সাদাসিধে কথা
বিশ্বজিতের লাল শার্ট
আমি মনে হয় বাংলাদেশের অল্প কয়জন সৌভাগ্যবান মানুষের একজন, আমার বাসায় টেলিভিশন নেই বলে আমাকে টেলিভিশন দেখতে হয় না। তাই ডিসেম্বরের ৯ তারিখ যখন ছাত্রলীগের কর্মীরা বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে খুন করেছে, আমাকে সেই দৃশ্যটি দেখতে হয়নি। যারা দেখেছে, তাদের প্রায় সবারই মানুষ সম্পর্কে ধারণাটি পাল্টে গেছে। রাজনীতি, আইন, আইনের শাসন—এসব বিষয় নিয়ে তাদের অত্যন্ত নিষ্ঠুর একটি স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে। সবার ভেতরেই যে একজন করে নিষ্পাপ মানুষ থাকে, সেই মানুষটি ভয়ংকরভাবে আতঙ্কগ্রস্ত হয়েছে।
আমি কাপুরুষের মতো টেলিভিশন থেকে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পেরেছিলাম, কিন্তু খবরের কাগজ থেকে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারিনি। খবরের কাগজের ছবিগুলো না দেখে দ্রুত পৃষ্ঠাগুলো উল্টে ফেলার চেষ্টা করলেও ছবিগুলো আমার মাথায় গেঁথে গেছে, চারপাশে ঘিরে যখন ছাত্রলীগের কর্মীরা তাকে হত্যা করছে, সেই মুহূর্তের বিশ্বজিতের চোখের দৃষ্টি আমাদের সবাইকে বাকি জীবন তাড়া করে বেড়াবে, সেই দৃষ্টিতে আতঙ্ক বা যন্ত্রণা ছিল না, একধরনের অসহায় ব্যাকুলতা ছিল, চারপাশে অসংখ্য মানুষ দৃশ্যটি দেখছে, কেউ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসছে না, সেটি নিয়ে হয়তো জগৎসংসারের প্রতি একটা তীব্র অভিমান ছিল। কোনো কোনো ছবিতে বিশ্বজিতের শার্টটি ছিল হালকা সাদা রঙের, আবার কোনো কোনো ছবিতে সেটি ছিল উজ্জ্বল লাল রঙের, সেটি নিয়েও আমার মনে একটা প্রশ্ন ছিল। ঘটনার সপ্তাহ খানেক পর একটু সাহস সঞ্চয় করে আমি যখন খবরের কাগজগুলো পড়েছি, ছবিগুলো নতুন করে দেখেছি, তখন আমি বুঝতে পেরেছি বিশ্বজিৎ লাল শার্ট পরেনি, রক্তে ভিজে তার শার্ট লাল হয়েছিল।
দেশের সব মানুষের মতো আমার মনেও অনেক প্রশ্ন জন্ম নিয়েছে, খবরের কাগজ, টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান আর সাংবাদিকেরা শুধু ছবি তুলেই তাদের দায়িত্ব পালন না করে বিশ্বজিৎকে বাঁচানোর চেষ্টা করেনি কেন? এত কাছে পুলিশ থাকার পরও তারা এগিয়ে গেল না কেন? যখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো তখন হিপোক্রেটিক শপথ নেওয়া চিকিৎসকেরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করল না কেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমার জানা নেই।
আবার কিছু কিছু ভয়ংকর প্রশ্নের উত্তর আমি অনুমান করতে পারি। যেমন ছাত্রলীগের যে কর্মীরা বিশ্বজিৎকে কুপিয়ে হত্যা করছিল, তারা দেখেছে চারপাশ থেকে ক্যামেরায় তাদের ছবি তোলা হচ্ছে, তার পরও তারা কেন ক্যামেরার সামনে এই পৈশাচিক উন্মত্ততায় বিশ্বজিৎকে হত্যা করেছে? কিংবা প্রশ্নটি আরও ভয়ংকরভাবে করা যায়, চারপাশে ক্যামেরা ছিল বলেই কি তারা এত উন্মত্ত হয়েছিল, যেন সবাইকে দেখানো যায় তাদের কত সর্বগ্রাসী ক্ষমতা, কত ভয়ংকর?
