• হোম
  • প্রথম পাতা
  •   ‘ক্যারিশমেটিক’ জিয়া সেনাবাহিনীর রাজনীতিকীকরণ করেছেন

গোপন মার্কিন দলিল

‘ক্যারিশমেটিক’ জিয়া সেনাবাহিনীর রাজনীতিকীকরণ করেছেন

মিজানুর রহমান খান, ওয়াশিংটন ডিসি থেকে | তারিখ: ০৮-১২-২০১২

  • ২৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ জিয়াউর রহমানের প্রশংসা করার পাশাপাশি বলেছে, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাজনীতিকীকরণকে তিনি আরও বিস্তৃত করেছিলেন।’ সিআইএর প্রতিবেদন বলেছে, ‘সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হলেও জিয়া ছিলেন ক্যারিশমেটিক নেতা। প্রায় ছয় বছরের নেতৃত্বে এক আশাবিহীন দরিদ্র ও বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে তিনি বাংলাদেশকে সমস্যা মোকাবিলা করার উপযোগী করে তুলেছিলেন।’ প্রতিবেদনে এ কথাও বলা হয়, ‘একজন পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।’
১৯৮২ সালের নভেম্বরে প্রস্তুত সিআইএর বাংলাদেশ-বিষয়ক হ্যান্ডবুকে দেশের প্রথম দশকের রাজনীতি মূল্যায়ন করে বলা হয়, ‘জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। পর্যাপ্ত বেসামরিক নেতৃত্বের ঘাটতির সুযোগে সামরিক বাহিনী একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।’
হ্যান্ডবুক অবশ্য বলেছে, ‘জিয়া তাঁর কিছু সাবেক সামরিক সহযোগীকে উচ্চ পদে বসিয়ে সামরিক অভিজাতদের (এলিট) সমর্থন আদায় করেছিলেন। সংসদে সামরিক বাহিনীপন্থী বেসামরিক নেতাদের নির্বাচিত করে এনে তিনি আসলে সেনাবাহিনীর রাজনীতিকীকরণকে আরও বিস্তৃত করেন। এর অর্থ দাঁড়ায়, সরাসরি না হলেও উল্লেখযোগ্য নীতিনির্ধারণে সামরিক নেতৃত্বের মৌন অনুমোদন দরকার হয়ে পড়ে।’
উত্থান: পঁচাত্তরের অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের নতুন নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন এবং একটি সামরিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। জিয়া অবশ্য প্রধান বিচারপতি এএসএম সায়েমের নেতৃত্বাধীন বেসামরিক প্রশাসনের প্রতি সেনাবাহিনীর আনুগত্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তিন বাহিনীর প্রধানকে সামরিক উপপ্রধান করা হয়। মন্ত্রিসভার বিকল্প হিসেবে তিনি একটি উপদেষ্টা পরিষদ খাড়া করেন। এই পরিষদে বেছে বেছে এমন সামরিক ও বেসামরিক আমলাকে রাখা হয়, যাঁদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। যদিও সায়েমের হাতে বেসামরিক কর্তৃত্ব অর্পণ করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি ছিলেন নামেমাত্র। জিয়ার হাতে ছিল প্রকৃত ক্ষমতা। জিয়ার অধীনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সামরিক কাঠামো আরও বেশি জট পাকিয়ে যায়।
১৯৭৬ সালের নভেম্বর মাসে জেনারেল জিয়া নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা করেন। এরপর ভগ্নস্বাস্থ্যের কারণে সায়েম অবসরে গেলে তিনি গণভোট করেন এবং এর মধ্য দিয়ে তাঁর কর্তৃত্ব আরও সংহত হয়। ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে তাঁর গড়া দল বিএনপিই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এর পরের দুই বছর সামরিক বাহিনীতে রাজনৈতিক মেরুকরণ গতি লাভ করে। সেনা কর্মকর্তা ও কতিপয় অসন্তুষ্ট সেনার মধ্যকার বিরোধের জের ধরে সেনারা উপর্যুপরি বিদ্রোহ সংঘটিত করেন। এই অবস্থায় জিয়া সশস্ত্র বাহিনীর হাতে থাকা ক্ষমতা খর্ব করতে উদ্যোগী হন। তিনি আনুগত্য আদায়ের লক্ষ্যে সেনা কর্মকর্তা ও সেপাইদের মধ্যকার আমূল সংস্কারকামী অংশের প্রতি নিঃশর্ত সাধারণ ক্ষমা প্রদর্শন করেন এবং তাদের সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন বিশ্বস্ত পদে বসান। তাঁর এসব পদক্ষেপের ফলে উল্লিখিত শক্তিগুলোর মধ্যে সুবিধাবাদ প্রশ্রয় পায়।
