ব্লগ থেকে...
নির্বাচিত মন্তব্য
মোহাম্মদপুর থানার সামনে যে হারে জব্দ করা গাড়ির সারি জমে উঠছে, তা নিয়ে গণমাধ্যমে তেমন কিছু বলা হয় না। গত বছর প্রথম আলোতে পড়েছিলাম, থানার স্টোরে জব্দ করা গাড়ির স্থানসংকুলান হচ্ছে না। কিন্তু থানার সামনে এখন যেভাবে সারিবদ্ধ বাস, গাড়ি, টেম্পো সাজিয়ে রাখা হচ্ছে, তা রাস্তাকে আরও সংকীর্ণ করে দিচ্ছে, ফলে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ধানমন্ডিগামী সব যানবাহন একধরনের ‘বটলনেক কন্ডিশন’-এর সম্মুখীন হচ্ছে। থানার সীমানার ভেতরে যথেষ্ট ফাঁকা জায়গা থাকা সত্ত্বেও থানার বাইরে ব্যস্ত রাস্তার ওপর এভাবে অচল যানবাহন ফেলে রেখে রাস্তা সংকীর্ণ করার প্রতিবাদ করার কেউ নেই। পুলিশ প্রশাসন অনিয়ম করলে তার সুরাহা কে করবে?
কাজী মনজুর করিম
qazi.manzur@gmail.com
নির্বাচিত প্রস্তাব
তখন সময় বেলা দুইটা ৫০ মিনিট। ঢাকা চেম্বারের কোর্স ক্লাসটা মিস হয়ে গেল! ভীষণ হতাশ হয়ে পড়লাম। উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে দুপুরে সময় লাগে তিন থেকে চার ঘণ্টা। আমার বড় ভাই বললেন হতাশ হওয়ার কিছু নেই, আমি তোমাকে স্বপ্নের বাহনে মতিঝিল পাঠিয়ে দেব। তুমি ক্লাস ধরতে পারবে। ফাজলামি না, সিরিয়াসলি। একটা রিকশা নিয়ে সোজা এয়ারপোর্ট রেলস্টেশনে যাও। যে ট্রেনটা কমলাপুরের দিকে যাচ্ছে ওটাতেই উঠবে, ব্যস। রেলস্টেশনে গিয়ে মনে হলো একটা ট্রেন আমার জন্যই অপেক্ষা করছে। উঠতেই ছেড়ে দিল। জাদুর মতো ২৫ মিনিটে কমলাপুর! সেদিন থেকে আমার মনে প্রকৃত উপলব্ধি হলো, ঢাকার যানজট নিরসনে ট্রেনসংযোগ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। আসুন, আমরা সবাই মিলে ট্রেনের জন্য জোরালো দাবি তুলি।
মেহেদি হাসান
muskmiah@yahoo.com







Ibrahim
২০১২.১২.২০ ১১:১২