শিরোনাম:

পদ্মা সেতু প্রকল্প: দুদকের খসড়া অনুসন্ধান প্রতিবেদন

৩৮ কোটি টাকা ঘুষ, জড়িত ১০ জন

অনিকা ফারজানা | তারিখ: ০৭-১২-২০১২

  • ৬১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

মাত্র ৩৮ কোটি টাকা নিয়ে ভাগাভাগি। এই টাকা মোট কাজের ১০ শতাংশ। এ অর্থই এসএনসি-লাভালিন কাজ পেতে ঘুষ হিসেবে দিতে চেয়েছিল সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীসহ ছয়জনকে। দরপত্র মূল্যায়নে দ্বিতীয় অবস্থান থেকে প্রথম স্থানেও চলে এসেছিল কানাডার এই কোম্পানি।
এর পরেই ঘটে বিপত্তি। গোপনে অভিযোগ যায় অর্থায়নকারী সংস্থা বিশ্বব্যাংকের কাছে। ফলে আর কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি এসএনসি-লাভালিনকে। বিশ্বব্যাংকের করা এই অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে শেষ পর্যন্ত ঘুষের লেনদেন হয়নি বলে দুদক একে বলছে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ১০ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে দুদক।
দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়ে গত মঙ্গলবার দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা দুই জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল জাহিদ ও মীর মো. জয়নাল আবেদীন, উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ও মীর্জা জাহিদুল আলম এ বিষয়ে খসড়া প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেন।
সরকারি ও কূটনৈতিক নানা সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। আবার সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকেও জানা গেছে, দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ বিশ্বব্যাংক দিয়েছে, আবার দুদকও অনুসন্ধান করে পেয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কানাডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনের তিন কর্মকর্তা রমেশ শাহ, মোহাম্মদ ইসমাইল ও কেভিন ওয়ালেস বাংলাদেশে এসে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও সাবেক সেতুসচিবের সঙ্গে কাজ পাওয়ার জন্য একাধিকবার একান্তে দেখা করেছেন। এ বিষয়ে ওই সব কর্মকর্তার মনোভাব ছিল ‘অত্যন্ত আগ্রাসী’। দুদক এসব তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশে এসএনসি-লাভালিনের স্থানীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কনসালট্যান্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইপিসি) একাধিক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার শুরুতে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগ এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রভাবশালী কয়েক ব্যক্তির বিষয়ে কানাডার রয়েল মাউন্টেইন পুলিশকে তথ্য দেয়। সেই সূত্রে কানাডিয়ান পুলিশ লাভালিনের কানাডার প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে কোম্পানির ভারতীয় বংশোদ্ভূত কর্মকর্তা রমেশ শাহর হাতের লেখা একটি ডায়েরি জব্দ করে। যাতে ইংরেজিতে সংক্ষেপে বাংলাদেশের ক্ষমতাবান কিছু লোকের নাম লেখা ছিল। সংশ্লিষ্ট একজন মন্ত্রীর নাম সংক্ষেপে লেখা হয় ‘এমআইএন’, সচিবের নাম লেখা হয় ‘এসইসি’ এবং প্রকল্প পরিচালকের নাম লেখা হয় ‘পিডি’ হিসেবে।
ডায়েরিতে লেখা তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা সেতুর পরামর্শকের কাজ পেতে হলে লাভালিনকে বাংলাদেশের ওই ব্যক্তিদের ১০ শতাংশ ঘুষ দিতে হবে। ওই ১০ শতাংশের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৮ কোটি টাকা।
রমেশ শাহর ডায়েরিতে এ ধরনের তথ্য পাওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে কানাডার পুলিশ। একই সময় লাভালিনের অপর কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইলকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে পদ্মা সেতু বিষয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঘুষ দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়।
