সাদাসিধে কথা
তোমরা যারা শিবির করো
বেশ কিছুদিন আগের কথা। আমি আমার অফিসে যাচ্ছি, তখন বারান্দায় আমার দুজন ছাত্রের সঙ্গে দেখা হলো, তারা আমাকে কিছু বলল না কিন্তু তাদের দেখে আমার মনে হলো, তারা আমার সঙ্গে কথা বলতে চায়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘তোমরা কি আমার সঙ্গে কথা বলতে চাও?’ তারা মাথা নাড়ল, একজন কুণ্ঠিতভাবে আমার হাতে দুটি বই তুলে দিয়ে বলল, ‘স্যার, আপনাকে এই বই দুটি দিতে এসেছি।’ আমি বই দুটি নিলাম। বিজ্ঞানের ওপর চমৎকার দুটি বই, হাতে নিয়ে বললাম, ‘থ্যাংকু। সুন্দর পাবলিকেশন্স।’ তারপর বই দুটি খুললাম, ভেতরে লেখা ইসলামী ছাত্রশিবির।
মুহূর্তে আমার সারা শরীর শক্ত হয়ে গেল। ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আজ্ঞাবহ হয়ে এই দেশে যে ভয়ংকর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, সে জন্য আমি তাদের কখনো ক্ষমা করিনি। আমি জেনেশুনে কখনো কোনো জামায়াতে ইসলামীর নেতার সঙ্গে হাত মেলাইনি। আমার যে আপনজনেরা মুক্তিযুদ্ধে মারা গিয়েছে, তাদের সম্মান দেখানোর জন্য এটি আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমেরিকান এম্বাসির এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে যখন আবিষ্কার করেছি, সেখানে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদেরও ডাকা হয়েছে, আমি সেখান থেকে উঠে চলে এসেছিলাম। আমি আমার এই বিশ্বাসের কথা কখনো গোপন রাখিনি। কাজেই এই দুজন ছাত্র সেটা জানে না, তা হতে পারে না।
আমি ছাত্রদের বই দুটি ফেরত দিয়ে অত্যন্ত কঠিন গলায় বললাম, ‘জামায়াতে ইসলামীকে আমি কোন চোখে দেখি, তোমরা জানো না? তোমরা সেই দলের মানুষ হয়ে তোমাদের সংগঠনের বই আমাকে উপহার দিতে এসেছ? তোমরা আমাকে চেনো না?’
ছাত্র দুটির চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। আমি মুক্তিযুদ্ধের সময় বদর বাহিনীর প্রধান হয়ে নিজামী আর মুজাহিদ কী করেছে, তাদের মনে করিয়ে দিলাম। গোলাম আযম যুদ্ধের সময় কী করেছে এবং বাংলাদেশের জন্মের পরও কীভাবে তারা বিরোধিতা করেছে, সেই কথা বললাম। আমার মতো শিক্ষকেরা জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠনের সদস্যদের তৈরি বদর বাহিনীর হাতে কীভাবে মারা গিয়েছে, সেই ঘটনাগুলো বলে তাদের কাছে জানতে চাইলাম, কম বয়সী তরুণ হওয়ার পরও তারা কেমন করে যুদ্ধাপরাধীদের একটা সংগঠনের সদস্য হতে পারল?
একজন ছাত্র দুর্বল গলায় বলল, ‘স্যার, আমরা তো জামায়াতে ইসলামী করি না। আমরা ছাত্রশিবির করি।’
অনেক দিন আগের কথা, জামায়াতে ইসলামী আর ছাত্রশিবিরের মধ্যে পার্থক্যটুকু নিয়ে আমি তাদের কী বলেছিলাম, আমার এখন মনে নেই। শুধু মনে আছে, ছাত্র দুটি মাথা নিচু করে আমার কাছ থেকে ফিরে গিয়েছিল।
নানা কারণে এই ঘটনার কথা আমি ভুলতে পারি না। আমি ছোট ছেলেমেয়েদের জন্য লেখালেখি করি। আমি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি, আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা একটি নতুন বাংলাদেশের সন্তান এবং তারা বড় হয়ে আমাদের দেশটাকে পাল্টে দেবে। আমি যখন সেই কথাটা তাদের বলি, আমার ধারণা, তারা আমার কথা বিশ্বাস করে। তাই তাদের অনেকেই আমার কাছে উৎসাহের কথা, অনুপ্রেরণা কিংবা স্বপ্নের কথা শুনতে আসে। শিবিরের এই দুটি ছেলে নিশ্চয়ই ভেবেছিল, তাদের এই চমৎকার বই দুটি আমাকে মুগ্ধ করবে, আমি উৎসাহসূচক কিছু বলব। অন্য দশজন তরুণের মতো তারাও এক ধরনের দাবি নিয়ে আমার কাছে এসেছিল, কিন্তু আমি তাদের আশা পূরণ করতে পারিনি। আমার ভয়ংকর রকমের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখে তারা নিশ্চয়ই হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছিল—কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না।
আমি তাদের কথাগুলোও ভুলতে পারি না। তারা আমাকে বলেছিল যে তারা জামায়াতে ইসলামী করে না, তারা শিবির করে। তাহলে তারা কি সত্যিই বিশ্বাস করে যে তারা জামায়াতে ইসলামী থেকে ভিন্ন? ১৯৭১ সালে এই দেশে জামায়াতে ইসলামী যে পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড করেছে, যে অমানুষিক নির্যাতন করেছে, যে ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড করেছে, সেগুলো তাদের কোনোভাবে স্পর্শ করে না?
এই দুজন ছাত্র ছাড়া আর কখনোই কোনো জামায়াত বা শিবিরকর্মী আমার কাছে কথা বলতে আসেনি, তাই আমি কোনো দিন হয়তো এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পাব না।
২.
কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে, এই দীর্ঘ জীবনে আমি সবচেয়ে বিচিত্র, সবচেয়ে অবিশ্বাস্য বিষয় কী দেখেছি। আমি এতটুকু দ্বিধা না করে বলব, সেটি হচ্ছে ইসলামী ছাত্রশিবির। তার কারণ, যে বয়সটি হচ্ছে মাতৃভূমিকে ভালোবাসার বয়স, সেই বয়সে তারা ভালোবাসে দেশদ্রোহী বিশ্বাসঘাতকদের, যারা এই মাতৃভূমির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। যে বয়সে একজন তরুণের মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বে অনুপ্রাণিত হওয়ার কথা, সেই বয়সে তারা অনুপ্রাণিত হয় সেই মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যাকারীদের দিয়ে। যে বয়সে তাদের স্বপ্ন দেখার কথা দেশের বড় বড় লেখক, শিল্পী, ডাক্তার, বিজ্ঞানী, সাংবাদিককে নিয়ে, সেই বয়সে তারা আনুগত্য মেনে নিয়েছে সেই সব মানুষের, যারা আলবদর বাহিনী তৈরি করে একাত্তরে এই দেশের লেখক, শিল্পী, ডাক্তার, বিজ্ঞানী আর সাংবাদিকদের হত্যা করেছে! যে বয়সে তাদের একুশে ফেব্রুয়ারিতে প্রভাতফেরি করার কথা, ষোলোই ডিসেম্বরে স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়ার কথা, পয়লা বৈশাখে রাজপথে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়ার কথা, সেই বয়সে তারা যে শুধু এই অবিশ্বাস্য আনন্দ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করে রাখে তা নয়, তারা এগুলোকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। যে বয়সে তাদের মুক্তচিন্তা শেখার কথা, গান গাওয়ার কথা, নাটক করার কথা, আদর্শ নিয়ে ভাবালুতায় ডুবে যাওয়ার কথা, সেই সময় তারা ক্ষুদ্র গণ্ডির মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতে শেখে, সাম্প্রদায়িক হতে শেখে, ধর্মান্ধ হতে শেখে। যে বয়সে ছেলে আর মেয়ের ভেতর সহজ ভালো লাগা ভালোবাসা জন্ম নেওয়ার কথা, সেই বয়সে তারা সেই অনুভূতিগুলোকে অশ্রদ্ধা করতে শেখে—সে জন্য তারা কত দূর যেতে পারে, সেটা আমি নিজের চোখে দেখেছি, সেই ভয়ংকর কাহিনি আমি কখনো কাউকে বলতেও পারব না!
