আদমশুমারি: এক দশকে বাংলাদেশি বেড়েছে ৫৯ হাজার

লন্ডনে ব্রিটিশ শ্বেতাঙ্গরা সংখ্যালঘু!

কামাল আহমেদ, লন্ডন | তারিখ: ১৩-১২-২০১২

  • ৬ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে গত ১০ বছরে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৯ হাজার। তবে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর দিক থেকে বাংলাদেশিদের অবস্থান এক ধাপ নেমেছে।
এদিকে লন্ডনে শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের সংখ্যা এই প্রথম মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের নিচে নেমে গেছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগ গত মঙ্গলবার ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের আদমশুমারির প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
২০১১ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত ওই আদমশুমারির প্রতিবেদনে দেখা যায়, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে বাংলাদেশি অভিবাসীর সংখ্যা দুই লাখ ১২ হাজার। ১০ বছর আগে ২০০১ সালের আদমশুমারিতে এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ৫৩ হাজার। তবে ২০০১ সালে অভিবাসী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশিদের অবস্থান পঞ্চম হলেও এবার একধাপ কমে দাঁড়িয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। এ তালিকায় সবার ওপর আছে ভারত। ভারতীয় অভিবাসীর সংখ্যা ছয় লাখ ৯৪ হাজার। এরপর রয়েছে যথাক্রমে পোল্যান্ড, পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র ও জার্মানি।
আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, লন্ডনের নাগরিকদের মধ্যে ব্রিটিশ শ্বেতাঙ্গের সংখ্যা এখন ৪৪ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০০১ সালে তা ছিল ৫৮ শতাংশ। তবে শ্বেতাঙ্গ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে লন্ডনে মোট শ্বেতাঙ্গ ৬০ শতাংশ।
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে গত ১০ বছরে জনসংখ্যা ৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ কোটি ৬১ লাখে। এ ১০ বছরে অভিবাসীর সংখ্যা নাটকীয় হারে বেড়েছে। আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭৫ লাখ অভিবাসীর মধ্যে ৩৮ লাখ অভিবাসীই বেড়েছে এই দশকে। আর পৌর এলাকাগুলোর মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ হার ছিল বাঙালি-অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস ও নিউহ্যাম বরায়।
গত ১০ বছরে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাসীদের হার কমেছে বলেও আদমশুমারিতে উল্লেখ করা হয়। ২০০১ সালে খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাসীদের সংখ্যা ৭২ শতাংশ থাকলেও এবার কমে দাঁড়িয়েছে ৫৯ শতাংশে। তবে এই সময়ে কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন না—এমন লোকের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২৫ শতাংশ হয়েছে। এ সময় সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীদের সংখ্যা। ২০০১ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১৫ লাখ। ২০১১ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখে।
আদমশুমারিতে উল্লেখ করা হয়, ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে মোট জনসংখ্যার ১৬ শতাংশের বয়স ৬৫ বছরের ওপরে। এঁরা পেনশন ও রাষ্ট্রের সামাজিক কল্যাণমূলক সেবার ওপর নির্ভরশীল।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

rakib

rakib

২০১২.১২.১৩ ০৬:০৫
ভুল তথ্য ভরা এই প্রতিবেদন।

goldee

goldee

২০১২.১২.১৩ ১৩:৩৩
রাকিব @ আপনি কি ভাবে জানেন তথ্য ভুল ?

Golam Masud

Golam Masud

২০১২.১২.১৩ ১৪:২১
ওখানে নীল চাষ করানো দিয়ে প্রতিশোধ নেওয়া শুরু হোক আরকি ! এমনিতেই তো আমরা প্রতিশোধ পরায়ন জাতি হিসাবে নিজেদের পরিচিতি নিশ্চিত করেই ফেলেছি !

Sosanne Taylor

Sosanne Taylor

২০১২.১২.১৩ ১৪:৩৭
Yes, this is right. Most British white people do not like living in London. Because London is to much crowded. They love country side.

badsha miah

badsha miah

২০১২.১২.১৩ ২১:৫১
The same thing will happen in he US. Bangalee should keep on producing children and become the topper. The Govt will help them feeding. Bangladeshi go ahead.

badsha miah

badsha miah

২০১২.১২.১৩ ২১:৫২
The same thing will happen in the US. Bangalee should keep on producing children and become the topper. The Govt will help them feeding. Bangladeshi go ahead.