বিভিন্ন জনের সংশ্লিষ্টতা: দুদকের খসড়া প্রতিবেদনে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এসএনসি-লাভালিনের কর্মকর্তা রমেশ শাহর ডায়েরিতে তাঁর নাম রয়েছে। তিনি মন্ত্রী হিসেবে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের দায় এড়াতে পারেন না। তাঁর বিষয়ে বিশ্বব্যাংক থেকেও লিখিতভাবে এই অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দুদকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জনের জিজ্ঞাসাবাদে কেউ সরাসরি আবুল হোসেনের নাম উল্লেখ করেননি। তবে আকার-ইঙ্গিতে দু-একজন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। প্রতিবেদনে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীকে মামলায় আসামি করা হলে আরও শক্ত প্রমাণ সংগ্রহ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী সম্পর্কে খসড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি সরকারের পক্ষে সেতু কর্তৃপক্ষের কেউ নন। অথচ তিনি সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। তিনি লাভালিনের দুই কর্মকর্তাকে সৈয়দ আবুল হোসেনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। এসএনসি-লাভালিন যাতে কাজ পায়, সে জন্য তিনি তদবিরও করেছেন। তবে এর সপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। রমেশ শাহর ডায়েরিতে তাঁর নামটিও আছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংসদের হুইপ নূরে আলম চৌধুরীর ভাই নিক্সন চৌধুরী ওরফে মুজিবুর সরকারি কাজে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি নন। অথচ তিনি লাভালিনের পক্ষে দেনদরবার করতে সেতু ভবনে যাতায়াত করতেন। রমেশ শাহর ডায়েরিতে তাঁর নামও রয়েছে। এ ছাড়া তিনি লাভালিনের কর্মকর্তা ইসমাইলের কাছ থেকে একটি আমন্ত্রণের মাধ্যমে কানাডায় যাওয়ার ভিসা নিয়েছেন।
সাবেক সেতুসচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার প্রসঙ্গে মামলার সুপারিশ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনানুগভাবে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি চারবার ভাঙা-গড়ার দায়দায়িত্ব অবশ্যই তাঁর ওপর বর্তায়। তিনি সেতুর পরামর্শক সংস্থার কাজ যাতে এসএনসি-লাভালিন পায়, সে জন্য নানাভাবে চেষ্টা করেছেন। সেতু প্রকল্পের সাবেক সচিব রফিকুল ইসলামসহ অন্তত চারজন সাক্ষী তাঁর বিরুদ্ধে জোরালো সাক্ষ্যে বলেছেন, এসএনসি-লাভালিন পদ্মা সেতুর পরামর্শকের কাজ পাওয়ার জন্য উপযুক্ত ছিল না। অথচ এই অনুপযুক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ দিতেই দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি চারবার ভাঙা হয়। সেতুসচিবের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি প্রভাবশালী কয়েক ব্যক্তির ইশারা-ইঙ্গিতে কাজটি করা হয়েছে বলে তাঁরা জানান। তাঁরা সবশেষে গঠিত জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের কারিগরি ও আর্থিক বিষয়াদি মূল্যায়ন কমিটির কাছেও অনেক তথ্য গোপন করেছেন। রমেশ শাহর ডায়েরিতে সাবেক সেতুসচিবের নামও উল্লেখ রয়েছে।
দরপত্র মূল্যায়ন-সংক্রান্ত কমিটির সদস্যসচিব কাজী ফেরদৌস সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি কমিটির সব তৎপরতার খবর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তিদের গোপনে জানিয়ে দিতেন। এসএনসি-লাভালিনকে কার্যাদেশ দিতে অশুভ তৎপরতার সঙ্গে তিনিও জড়িত ছিলেন। তিনি চার নম্বর কমিটির প্রধান জামিলুর রেজা চৌধুরীকেও প্রথম বিবেচিত হওয়া হালক্রো নামের প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে ভুল তথ্য দিয়ে কমিটিকে বিভ্রান্ত করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দরপত্র কমিটির সদস্য ও সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী রিয়াজ জাবেরের সংশ্লিষ্টতা প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনিও লাভালিনের স্বার্থ সংরক্ষণে কাজ করেছেন। দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের পেছনে তাঁরও জোরালো ইন্ধনের প্রমাণ পেয়েছে দুদকের অনুসন্ধান দল।
এসএনসি-লাভালিনের স্থানীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইপিসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লাভালিনের কর্মকর্তারা বাংলাদেশে এলে তাঁদেরকে মন্ত্রী, সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে দেখা করানোর কাজটি করেন মোস্তফা।