বহু বছর আগে কাদের সিদ্দিকী যখন আওয়ামী লীগ থেকে বের হয়ে নিজের রাজনৈতিক দল গঠন করার জন্য একটি সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তখন ছাত্রলীগের কর্মীরা এসে পুরো আয়োজনটি লন্ডভন্ড করে দিয়েছিল। আমি রাজনীতি ভালো না বুঝলেও অন্তত এতটুকু জানি এগুলো রাজনীতিতে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি ‘মাঠ দখল’ বা ‘রাজপথ ছাড়ি নাই’ এই ধরনের বাক্যাংশ দিয়ে এগুলোকে ব্যাখ্যা করা হয়। (সত্যি কথা বলতে কি, বিএনপি আর জাতীয় পার্টি এই দুটি দলই এই কায়দায় তৈরি হয়েছে, মিলিটারি জেনারেলরা প্রথমে জোর করে ক্ষমতা দখল করেছে, তারপর রাজনৈতিক দল করে গণতন্ত্রের জন্য জায়েজ করেছে) তবে আমার বক্তব্য একটু ভিন্ন জায়গায়, ছাত্রলীগের যে কর্মীরা কাদের সিদ্দিকীর সম্মেলনটি লন্ডভন্ড করেছিল, তারা সেখানেই থেমে যায়নি, তারপর তারা সংবাদপত্র অফিসে গিয়ে নিশ্চিত করেছিল সম্মেলন ভন্ডুলকারী সন্ত্রাসী বাহিনী হিসেবে তাদের নামগুলো যেন পত্রিকায় ছাপা হয়। তাদের কাছে এটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে দেশের মানুষ এবং তাদের দলের নেতারা যেন ঠিকভাবে জানতে পারে কারা এই ‘গুরুদায়িত্ব’ সঠিকভাবে পালন করেছে।
আমি পরে অসংখ্যবার এটা দেখেছি এবং এটা শুধু ছাত্রলীগের ব্যাপার নয়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনের এই একই ব্যাপার। সন্ত্রাসী হিসেবে নিজের নাম ছড়িয়ে দেওয়ার মধ্যে বিশাল কৃতিত্ব, হলে-হোস্টেলে ফ্রি খাওয়া যায়, কন্ট্রাক্টরদের কাছ থেকে চাঁদা তোলা যায়, সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা যায় এবং ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক নেতা হওয়া যায়। আমার ধারণা, বিশ্বজিতের বেলাতেও ঠিক একই ব্যাপার ঘটেছে। তাকে সবাই মিলে যখন কুপিয়ে হত্যা করেছিল, তখন তারা একবারও ভাবেনি সেটি গোপনে করতে হবে, এটি ছিল একধরনের বীরত্ব প্রদর্শন এবং ছাত্রলীগের কর্মীরা ধরেই নিয়েছিল এটা যত মানুষ দেখবে সেটা তাদের তত মর্যাদার জায়গায় নিয়ে যাবে। আমার ধারণা, টেলিভিশন-ক্যামেরা ইত্যাদি থাকার কারণে তাদের নৃশংসতা আরও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছিল।
ছাত্রলীগের কর্মীদের ভাবনা যে মোটেও ভুল ছিল না, আমরা সঙ্গে সঙ্গে তার প্রমাণ পেয়েছি। একেবারে চোখের সামনে ঘটনা ঘটেছে, সবার নাম-পরিচয় জেনেও ছাত্রলীগ কর্মীদের বাঁচানোর জন্য পুলিশ মামলা করেছে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নাম দিয়ে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা দিলেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংবাদপত্র আর টেলিভিশনের কারণে ততক্ষণে দেশের সব মানুষ হত্যাকারীদের চিনে গেছে, তাই তারা বিস্মিত হয়ে দেখল আসল অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার না করে অন্যদের গ্রেপ্তার করে বসে আছে। ছাত্রলীগের কর্মীদের বাঁচানোর জন্য নতুন জজ মিয়ার নাটক মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে। (সাগর-রুনির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য মাত্র কিছুদিন আগে এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অন্য মামলার আসামিদের নাম ঘোষণা করেছেন। রামুর ঘটনার জন্য সঙ্গে সঙ্গে অন্যদের দোষারোপ করেছেন কিন্তু পরের দিন কিংবা তার পরের দিনে আক্রান্ত হওয়া মন্দিরকে রক্ষা করতে পারেননি) পত্রপত্রিকাগুলো লেগে থাকল এবং তখন সত্যিকারের অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হতে শুরু করল।
এখন ভিন্ন একটি নাটক মঞ্চস্থ হতে শুরু করল, সবাই প্রমাণ করতে শুরু করল এই অভিযুক্তরা কেউ ছাত্রলীগের কর্মী নয়। ছাত্রলীগ বলল, এরা তাদের মিটিং-মিছিলে যোগ দিতে পারে কিন্তু এরা তাদের কর্মী নয়। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বললেন, আওয়ামী লীগকে দায়ী করা যাবে না, এর আগের দিন আনন্দ মিছিলে বোমা পড়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও জোর গলায় বললেন এরা ছাত্রলীগের কর্মী নয়। সবচেয়ে হূদয়বিদারক কাজটি করলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব। ঘোষণা দিলেন অভিযুক্তরা সবাই জামায়াত-শিবির, কারণ তাদের আত্মীয়স্বজন জামায়াত-শিবির। (কয় দিন আগে আমি শিবিরের তরুণদের উদ্দেশ করে একটা লেখা লিখেছিলাম, সেটা পড়ে একজন আমার কাছে খুব দুঃখ করে লিখেছে, সে তার বাবা-মাকে ঘৃণা করে; কারণ, তারা জামায়াত করে, সে দেশকে খুব ভালোবাসে) বিশ্বজিতের মতো একজন তরুণের এ রকম একটি মৃত্যুর পর কেন পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র