যখন এই বাংলাদেশের সব মানুষ দেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য অপেক্ষা করছে, তখন ইসলামী ছাত্রশিবির নামে এই সংগঠনের হতভাগ্য তরুণদের পথে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য। খবরের কাগজ খুললেই দেখতে পাই, এখনো দেশের আনাচকানাচ থেকে তাদের ধরে জেলে ঢোকানো হচ্ছে। আমার খুব জানার ইচ্ছে করে যে নেতারা তাদের বুঝিয়েছে, রাস্তায় নেমে চোরাগোপ্তা হামলা করে পুলিশের গাড়ি পোড়াতে হবে, নিজের ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করতে হবে। সেই সব নেতা কি তাদের সন্তানদেরও পথে নামিয়েছে? আমি মোটামুটি নিশ্চিত, সেটি ঘটেনি। আমি আগেও দেখেছি, এই নেতারা যখন তাদের কর্মী বাহিনীকে অনিশ্চিত জীবনের দিকে ঠেলে দেয়, তখন তাদের সন্তানেরা ইংরেজি মিডিয়াম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে।
আমি অনেক চিন্তা করেছি, কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারিনি, কেমন করে বাংলাদেশের মতো রক্তস্নাত একটি দেশে, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা নৃশংস পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে, সেখানে একজন মানুষ মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের ভালো না বেসে তাদের হত্যাকারীদের ভালোবাসতে পারে! আমার মনে আছে, আমি বহুকাল পরে যখন প্রথম এই দেশে ফিরে এসেছিলাম, তখন ইসলামী ছাত্রশিবিরের একটা মিছিল দেখে একধরনের অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাদের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। তখন লক্ষ করেছিলাম, একজন ছাত্র তার হাতের ফাইল দিয়ে নিজের মুখটি ঢেকে রেখেছে, যেন আমি তার মুখটা দেখতে না পারি। আমার সামনে এই পরিচয় দিতে তার লজ্জা কিন্তু এই মিছিল থেকে তার বের হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা নেই—এর চেয়ে দুঃখের ব্যাপার আর কী হতে পারে?
একজন ছাত্র কেমন করে শিবির করে, তার একটি উত্তর অবশ্য আমি একবার খুঁজে পেয়েছিলাম। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র একবার আমাকে একটি এসএমএস করে জানিয়েছিল যে সে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, খুব ভালো ছাত্র এবং তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার খুব ইচ্ছে। তার বিভাগীয় প্রধান জামায়াতে ইসলামীর লোক এবং তাকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সে যদি শিবির না করে, তাহলে তাকে শিক্ষক হতে দেওয়া হবে না। সে জন্য সে শিবিরে যোগ দিয়েছে এবং এটি নিয়ে তার কোনো অহংকার নেই। সেই এসএমএসটিতে আমি একজন মেরুদণ্ডহীন অসহায় হতভাগা মানুষকে আবিষ্কার করেছিলাম। তার জন্য কোনো মমতা নয়, আমি করুণা অনুভব করেছিলাম। আমি ইচ্ছে করলেই সেই ছাত্রটিকে খুঁজে বের করতে পারতাম, তার নীতিহীন বিভাগীয় প্রধানের পরিচয় জানতে পারতাম কিন্তু আমি তার কিছুই করিনি—আমার রুচি হয়নি।
আমার মাঝেমধ্যে জানার ইচ্ছে করে, এ ধরনের কারণে কতজন তরুণ শিবিরে যোগ দিয়েছে—কোনো স্বপ্ন নয়, কোনো আদর্শ নয়, শুধু স্বার্থ, শুধু চাওয়া-পাওয়া। মাঝেমধ্যেই পত্রপত্রিকায় দেখতে পাই, জামায়াতে ইসলামীর নাকি অনেক অর্থবিত্ত, তাদের অনেক ধরনের ব্যবসা। এই দলে যোগ দিলে নাকি তাদের প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা হল দখল করে রাখে, তাদের দল করলে সেই হলে সিট পাওয়া যায়। তারা কলেজ দখল করে রাখে, তাদের দল করলে সেই কলেজে ভর্তি হওয়া যায়। পত্রপত্রিকায় দেখি, পরিচিতদের কাছে শুনি, তাদের দল নাকি অত্যন্ত সংগঠিত। আদর্শ ছাড়া কিংবা ভুল আদর্শের সংগঠন কি খুব বেশি দিন টিকে থাকতে পারে? দীর্ঘদিন মিলিটারির শাসনে থাকার কারণে মানুষ যখন বিভ্রান্ত ছিল, তখন এই দেশে জামায়াতে ইসলামীরা ইলেকশনে ৩০টার মতো সিট পেয়েছিল। (কী লজ্জা!) যখন দেশের মানুষ গণতন্ত্রের ছোঁয়া পেতে শুরু করেছে, একটু বুঝতে শুরু করেছে তখন তাদের সিটের সংখ্যা এক-দুইয়ে নেমে এসেছিল। উপায় না দেখে তখন তারা বিএনপির ঘাড়ে চড়ে বসেছে, আবার তারা গোটা ত্রিশেক সিট পেয়েছে, মন্ত্রী পর্যন্ত হয়েছে। দেশের মানুষ যখন আবার সজাগ হয়েছে, তখন সিটের সংখ্যা আবার এক-দুইয়ে নেমে এসেছে। এখন তারা কার ঘাড়ে উঠবে। এই দেশে যদি নির্বাচন করেই শুধু ক্ষমতায় যাওয়া যায়, তাহলে তাদের জন্য কোন পথটুকু খোলা আছে। আমার খুব আশা ছিল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে দেশের মানুষের এত আগ্রহ, এত উত্তেজনা দেখে বিএনপি হয়তো যুদ্ধাপরাধীদের এই দলটিকে পরিত্যাগ করবে—তারা করেনি। আমি খুব আশাহত হয়েছি কিন্তু তাদের ছাত্রসংগঠন আমাকে আশাহত করেনি। তারা শিবিরের সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি হয়নি।
আমি রাজনীতি ভালো বুঝি না, আমার রাজনৈতিক বিশ্লেষণ কারও গুরুত্ব দিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমি একটা বিষয় খুব ভালো করে জানি, এই দেশে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে আর কেউ কোনো দিন রাজনীতি করতে পারবে না। পঁচাত্তর থেকে নব্বইয়ের সেই কালো সময় আমরা পার হয়ে এসেছি, আর কেউ কখনো এই দেশের মানুষকে সেই অন্ধকার জগতে ঠেলে পাঠাতে পারবে না। কাজেই যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে কেউ সুবিধে করতে পারবে না, বরং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের বিচার করে এই গ্লানিময় অধ্যায়কে চিরদিনের মতো সমাপ্ত করে দিতে হবে।
৩.
