের সাধের পদ্মাসেতুটা এখন পদ্মপাতার উপর বৃষ্টির পানির মত টলমল করছে, যে-কোন সময় ওটা টুপ করে পড়ে গিয়ে পদ্মার অথৈ জলের সাথে মিশে যাওয়ার উপক্রম করে ফেলেছে আমাদের জনকল্যাণমূখী বর্তমান মহাজোট সরকার।
বর্তমান সরকারের মেয়াদেই পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আমরা আমজনতাও তাই মনে করি, আপনারা আর কিছু পারেন আর না পারেন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে ওস্তাদ। শুধু পদ্মাসেতু নয়, কাজের কাজ কিছু করতে পারেন আর না পারেন, দেশে যেখানে যা-কিছু নির্মাণযোগ্য আছে, এমনকি শৌচাগার পর্যন্ত, সকল কিছুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে ফেলুন, আর জনগণকে এভাবেই ধোকা দিয়ে বোকা বানানোর কসরত অব্যাহত রাখুন।

Tajerul islam sadhin

Tajerul islam sadhin

২০১২.১২.২০ ০৭:১৭
আবশেষে অর্থমন্ত্রির মুখে সেই আগের মত কথা ফুটেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। দেখা যাক কি ঘটে এখনোতো কিছু জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না!

Shamim Prince

Shamim Prince

২০১২.১২.২০ ০৭:৩৮
আপনি মনে করেন শুধু আপনি চালাক, জনগন কিচু বুঝে না । সে দিন কি আর আছে ?

Ratan Jyoti

Ratan Jyoti

২০১২.১২.২০ ০৮:০৭
বুধবার দিনভর বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান চালানো হয় তবে তাঁদের পাওয়া যায়নি। Nice Drama!!!!

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১২.১২.২০ ০৮:৪৫
কার পাপ কে পায়শিচত্য করে!

Shafiq  Bhuiyan

Shafiq Bhuiyan

২০১২.১২.২০ ০৯:১৩
এই অর্থমন্ত্রীকে কবে সরানো হবে ?
২০১২.১২.২০ ০৯:২৫
একটু খুজে দেখবেন কি ? আসামীদের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পূর্বেই বাইরে পাঠানো হয়েছে কিনা। দেশের যে হালচাল কোন কিছুই বিশ্বাস করা যায় না।

moazzem hossen

moazzem hossen

২০১২.১২.২০ ০৯:৩৮
প্রথম বন্ধু- কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে- তুই বেটা একটা মীরজাফর
২য় বন্ধু- তুই আমাকে মীরজাফর বললি? আমি যদি মীরজাফর হই তুই বেটা একটা কিসিঞ্জার
প্রথম বন্ধু আবার রেগে গিয়ে বলল - এই বেটা কিসিঞ্জার বললি কেন? আমি কিসিঞ্জার হলে তুই ' আবুল, তুর বাবা আবুল, তুর চাচা আবুল' তার পর প্রচণ্ড মারামারি। তার মানে 'আবুল' মানে একটা গালি। তার মানে মীরজাফর আর কিসিঞ্জারকে হার মানিয়ে দিয়েছেন আমাদের দেশের তিন স্বনামধন্য 'আবুল'।

২০১২.১২.২০ ০৯:৪৫
দুই আবুলকে বাদ দিয়ে কি আসামী ধরবেন.. আগে আসল ধরেন.
২০১২.১২.২০ ০৯:৫২
best theme.

২০১২.১২.২০ ০৯:৫৫
"বর্তমান সরকারের মেয়াদেই পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।"
- আগামী কয়েকটি মাস শেখ হাসিনা শুধু ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেই কাটাবেন সেটা সবার জানা, ২০০০ সালেও ‍আমরা ‍এ নাটক দেখেছিলাম। পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্থর ২০০১ সালে‍ই শেখ হাসিনা স্থাপন করেছিল সেই ভিত্তিপ্রস্থরের ভিত্তি কি ছিল ?

Md.Shahreza biplob

Md.Shahreza biplob

২০১২.১২.২০ ০৯:৫৫
তেল, গ্যাস, বিদ্যুত্ত সহ সবকিছুর দাম বাড়াইতেছেন কিন্তূ নিজের দাম এতোটা কমাইতেছেন কেন ?