এই হত্যাকারীদের রক্ষা করার জন্য এত ব্যস্ত হয়ে পড়ল? এই প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না, শুধু এটুকু জানি যে বিশ্বজিৎকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা যত বড় অপরাধ, তার হত্যাকারীদের রক্ষা করার চেষ্টা করা তার থেকে অনেক বড় অপরাধ। যারা মনে করে দেশের সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে এত বড় একটা অপরাধ করে পার পাওয়া যাবে, তারা এই দেশের মানুষকে চেনে না। আমি রীতিমতো অপমানিত বোধ করি, যখন দেখতে পাই এই দেশের সরকার বা রাজনৈতিক দলগুলো মনে করে দেশের মানুষ নেহাত নির্বোধ—তাদের যেটা বলায় তারা সেটাই বিশ্বাস করে বসে থাকবে! এই দেশে যা কিছু ঘটছে, আমরা সেগুলো শুধু দূর থেকে খবরের কাগজ বা টেলিভিশনের ভেতর দেখি না, আমরা অনেক সময় নিজের চোখে সরাসরি দেখি, তাই প্রকৃত সত্যটা আমরা খুব ভালোভাবে জানি। তাই যখন কাউকে দেখি সেই সত্যটাকে লুকানোর চেষ্টা করছে বা বিকৃত করার চেষ্টা করছে, সেটা আমাদের কাছে গোপন থাকে না। যত অপ্রিয় হোক, যত ভয়ংকর হোক, যত নিষ্ঠুর হোক সেটাকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করতে হয়। তা না হলে সেটা আরও শত গুণ অপ্রিয়, সহস্র গুণ ভয়ংকর আর লক্ষ গুণ নিষ্ঠুর হয়ে ফিরে আসে।
কিছুদিন আগে একজন আমার সঙ্গে রাজনীতি, নির্বাচন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার—এ ধরনের বড় বড় বিষয় নিয়ে কথা বলছিল। আমি তাকে বলেছিলাম, মাঝেমধ্যে আমার মনে হয় এই দেশের গণতন্ত্র বুঝি প্রায় একটা কৌতুকের মতো। বিশাল দক্ষযজ্ঞ করে নির্বাচন করে সাংসদেরা একদিনও সংসদে যান না (বিনা শুল্কে গাড়ি আমদানি আর বেতন-ভাতা রক্ষা করার জন্য এক-আধ দিন যেতে পারেন—আমি নিশ্চিত নই)! কাজেই এই দেশে বিরোধী দল হিসেবে সরকারের সমালোচনা করার কেউ নেই। সে জন্য সরকারকে সতর্ক করে গণতন্ত্রকে সচল রাখার পুরো দায়িত্বটি পালন করতে হয় সংবাদমাধ্যমের। আমাদের খুব সৌভাগ্য, আমাদের সংবাদমাধ্যম যথেষ্ট স্বাধীন এবং এবার আমরা দেখেছি, বিশ্বজিৎকে হত্যা করে সত্যিকারের অপরাধীরা যেন পার না পেয়ে যায়, সেটি এই সংবাদপত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
আমার ধারণা, আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতা সংবাদপত্রের এই ‘বাড়াবাড়ি’ দেখে খুব বিরক্ত হচ্ছেন, দেশে প্রতিদিন শত শত খুন হচ্ছে, ক্রসফায়ার হচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ মানুষ গুম হয়ে যাচ্ছে, তার মধ্যে একজন ছাপোষা দরজির মৃত্যু নিয়ে এত হইচই করার কী অর্থ? অনেকে নিশ্চয়ই এটাকে দেখছেন পরবর্তী নির্বাচনে তাদের বিজয়ের সম্ভাবনাকে কমিয়ে আনার একটা সুগভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে। সত্য কথাটি হচ্ছে, সম্ভবত সত্যিই আওয়ামী লীগ যেন কিছুতেই পরের নির্বাচনে জিততে না পারে, কিংবা এই মুহূর্তেই যেন তাদের দুর্বল আর বিপর্যস্ত দেখায়, সে জন্য একটা গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে এবং সেই ষড়যন্ত্রটি করছে বিশ্বজিৎ হত্যাকারী ছাত্রলীগ এবং এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টারত আওয়ামী লীগের নেতা, মন্ত্রী, পুলিশ ও আমলারা। এই বিষয়টি যত তাড়াতাড়ি তারা বুঝতে পারবে, দেশের জন্য তত মঙ্গল। আমরা খুব দ্রুত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দেখতে চাই। এই দেশকে গ্লানিমুক্ত করতে চাই।
আমি নিজেকে বিশ্বজিতের আপনজনের জায়গায় বসিয়ে পুরো বিষয়টি কল্পনা করার চেষ্টা করে বুঝতে পেরেছি, তাদের পৃথিবীর কোনো মানুষ কোনো দিন সান্ত্বনা দিতে পারবে না। মৃত্যুর পূর্বমুহূর্তে বিশ্বজিতের মনের ভেতর কী চিন্তা কাজ করেছিল, আমরা কোনো দিন সেটি জানতে পারব না। তার উদ্ভ্রান্ত ব্যাকুল দৃষ্টি দেখে সেটা শুধু হয়তো কল্পনা করতে পারব। পবিত্র কোরআন শরিফে আছে (৫.৩২) বিনা কারণে যদি কখনো কোনো মানুষকে হত্যা করা হয় তাহলে মনে করা যায় যেন পুরো মানবজাতিকেই হত্যা করা হলো। এ ব্যাপারে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিতে ডিসেম্বরের ৯ তারিখ সকাল নয়টার সময় পুরান ঢাকায় আমরা সমগ্র মানবজাতিকে হত্যা করেছি।
আমি জানি এই তীব্র অপরাধবোধ থেকে আমাদের মুক্তি নেই। সত্যি যদি কোনোভাবে সান্ত্বনা খুঁজে পেতে চাই তাহলে কোরআন শরিফের সেই অংশেই পরের লাইনে ফিরে যেতে হবে, যেখানে বলা হয়েছে, যদি কেউ একজনের প্রাণ রক্ষা করে তাহলে সে যেন পুরো মানবজাতির প্রাণ রক্ষা করল।
আমরা কি মুক্তিযুদ্ধের রক্তস্নাত এই মাতৃভূমিতে সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করার নিশ্চয়তা দেব?