আমার এই লেখাটি তোমরা যারা শিবির করো, তাদের জন্য। আমি জানি, এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন একটি কাজ—আমার এই লেখাটি তোমাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলবে না এবং তোমরা যারা পড়ছ তারা আমার এই লেখায় বিভিন্ন অংশের বিরুদ্ধে এর মধ্যে নানা ধরনের যুক্তি দাঁড় করিয়েছ। শুধু তা-ই নয়, তোমাদের প্রিয় জায়গা—ইন্টারনেটে সম্ভবত এই লেখার বিরুদ্ধে বিশাল একটা প্রচারণা শুরু হবে। কিন্তু তবু আমার মনে হয়েছে, আমার এই কাজটুকু করা উচিত, তোমাদের কখনো যে সত্য কথাগুলো বলা হয়নি, আমার সেটা বলা উচিত।
তোমাদের কাছে আমার প্রথম যে প্রশ্ন সেটি হচ্ছে, তোমরা কি জানো আবুল আলা মওদুদী নামে যে মানুষটির চিন্তাধারার ওপর নির্ভর করে জামায়াতে ইসলামী নামে রাজনৈতিক দলটি গড়ে উঠেছে, সেই মানুষটিকে মানুষ হত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল (যদিও সেটি শেষ পর্যন্ত কার্যকর করা হয়নি)। তোমরা কি জানো জামায়াতে ইসলামী ইসলাম প্রচারের দল নয়, এটি রাজনৈতিক দল এবং এটি সব সময় ভুল রাজনীতি করে এসেছে? এই উপমহাদেশে যখন ব্রিটিশদের বিদেয় করে পাকিস্তান সৃষ্টি করার আন্দোলন হয়েছে, তখন তারা সেই আন্দোলনের বিরোধিতা করেছে। আবার যখন এই দেশে পাকিস্তান নামের দানবকে পরাস্ত করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, তখন তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে গিয়ে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছে? এখন যখন মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধ করে থাকা দেশদ্রোহীদের বিচার করা হচ্ছে, তখন আবার জামায়াতে ইসলামী সেই সত্যকে অস্বীকার করে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়েছে—সেটি ঘটেছে তোমাদের চোখের সামনে এবং তোমরা খুব ভালো করে জানো, সেখানে তোমাদের হূদয়হীনভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
আমার ধারণা, তোমরা যারা শিবির করো, তারা সম্ভবত কখনোই খোলা মন নিয়ে এই দেশের ইতিহাস সম্পর্কে বাইরের কারও সঙ্গে কথা বলো না। তোমরা সব সময়ই নিজেদের সঙ্গে নিজেরা কথা বলো, একে অন্যকে উৎসাহ দাও, একে অন্যের ওপর নির্ভর করো কিন্তু তোমাদের দলের বাইরের মানুষেরা তোমাদের সম্পর্কে কী ভাবে, কখনোই তার খোঁজ নাওনি। যদি খোঁজ নিতে, তাহলে হয়তো তোমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা ছবি দেখতে পেতে। তোমরা সবিস্ময়ে আবিষ্কার করতে, তোমাদের যেভাবে যা কিছু শেখানো হয়েছে, তার সবকিছু সত্যি নয়। তোমরা নিশ্চয়ই লক্ষ করেছ, এই দেশের অজস্র সংবাদপত্র, টেলিভিশন চ্যানেলের মধ্যে তোমাদের দলের দু-একটি পত্রিকা বা টেলিভিশন চ্যানেল ছাড়া অন্য কোথাও তোমাদের সম্পর্কে একটিও ভালো কথা ছাপা হয় না। কিছুদিন থেকে গাড়ি ভাঙচুর বা পুলিশকে আক্রমণ করার যে নতুন কর্মকাণ্ড শুরু করেছ, সেটি করে তোমরা যে নিজেরাই বিপদগ্রস্ত হতে শুরু করেছ, সেটা কি লক্ষ করেছ? আজ রাতেই আমি খবরে জানতে পারলাম, সাধারণ মানুষ তোমাদের ধাওয়া করছে, তোমাদের আক্রমণ করছে। আমি মোটামুটি নিশ্চিত, এটি ধীরে ধীরে আরও বাড়তে থাকবে। তোমরা নিজেদের জন্য যে জীবন বেছে নিয়েছ, তার মধ্যে কি বিন্দুমাত্র মর্যাদা আছে? আত্মতুষ্টি আছে?
আজ থেকে কয়েক যুগ আগেও এই পৃথিবী যে রকম ছিল, এখন সেই পৃথিবী নেই। এই পৃথিবী অনেক পাল্টে গেছে। নতুন পৃথিবী তালেবান বা লস্কর-ই-তাইয়েবার পৃথিবী নয়। জামায়াতে ইসলামী বা শিবসেনার পৃথিবীও নয়। নতুন পৃথিবী হচ্ছে মুক্তচিন্তার পুরোপুরি অসাম্প্রদায়িক একটা পৃথিবী। এই নতুন পৃথিবীর মানুষেরা অসাধারণ, তারা একে অন্যের ধর্মকে সম্মান করতে শিখেছে, একে অন্যের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে উপভোগ করতে শিখেছে, একে অন্যের চিন্তাকে মূল্য দিতে শিখেছে। এই নতুন পৃথিবীতে মানুষে মানুষে কোনো বিভাজন নেই। দেশ-জাতির সীমারেখা পর্যন্ত ধীরে ধীরে উঠে যাচ্ছে।
তাই এই নতুন পৃথিবীতে যখন কেউ ধর্ম দিয়ে মানুষকে বিভাজন করে রাজনীতি করতে চায়, পৃথিবীর মানুষ তখন তাকে পরিত্যাগ করে। জামায়াতে ইসলামীর মতো বা শিবসেনার মতো রাজনৈতিক দল তাই হচ্ছে বাতিল হয়ে যাওয়া রাজনৈতিক দল—নতুন পৃথিবীতে এই দলগুলোর কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
আমি জানি, যদিও আমি এই লেখাটি লিখেছি যারা শিবির করে তাদের উদ্দেশে কিন্তু তারা আসলে আমার একটি কথাও বিশ্বাস করবে না। যদি বিশ্বাস করেও ফেলে, তার পরও তাদের কিছু করার থাকবে না। এ ধরনের রাজনৈতিক দল যখন তৈরি করা হয়, তখন অনেক লোভ দেখিয়ে দলে টানা হয়। কিন্তু দলে যোগ দিয়ে যদি মোহভঙ্গও হয়, তবু তারা আর দল থেকে বের হতে পারে না। অভিশপ্ত প্রেতাত্মার মতো এক অন্যকে আঁকড়ে ধরে টিকে থাকতে হয়।
যারা এখনো শিবিরে যোগ দেয়নি, তারা হয়তো এই লেখাটি পড়ে একটুখানি ভাববে। যখন তাকে এই দলে যোগ দেওয়ার কথা বলবে, হয়তো তারা একটিবার চিন্তা করবে, আমাদের এই ভালোবাসার দেশটিকে যারা টুঁটি চেপে হত্যা করতে চেয়েছিল, আমি কেন সেই দলে যোগ দেব? দেশকে যখন ভালোবাসার কথা, তখন কেন আমি দেশের সঙ্গে বেইমানি করব?