হত্যাকাণ্ড: সিআইএ প্রতিবেদনের এই পর্যায়ে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ‘১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সফরকালে জিয়া একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় নিহত হন। যাঁরা এর জন্য দায়ী, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর দীর্ঘকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর এবং একদল তরুণ সেনা কর্মকর্তা।’ সিআইএর কথায়, ‘জ্যেষ্ঠ সেনা উপদেষ্টারা তাঁর দীর্ঘকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী জেনারেল মঞ্জুর প্রমুখের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তা নাকচ করে সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ওই অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়। মুখ্য ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়।’
প্রতিবেদনে জিয়া হত্যাকাণ্ডের পরের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বলা হয়, ‘জিয়ার হত্যাকাণ্ডের পর একটি স্বাভাবিক ক্ষমতা হস্তান্তর দৃশ্যত অসম্ভব মনে হচ্ছিল। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। সে কারণে অভ্যুত্থানকারীদের গ্রেপ্তার-পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি সামরিক ক্ষমতা গ্রহণ অত্যাসন্ন মনে হয়েছিল। ১৯৮১ সালের নভেম্বরে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশে সেনা মোতায়েন করেছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনকালে শৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজেই নিজেদের দায়িত্ব সীমিত রাখে। অস্বাভাবিকভাবে শান্ত ও অবাধ নির্বাচনে সাত্তার নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেন।’
ক্ষমতার দাবি: ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদের ক্ষমতা গ্রহণ পর্ব সম্পর্কে সিআইএর মূল্যায়ন হচ্ছে, ‘রাষ্ট্রপতি সাত্তার ও বিএনপির অন্য নেতাদের কাছে সেনাবাহিনী অধিকতর ক্ষমতার ভাগ চেয়েছিল। এর পরিণতিতেই তারা অভ্যুত্থান ঘটায়।’
হ্যান্ডবুক বলেছে, ‘নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি সাত্তার বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসমর্থ হয়ে পড়েছিলেন। বাংলাদেশের বিরাট অর্থনৈতিক সমস্যা লাঘব করতে তিনি ক্রমবর্ধমানভবে ঔদাসীন্য দেখাচ্ছিলেন। তাঁর প্রতি সামরিক বাহিনীর অসন্তুষ্টি ক্রমেই বাড়তে থাকার পটভূমিতে জেনারেল এরশাদ রাজনৈতিক দুর্নীতি দমনের কথা বলে এক রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটান।’
জেনারেল এরশাদের অভ্যুত্থান যে কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক নয়, সেটা বরং প্রাতিষ্ঠানিক ছিল, তারই ইঙ্গিত রয়েছে সিআইএর প্রতিবেদনে। তারা বলেছে, ১৯৮২ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশের প্রকৃত ক্ষমতা সেনাবাহিনীর হাতে চলে গিয়েছিল। মার্চে তারা ক্ষমতা নিয়ে নামেমাত্র অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবুল ফজল মোহাম্মদ আহসানউদ্দিন চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। এমনকি এরশাদ যদি চাইতেনও যে, রাজনীতিকদের কাছেই ব্যাপক ক্ষমতা দিয়ে দেওয়া হোক, সেটা দিতে তাঁর অন্য সামরিক সহযোগীরা উদাসীন থাকতেন। এরশাদ ও সেনা কর্মকর্তারা ঘোষণাই দিয়েছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেনাবাহিনীর অবশ্যই নিয়ামক রাজনৈতিক ভূমিকা থাকতে হবে।
দল গঠন: জিয়ার দল গঠন নীতি সম্পর্কে বলা হয়, রক্ষণশীল এবং বিভিন্ন উপদলের সমন্বয়ে তিনি দল করেছিলেন। তবে জিয়ার দলের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও এরশাদের নেতৃত্বাধীন দুর্নীতি দমন অভিযানে বিএনপি বিরাট দুর্ভোগ পোহায়। বিএনপির বহু নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগের কারণে দলটি দুর্বল হয়ে পড়ে। মার্কিন দূতাবাস খবর দিয়েছে, বিএনপি ভবিষ্যতে একটি মধ্যপন্থী দল হিসেবে ভূমিকা রেখে যাবে। বিএনপি যদি তার উপদলীয় কোন্দল ঘোচাতে পারে, তাহলে ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে মেজর জেনারেল নুরুল ইসলাম শিশুর আবির্ভাব ঘটতে পারে।
বিদেশনীতি: জিয়ার বিদেশনীতি সম্পর্কে সিআইএর মূল্যায়ন হলো, ‘তাঁর আমলে দেশটি ভারত ও রাশিয়া থেকে আরও দূরে সরে আসে। ইসলামি দেশগুলোসহ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়। জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রতি সক্রিয় হয়।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