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।







e_anon
২০১২.১২.২০ ০২:৪৭2. There are known unknowns; that is to say there are things that, we now know we don't know.
3. But there are also unknown unknowns – there are things we do not know we don't know. - Donald Rumsfeld 2002
Psychoanalytic philosopher Slavoj Žižek extrapolates from these three categories a fourth, the unknown known, that which we intentionally refuse to acknowledge that we know. ---the disavowed beliefs, suppositions and obscene practices we pretend not to know about, even though they form the background of our public values.
Zakir Bipul
২০১২.১২.২০ ০২:৫৭Nafaz
২০১২.১২.২০ ০৩:০৩Durbar
২০১২.১২.২০ ০৩:২৩Md Asfakul Arefin
২০১২.১২.২০ ০৩:৩৩A.h memoun
২০১২.১২.২০ ০৩:৪০সোনার বাংলা আবার আমি তোমায় ভালো বাসি
মারুফ আলাম
২০১২.১২.২০ ০৩:৫৪আপনি লিখে যান আমারা সবাই আপনার সাথেই আছি।
অভি
২০১২.১২.২০ ০৩:৫৯Sabuj
২০১২.১২.২০ ০৩:৫৯মারুফ আলাম
২০১২.১২.২০ ০৪:০১akash ahmed
২০১২.১২.২০ ০৪:২৯Golam Wadud
২০১২.১২.২০ ০৪:৪২Golam Wadud
২০১২.১২.২০ ০৪:৫১Md. Arafat (Razu)
২০১২.১২.২০ ০৪:৫৫Titon
২০১২.১২.২০ ০৪:৫৫Golam Wadud
২০১২.১২.২০ ০৪:৫৭Mohammed Masum Billah
২০১২.১২.২০ ০৫:১১A.wazed paplu
২০১২.১২.২০ ০৫:১৩aklima begum
২০১২.১২.২০ ০৫:২৭Mohammed
২০১২.১২.২০ ০৫:৩১Albert Khan
২০১২.১২.২০ ০৫:৩৬rakibraj
২০১২.১২.২০ ০৫:৫৮Sheikh Abul Hasan
২০১২.১২.২০ ০৬:১০Wahid Quabili
২০১২.১২.২০ ০৬:১৭ASM Foysal
২০১২.১২.২০ ০৬:৪৯Mamun
২০১২.১২.২০ ০৬:৫১Mohsin Bhuian
২০১২.১২.২০ ০৭:০৬MD. JAHIRUL ISLAM
২০১২.১২.২০ ০৭:১৩Tajerul islam sadhin
২০১২.১২.২০ ০৭:৩০rayhan
২০১২.১২.২০ ০৭:৩৩আমিনুল ইসলাম
২০১২.১২.২০ ০৭:৪৪Abdur Rahman
২০১২.১২.২০ ০৭:৫১Md.Ali Ashraf
২০১২.১২.২০ ০৭:৫৭ahmed
২০১২.১২.২০ ০৭:৫৯Samiuzzaman
২০১২.১২.২০ ০৮:০০আপনে বরং ছাত্ররাজনীতি বন্ধে সরাসরি সমর্থ্যণ দেন, গত ২০ বছরে ছাত্ররাজনীতি দিয়ে দেশের কোন উপকার হয়েছে এমন একটা উদাহরণও খুজে পওয়া যাবে না।
Md.sahid Hossen
২০১২.১২.২০ ০৮:০৫Poresh Chandra Roy
২০১২.১২.২০ ০৮:১৬Dr. Moazzem Hossain Nilu
২০১২.১২.২০ ০৮:১৯Bijoy
২০১২.১২.২০ ০৮:২১আপনি থাকলে আপনি কি বাঁচাতে চেষ্টা করতেন? করতেন না। কারন যদি কেউ বাচাতে আসতো তাহলে তো তাকে জামাত-শিবির অথবা ছাত্রদল এর সন্ত্রাসী বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। এইসব নরপশুদের নোংরা রাজনীতি থেকে সাধারন মানুষ একটু দুরেই থাকতে চায়। যেখানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চুপচাপ দর্শকের ভুমিকা পালন করেছে, সেখানে বিশ্বজিত কে বাঁচাতে গেলে হয়তো বিশ্বজিতদের সংখ্যাই বাড়ত। আখেরে লাভ কিছুই হতোনা।
shawkat hossain
২০১২.১২.২০ ০৮:২৮Ratan Jyoti
২০১২.১২.২০ ০৮:৪৫Md. Shawkat Ali
২০১২.১২.২০ ০৮:৪৯সবশেষে লেখককে ধন্যবাদ।
Ratan Jyoti
২০১২.১২.২০ ০৮:৫২Mostafizur Rahman
২০১২.১২.২০ ০৮:৫৯সাকী রহমতুল্লাহ
২০১২.১২.২০ ০৯:০১mahedy hasan bappi
২০১২.১২.২০ ০৯:০৪Mohammad Shah Alam
২০১২.১২.২০ ০৯:০৬ishtiaque sarwar
২০১২.১২.২০ ০৯:১৮Monsur-ul-Hakim
২০১২.১২.২০ ০৯:৩০Md.Zulhas Uddin
২০১২.১২.২০ ০৯:৩৩Kazi Tuhin Hossain
২০১২.১২.২০ ০৯:৩৩alamin
২০১২.১২.২০ ০৯:৪০Md. Ferdous Alam
২০১২.১২.২০ ০৯:৪৫Humyunfuad
২০১২.১২.২০ ০৯:৪৭
২০১২.১২.২০ ০৯:৫২Bazlur Rahman
২০১২.১২.২০ ০৯:৫৪
২০১২.১২.২০ ০৯:৫৫Joynal
২০১২.১২.২০ ০৯:৫৮আমাদের সশীল সমাজ মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করে একমাত্র আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগ করা মানেই দেশকে ভালোবাসা , তাহলে আর তাদের দোষ দিয়ে লাভ কি ??