মাতৃভূমিকে ভালোবাসার তীব্র আনন্দ যারা উপভোগ করেনি, যারা ভবিষ্যতেও কোনো দিন অনুভব করতে পারবে না, আমি সেসব হতভাগ্য মানুষের জন্য গভীর করুণা অনুভব করি।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল: লেখক। অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।







Antu
২০১২.১২.০৭ ০২:৩৭Hrishi
২০১২.১২.০৭ ০২:৪৩Nazmus Sakib
২০১২.১২.০৭ ০২:৪৪Monjur Hossain
২০১২.১২.০৭ ০২:৫০পাভেল
২০১২.১২.০৭ ০২:৫৬M Selim Reza
২০১২.১২.০৭ ০২:৫৬nishat
২০১২.১২.০৭ ০২:৫৮Kawsar Zaman
২০১২.১২.০৭ ০৩:০০porobashi
২০১২.১২.০৭ ০৩:১৪Adnan Azad
২০১২.১২.০৭ ০৩:২০Ashiquzzaman
২০১২.১২.০৭ ০৩:২১Isharul Habib
২০১২.১২.০৭ ০৩:২১.
m a islam
২০১২.১২.০৭ ০৩:২১
২০১২.১২.০৭ ০৩:২৪
২০১২.১২.০৭ ০৩:৩৩পরিশেষে আমার মনে হয় স্যার, আপনি যদি সেই দিন আপনাকে এসএমএস করা ঐ ছাত্রটিকে একটু বুঝিয়ে একটা রিপ্লাই দিতেন, হয়তো তার জীবনটাও বদলে যেতো।
Jashim
২০১২.১২.০৭ ০৩:৫৬Enamul Hafiz Latifee
২০১২.১২.০৭ ০৪:১৬Mashiur Rahman
২০১২.১২.০৭ ০৪:৪৯Mohammed hasan
২০১২.১২.০৭ ০৪:৫০Tania
২০১২.১২.০৭ ০৫:১১এই জন্যই আপনাকে এতো বেশি শ্রদ্ধা করি।
Alam M | UK
২০১২.১২.০৭ ০৫:৪৬Amitabh Barua
২০১২.১২.০৭ ০৬:০৩মোঃ আবুল হায়াত
২০১২.১২.০৭ ০৬:২৮Zahid
২০১২.১২.০৭ ০৬:৩৪Amit Barua
২০১২.১২.০৭ ০৬:৫৮rocky
২০১২.১২.০৭ ০৭:২৫Muradul Islam
২০১২.১২.০৭ ০৭:২৬Mohammed Uddin
২০১২.১২.০৭ ০৭:৩৪Humaira
২০১২.১২.০৭ ০৭:৪৩Mofassel Uddin Ahmed
২০১২.১২.০৭ ০৭:৫০শিবির এর সদস হতে হলে অনেকগুলা এক্ষম পাস করতে হয় অনেক বই পড়তে হয় , এই বইগুলা পরে ওদের ব্রেন 90% ওয়াশ হয়ে যায়. ওদের ক ডিবেটিং শিখানো হয়, মার্শাল আর্ট শিখানো হয়, প্রেসেন্তিং স্কিল শিখানো হয় . সব ই খুব সুচারু রূপে করা হয় যাতে স্টুডেন্ট রা এগুলু তাদের career এর জন্য ভালো মনে করে.
আমি যখন ফার্স্ট year অ ভালো result করলাম আমাকে এক বড় ভাই কার্জোন হল অ নাটোরের কাচাগোল্লা খাব্য়ার আমত্রণ দিলেন, গেলাম গিয়ে দেখি সাইন্স faculty এর সব dept এর সব টপ studentder দাবত দেয়া হয়েছে সেখানে ওই বড় ভাই সব স্টুডেন্ট দের পরোক্ষ ভাবে শিবির এ যোগ দেয়ার দাওয়াত দিয়েছিলেন . আমি জানি না আমার বন্ধুদের মধ্যে কে কে পরে যোগ দিয়েছিল. শিবির এর ভাবে ই কাজ করে. দেশের মিডিয়া তে, ইউনিভার্সিটি গুলা তে, ব্যাঙ্ক এ, ডিফেন্স এ , BCS cadre এ উল্লেকযোগ্য সংখ্যক শিবির জমায়েত আছে , এরা নতুনদের নিযোগ এ যান প্রাণ দিয়ে হেল্প করে, শিবির জমায়েত এর অনেক স্কুল আছে, কলেজ আছে, university আছে , ইন্ডাস্ট্রি আছে ওরা আজ যথেষ্ট সাবলম্বী , দেশের হেল্প ওদের দরকার নাই .
আমি বর্তমানে USA এর একটা টপ ইউনিভার্সিটি তে পিএইচডি করতেছি. আপনি আমার কাছে কাছে আইডল এর মত যার কারণে Semester এর এই সময় এ ও কমেন্ট করার লোভ সামলাতে পারি নাই. আর একটা কথা , এই USA তেও শিবির এর নোংরা পদচরণ আমি লক্ষ্য করেছি, আপনি কি ইটা কখনো খেয়াল করেছেন?
@@ লেখক, আপনি বা দেশের আরো যারা বিগ্গ্যজন আছেন , তাদের ক আমি মোটমুটি গুরান্তী দিয়ে বলতে পারি জ মুক্তিযুদ্দের কথা বলে আজ র শিবির ক দমানো যাবে না, বরং শিবির করা কেন খারাপ, তাদের কথা র কাজের পার্থক্য বুজাতে হবে, কিভাবে মানুসের মানসিকতা ক অন্দকার জগতে ফেলে দিচ্ছে সেটা বুজাতে হবে, তাদের ক আলোর পথ দেক্তাতে হবে, আলোর পথ কেমন কতটা সুন্দর সেটা বুজানোর রেস্পন্সিবিলিটি আপনাদের ই নিতে হবে,
mehedi hashan
২০১২.১২.০৭ ০৮:২০Ahsan
২০১২.১২.০৭ ০৮:২২Salekin
২০১২.১২.০৭ ০৮:২৮ধন্যবাদ জাফর ইকবাল সাহেব !
উপরের কথাটি আওয়ামী লীগ, বি এন পি এবং আর যত খুচরো দলের নেতাদের জন্যও লাগসই ।

২০১২.১২.০৭ ০৮:২৮S. M. Abdul Haque
২০১২.১২.০৭ ০৮:২৮Maruf Hassan
২০১২.১২.০৭ ০৮:৩৬Tajerul islam sadhin
২০১২.১২.০৭ ০৮:৪০Rana Hasan
২০১২.১২.০৭ ০৮:৪১Dr. Munna
২০১২.১২.০৭ ০৮:৫৪Md. Mosharrof Hossain
২০১২.১২.০৭ ০৯:১১স্যার আপনিই তো স্বীকার করলেন এরা এদের গন্ডীর বাইরের কারো সাথে মিশে না বা মিশতে চায় না। এই কথা যদি আপনি বা আপনারা সত্যিই মনে করেন তাহলে আপনারা নিজে থেকে এগিয়ে আসেন না কেন? আপনি বা আপনারা একটু ভালবাসার সাথে ডাকেন এদের দেখেন কি হয়?
Sheikh Rafiq
২০১২.১২.০৭ ০৯:১৯Thank u Sir.
Md. Tajul Islam
২০১২.১২.০৭ ০৯:১৯Moreover, It's my urge to you, Please Please Please carry on Sir.