Mohiuddin Maswood

Mohiuddin Maswood

২০১২.১২.২০ ১০:১৫
মন্তী না হলেও এমপি হওয়ার সখ ত্যাগ করেননি আমাদের অর্থমন্ত্রী। কিন্তু আগামী নির্বাচন অব্দি ওনার বয়সের ভারটি উনি কী অনুভব করতে পারছেননা। আর কতো? এমন ভয়াবহ সখ থেকে বেড়িয়ে আসলেই জাতির জন্য বড় খেদমত হবে । আমাদের বহু রাজনীতিকেরই এখন অবসরে যাওয়া উচিত নিজেদের বোধের কাছে দায়বদ্ধ থেকে।

abdul moyeen

abdul moyeen

২০১২.১২.২০ ১০:২৪
Some of the commentators mix up the meaning of corruption and the conspricy for corruption. I do not know why the minister is blamed for his comment. He said that there was no corruption in the Padma bridge project. Has he said anything wrong? Even the WB has said there was some conspiricy for corruption - they did not say that there was corruption. STOP politics with the Padma bridge issue please. We want the bridge to be constructed and it is the present government who initiated the project and they are doing everything to make it happen. They are cooperating with the WB in the investigation of the conspiracy. Guys, why you are busy with making such baseless comments? What is your interest? Do you think, if BNP comes to power, they wll make the bridge, and if so without real corruption by their established corrupt leaders??

zahid

zahid

২০১২.১২.২০ ১০:৩২
HASINA CAN SAVE THEM.
২০১২.১২.২০ ১২:০৭
স্কুলের একটা ম্যানেজিং কমিটি পর্যন্ত মন্ত্রী এমপিদের সরাসরি হস্থক্ষেপ ছাড়া হয় না্ । সেখানে সেতুর টেণ্ডার মূল্যায়ন কমিটি হয়ে গেল মন্ত্রীর অগোচরে ?

sawkat ali

sawkat ali

২০১২.১২.২০ ১২:১৬
awamileague got only few more months to go and thats all...dear public just remember their did and give them the perfect answer in the next election...

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.১২.২০ ১২:২৮
মূল অভিযেক্তদের বাদ দিয়ে চুনোপুটি নিয়ে টানাহেচড়া করে সরকারের রাজনৈতিক প্রতারণায় যোগ দিয়েছে দুদক ।

SHAMSUL HUDA

SHAMSUL HUDA

২০১২.১২.২০ ১২:৩৫
Pepole want immediate arrest of Abul Hossain and Abul Hasan.

Nahian Salehin

Nahian Salehin

২০১২.১২.২০ ১২:৫৯
দুদকের অনুসনধান কমিটি খুজে পেয়েছে চার বার টেন্ডার কমিটি ভাংগা গড়া হয়েছে এসএনসি লাভালিনকে কাজ পাইয়ে দিতে অথচ আবুল সাহেব এই ভাংগা গড়ার কিছুই জানলেন না !! হাঃ হাঃ হাঃ ।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.১২.২০ ১৩:৪০
আসল দুজন বাদ - কারন তারা মন্ত্রি । মন্ত্রি আর এমপি হলে, বা তাদের আত্মীয় হলে এরা নিস্পাপ ভগবান বনে যান ? যেমন কোকা, তারেক, আবুল হুসেন, সুরনজিত সেন আর প্রতি মন্ত্রি আবুল।

Md. Asadur Rahman, Chittagong

Md. Asadur Rahman, Chittagong

২০১২.১২.২০ ১৪:২৬
The name of the high profile drama is ABUL permitted only for Bangladesh. PADMA BRIDGE HAS BEEN FINISHED WE CAN SAY NOW !!!!!!!
Mr. Abul Muhit has no idea about his age may be ??? Next time election you will be defeated MP and than after you will become non physical before next election !!!!Than after you will become dirty history of Bangladesh.
২০১২.১২.২০ ১৪:৩৫
এই যে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা এগুলি আসলে এক ধরনের ফরমালিটি। এখন এগুলি আবার ফ্যাসন হয়ে গেছে। বস্তত এরপর আর কিছু হয় না। দুদক মামলা করেছে, তারপর আসামীর সাজা হয়েছে, এধরনের রেকর্ড এখন পর্যন্ত নেই।