" যত অপ্রিয় হোক, যত ভয়ংকর হোক, যত নিষ্ঠুর হোক সেটাকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করতে হয়। তা না হলে সেটা আরও শত গুণ অপ্রিয়, সহস্র গুণ ভয়ংকর আর লক্ষ গুণ নিষ্ঠুর হয়ে ফিরে আসে। "
AL-AMIN
২০১২.১২.২০ ১০:০৯Muhammad Abdullah
২০১২.১২.২০ ১০:১০AL-AMIN
২০১২.১২.২০ ১০:১০Tarique Bin Shahid
২০১২.১২.২০ ১০:১৬Thanks sir...for your writing .
kabir
২০১২.১২.২০ ১০:১৮FM Shiplo
২০১২.১২.২০ ১০:২০Shaif
২০১২.১২.২০ ১০:২১রূপক চৌধুরী
২০১২.১২.২০ ১০:২৫Tarique Bin Shahid
২০১২.১২.২০ ১০:২৮All we are very alert for the business as now a days student politics is now business ,I can remember once it was announced that student politics will be stop then Satara ligue,satra Dal,stra shibir ,satra maitry all were united that they will not allow to stop! Also if want this then you will be die by them .
Arman
২০১২.১২.২০ ১০:২৯Easin
২০১২.১২.২০ ১০:২৯M A Hamid
২০১২.১২.২০ ১০:৪১স্যার, সত্যি করে বলতে কি এই দেশে আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে I এই দুই দলের কাছে কেন আমরা এমন বন্ধি হয়ে গেলাম? স্যার আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই সত্য কথা বলার জন্য।

২০১২.১২.২০ ১০:৪১M. Wazir Hossain
২০১২.১২.২০ ১০:৪৩Rifat
২০১২.১২.২০ ১০:৪৫M.A.Q.Ronnie
২০১২.১২.২০ ১০:৫২Rashedul Farhad
২০১২.১২.২০ ১০:৫৬আবেগময় লেখা। কিন্তু স্যার আবেগ আর মানবিকতার স্থান কি আছে আমাদের এই বাংলাদেশে?
Farid (ফরিদ), নরসিংদী।
২০১২.১২.২০ ১০:৫৬In a very short word –“Democracy is a means for the people to choose their leaders and to hold their leaders accountable for their policies and their conduct in office”. But what type of democracy our leaders (BNP, Awami League, Jamat) they’re practicing in our country where human life is so negligible than anything else in the Universe. We already been passed 41 years, another how many years we’ve to wait to see the real democracy or change in our country. I strongly agree with the Sir comment, we Bangladeshi people are watching all the activities our leaders and I am confident that this day will be over soon. I hope that our new generation will take over the leadership role and they will bring the real democracy, stability and economic power in our country. We’re eagerly waiting for those days!!!

২০১২.১২.২০ ১০:৫৯Tajul
২০১২.১২.২০ ১১:০৮দেলোয়ার হোসেন
২০১২.১২.২০ ১১:১০কোরআন থেকে বয়ানের কারনে অনেকের দেহেই বিশেষ ''চুলকানি'' শুরু হয়ে যাবে!....ছাত্রলীগকে নিয়ে অবশেষে কিছুটা হলেওতো লিখলেন, ধন্যবাদ !!!