May Allah Bless you and May you Live Long.Once again I SALUTE JAFAR IQBAL SIR.
mahfuza bulbul
২০১২.১২.০৭ ০৯:২৮Ashiq Shadid
২০১২.১২.০৭ ০৯:৪৭মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #
২০১২.১২.০৭ ০৯:৫১আপনার লেখাটা পড়ে একই সাথে ভালো ও খারাপ দু'টোই লাগলো। ভালো লাগলো এ কারণে যে, আপনি মুক্তিযুদ্ধ সম্বন্ধে যথেষ্ট আবেগ-মথিত বিষয় এখানে উল্লেখ করেছেন, যা আমাদের ভাবালুতায় আচ্ছন্ন করে। কিন্তু এখানে আমার একটা প্রশ্ন, মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, সে জামায়াতই বলি, আর রাজাকার-আলবদর-আলশামস-শান্তিকমিটিই বলি, তা শতকরা কতজন ছিল ? অবশ্যই উত্তর হবে, ২-৩ % -এর বেশী নয় ? আর বাকী সব ছিল স্বাধীনতার পক্ষশক্তি। কিন্তু আমাদের কার্যকারণে এমন কি গলদ ছিল যে, মাত্র চল্লিশ বছরে ঐ ২-৩ %-ই বেড়ে এখন একটা মহীরূহ / বিষবৃক্ষ হয়ে দেখা দিয়েছে ? তাহ'লে কি স্বাধীনতার পক্ষশক্তি হিসেবে যারা দেশ শাসন করে আসছিল, তারা জনমানুষের মনের কথাটা-আবেগটাকে উপযুক্ত মূল্যায়ন করেনি ? তাদের কার্যকারণে কি জনমানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ ছিল না, যার কারণে জনমানুষ তাদের দিক থেকে আস্তে আস্তে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ? এবং এ সুযোগটাই কি স্বাধীনতার বিপক্ষশক্তি-বলয় গ্রহণ করেছে ?
আর খারাপ লাগলো এ-কারণে যে, আপনি বিএনপির জামায়াতকে কাছে টেনে নেয়ার ভুলের যে কথাটা উল্লেখ করেছেন, তার সাথে আমি কেন অনেকেই একমত হবে, কিন্তু আগের বারে বিএনপি জনমানুষের আপত্তির কারণে জামায়াতকে ত্যাগ করার পর, সেই জামায়াত ও এককালের স্বৈরাচার এরশাদের সাথে আওয়ামী লীগ মাখামাখি করে কি `একই সমতলে' নেমে যায়নি ? তাছাড়া তাদের দেশ শাসনের বর্তমান যা পরিস্থিতি, তা অতীতের খারাবীর সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বগ্রাসী রূপ পরিগ্রহ করেছে। আর ছাত্রশিবির যে কাজ করছে, তা ধিকৃত মানলাম, কিন্তু স্বাধীনতার পক্ষশক্তি আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগইবা কি করছে ? ঘৃণিত এমন কোন কাজটা আছে, যেটা তারা করছে না, এমনকি নিজ সংগঠনের ছাত্রভাইদের হত্যা পর্যন্ত তারা করছে, যা ছাত্রশিবির কখনোই করেনি। আমরা আমজনতা বাস্তববাদী ; আর আমরা কিন্তু মোটা দাগের এ-বিষয়গুলো দেখেই করণীয় নির্ধারণ করে থাকি, অনেক সুক্ষ্মাতিসুক্ষ্ম বিষয় যা আপনারা বোঝেন, ও-গুলোর ধার আমরা আসলে ধারি না।
Mohammad Shah Alam
২০১২.১২.০৭ ০৯:৫৬Anirban Sanyal
২০১২.১২.০৭ ০৯:৫৭শামস্ রহমান
২০১২.১২.০৭ ০৯:৫৮Fahia Chowdhury
২০১২.১২.০৭ ১০:০২হেলাল উদ্দিন
২০১২.১২.০৭ ১০:১৩Shojib
২০১২.১২.০৭ ১০:২১MD Rezaul Karim
২০১২.১২.০৭ ১০:২৩I would like to thank you for your good writing. But at the same time I would say you are a double standard. We do know very well that you are a blind supporter of Awami League. I wonder when there is a huge news of capturing 70 lack taka from Surunjit's APS car, when Padma bridge construction is stopped because of present Govt's shameless corruption, I never saw your voice raised on those issues. As a representative of the young generation, to me it looks like the same guilty of a Jamaat leader, who did the war crime and the corrupted politicians, who are destroying the country. So, please raise your voice against corruption as well. Otherwise no matter we give sentence to death of those Jamaat leaders, the country will not do any progress. We want to see a developed, corruption free Bangladesh. Hope prothom alo will publish this. Dr. Rezaul Karim, Japan
Md. Shams Adnan
২০১২.১২.০৭ ১০:২৪Azad
২০১২.১২.০৭ ১০:২৪Hasan
২০১২.১২.০৭ ১০:২৮Sohrab Hossain
২০১২.১২.০৭ ১০:৩০আপনারা যারা জাতির মডেল, তারা কি সুধু একচোখা ই থাকবেন?
Mizan
২০১২.১২.০৭ ১০:৩৫We want to know more about their sin.. . help us.
................................................................................
They are more meritorious then you..!!!!
amjad khan
২০১২.১২.০৭ ১০:৩৬Azad Abul Kalam
২০১২.১২.০৭ ১০:৩৯১. খুব ভাল হয় যদি আপনি 'তোমরা যারা ছাত্রলীগ কর' নামে একটি লেখা উপহার দেন। এ মুহুর্তে শিবিরের চেয়ে ছাত্রলীগারদের হেদায়েত বেশি দরকার।
shuvo
২০১২.১২.০৭ ১০:৩৯Areful Islam Shiblu
২০১২.১২.০৭ ১০:৪০Shamsul Alam
২০১২.১২.০৭ ১০:৪৮কাউসার রুশো
২০১২.১২.০৭ ১০:৪৯Shahadat
২০১২.১২.০৭ ১০:৫২(2) I will be happier if Professor Jafar Iqbal can establish a world known research centre in Shahjalal University (I strongly believe he has that wisdom, talent, experience and calibre) in his research area. One cannot do everything and there are designated persons to do specific jobs. As an intellectual researcher, I do expect more contribution from Dr Iqbal in terms of innovation and novelty for knowledge creation. Obviously, to aware country people is a noble contribution. But for a person like Prof Iqbal, it should not be the primary aim. I do expect more to find Prof Iqbal’s name in the news headlines because of his research contribution and innovation. I know that Prothom-alo higly focuses this kind of activities (e.g. invention related to Jute).
(3) Please do not take this opinion in other ways (to readers and Prof Iqbal). I have profound respect to Prof Iqbal. In fact, I am fan of his science fiction writing. I wish to be his fan in terms of his research contribution and innovation. I appreciated him for one of his Prothom-alo articles regarding how to improve the research environment in BD. In that writing he also proposed some guidelines. After that, I thought that he will do something in this regards for BD. But did not see anything- may be I missed them.