৬ নভেম্বর লিখিত বক্তব্যে মো. মোস্তফা অনুসন্ধান দলকে জানান, লাভালিনের মো. ইসমাইল বাংলাদেশে এসে নিক্সন চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে একাধিকবার একান্তে দেখা করেছেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে। ইসমাইলের দায়িত্ব ছিল, যেকোনো উপায়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পদ্মা সেতু প্রকল্পে এসএনসি-লাভালিনের কাজ পাওয়া। কিন্তু কারিগরি মূল্যায়নে কম নম্বর পাওয়ায় ইসমাইলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এ কাজের ভার দেওয়া হয় অপর কর্মকর্তা রমেশ শাহর ওপর।
রমেশ বাংলাদেশে এসে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীর সাহায্য নেন। ইপিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউল হক সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর আত্মীয়। রমেশ শাহ সেতু ভবনে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সে সময় সেতু বিভাগের সাবেক সচিবও উপস্থিত ছিলেন। এরপর মন্ত্রীর সঙ্গে রমেশের মধ্যে প্রায়ই দেখা-সাক্ষাৎ হয়।
লাভালিনের তিন বিদেশি কর্মকর্তা প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁরা বাংলাদেশে এসে মন্ত্রী-সচিবসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রভাবশালী গ্রুপের সঙ্গে একান্তে দেখা করেছেন। তাদের আর্থিক সুবিধা দিয়ে নিজেদের পক্ষে কাজ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সঙ্গে লাভালিনের ওই তিন কর্মকর্তার যোগসাজশের অভিযোগটি প্রমাণিত। বাংলাদেশের বিচারিক আদালতে পদ্মা সেতুর দুর্নীতির বিচার শুরু হলে কানাডার আদালতের রায়টি সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যাঁদের অব্যাহতি: প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানকে মামলায় না জড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, তিনি কমিটির ভাঙা-গড়ার বিষয়ে জানতেন না। দরপত্র-সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরুর এক বছর পর তিনি এতে ‘ইন্টেগ্রিটি অ্যাডভাইজার’ হিসেবে যোগ দেন। অভিযোগপত্রে তাঁকে সাক্ষী করার জন্য প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলামকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসএনসি-লাভালিনকে কাজ দেওয়ার বিষয়ে সেতুসচিবসহ অন্যরা তৎপর ছিলেন। রফিকুল দুদককে বিভিন্ন ধরনের তথ্য দিয়েছেন। বলেছেন কীভাবে হালক্রোকে সরিয়ে লাভালিনের পক্ষে কার্যাদেশ আদায় করা হয়েছে। তাই রফিকুল ইসলামকেও আসামির পরিবর্তে সাক্ষী করার জন্য প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে।
আইনি অবস্থান: পদ্মা সেতুর দুর্নীতির যড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন এবং দুদক আইনে তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে কী ধরনের বিধান রয়েছে, তা-ও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, দুদক আইনে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র বা এ ধরনের ষড়যন্ত্রের কোনো সংজ্ঞা নেই। শুধু বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১২০ ধারা ও ৫১১ ধারা দুটি দুদক আইনের তফসিলে ১৭ নম্বর ধারায় অন্তর্ভুক্ত করা রয়েছে। দণ্ডবিধির যে ধারায় (১২০) এটি সংযোজন করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র। অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র আর দুর্নীতির ষড়যন্ত্র এক কি না, তা নিয়ে আইনগত বিতর্ক রয়েছে। দণ্ডবিধির ১২০(খ) ধারায় শাস্তির কথা বলা থাকলেও দুর্নীতির বিষয়ে কী কী ষড়যন্ত্রমূলক অপরাধ করলে তা ষড়যন্ত্র হবে, সেটিও স্পষ্ট নয়। তবে এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের শাস্তির বিধান রয়েছে। আর ৫১১ ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ হয়েছে।
মামলার ধারা সম্পর্কে সুপারিশ: দুর্নীতির ষড়যন্ত্রমূলক অপরাধের জন্য বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১২০(খ), দুর্নীতির উদ্যোগ গ্রহণের জন্য দণ্ডবিধির ৫১১ ধারা, ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ও পরস্পর যোগসাজশে অপরাধ সংঘটনের জন্য দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা সংযোজনের সুপারিশ করা হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Md.Morshed Alam Zahied