Khandaker Ahashanuzzaman
২০১২.১২.২০ ১১:১৪Tuhin D Khokan
২০১২.১২.২০ ১১:১৭Ashfaq
২০১২.১২.২০ ১১:২৬Munir Sayid
২০১২.১২.২০ ১১:২৮MONIR UDDIN
২০১২.১২.২০ ১১:২৯সফিকুল ইসলাম সুমন
২০১২.১২.২০ ১১:৩০Ziaul Syed
২০১২.১২.২০ ১১:৩৫Raihanul Islam
২০১২.১২.২০ ১১:৩৯Sharif Nazmul
২০১২.১২.২০ ১১:৫৩ranajit
২০১২.১২.২০ ১১:৫৪saheel noor
২০১২.১২.২০ ১২:০০MCG
২০১২.১২.২০ ১২:০১md.shahed
২০১২.১২.২০ ১২:০২rana
২০১২.১২.২০ ১২:০৪Nidhiram
২০১২.১২.২০ ১২:২১রাতুল
২০১২.১২.২০ ১২:৩৩anwar
২০১২.১২.২০ ১২:৩৫Mustafiz Rahman
২০১২.১২.২০ ১২:৩৬Masudur Rahman
২০১২.১২.২০ ১৩:০৩Prodip
২০১২.১২.২০ ১৩:০৪Nahian Salehin
২০১২.১২.২০ ১৩:০৬Ayon Mohaimen
২০১২.১২.২০ ১৩:০৬এমন সময় আওয়ামীলীগের বিজয় মিছিল যাচ্ছিল সামনে দিয়ে। তাকিয়ে ছিলাম আমরা তার দিকে। আমি লক্ষ করছিলাম সবার চেহারা। প্রায় ১০-১৫ হাজার মানুষ হেঁটে-ট্রাকে-রিক্সায় আমাদের সামনে সামনে দিয়ে গেল। আমি সবার চেহারার দিকে তাকিয়েছিলাম। একজন একজন করে মানুষ দেখছিলাম। সবাই এক অদ্ভূত আনন্দে সুখী ছিল; এক রকম জোর করা সুখ; এক রকম শূন্য সুখ।
তার আগের দিন বেঙ্গল গ্যালারীতে 'রঘু রাই' এর তোলা একাত্তরের বিজয় মিছিলের সাথে এর মিল খুঁজছিলাম আর অবাক হচ্ছিলাম। এতোটা বদলে গেল বাঙ্গালীর এই মিছিলটা।
আরও একটি ব্যাপার মনে হচ্ছিল বারবার, এখানে এই হাজার হাজার মানুষের একবারও কি মনে হয়নি তার রাজনৈতিক ধারনারই কিছু মানুষ, তারই ভাইয়েরা কুপিয়ে খুন করেছে বিশ্বজিৎকে। এই যে কিছু একটা পাওয়ার জন্য এতো তেল মারা; সকাল থেকে দাঁড়িয়ে থেকে বিকেলবেলা এই মিছে মিছিল করার মাঝে একবারও কি তাদের বিশ্বজিৎ হত্যার জন্য নিজের প্রতি ঘৃণা আসেনি। এই ১৫ হাজার মানুষের সবার চেহারার মধ্যে আমি তা খুঁজছিলাম; পাইনি। এতগুলো মানুষ কিভাবে এতোটা নির্বিকার হয় জানা সম্ভব নয় আমার।
ekramul hoq
২০১২.১২.২০ ১৩:০৮shalauddin
২০১২.১২.২০ ১৩:১১Kamaluddin Ahmed
২০১২.১২.২০ ১৩:১২Saydujjaman
২০১২.১২.২০ ১৩:২০palash
২০১২.১২.২০ ১৩:২২Mirza Mehedi Hasan
২০১২.১২.২০ ১৩:২৯আপনার ভুল ধারনার জন্য দু:খিত স্যার।
“এই দেশের সরকার বা রাজনৈতিক দলগুলো দেশের মানুষ কে নির্বোধ শুধু মনে করেনা, তারা এটা বিশ্বাস করে যে আমরা (সাধারন জনগন)সত্যি-ই নির্বোধ। আমাদের যেটা বলবে আমরা সেটাই বিশ্বাস করে বসে থাকবো। নইলে দেখুন “একদল রয়েছে দূর্ণীতি ও আত্নীয়করনের মাধ্যমে দেশের সমস্ত সম্পদ ছেলে-পরিবার-আত্নীয়স্বজনের নামে দিয়ে দিতে, আর আরেকদল চাটুকারদের কথায় ভুলে মনে করছে দেশের মানুষ স্বর্গে বাস করছে, আর তারা রয়েছে স্বাধীনতা-স্বাধীনতা নিয়ে”।
আপনার কোন লেখায় আপনিকি একটু বলবেন স্যার- “স্বাধীনতার এতগুলো বছর পরেও আমরা সাধারন জনগন কতটা স্বাধীন”?????
অনেক বার করে পরলাম আপনার লিখাটি, বুঝার চেষ্টা করলাম আপনার সাদাসিধে কথাটি কিন্ত বুঝে উঠতে পারছিনা কোন ভাবে...... ! “ আমার ধারণা, বিশ্বজিতের বেলাতেও ঠিক একই ব্যাপার ঘটেছে। তাকে সবাই মিলে যখন কুপিয়ে হত্যা করেছিল, তখন তারা একবারও ভাবেনি সেটি গোপনে করতে হবে, এটি ছিল একধরনের বীরত্ব প্রদর্শন এবং ছাত্রলীগের কর্মীরা ধরেই নিয়েছিল এটা যত মানুষ দেখবে সেটা তাদের তত মর্যাদার জায়গায় নিয়ে যাবে। আমার ধারণা, টেলিভিশন-ক্যামেরা ইত্যাদি থাকার কারণে তাদের নৃশংসতা আরও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছিল।“ তার মানে কি গোপনে অথবা লোক চক্ষুর অন্তরালে যদি বিশ্বজিতের হত্যা করত তাহলে তা কোন পাপ হতনা ? কেননা সে ছাত্রলীগ করেনা কিংবা অতি সাধারন একজন মানুষ যে রাজনীতি করেনা বা বুঝেনা , তাই তাকে অকালে বরবর যুগের মত প্রান দিতে হবে ? সন্ত্রাসীরা কারো আপন হতে পারেনা । সে শিবির, বিএনপি কিংবা ছাত্রলীগ যেই হওক না কেন এমন শাস্তি হওয়া উচিত যেন পরবর্তীতে এমন নির্মম হত্যা কাণ্ড যেন না ঘটে।আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ, রাজনীতি বুঝিনা বুঝতেও চাইনা ,চাই সুস্ত ও সুন্দর ভাবে বেচে থাকতে, চাই জীবনের নিরাপত্তা, চাই আইনের শাসন – সে আইন এর প্রয়োগ যেন না হয় লোক দেখে কিংবা লোক দেখানো। ক্ষমতার লোভ আর দম্ভে যেন অকালে আর কাওকে প্রান দিতে না হয় সে প্রত্যাশা সবার।
Arfanul Hoque
২০১২.১২.২০ ১৩:৩৬Abdur Rahman
২০১২.১২.২০ ১৩:৩৯Md. Khairul Islam
২০১২.১২.২০ ১৩:৪১Saiful hassan
২০১২.১২.২০ ১৩:৪৯Md. A. H. Rana
২০১২.১২.২০ ১৩:৫৫Now, Bangladesh need a leader as like as you.. Please sir make a political party।
We all young peoples support to you...