Rakib
২০১২.১২.০৭ ১০:৫৩srabonti
২০১২.১২.০৭ ১০:৫৫কিন্তু অন্তরে আরো বিধবে সেদিন যেদিন লিখবেন
ছাএলীগের
সন্ত্রাস,চাদাবািজ্ি,ইভটিজ্ , ,অপহর্ন , গুম্ লোটপাট , নিরযাতন , এর কথাগুলি ।
Mohammed
২০১২.১২.০৭ ১০:৫৫G U Haider
২০১২.১২.০৭ ১১:০০Nipun Roy
২০১২.১২.০৭ ১১:০২Engr. Md. Nur Nobi
২০১২.১২.০৭ ১১:০৪habibullah tuhin
২০১২.১২.০৭ ১১:০৭jasim uddin
২০১২.১২.০৭ ১১:১১M.A.H. Tofail Mahmud
২০১২.১২.০৭ ১১:১১যেমন: এখনও অনেক প্রগতিশীল লেখকরা জামাতের পত্র-পত্রিকায় লেখে, টিভিতে নাটক পাঠায়, শিবিরের শিশু পত্রিকায়ও অনেকে লেখার লোভ সামলাতে পারে না।
তারা অর্থের কাছে নীতি বিসর্জন দেয় কেন?
asadullah
২০১২.১২.০৭ ১১:১৯Tushi Maream
২০১২.১২.০৭ ১১:৩১A Kabir
২০১২.১২.০৭ ১১:৩২গোলাম সারওয়ার
২০১২.১২.০৭ ১১:৩৬Ronnie Chowdhury
২০১২.১২.০৭ ১১:৩৬তোমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসো- সবাই খুব মেধাবী। সহজ সরল বাবা-মার আশা-আকাঙ্খা পূরনের জন্যই রাতদিন পড়াশোনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হউ। তারপর যারা ছাত্ররাজনীতে জড়িয়ে পড়ো তারা কি কথনো ভেবে দেখ এর ভবিষং কি ? আইবুড়ো হয়ে বছরের পর বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরে থাকা অথবা নিজ দলের কাউকে আহত করা অথবা নিজে আহত হয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকার সময় নেতারা বিভিন্ন আদর্শের কথা বলে । একবার ভেবে দেথ কি তাদের কার্যক্রম আদৌ সেই আদর্শের সাথে মিল আছে কিনা। সহপাঠীদের রগ কাটা কি ধর্মীয় আদর্শ ? সহপাঠীকে হলের ছাদ থেকে ফেলে দেয়া কি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ? বুলেটের আঘাতে সহপাঠীর বুক ঝাঝরা করা কি বাঙালী বা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদীর আদর্শ ? সবই ভূল। শিক্ষককে আদর্শ বানাবে ? তারা রাজনীতে নিমজ্জিত। পড়াশোনা আর গবেষনা হোক তোমাদের একমাত্র আদর্শ। তোমার সহজ সরল বাবা-মা হোক তোমাদের একমাত্র আদর্শ।
Tushi Maream
২০১২.১২.০৭ ১১:৪৪Mohammad Mahfujur Rahman
২০১২.১২.০৭ ১১:৪৬Sheikh Ali Uzzaman
২০১২.১২.০৭ ১১:৪৭আশরাফ
২০১২.১২.০৭ ১১:৪৯Tajbiha_Rony
২০১২.১২.০৭ ১১:৪৯Rajib Hawlader
২০১২.১২.০৭ ১১:৫১Md Ashraful Haque
২০১২.১২.০৭ ১১:৫১যে কাজ করছে, তা ধিকৃত
মানলাম, কিন্তু স্বাধীনতার
পক্ষশক্তি আওয়ামী লীগের
অঙ্গসংগঠন
ছাত্রলীগইবা কি করছে ? ঘৃণিত
এমন কোন কাজটা আছে,
যেটা তারা করছে না,
এমনকি নিজ সংগঠনের
ছাত্রভাইদের হত্যা পর্যন্ত
তারা করছে, যা ছাত্রশিবির
কখনোই করেনি।
Abdullah Al Zubayer
২০১২.১২.০৭ ১১:৫৩আমারা বড় হয়েছি স্যার। আপনার চোখে আমরা পৃথিবী দেখি না। আমরা আমাদের চোখে পৃথিবী দেখি। আমরা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, আপনাদের কাছ থেকে শুনেছি। আমরা দেশপ্রেমের সংজ্ঞা, দেশি-বিদেশিদের কাছ থেকে শিখেছি।
আপনার আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ আমাদের সামনে দেশপ্রেমের কোন দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করতে পারেনি। আমরা দেখেছি কিভাবে মুক্তিযুদ্ধকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হয়, পুলিশ প্রশাসন কিভাবে দলীয় কাজ করে, ক্যাম্পাসে দেখেছি হরিলুট আর ধর্ষনের রাম-রাজত্ত্ব।
পক্ষান্তরে, শিবির এর সম্পূর্ন বিপরীত। তাদের লক্ষ্য কি, সেটা অনেক পরের বিষয়। তাদের আচরণ, তাদের যোগ্যতা, যে কাউকে আর্কষণ করবে।
তাই স্যারকে অনুরোধ করবো, শিবির সম্বন্ধে না লিখে, স্যার আপনার প্রিয় দলকে সংশোধন করুন। এখনো আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের এক বৃহত্তম দল। একমাত্র জনগনের উপকারের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের জয় সম্ভব। অন্য কোন উপায় নেই স্যার।
ধন্যবাদ স্যার।
mukarram
২০১২.১২.০৭ ১১:৫৭মোঃ শহীদুল্লাহ
২০১২.১২.০৭ ১১:৫৭Kiron Ahmed
২০১২.১২.০৭ ১১:৫৯saidul Haque
২০১২.১২.০৭ ১২:০৩Farid Zaglu
২০১২.১২.০৭ ১২:১০ওমর ফারুক
২০১২.১২.০৭ ১২:১৬Asma Binte Rafiq (From Oman)
২০১২.১২.০৭ ১২:১৬স্যার আপনিই তো স্বীকার করলেন এরা আপনার কাছেগিয়েছিল বই নিয়ে কুন রাম-দা নিয়ে নয় কিন্তু আপনি তাদেরকে রাসতা থেকেই তাড়াই দিলেন ??? এতে কি হল এই তরুন ছেলে গুলু আপানার সাজেশন ও উপদেশ থেকে বাদ পড়ল !!! স্যার আপনার মত গুরুজনরা যদি হিন-মন্তার উপরে উটতে না পারেন তাহলে আপনি কেমনে শিবিরের কাছথেকে এত উদারতা আশা করেন ????স্যার আপনিই তো স্বীকার করলেন এরা এদের গন্ডীর বাইরের কারো সাথে মিশে না বা মিশতে চায় না। এই কথা যদি আপনি বা আপনারা সত্যিই মনে করেন তাহলে আপনারা নিজে থেকে এগিয়ে আসেন না কেন?
Shuman
২০১২.১২.০৭ ১২:১৭Rajib
২০১২.১২.০৭ ১২:২১M. Mahboob Hossain
২০১২.১২.০৭ ১২:২২shafkat
২০১২.১২.০৭ ১২:২৯and do something confidently without any hesitation for our country...we want a safe & nice country so that we don't need to go abroad forever...now a days our skill population don't want stay in Bangladesh because of our corruption in politics & everywhere...Thank you very much again SIR...May ALLAH bless you SIR...