Md.Morshed Alam Zahied

২০১২.১২.০৭ ০৩:২৪
তোরা যে যা বলিশ ভাই -আবুল আমার চাই'ই চাই ।

Md Musa

Md Musa

২০১২.১২.০৭ ০৪:৫৩
জঘন্য রকমের ছ্যাচরামি দেশের এতবড় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে। মাত্র ৩৮ কোটি টাকা তাও আবার ১০ জন মিলে।

mamun

mamun

২০১২.১২.০৭ ০৪:৫৯
মাত্র ৩৮ কোটি টাকা নিয়ে ভাগাভাগি !

Sharif Ahmed

Sharif Ahmed

২০১২.১২.০৭ ০৭:৩৮
আমাদের কর্মে আমরা খুবই লজ্জিত, আমাদেরই সবচেয়ে বেশি অপরাধ, কারণ আমরাই ওদের বিশ্বাস করি, ভোট দিই এবং বারবার ধোঁকা খাই।

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

২০১২.১২.০৭ ০৭:৫২
হায় ! আমাদের দেশে প্রেসিডেন্ট শাহাবুদ্দিনের মত মজবুত মেরুদন্ডের লোক কি আর আসবেন না, যিনি কিনা বুক চিতিয়ে বলবেন, আমার পদ যায় যাক, এমনকি আমার শিরও, তবুও সত্য কথাটাই আমি বলবো, সঠিক কাজটাই করবো।

Aminur Rahman

Aminur Rahman

২০১২.১২.০৭ ০৭:৫৫
যে সরকার নিজের বিচার নিজে করতে জানে না সে সরকারের ক্ষমতায় থাকার চেয়ে না থাকায় ভাল। সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন যে অসুস্থ্য কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ছিলেন এতে কোন সন্দেহ নেই যতই প্রধান মন্ত্রী তার সাফাই গান না কেন। গণতান্ত্রীক বিভিন্ন দেশে দেখা যায় কোন নেতা বা মন্ত্রী রাষ্ট্রের স্বার্থ বিরোধী কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত হলেই মন্ত্রীত্ব ত্যাগ করেন। অবশ্য আমার দেশের নেতা মন্ত্রীদের গায়ের চামড়া যথেষ্ঠ পুরু এতে কোন সন্দেহ নেই।
আশাকরি বর্তমান সরকার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের ভাবমুর্তি অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করবেন।

Tajerul islam sadhin

Tajerul islam sadhin

২০১২.১২.০৭ ০৮:০৪
সতুসচিবের সহায়তায় সরকারি ও প্রভাবশালী কয়েক ব্যাক্তির ইশারা ইঙ্গিতে কাজটি করা হয়েছে।সেখানে সদস্য সচিব ছিল গোপন বার্তা বাহক। অভিযুক্ত "দরপত্র কমিটির সদস্য"। এ জেন এক ক্রাইম মুভির গল্প। না না এটা নিশ্চিত দুর্নিতির ষরযন্ত্র।
২০১২.১২.০৭ ০৮:১৩
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোয় দেশটাকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন । তিনি হয়তো মনে করেছিলেন, এদেশের সব মানুষই এ প্রযুক্তি থেকে অনেক দূরে -অন্ধকারে রয়েছেন । উনার বোঝা উচিত ছিল এ তথ্য প্রবাহের যুগে সব কিছু ঢেকে রাখা যায় না। উনার উচিত ছিল কথাটা যখনই উঠেছিল, তখনই এ্যাকশনে যাওয়া অর্থাত সাথে সাথে এদেরকে বরখাস্থ করে বিশ্বব্যাংকের কাছে তার সরকারের ভাবমুর্তি ধরে রাখা । কিন্তু তা না করে সেই অন্ধকারযুগের মত উনি নানা রকম টাল বাহানা করলেন, যা ছিল নিতান্তই হাস্যকর । এখন কেমন লাগে এসব খবরে ?

Md. Mahbubur Rab

Md. Mahbubur Rab

২০১২.১২.০৭ ০৮:১৫
প্রধানমন্ত্রি আবুল সাহেবকে সততা ও দেশপ্রেমের জন্য দেশের সর্বচ্চ পদক দিয়ে জাতিকে সম্মানিত করুন!!!!!!
২০১২.১২.০৭ ০৮:১৬
ঘুষ নিতে চেয়েছিল ,ঘুষ তো নে্য়নি। এবার যদি নিতে পারে......................... । তাহলে পদ্মা সেতু হবে্‌ইইই।

Salekin

Salekin

২০১২.১২.০৭ ০৮:২২
মাতর ৩৮ কোটি টাকার জন্য ! আললাহ মেহেরবান , আসল কাজ শুরু হোলে না জানি কত শত কোটি লুটপাট হত !!!!
ভবিষ্যতের চোর চোট্টারাও একটু সাবধানে থাকবে । বিশ্বব্যনককে ধন্যবাদ !

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১২.১২.০৭ ০৮:৪৭
ফুল ফুটলে যেমন সবগুলো পাপড়ি এক সাথে দেখতে অসুবিধা হয় না ,ঠিক তেমন দুর্নীতির বিষয়টি প্রমানিত। কোকোর ১৩কোটি টাকা এনে সরকার যে রাজনৈতিক ফায়দা পেতে চেয়েছিল এখন ৩৮কোটি তো তাদেরকে মাটির সাথে মিশে যাওয়ার পথ ও খুজে দিবে না !জনগন এবার অাবুলের ব্যাপারে সরকার কী ব্যবসথা নেয় তা দেখবে।

Sheikh Rafiq

Sheikh Rafiq

২০১২.১২.০৭ ০৮:৪৭
Nothing Visible ??