Please Sir, please save our Bangladesh.....
Lutfur Rahman
২০১২.১২.২০ ১৪:০০Mahmud Chowdhury Shubhra
২০১২.১২.২০ ১৪:০৩আপনি লিখে যান আমারা সবাই আপনার সাথেই আছি। হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই ।
tapan banerjee
২০১২.১২.২০ ১৪:০৬Tariqul Dipu
২০১২.১২.২০ ১৪:০৬আদনান
২০১২.১২.২০ ১৪:২১Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
২০১২.১২.২০ ১৪:২২আসলাম
২০১২.১২.২০ ১৪:২৮আপনার কথামত লোম বাছলেত কম্বল থাকবেনা
Abdul Kaiyoum
২০১২.১২.২০ ১৪:৩৪কারন কিছুদিন আগে মিরপুরে যুবলীগের নেতা-কর্মিরা কিছু পথচারিকে মেরে রক্তাত্ত অবসথায় পলিসকে দিয়েছিল
সে দিন প্রধান মন্ত্রী তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়েছিলেন।
ছাত্রলীগ পিছিয়ে থাক্তে চায়নি, তারা বরং ক্যামেরা দেখে ভেবেছিল, প্রধান মন্ত্রী এ চিত্র দেখে আরো খুশি হবেন।
Saiful Mia Abu
২০১২.১২.২০ ১৪:৩৬Md. Zahid Hassan
২০১২.১২.২০ ১৪:৩৭Mohammad Durjoy
২০১২.১২.২০ ১৫:০৮মোঃ এন ইসলাম
২০১২.১২.২০ ১৫:২২Shuman
২০১২.১২.২০ ১৫:২৩Thanks sir.
Md. Anwar Hossain
২০১২.১২.২০ ১৫:২৬mizan
২০১২.১২.২০ ১৫:৩৬Alif Hossain
২০১২.১২.২০ ১৫:৩৭Hotobak Bashar
২০১২.১২.২০ ১৫:৪৭হাসান ইকবাল
২০১২.১২.২০ ১৫:৫২আমরা গণমাধ্যম গুলোতে অবরোধের দিনের ছবি, ভিডিও গুলো দেখেছি। ব্লগ, ফেসবুকে প্রচুর লেখা পড়েছি। ইউটিউবে আমরা ভিডিও গুলো দেখে বাকরুদ্ধ হয়েছি। আমরা কোন স্বাধীন দেশে বাস করছি। যেখানে একটা মানুষ বাঁচার জন্য প্রানপন চেষ্টা করছে। সেখানে কেউ এগিয়ে আসছেনা। রাষ্ট্রযন্ত্রের একটা অংশ পুলিশ নির্বিকার দাঁড়িয়ে সিনেমার এ্যাকশন স্ক্রিপ্ট দেখছে!
আলী আহাম্মেদ ( সুমন )
২০১২.১২.২০ ১৫:৫৩Saifur Rahman
২০১২.১২.২০ ১৫:৫৫Mohammed Abdul Hannan
২০১২.১২.২০ ১৫:৫৮Hannan
Banani
Dhaka
Zahiruddin Mohd Babar Faruki
২০১২.১২.২০ ১৬:০০বিশ্বজিত্ হত্যার দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এই হত্যার দায় পুরোটাই এসে পড়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাঁধে। মাত্র কিছুদিন আগে প্রকাশ্যে সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাত্রলীগ-যুবলীগকে জামায়াত-শিবির মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত, সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েই ছাত্রলীগ বিশ্বজিেক নির্মম এবং নৃশংসভাবে খুন করেছে।
Jahangir Alam Babu
২০১২.১২.২০ ১৬:০৩Mohammed Abdul Hannan
২০১২.১২.২০ ১৬:০৯Md. Atiqur Rahman Khan
২০১২.১২.২০ ১৬:১৩এই কামনা ছাড়া আমার আর কিছু বলার নেই
আব্দুল্লাহ
২০১২.১২.২০ ১৭:০৭Ronju Khan
২০১২.১২.২০ ১৭:০৭Reaz Ahmed
২০১২.১২.২০ ১৭:১৩Protibadi
২০১২.১২.২০ ১৭:১৫Bappa
২০১২.১২.২০ ১৭:১৮Reaz Ahmed
২০১২.১২.২০ ১৭:১৯Saiful
২০১২.১২.২০ ১৭:৫৩Mohan
২০১২.১২.২০ ১৭:৫৭Nafis Amin Rizvee
২০১২.১২.২০ ১৮:১৫Ani
২০১২.১২.২০ ১৮:১৬Maniur Rahman
২০১২.১২.২০ ১৮:২১Raj
২০১২.১২.২০ ১৮:২২Imtiaz Ahmad Liton
২০১২.১২.২০ ১৮:২৬FerdousBD
২০১২.১২.২০ ১৮:৫১Anik..from singapore
২০১২.১২.২০ ১৮:৫৩S.M.MIZANUR RAHMAN
২০১২.১২.২০ ১৮:৫৪Mahbub Alam
২০১২.১২.২০ ১৯:০৭Shafiq Ashraf
২০১২.১২.২০ ১৯:১১Fardeen Ferdous
২০১২.১২.২০ ১৯:১৬খমতার দমভ ছাড়া বড় নেতাদের কাছ থেকে কিছুই শিখছে না ছাতর নেতারা ।
কেবল পাওয়ার আর পাওয়ার .!