Sajib
২০১২.১২.০৭ ১২:২৯Md. Anwar Hossain
২০১২.১২.০৭ ১২:৩০স্যার আপনাকে ধন্যবাদ এই সত্য কথাগুলো লেখনির মাধ্যমে প্রকাশ করার জন্য, আপনারা না লিখলে আমরা তরুণ প্রজন্ম কীভাবে জানব? সেই হায়েনাদের কথা, আবার সেই হায়েনাদের বাচানোর জন্য আরেকটি গোষ্ঠীর নিরন্তর প্রয়াস চলছে..ধিক্কার তাদের ।
mukta rahman
২০১২.১২.০৭ ১২:৩৫mohammad rayhan khan
২০১২.১২.০৭ ১২:৩৫Tonmoy Ahsan
২০১২.১২.০৭ ১২:৩৫অনেক সময় মনে হয় যে আদর্শের জয়গান করি তা কি খুব শক্তিশালী, একটি প্রমোশন, কিছু অর্থ, কিছু প্রলোভনের সামনে আমার আদর্শ টিকবে তো? আশা রাখি টিকবে কারণ আমার হিরোদের একজন মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। স্যার আপনার কারণেই আমরা সাহস পাই, আপনি একটি প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন। আপনি উদ্বুদ্ধ করছেন মাতৃভূমিকে ভালবাসতে, দেশদ্রোহী বিশ্বাসঘাতকদের ঘৃণা করতে, যারা এই মাতৃভূমির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। আপনি একজন তরুণকে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বে অনুপ্রাণিত হতে শেখান, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যাকারীদের দিকে এক দলা থুতু নিক্ষেপ করতে শেখান। আপনি আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখান দেশের বড় বড় লেখক, শিল্পী, ডাক্তার, বিজ্ঞানী, সাংবাদিককে নিয়ে। একুশে ফেব্রুয়ারিতে প্রভাতফেরি, ষোলোই ডিসেম্বরে স্মৃতিসৌধে ফুল দেওয়া, পয়লা বৈশাখে রাজপথে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়ার জন্য আপনি আমাদের উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন। আপনার কাছ থেকেই মুক্তচিন্তা শেখার, গান করার , নাটক করার কিংবা আদর্শ নিয়ে ভাবালুতায় ডুবে যাবার উৎসাহ পাই। স্যার আপনি দীর্ঘজীবী হউন আর আমাদের অনুপ্রেরণা দিয়ে যান। অনেক অনেক শুভ কামনা রইল স্যার।
Md. Niamul Haque Khan
২০১২.১২.০৭ ১২:৩৭mbu
২০১২.১২.০৭ ১২:৩৭চমত্কার লেখা ------------------
যে বয়সে ছেলে মেয়ে সহজে একে অপরকে ভালবাসবে আর যা মনে চায় করবে ???
সেই বয়সে তারা সেই অনুভূতিগুলোকে অশ্রদ্ধা করতে শেখে !!!
এসব ই শিক্ষা দিচ্ছেন মানুষকে ???
hasanat jahan bithi
২০১২.১২.০৭ ১২:৩৮Mim
২০১২.১২.০৭ ১২:৩৯Mizan
২০১২.১২.০৭ ১২:৪১Omar Faruk
২০১২.১২.০৭ ১২:৪২Hossain Asif
২০১২.১২.০৭ ১২:৪৩
২০১২.১২.০৭ ১২:৪৪
২০১২.১২.০৭ ১২:৪৫নির্জন
২০১২.১২.০৭ ১২:৪৭mithu
২০১২.১২.০৭ ১২:৪৭Martuza Ahamad
২০১২.১২.০৭ ১২:৫১kanon
২০১২.১২.০৭ ১২:৫৪সময় চাহিদা পুরুনের....!!!!
Murad Abdullah
২০১২.১২.০৭ ১২:৫৮Arup Debnath
২০১২.১২.০৭ ১৩:০৩মনিরুজ্জামান
২০১২.১২.০৭ ১৩:০৪রিহান্নুম রুবাইয়াত
২০১২.১২.০৭ ১৩:০৬তোমরা যারা ছাত্র রাজনীতি কর!
তোমরা যারা ছাত্রলীগ করো।
তোমরা যারা ছাত্র দল করো।
এমণ হেডলাইনেও আপনার লেখা চাই। অপরাজনীতির কুলাঙ্গারদের আমাদের দেশে থাকার কোনো অধিকার নেই।
mizan@sg
২০১২.১২.০৭ ১৩:১০Ahmed
২০১২.১২.০৭ ১৩:১২sawkat ali
২০১২.১২.০৭ ১৩:১২Babul
২০১২.১২.০৭ ১৩:২২md.selim
২০১২.১২.০৭ ১৩:২৩শওকত হাসান
২০১২.১২.০৭ ১৩:২৪মনিরুজ্জামান
২০১২.১২.০৭ ১৩:২৭Saiful hassan
২০১২.১২.০৭ ১৩:৩২mizan@sg
২০১২.১২.০৭ ১৩:৩৪Uttom Kumar Saha
২০১২.১২.০৭ ১৩:৩৮M A Ghani Sarker
২০১২.১২.০৭ ১৩:৪৬sujan
২০১২.১২.০৭ ১৩:৪৯nirjhar
২০১২.১২.০৭ ১৪:২৯Sohel S.parvez
২০১২.১২.০৭ ১৫:০৬akash ahmed
২০১২.১২.০৭ ১৫:০৭You better refresh your view brother.Existing parties are bad so you go for jamat, is not a solution.Because in this solution you trade your religion also, which is a bad idea.You have two path.You can either ignore the whole polities thing until appropriate time arrives.Or you can join in politics and start cleansing all odd that you find within this pathetic politics.I prefer you go for first route if you do not have enough courage.Trust me,jamat stand upon a false pillar.Oil of middle east is not going to help it forever.Soon it is gonna collapse.
আব্দুল্লাহ
২০১২.১২.০৭ ১৫:০৭Sidhdhartha
২০১২.১২.০৭ ১৫:০৯অপেক্ষায় থাকলাম
Rezaul
২০১২.১২.০৭ ১৫:০৯A.S.Fahim
২০১২.১২.০৭ ১৫:১০বিএনপি হয়ত ভোটের রাজনীতির জন্য জামাত কে ছাড়তে পারেনা, কিন্তু ছাত্রদল তাদেরকে ঘৃণা করে, তাইত তাদের নিয়ে জোওট বদ্ধ ছাত্র আন্দোলনে যেতে ইচ্ছুক নয়।
Biplob Roy Genis
২০১২.১২.০৭ ১৫:১২Mamun Mirza
২০১২.১২.০৭ ১৫:৩২jahangir
২০১২.১২.০৭ ১৫:৩৬TANVIR SHOWKAT
২০১২.১২.০৭ ১৫:৩৮লেখা আশা করছি।
Gazi Habib
২০১২.১২.০৭ ১৬:১৭Hasib
২০১২.১২.০৭ ১৬:২১যদি এতোই খারাপ হতো এই দলটি , তবে কেন এতো মেধাবী মুখ এই দলটিতে থাকবে! আর ছাত্রলীগের/ ছাত্রদলের মত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বসী দলে ভিড়ে না এসব ছাত্ররা! তবে কি আমাদের এ ভূল! যে আমরা সবার কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক কোন চেতনাই পোঁছাতে পারছি না!
আর পারার এ কথা না! কারন বিএনপি সরকার এলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস একরকম হয় আর আওয়ামিলীগ এলে হয় আরেক রকম! শিশুদের বই এ ও এর প্রভাব দৃশ্যমান! যেই সরকার আসবে মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস রচনা করার মহা দায়িত্ব বর্তায় তাদের উপর! তাহলে কি বলতে হয় না যে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও এখন রাজনীতি চলছে!
তাই আসুন স্যার মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সবার কাছে পৌছেঁ দেই! তখন শিবির/ছাত্রলীগ/ছাত্রদল থাকবে না! থাকবে শুধু দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ সব ছাত্র!
ধন্যবাদ এবং দু:খিত স্যার।
উনাকে একটি প্রশ্ন করতে চাই, টেন্ডার হাতিয়ে নেয়া কি দেশ প্রেমের মধ্যে পড়ে?
যে ছেলেটি টেন্ডার বাজি পছন্দ করে না, সে কার দলে যাবে?
Ashika Aynin
২০১২.১২.০৭ ১৬:৩৩Mahfuz Alam
২০১২.১২.০৭ ১৬:৪০Alam
২০১২.১২.০৭ ১৬:৪০M. Wazir Hossain
২০১২.১২.০৭ ১৬:৪৫Md.Saeed Al-Faisal
২০১২.১২.০৭ ১৬:৪৭I agree with you.