Ratan Jyoti

Ratan Jyoti

২০১২.১২.০৭ ০৯:০৮
প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান এই দুনীতিতে সংশ্লিষ্ঠ নেই জেনে খুব আনন্দিত।তিনি নৈতিক সাহসের জোরে বলবেন প্রধানমন্ত্রীকে দুনীতিবাজদের বিরূদ্ধে শক্ত অবস্হান গ্রহণ করতে। কতিপয় মানুষকে প্রশ্রয় না দেয়ার এক কঠিন দুদান্ত সাহসের মধ্যোই প্রতিফলিত হবে ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশে দুনীতি দমনে উন।র সাহসিকতা জাতি স্মরণ রাখবে, নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ পৌঁছবে ২০২১ স্বপ্নে। অন্যথায়, তিনিও সমানভাবে দায়ী হবেন পদ্মাসেতু ভেঙ্গে যাবার স্বপ্ন, হারিয়ে ফেলবেন জোরালো সাহসী চিৎকার...। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, 'অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা তৃণ সম দহে।'এই চ্যলেন্জ যে প্রধানমন্ত্রী হেরে গেলে সমগ্রজাতি অনেক পিছিয়ে যাবে।

Rokan U Ahmed

Rokan U Ahmed

২০১২.১২.০৭ ০৯:৪৮
৩৮ কোটি টাকা সুরুতে । ৩ হাযার কোটি টাকার ১০ % কত ?

Mohammad Nuruddin Jahangir

Mohammad Nuruddin Jahangir

২০১২.১২.০৭ ১০:১০
কবে যে এই দেশে একজন সৎ মানুষ আসবে শাসন করার জন্য।

shaikh osman gani

shaikh osman gani

২০১২.১২.০৭ ১০:১৩
মাত্র আট ত্রিশ েকা িট টাকা েকান টাকা হ েলা? এই টাকা ত আর এক আবুল মাল আব্দুল মু িহত এর কা েছ চাইলেই পাওয়া যায়। কারণ তার কাছে চার হাজার কোটি টাকা কোন টাকাই না!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

KHONDOKER QUMRUZZAMAN

KHONDOKER QUMRUZZAMAN

২০১২.১২.০৭ ১০:২৫
People of greater Faridpur please take reveange on Abul. Refuse him and------

Tara Mian

Tara Mian

২০১২.১২.০৭ ১০:২৬
আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা দুর্নীতিতে যাই।
দুর্নীতির এই স্বর্গ রাজ্যে দুদক আছে ভাই।
পুতুল নাছে দুদকের মেডেল পাওয়া চাই।
দুদক তুমি এগিয়ে চল শ্ত্রুর মুখে ছাই।

দেলোয়ার হোসেন

দেলোয়ার হোসেন

২০১২.১২.০৭ ১০:২৮
দুর্নীতিবাজরা তাহলে পাকিস্তানের জারদারিকে (মিঃ ১০%) গুরু মানে! জয় মিঃ ১০%!!!

mizanul hasan

mizanul hasan

২০১২.১২.০৭ ১০:৩৪
It gas been proved that a conspiracy taken place,amount is not matter,its matter of morality.Being a public representative and minister mr.abul hossain could be more careful.Whatever the law says govt can not avoid his moral responsibility.

CHANDAN KUMAR KUNDU

CHANDAN KUMAR KUNDU

২০১২.১২.০৭ ১০:৩৭
একজন সৎ মানুষ দিয়ে দেশের মঙ্গল সম্ভব নয়। দেশের মঙ্গলের জন্য বহু সৎ মানুষের প্রয়োজন। আর এ কাজটি করতে হবে দেশের মানুষকে। সৎ ও যোগ্য মানুষ দেখে নেতা নির্বাচন। এর কোন বিকল্প নেই। দল নয় সৎ ও যোগ্য নেতা। তাহলে দুর্নীতি উৎপাটন হবে।
২০১২.১২.০৭ ১০:৪৩
সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল যে অসুস্থ্য কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ছিলেন এতে কোন সন্দেহ নেই

Md.Waliur Rahman Pintu

Md.Waliur Rahman Pintu

২০১২.১২.০৭ ১০:৪৫
আমাদের কর্মে আমরা খুবই লজ্জিত, আমাদেরই সবচেয়ে বেশি অপরাধ, কারণ আমরাই ওদের বিশ্বাস করি, ভোট দিই এবং বারবার ধোঁকা খাই।কিন্তু কেন ?আমরা কি বদলাতে পারি না ??????????আসুন আমরা বরজন করি , বিরত থাকি ভোট দেয়া থেকে..............

