নতুনের জানালা
তাঁকে দেখলেই অর্ধেক সুস্থ
ডেভিড বারাশি বড় কোনো চিকিৎসক নন। কিন্তু ফ্লপি জুতা পরে আর লাল নাকে ওয়ার্ডে ঢুকলেই শিশুদের মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। ঠোঁটে চলে আসে এক চিলতে হাসি। হাসিও যে রোগের ওষুধ হতে পারে, সে বিষয়ে নেপালি চিকিৎসক ও সেবিকাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ইসরায়েলি এই চিকিৎসক। ১০ বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান ও হাসপাতালে চিকিৎসক ভাঁড় হিসেবে কাজ করছেন তিনি।
বারাশি (৩৬) বলেন, ‘ভাঁড়ামির মধ্যে সবার জন্যই কিছু না কিছু রয়েছে। কেউ হাসপাতালে এলে কেবল তার অসুখ-বিসুখের দিকটিই দেখা উচিত নয়, রোগীর সুস্থতার বিষয়টিও খেয়াল করতে হবে। রোগীর এই সুস্থতার দিকটিই সব সময় শিশুসুলভ আচরণ করতে চায়।’ গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট-বড় সবার দুশ্চিন্তা ও যন্ত্রণা কমায় ভাঁড়ামি। এটি মানুষের রক্তচাপও কমায়। বয়স্কদের মতিভ্রম থেকে রক্ষা পেতেও সাহায্য করে হাসি-তামাশা।
ইসরায়েলের হাইফা বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা ভাঁড়ামির ওপর পড়াশোনা করেন বারাশি। চিকিৎসক, সেবিকা ও প্রভাষকদের তিনি একটা বিষয়ই দেখানোর চেষ্টা করছেন—অস্ত্রোপচারের চেয়েও ভাঁড়ামির মাধ্যমে শিশুদের ভালো ও হাসিখুশি রাখা সম্ভব। ইথিওপিয়ায় অনাথ ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে সুনামিদুর্গত শিশুদের নিয়ে কাজ করেছেন বারাশি। নেপালে ইসরায়েলি দূতাবাসের আহ্বানে তিনি সে দেশে আসেন। কাঠমান্ডুর ৩০ কিলোমিটার দূরে ধুলিখেল হাসপাতালে শিশু রোগীদের নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ইসরায়েলি দূতাবাসের উপপ্রধান অ্যাডাম লিভেন জানান, নতুন করে চিকিৎসক নিয়োগ দিলে তা হবে নেপাল সরকারের জন্য ব্যয়বহুল। বিদ্যমান চিকিৎসকদেরই ভাঁড়ামির মাধ্যমে রোগী সুস্থ করে তোলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অস্ত্রোপচারের আগে ও পরে রোগীদের সঙ্গে হাসি-তামাশা করলে তাঁদের দ্রুত সেরে ওঠার মাত্রা ৩০% পর্যন্ত বেড়ে যায়। এএফপি।







Mohammed Morshed ul Alam.
২০১২.১২.২০ ০৪:৫৮alamin
২০১২.১২.২০ ১০:১৮KAMRUL HASAN PAVEL
২০১২.১২.২০ ১১:১৩Bishwajit Saha
২০১২.১২.২০ ১১:২৫alamin
২০১২.১২.২০ ১৯:০২