শুক্রাণুর গুণগত মান কমে গেছে

প্রথম আলো ডেস্ক | তারিখ: ১০-১২-২০১২

  • ৩ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

বিশ্বব্যাপী পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান ব্যাপকভাবে কমে যাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দুই দশক ধরে পরিচালিত গবেষণায় ইতিমধ্যেই এ ধরনের ফল পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বিশ্বের এ পর্যন্ত বৃহত্তম নতুন গবেষণায়ও অনুরূপ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। নতুন ওই গবেষণার বিষয়ে একটি প্রবন্ধ হিউম্যান রিপ্রোডাকশন সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এ গবেষণাটি ফ্রান্সে চালানো হয়েছে। তবে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা বলেছেন, সারা বিশ্বের জন্যই এটি তাৎপর্যপূর্ণ।
১৯৮৯ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ২৬ হাজারের বেশি ফরাসি পুরুষের ওপর ওই গবেষণা চালানো হয়। এ সময় ১২৬টি ক্লিনিক থেকে শুক্রাণুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, গত ১৭ বছরে ফরাসি পুরুষদের শুক্রের ঘনত্ব ৩২ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। আর গবেষণাকালীন বছরে প্রতি মিলিলিটার বীর্যে শুক্রাণুর গড় সংখ্যা প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। এ হার প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে কমছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুক্রাণুর গুণগত মান নিয়ে গত ২০ বছরে অনেক গবেষণা হয়েছে। এসব গবেষণায় ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে অনেক বিতর্ক হচ্ছে। সর্বশেষ ইউরোপের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতি পাঁচজনের একজন কমবয়সী পুরুষ অনুৎপাদনশীল শুক্রাণু বহন করেন। যুক্তরাজ্যের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজনন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিচার্ড শার্প বলেন, ‘আমাদের আধুনিক জীবনধারণের পদ্ধতি, খাদ্যাভ্যাস ও পরিবেশে রাসায়নিকের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।’ শুক্রাণুর গুণগত মান ও পরিমাণ ঠিক রাখতে গবেষকেরা কিছু নির্দেশনাও দিয়েছেন। এগুলো হলেন: আঁটসাঁট অন্তর্বাস না পরা, বেশি চর্বিসমৃদ্ধ খাবার না খাওয়া, ধূমপান, মদ্যপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য ত্যাগ করা এবং শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। দ্য ইনডিপেনডেন্ট।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.১২.১০ ১১:১৯
ALARMING !!!! BE CAUTIOUS

মেহজাবিন চৌধুরী

মেহজাবিন চৌধুরী

২০১২.১২.১০ ২১:৩০
শুক্রানুতেও ফরমালিন মিশায় নাকি?

SHEIKH MONJURUL ISLAM

SHEIKH MONJURUL ISLAM

২০১২.১২.১০ ২৩:২৯
বিশ্বজিতের শার্ট বিবর্ণ ছিল । এ শার্টে রঙ প্রয়োজন। শার্টে রঙ দেয়া হোক। রঙের উৎস বিশ্বজিতের যৌবনের জোয়ারে ভরা তাজা রক্ত। তাদেরকে আর শরিরের ভিতরে থাকতে দেয়া হবেনা। তাদের বের করে দেয়া হোক। এখনি শ্ট নিতে হবে। লাইট, কেমেরা অ্যাকশন। ডজন খানেক ক্যামেরার ভিবিন্ন এঙ্গেল থেকে শট নেয়া দরকার। পরিচালকগন সায়টে নেই। মহাপরিচালকগন আগে থেকেই ডিরেকশন দিয়ে রেখেছেন তাই সমস্যা হওয়ার কথা না। বিশ্বজিতকে দার করানো হল। জুনিয়র আর্টিস্টরা হাতে লাঠি নিয়ে তাকে প্রচন্ড পেটাতে লাগলো। সে কিছুই বুঝতে পারছেনা। তাকে নিয়ে এমন রঙ তামাশা হবে কে জানতো! (গিনিপিক কি জানে গবেষনাগারে তাদেরকে কি করবে?) ব্যাচেরা বইতে হয়তো পড়েছে ৩০ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে। কাগজে কলমে লিখা আছে স্বাধীনতা কিন্তু এখনো দখলে যে আসেনি সে কি জানতো? সে যে নির্বাক জনতার খাতায় নাম লিখিয়েছে। তাকে নিয়ে রঙ তামাসা হওয়া খুব স্বাভাবিক। যতই সে চিৎকার করুক কিছু যায় আসেনা। কেমেরা চলছে। তাদের খুব সুন্দর করে ভিডিও করতে হবে। চেনেলের টি আর পি বাড়াতে হবে। পুলিশ তাদের পোষাক পড়ে রেডি হয়ে আছে। পুলিশের আগমন হবে ফিল্মের শেষ দৃশ্যে। তাছাড়া তারা ক্লান্ত। মজুরির ন্যায্য পাওনার দাবিতে যে শ্রমিক গুলো আন্দোলন করেছিল তাদের পিটিয়ে তক্তা বানাতে গিয়ে তারা ক্লান্ত হয়েছে। আবার শিবির থেকে মার খেয়েও তাদের অবস্তা তেমন ভালো না। তাই বরাবরের মতই তাদের আগমন শেষ দৃশ্যে। দৃশ্যপটে প্রধান খলনায়কের আগমন। দানবের মত তার শরির। আসেপাশের শ খানেক মানুষেরও সাধ্য নেই তাকে থামাবার। তার হতে চাপাতি। বিশ্বজিতের শরিরে এখন রঙ দেয়া হবে। লাল রঙ। চাপাতি দিয়ে তাকে কোপানো হল। সাথে সাথে বহু আখাংকিত লাল রঙের দেখা মিললো। তারপর আবার শুরু হল লাঠি পর্ব। মারতে মারতে মেরেই ফেললো ছেলেটাকে।সে বার বার চিৎকার করতে লাগলো আমি কোন দিলের না। তাতে কি? তুমি ছাত্র দল না হও, ছাত্র লীগ না হও, শিবির না হও, মুসলমান না হও, হিন্দু না হও, বাঙালি না হও তুমি কোন দলের তা পরে বিবেচনা করা হবে । সে এখন একজন বিএনপি কর্মি বলে সনদপত্র পেলো। আমরা দর্শকেরা ঘরে বসে সম্পুর্ন চলচিত্র দেখলাম। বড়ই বেদানাদায়ক পরিনতি ছিল বলে মন খারাপ করলাম। এরচেয়ে বেশিই বা কি করার আছে দর্শকের! সেই অতিকায় দানবকে কবে পুরুস্কৃত করা হবে সে অপেক্ষায় আছি। না করলেও ক্ষতি নেই কিছুদিন পর আমরা সবাই ভুলে যাব। আমাদের স্মৃতি শক্তি খুব দুরবল।