sohel

sohel

২০১২.১২.০৭ ১০:৪৭
যে যা বলেন, আমার ভাবনা শুধু আমাদের মাননীয়া প্রধান মন্ত্রীর বলা বড় কথা নিয়ে; যে যোগাযোগ মন্ত্রীকে তিনি দুর্নীতি করার পরও জোর গলায় দেশ প্রেমিকের উপাধীতে ভূষিত করলেন, নির্দোষ বলে সাফাই গাইলেন, আজ যখন উনার নির্দোষী যোগাযোগ মন্ত্রী দুর্নীতির দায়ে দোষী প্রমানিত হলেন এখন মাননীয়া প্রধান মন্ত্রী যোগাযোগ মন্ত্রীকে এবার কোন উপাধীতে ভূষিত করবেন?......

zahid

zahid

২০১২.১২.০৭ ১০:৫৩
BNP AND JAMAT MADE THAT CORRUPTION. ARREST THEM ALL.

Md. Jahangir Alam

Md. Jahangir Alam

২০১২.১২.০৭ ১০:৫৬
খবর পড়ার পর এটাই বুঝলা্ম একটা পদ্মা েসতুর েচেেয একজন আবুল এর দাম অেনক েবশী ।

sondipkumer

sondipkumer

২০১২.১২.০৭ ১১:০৯
মাত্র ৩৮ কোটি টাকা নিয়ে ভাগাভাগি !ছিিছ

সিরাজ

সিরাজ

২০১২.১২.০৭ ১১:১০
আসলে এগুলো কিছুই না , বিশ্বব্যংক এরচেয়ে এক হাজার গুন দূনীতি করে , দেশে দেশে ওদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্ম দেখলেই বুঝা যায়। সরকার বুঝেছে আসলে তারা টাকা দিবে না - দিলে বাংলাদেশ উন্নত হয়ে যাবে। এটা একটা উসিলা আরকি! আমার মনে হয় বিশ্বব্যাংক এ সরকারের আমলে বাংলাদেশে তেমন ব্যবসা করতে পারেনি ! তাই ওদের পক্ষের সরকার চায় !

A Rahman

A Rahman

২০১২.১২.০৭ ১১:১১
Hasina must award Abul "Shadhinata Padak" for his patriotism in this month of vicroty.

A Rahman

A Rahman

২০১২.১২.০৭ ১১:১৬
Abul is less than honest - Wikileaks

sultan ahmed bulu

sultan ahmed bulu

২০১২.১২.০৭ ১১:২৯
'অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা তৃণ সম দহে।'
আশাকরি বর্তমান সরকার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের ভাবমুর্তি অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করবে

Rahik

Rahik

২০১২.১২.০৭ ১২:০০
টানাটানিতে পদ্মা ভেঙ্গে চুরমার।

Shajol

Shajol

২০১২.১২.০৭ ১২:০৯
আমাদের প্রধানমন্ত্রি আবুলকে দেশপ্রেমিক বলেছিলেন, তাহলে উনার কথায় শেষে এটাই বুঝলাম যে যারা দেশের টাকা দের্দাচে লুটপাট করছে জনসভা আর বক্তৃতায় মিথ্যার চাপা পিটিয়ে মানুষকে ধোকা দিয়ে যাচ্ছে তারাই আসলে দেশপ্রেমিক, হা হা হা হা হা

Babul

Babul

২০১২.১২.০৭ ১২:১১
আবুল হুসেন দেশপ্রেমিক,
২০১২.১২.০৭ ১২:১২
প্রধানমন্ত্রীর মনের অবস্থা এই রকম- পদ্মা সেতু হলেই কি, আর না হলেই কি, আমার কোন লাভও নেই লসও নেই ৷ আমি তো কপ্টারেই যাতায়াত করি ৷ আর প্রধান মন্ত্রীত্ব না থাকলে তো এই নোংরা দেশে এক দিনও থাকব না ৷ আমার দরকার আবুলকে ৷ সে যাই করুক নির্বাচনে একটা আসন পাইয়ে দিলেই হয় ৷

Rukon

Rukon

২০১২.১২.০৭ ১২:২৫
আরে রাখেন আপনার পদ্মার সেতুর কথা। পদ্মা সেতু না হলে সাতরে পার হয়ে যাবো। কোন সমস্যা নাই। এখন এগুলো নিয়ে মাতামাতি করার সময় নাই। এখন দরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আগে শেষ করা। যুদ্ধাপরাধীরা হচ্ছে এই দেশের সকল দূর্নীতির কারণ ও সকল উন্নয়ণের অন্তরায়। অতএব সরকারকে বিপদে ফেলানোর জন্য এই সব সংবাদ বন্ধ করুন। দেশ ‍দূর্নীতির বন্যায় ভেসে গেলেও, মানুষ একমাস না খেয়ে থাকলেও সমস্যা নাই। চাই আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচা্র। তাই তো সরকার দূর্নীতি দমনের দিকে নজর না দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে মনোযোগ দিয়েছে। অভিনন্দন প্রধানম্ন্রীকে।

Md.Abdus Samad

Md.Abdus Samad

২০১২.১২.০৭ ১২:২৫
ভয় পাচ্ছি, কবে দেশ টা না বেচে দেয়!!!