নেতা হলেই টাকা পয়সা আর খমতা ।
আর সেই টাকা উতপাদনের যাতাকলে পড়ে সাধারণ মানুষের পরাণপাত ।
এ অবসথা থেকে আমরা মুক্তি চাই।
কিন্তু জানি আমাদের কোন কালেই মুক্তি নাই .!!!
mahfuza bulbul
২০১২.১২.২০ ১৯:২৭
২০১২.১২.২০ ১৯:৩০Mijanur Rahman
২০১২.১২.২০ ১৯:৫২Shaheen Parvez
২০১২.১২.২০ ২০:৩৭Aminul Islam
২০১২.১২.২০ ২০:৫৯Atiqur Rahman
২০১২.১২.২০ ২১:০৬Litan Chandra Roy
২০১২.১২.২০ ২১:১০Saidur Rahman
২০১২.১২.২০ ২১:২২আমরা আগেও বলেছি, দুর্নীতি একটা রাষ্ট্রে ঘটতেই পারে, খুন- যখমও হতে পারে, কিন্তু দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীদের পক্ষে কোন দেশের সরকার দাঁড়ালে, সে দেশের জনগণ কোথায় যাবে? সে দেশের শাসনব্যবস্থারই বা তখন কী হাল হয়?
আমাদের কাছে মনে হয়, লুটেরাদেরকে না বাঁচিয়ে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসলে, সরকারের জন্যে সেটা এদেশের কোটি মানুষের কষ্টার্জিত অর্থের প্রতি সম্মান দেখানোর সমান হতো, সরকার যদি একজন লিমনকে বাঁচানোর চেষ্টা করতো, তাহলে সেটা গোটা জাতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হতো, একজন বিশ্বজিতের ঘাতককে ঘৃণা করলে ও শাস্তির আওতায় আনলে সেটা গোটা জাতিকে সম্মান দেখানোর সমান হতো। কিন্তু সরকার জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে নারাজ! কোথায় কেন গণবিরোধী, দাম্ভিকতার একটা ছাপ শুরু থেকেই রয়ে গেছে আপনার চিহ্নিত এসব আওয়ামী নেতা, মন্ত্রী, পুলিশ ও আমলাদের মধ্যে।
আপনার লেখার সব কিছুই নগ্ন ভাবে সত্যি, আমরা সবাই জানি। কার লেভেলে আমরা এর বিরুদ্ধে কি করেছি, নিজের বিবেক কেই একটু জিগ্গেস করি।
fazle rabbi
২০১২.১২.২০ ২২:১৯প্রতিনিধি হয়ে আমি বলছি। নিস্চয়ই আমার মত অতি-সাধারণ আর নবযুগের তরূণরা ঠিক একই কথা বলবে । আমরা এই নৃশ্যংস হত্যার বিচার চাই… আর দেখেতে চাই না কারো রক্তে রন্জিত হোক আমার প্রিয় মাতৃভূমি ।যেখানে ঘুমিয়ে আছে ৩০ লক্ষ বীর ।
Shafiqul Islam
২০১২.১২.২০ ২২:৩৭Md. Mahbobur Rahman
২০১২.১২.২০ ২২:৪১আর কত দেরি পাঞ্জেরী ???
mizanur rahman khan
২০১২.১২.২০ ২২:৫৩Mia Mohammed Faruk
২০১২.১২.২০ ২৩:০৩
২০১২.১২.২০ ২৩:৪৬
২০১২.১২.২০ ২৩:৪৮
২০১২.১২.২১ ০০:২৩F Al Amin
২০১২.১২.২১ ০০:৩৬এই ব্যবস্থা ও পদ্ধতি থেকে দেশকে উদ্ধার করতে হবে।
সংবিধানে পরিবর্তন এনে একই (সন্মানিত) ব্যক্তি দেশে দুবার কর্ণধার (প্রধান মন্তৃ) হতে পারবে না; সে পরিবর্তন আনতে হবে। না হলে দেশ পারিবারিক তন্ত্রে চলে যাবে (এবং যাচ্ছে), কারন এই পদ্ধতিতে নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠবে না।
grand amit mondal
২০১২.১২.২১ ০০:৫১মারুফ আলাম
২০১২.১২.২১ ০১:০৪