মারুফ আলাম

মারুফ আলাম

২০১২.১২.০৮ ০৪:২৮
এইবার এরশাদ???
২০১২.১২.০৮ ০৬:১৬
এদেশের রাজনীতিবিদদের অদক্ষতা, মেধাহীনতা, চরিত্রহীনতা এবং ভয়ংকর রকমের স্বার্থপরতার কারণেই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে বার বার নাক গলাতে হয়েছে ।

Mohamed S Rahman

Mohamed S Rahman

২০১২.১২.০৮ ০৭:১৫
জেনারেল জিয়া রাজনৈতিক দল গঠনের সময় যে স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে ক্ষমা করেছিলেন এবং সেই রাজাকার গ্রুপকে রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার দিয়েছিলেন তা কিন্তু এই প্রতিবেদনে কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।

Firoz Salauddin mollah

Firoz Salauddin mollah

২০১২.১২.০৮ ০৮:৩৬
জিয়া উর রহমান সমালোচনার উরধে ছিলেন না কিন্তু এটা মানতেই হবে যে তিনি ছিলেন এক জন মহান দেশ প্রেমিক নেতা ।

Aminul Islam

Aminul Islam

২০১২.১২.০৮ ০৯:৩০
সিআইএর প্রতিবেদন বলেছে, ‘সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হলেও জিয়া ছিলেন ক্যারিশমেটিক নেতা। প্রায় ছয় বছরের নেতৃত্বে এক আশাবিহীন দরিদ্র ও বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে তিনি বাংলাদেশকে সমস্যা মোকাবিলা করার উপযোগী করে তুলেছিলেন।’ প্রতিবেদনে এ কথাও বলা হয়, ‘একজন পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।’

Jamil Razib

Jamil Razib

২০১২.১২.০৮ ১৪:১১
অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হলেও জিয়া ছিলেন ক্যারিশমেটিক নেতা। প্রায় ছয় বছরের নেতৃত্বে এক আশাবিহীন দরিদ্র ও বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে তিনি বাংলাদেশকে সমস্যা মোকাবিলা করার উপযোগী করে তুলেছিলেন।’ প্রতিবেদনে এ কথাও বলা হয়, ‘একজন পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।
২০১২.১২.০৮ ১৪:২৭
এরশাদের চেয়ে জিয়া এদেশের কম ক্ষতি করেনি । অাজ দেশের সবচেয়ে বড় যে কলংক নিয়ে মানুষ চেয়ে অাছে সামনের দিকে ,তার উদঘাতা এই জিয়া । এই দজনই দেশের সত্য অস্তিত্বকে বিনষ্ট করেছে । এরা দুজন ক্ষমতায় না অাসলে দেশের ভালো হত ।

Md.Ibrahim

Md.Ibrahim

২০১২.১২.০৮ ১৪:৩২
শহীদ জিয়া যে স্বাধিনতার ঘোষক তা আরো একবার প্রমাণ হলো..!
আদালতের রায় দিয়েতো আর উতিহাস বদলানো যায়না..!

শহীদ জিয়ার এদেশের গণন্ত্রকে শক্তিশালি করেছিলেন তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পিরিয়ে এনেছিলেন যারা স্বৈরচার এরশাদকে শহীদ জিয়ার সাথে তুলনা করতে চান আমি বলবো তারা বোকার স্বর্গে বাসকরছেন..!