Md.Saiful Islam

Md.Saiful Islam

২০১২.১২.০৭ ১২:২৮
পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংক উভয়েই আগ্রহী। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল দু'বার বাংলাদেশে এসেছে, এর মধ্য দিয়েই তাদের আগ্রহ প্রকাশ পায়। সুতরাং এ প্রকল্পের অনিশ্চয়তা কাটানোর জন্য সরকারের উচিত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া। যতদ্রুত এ পদক্ষেপ নেয়া হবে ততোই দেশ ও প্রকল্পের জন্য মঙ্গলজনক। আমরা মনে করি যে, সরকারের সর্বোচ্চ মহলসহ সংশ্লিষ্ট সকলে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন যাতে পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।

shihab

shihab

২০১২.১২.০৭ ১২:৩৬
আমি বর হইলে আবুল হঐতে চাই ....

মনিরুজ্জামান

মনিরুজ্জামান

২০১২.১২.০৭ ১২:৩৮
মাত্র ৩৮ কোটি টাকার ঘুষের লেনদেনের জন্যে এ প্রকল্প টি ঝুলে আছে !!! তাও আবার লেনদেন হয়েছে কিনা জানা নাই আবার ৬ জনকে , ৩৮/৬ = ৬.৩৩ কোটি পরতীক কে ?? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রত সত্যি ই 'রাবিশ' . এ দেশে তো সাধারণ আমলা এমপি রাও এর থেকে বড় দান মারে , এ ই তো সেদিন কোকোর ২৫ কোটি পাচার করা টাকা দেশে আসলো. আমি তো ভেবেছিলাম হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে

Rasel Mahmud

Rasel Mahmud

২০১২.১২.০৭ ১২:৪১
মাত্র ৩৮ কোটি টাকা ! I don't believe it....I think more......

Ab Rakib

Ab Rakib

২০১২.১২.০৭ ১২:৫২
আবুল হোসেন তো দেশ রত্ন েক জন মানুস

F Ahmed

F Ahmed

২০১২.১২.০৭ ১২:৫২
সব বোকার দল! বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ অনন্য মন্ত্রী ও উপদ্বেষ্টাগনের বিরুদ্ধে এটি একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র! আপনারা সবাই সতর্ক থাকবেন, আপনারা বিশ্ববাসীর কাছে ভিক্ষা করতে যেতে পারেন- তাতে কিছু যায় আসে না, কিন্তু কোনভাবেই মাথা নত করা যাবে না। লেগে থাকুন এক সময় বিশ্ব আপনাদের পদতলে লুটাবে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
২০১২.১২.০৭ ১৩:০৯
আবুল হোসেন তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন। তার নিয়ন্ত্রণাধীন দপ্তরে এত বড় দুর্নীতির সাথে সরাসরি তিনি জড়িত না থাকলেও তার অগোচরে ঘটা দুরনীতির ষড়যন্ত্রের দ্বায় তিনি কোনভাবেই এড়াতে পারেন না। এই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে তার পদত্যাগ করা উচিৎ ছিল। কিন্তু তিনি ক্ষমতা ধরে রাখার যে মানসিকতা দেখিয়েছিলেন, তা এই প্রমাণ করে যে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রে তার সংশ্লিষ্টতা ছিল বা আছে। যারা (দুদক চেয়ারম্যান সহ) এই সকল গডফাদারদের বাঁচানোর চেষ্টা করে, দেশের স্বার্থ রক্ষায় তাদের ভুমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ।

Mohiuddin Maswood

Mohiuddin Maswood

২০১২.১২.০৭ ১৩:১৫
তারাই আবারপ্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেমিকের সার্টিফিকেট পায় এটাই সবচেয়ে বড় বেদনার।

সোহাগ-সাস

সোহাগ-সাস

২০১২.১২.০৭ ১৩:২১
আবুল হসেন জিনদাবাদ । আসলে আমরা আবুল

Nuruddin Sarker

Nuruddin Sarker

২০১২.১২.০৭ ১৩:২৬
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি
সারাদিন আমি যেন দুর্নীতি করতে পারি
আদেশ করেন যাহা মোর বুবুজানে
আমি যেন সেই কাজ ভাবি আগে আগে ।

Ataur Rahman

Ataur Rahman

২০১২.১২.০৭ ১৩:৩৭
They should punished but most appreciatable issue this government disclose such kind of report, before it was naver happened.
BNP J Party never disclose any report. So we should appreciate to our current goverment.

md.selim

md.selim

২০১২.১২.০৭ ১৩:৪৬
'অন্যায় যে করে, আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা তৃণ সম দহে।'
আশাকরি বর্তমান সরকার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের ভাবমুর্তি অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করবে

M A Ghani Sarker

M A Ghani Sarker

২০১২.১২.০৭ ১৪:০৯
তদন্তকারী দলকে ধন্যবাদ, আপনারে অন্ততঃ দুর্নীতির ফাঁদে পা না দিয়ে একটি ভাল প্রতিবেদন উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু প্রতিবেদনে কি কাজ হবে? যেমনটি হয়নি শেয়ার বাজার ক্যালেংকারি প্রতিবেদনে।

Mohammad Belal Uddin

Mohammad Belal Uddin

২০১২.১২.০৭ ১৪:১৩
প্রধানমন্ত্রীসহ উচচ পযাৱয়ের যারা আছে তাদের কে হাত জোর করে অনুরোধ করব দয়া করে পদনা সেতুতে কোন রকম দূনিতী সহ্য করবেন না। কারণ এই সেতুর উপর নিভর করছে আমাদের দেশের অথনীতি।এছাড়া এই সরকারের নিবাচনী ওয়াদা এটি।আপনারা দুই আবুলের কারণে আমাদর দেশের এত বড় ক্ষতি করবেন না।সারা দেশের মানুষ আপনাদের পানে চেয়ে আছে দয়া করে আমাদের নিরাশ করবেন।আপনাদের সাফল্য কামনা করছি।

Ahmed Rafiq

Ahmed Rafiq

২০১২.১২.০৭ ১৪:১৫
only 38 crore taka!!!!
২০১২.১২.০৭ ১৫:০৬
আবুল হোসেন, মশিউর রহমান এবং রফিকুল ইসলাম। এই তিন জনকে মামলা থেকে বাদ দেয়া কেন? এজন্য এদের সাথে কত লেনদেন হয়েছে?

২০১২.১২.০৭ ১৫:৩৯
চোরা বাহীনি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, এবার "চোরের সর্দারকে" ধরার পালা। পালের গোদা ধরা পড়লে বাকি সব এমনিতেই ধরা পড়ে যাবে।

Zahid Hossain

Zahid Hossain

২০১২.১২.০৭ ১৬:৫০
M/s Abul Group of Corruption Company has gone to wrong place for bribes. They should have approached World Bank, IMF, JAICA or IDB directly for their 10% commission. Our PM has already said that WB is also involved in corruptions. Moreover., BNP and alliance is responsible for all the misdeeds and misrules of Awami league tenure during last 4 years. BNP should be brought under investigation.

লিথি যারনাজ

লিথি যারনাজ

২০১২.১২.০৭ ১৬:৫৩
রমেশ শাহর ডায়েরিতে একজন মন্ত্রীর নাম সংক্ষেপে লেখা হয় ‘এমআইএন’, সচিবের নাম লেখা হয় ‘এসইসি’ এবং প্রকল্প পরিচালকের নাম লেখা হয় ‘পিডি’ হিসেবে। এই প্রতিবেদন পরে বুঝতে পারলাম না এরা কারা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দুদক এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ১০ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে। প্রতিবেদন পরে পরিস্কার বুঝতে পারলাম না কোন দশজন।

mizan

mizan

২০১২.১২.০৭ ১৭:২৩
দুর্নীতিবাজরা দুর্নীতি করে দেশকে উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রাখা আর যুদ্ধ অপরাধ করা একী সমান। আর বাজে লোকদের বিরুদ্ধে বাজে মন্তব্য না করা আর নিজের আত্মাকে কষ্ট দেয়া একি কথা প্রকাশ না করলেন অসুবিদা নাই ।

Ashraf

Ashraf

২০১২.১২.০৭ ১৭:২৮
ভালই গল্প লিখেছেন....পড়ে মজা লাগল

anowar ullah chowdhury

anowar ullah chowdhury

২০১২.১২.০৭ ১৮:২২
মাননীয় অর্থমন্ত্রী বলতে পারেন ৩৮কোটি কোন টাকাই না। আমাদের দেশে তো হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয়।

Mohamed A Rahman

Mohamed A Rahman

২০১২.১২.০৮ ০০:০৭
They all should be punished by Life long Jail and all their properties should be confisticated. Mohamed.