Maruf Ahmed

Maruf Ahmed

২০১২.১২.০৮ ১৪:৫৫
জিয়াউর রহমান ই স্বাধীনতার ঘোষক।

K arim Howleder

K arim Howleder

২০১২.১২.০৮ ১৫:০১
If America certfy someone good he is good????the person here talking about is murderer..... he is hitler of the country..... Himself what ever bad things he has done no one did so bad for the country incliding his brothers jamat gnagas.

nasir(kuwait)

nasir(kuwait)

২০১২.১২.০৮ ১৫:৫৬
Mohamed S Rahman সাহেব স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে শহীদ জিয়া নয় শেখ মুজিবই ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। দল গঠনের অধিকার? শহীদ জিয়া শুধু জামায়াত নয় আজকের আওয়ামী লীগের জন্যও দল গঠনের সুযোগ করে দিয়েছিলেন, বাকশাল গঠন করে শেখ মুজিব গণতন্ত্রের টুটি চেপে ধরে সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ব করে দিয়েছিলেন, সেই হিসাবে শহীদ জিয়াই আজকের আওয়ামী লীগের জনক।

২০১২.১২.০৮ ১৬:০২
জিয়া জিয়াই, তার সমতুল্য বাংলাদেশের রাজনিতিতে কেউ নেই। তারেক, ফালু - লালু, হারিস আর পিন্টুকে দিয়ে আথবা এখনকার বিএনপির আবসতা দিয়ে জিয়াকে বিচার করা যাবেনা। উনি কেবল একজান সেরা রাষটনায়ক বা দেশপেরেমিক নেতাই ছিলেননা, ছিলেন একজন বির জোদ্দাও, জিনি সরাসরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেছিলেন। মানুষ মাতরই সমালোচনার উরধে নয়, তবে জিয়াকে নিয়ে সমালোচনা করার সময় একটু চিন্তাভাবনা করেই করা উচিত বলে মনে করি।

২০১২.১২.০৮ ১৬:০৯
রিপোর্টের শিরোনাম “‘একজন পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।’” হতে পারতো।

M J Abedin

M J Abedin

২০১২.১২.০৮ ১৬:১৩
Zia should be compared with Abraham Lincoln of USA, Winston Churchill of Great Britain and Mustafa Kamal Ataturk of Turkey for their contribution to their respective motherland.

২০১২.১২.০৮ ১৬:১৫
ভাল মানুষের মন ও চিন্তাভাবনা সব সময়ই ভাল। তাদের ক্যরিসমা দেখানোর দরকার হয়না। ক্যারিশমেটি রাজনিতিবিধদের ক্যরিসমা বেশিদিন থাকেনা। জিয়ার ছিলেন এক জন মহান দেশ ক নেতা। তার ক্যারিশমা মানে তার ভাল গুন, তার সত সাহস, তার দেশ প্রেম, তার বিচখনতা, তার কাজ করার খিপরতা, তার নইতিকতা। অন্য কারো কাছ থেকে আপনি হয়তো অনেক রাজনিতিক ইতিহাস শিখতে পারবেন, কিন্তু সত্যিকার দেশ প্রেম, দেশের জণ্য ভালবাসা, দেশের উননয়ন, নিতিবোধ হয়তো শিখার জন্য জিয়াই সবচেয়ে ভাল উদাহরন বা আদরশ।

২০১২.১২.০৮ ১৬:২০
সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অনিবার্য নিয়তির কারনেই জিয়াউর রহমান ও ‍এরশাদ ক্ষমতা গ্রহন করে সামরিক শাসন জারি করেছিল। তবে তারা ‍একটি শিশু রাষ্ট্রে একই সাথে শৃঙ্খলা ও ‍উন্নয়ন নিশ্চিত করেছিল। দেশে স্বাধীনতার পর যা কিছু ভালো তার প্রায় সবই ‍এ’দুজনের(স্বৈরাচার?) অবদান। তাদের ‍এ অবদান জাতি অস্বীকার করার মানে তাদের সাথে বেঈমানী করা ছাড়া ‍আর কিছু না। আর ‍একটি বেঈমান জাতী ভবিষ্যতে কখনো দেশপ্রেমীক নাগরিক ‍আশা করতে পারে না।
২০১২.১২.০৮ ১৬:৫৪
zia brought independence through his ideal courage. he saved bangladesh frome civil war. if he was not born bangladesh was not born so easily. in every dangerous situation of bangladesh he saved it by the cost of his life. he is the example of honesty and simplicity of modern roler। he showed that being the president one can lead a very simple life with strict honesty. if all the roler of our country follow only zia bangladesh would be malayasia within two or three years. i love zia his honesty simplicity activity. if zia not came to the lime light of bangladesh it would be one of uganda nigeria ethiipia .......i salute . he is the father of modern bangladesh.

zadid

zadid

২০১২.১২.০৮ ১৭:১৭
জিয়া অবশ্শই স্বাধীনতার ঘোষক, কিন্তু যেই মাইক্রোফোন এর সামনে তিনি এই ঘোষণাটা দিয়েছিলেন তার অবদান কি কম? মাইক্রোফোনটা না থাকলে কি তার কথা কেউ শুনতে পেত? তাহলে তিনি আসল না মাইক্রোফোন?
শেখ মুজিবরের অবদানের কাছে কি জিয়া শুধুই মাইক্রোফোন নন?

A.Forkan

A.Forkan

২০১২.১২.০৮ ১৮:১০
এখানে আমেরিকা জিয়ার পরশংসা করেছে কারন আমাদের দেশ সাধীন হোক আমেরিকা তা চায়নি ।মুজিব অবাধ্য বলে তাকে পছনদ করতোনা জিয়া তাদের কথা রাখতো বলে তাকে পছনদ করতো এবং তাকে সহায়তা করে মুজিবের জয়গান মুচতে চেয়েছিল।
২০১২.১২.০৮ ১৮:৩৯
Date: 08 Dec 12
I agreed with Mr Karim Howlader
I'm not agree or support Mr Nasir (Kuwait)
USA was completely against our Independence war
During war USA try to send their 7 fleet
Only India veto they are return
Mr Nasir you are now Kuwait, if not independent our country somebody Pathan, Punjabi or Bihari will be in Kuwait in place you.
I think mr nasir you don't know nothing, Our leader Banga bandhu forgive them only those who not involve murder, luttaraj, rap
Now we Bengali people are become president, Prime minister, secretary only for we are independent
One more think USA always support to them who are against party
Gen Zia was killed many freedom fighter those who are against him

২০১২.১২.০৮ ১৮:৪৮
আমলা/কামলা সেনা বাহিনির অফিসার আর রাজাকারদের রাজনিতিতে এনে রাজনিতিকে দুষিত করেছেন মুলত জিয়া। তখন থেকেই দেশে ঘুষ-দুরনিতি প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পায়। তবে তাকে যারা সহযোগিতা করেছে তাদের মধ্যে আওয়ামিলিগের কতিপয় নেতাও ছিল। তিনি এরসাদের চেয়ে বেশি উচ্চ বিলাসি থাকার করনে তাকে এরসাদের চেয়ে তারাতারি পতিত হতে হয়। যে কোন জাতির জন্য সেনাবাহিনির শাসন একটি কলন্কজনক অধ্যায়। জিয়া এবং এরসাদ আমাদেরকে কলন্কত করেছেন, এর জন্য বংগবন্ধুর চোরের খনিও কম দায়ি না। ৭৫ এর আগে যারা আমাদের ক্ষতি করেছে তারা কিন্তু এখনও করছে বিভিন্ন দলের রাজনিতিবিদ সেজে।

Osman Gani

Osman Gani

২০১২.১২.০৮ ১৯:১৩
ওরে বাবা! আমেরিকা বলেছে বলে কথা,.হা হা হা .......

Sardar Arif

Sardar Arif

২০১২.১২.০৮ ২১:৩৮
দেশে দেশে সামরিক শাসন ও হত্যা, ক্যু এর রাজনীতিতে সিআইএ-র ভূমিকা স্ব-স্বীকৃত। বাংলাদেশের সামরিকিকরণে সিআইএ-র যথেষ্ট হস্তক্ষেপ আছে।

Mustafiz Rahman

Mustafiz Rahman

২০১২.১২.০৯ ০২:৫৯
রাজনীতিতে সমালোচনা সব রাজনীতিকের বিরুদেধই থাকে এবং এতাই স্বাভাবিক । এতা খুবই সত্য যে জিয়াউর রহমান ছিলেন সৎ ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক সফল রাষ্ট্রনায়ক ।