Mohiuddin
২০১২.১২.০৭ ১৬:৪৮jamil ahmed
২০১২.১২.০৭ ১৬:৪৮M.M.H. Rubel
২০১২.১২.০৭ ১৬:৪৯চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত..
২০১২.১২.০৭ ১৭:০০al baruni
২০১২.১২.০৭ ১৭:০০Abdur Rouf
২০১২.১২.০৭ ১৭:০১ABDULLAH-AL-MAMUN
২০১২.১২.০৭ ১৭:০৮Rodeba Rodi
২০১২.১২.০৭ ১৭:১৩emon
২০১২.১২.০৭ ১৭:১৬সাঈদী,নিজামী ইসলামকে কলুষিত করেছে । এদের জন্য ইসলামের অবস্থা আমাদের দেশে হায়! হায়! অবস্থা ।
Jahidul Murad
২০১২.১২.০৭ ১৭:১৮
২০১২.১২.০৭ ১৭:২১Mominul Islam
২০১২.১২.০৭ ১৭:২৯Engr. Mamun
২০১২.১২.০৭ ১৭:৩৭M Miftah Ul Alam
২০১২.১২.০৭ ১৮:০৩Kutub Uddin Chowdhury
২০১২.১২.০৭ ১৮:১৪Nurnabi Khan
২০১২.১২.০৭ ১৮:২০Parvej Talukder
২০১২.১২.০৭ ১৮:২১tapan
২০১২.১২.০৭ ১৮:৪১BNP and AL should avoid this jamati from now on.
Time running ...
মোঃ বদরুদ্দোজা
২০১২.১২.০৭ ১৮:৪২উন্মত্ত ছাত্র শিবিরের সদস্যরা হয়ত ততটা গুরুত্ব দিবেনা কিন্তু তাতে কোন যায় আসেনা। তারা তাদের নেতাদের মিথ্যা প্ররোচনায় মহা ঘোরের মাঝে আছে। হয়ত একদিন সে ঘোর থেকে তারা মুক্তি পাবে! তারাতো না বুঝেই নিজেদের ক্ষতি করছে! তাঁদেরকে তাদের এভুলের প্রায়শ্চিত্ত ইহকাল ও পরকাল দু’জাগাতেই করতে হবে। এখন তারা বুঝুক কিভাবে তাদেরকে তাদের এই পাপকর্ম/অপকর্ম থেকে কিভাবে বাহির হয়ে আসতে হবে!
সময়োপযোগী একটি সত্য বিষয়ের লেখার জন্য আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ দেবার সাহস আমার নাই কিন্তু আপনাকে হাজারো লক্ষ কোটি সালামতো জানাতেই পারি। আপনার আরো লেখা পড়ার আশায় থাকলাম।
md mostafa kamal
২০১২.১২.০৭ ১৮:৫০Ashraf
২০১২.১২.০৭ ১৮:৫৪Md. Shamsuddoha Tapos
২০১২.১২.০৭ ১৮:৫৮Hillul
২০১২.১২.০৭ ১৯:০৭Abdur Rahman
২০১২.১২.০৭ ১৯:১৭Kamal Ahmed
২০১২.১২.০৭ ১৯:৩৮Fardeen Ferdous
২০১২.১২.০৭ ১৯:৪২দেশের সকল অন্ধকারে থাকা মানুষদের লেখাটি পড়ে অনুধাবন করা উচিত।
অাসলে তারা কোন গহ্বরে অাছে ।
সময় অাছে, ফিরে অাসুক অালোর পথে সেইসব বোধহীন অমানুষেরা।
akash ahmed
২০১২.১২.০৭ ১৯:৪২উত্তরঃ এক।জামাতের পূর্ব ইতিহাস ও জঘন্য ঐতিহ্য।
দুই।জামাত ইসলামকে ভালবাসে না বরং ইসলামকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটে।
তিন।জামাত ইসলামকে নিয়ে রাজনীতি করে।ইসলামকে নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের প্রায় সকলের হাতে রক্ত লেগে আছে।
চার।জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মউদুদির চিন্তাভাবনা বর্তমান সময়ে পরিত্যাজ্য।মউদুদি ছিল সুবিধাবাদী ইসলামিস্ট।সে নাৎসিবাদী ও ফ্যাসিবাদীতে বিশ্বাস করত।মউদুদির অনেক চিন্তাভাবনাকে আজকের অনেক ইসলামী চিন্তাবিদ পরিত্যাজ্য মনে করেন।
পাঁচ।জামাত গনতন্ত্র ও মুক্তচিন্তায় বিশ্বাস করে না।
ছয়।জামাত মউদুদিবাদকে বাঁচাতে মিথ্যা বলা,গণহত্যা,ধর্ষণসহ যেকোনো অপরাধকে সমর্থন করে।একাত্তর প্রমান।
সাত।জামাত জোরজুলুমের মাধ্যমে মউদুদির মতবাদ প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাস করে।
আট।জামাত দ্বিমুখী(মুনাফেকি) আচরন করে যা অন্য ধর্মগরিষ্ঠ(এই যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কিছুদিন আগেই তাদের কর্তৃক আচরন) রাষ্ট্রের সাথে তাদের ব্যবহারে প্রকাশ পায়।
এবার বলি কেন মানুষ জামাত শিবির করে।
এক।অর্থের জন্য
দুই।চাপে পড়ে
তিন।ব্রেইনওয়াশ হয়ে
চার।অন্যান্য দলের খারাপ কাজ ও ভণ্ডামি দেখে
পাঁচ।এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।এটা হল জ্ঞানের অভাব,তাই তাদের সহজেই ব্রেইনওয়াশ করা যায়।
এবার বলি জামাত শিবির কিভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় অর্থ পায়।
এক।মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এনজিও
দুই।ইসলামী ব্যাংককে ব্যবহার করে
তিন।কোচিং সেন্টার যেমন রেটিনা
ছাত্রলীগের কি কোন দায়বদ্ধতা নেই?কি করা উচিত ছাত্রলীগের?
এক।ক্লাসের ফার্স্ট-সেকেন্ডবয়দের টার্গেট করা উচিত এবং তাদের কাছে টানা উচিত ভালবাসার মাধ্যমে,জোর করে নয়।
দুই।ব্যবহারে নম্রতা,ভদ্রতা,সততা,চাঁদাবাজি বাদ দেয়া এগুলোর সিরিয়াস প্র্যাকটিস করতে হবে।
তিন।ধর্ম পালন করতে হবে ও অন্যান্যদের তা করতে উৎসাহিত করতে হবে।
চার।শিবির ও এই ধরনের ধর্মব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে মোকাবেলা করতে হবে।
পাঁচ।দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
ছয়।আওয়ামী লীগের অর্থের একটা ফাণ্ড ছাত্রলীগের জন্য রাখতে হবে যেন সেখান থেকে বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমূলক কাজ করা হয়।
সরকারের কি করা উচিত?
এক।মধ্যপ্রাচ্যের ওইসব এনজিও বন্ধ করে দিতে হবে
দুই।দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করতে হবে
তিন।কঠোর থেকে কঠোরতর হতে হবে জামাতের প্রতি
চার।মধ্যপ্রাচ্যের উপর থেকে নির্ভরশীলতা আস্তে আস্তে কমিয়ে আনতে হবে।জনশক্তিকে আরও শিক্ষিত করে সেটা আসিয়ান ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশে কাজে লাগাতে হবে
পাঁচ।ইসলামী ব্যাংক নিয়ন্ত্রনে নিতে হবে
ছয়।মুক্তিযুদ্ধ ও তার আদর্শ নিয়ে কোন আপোষ করা যাবে না
সাত।স্বৈরাচারকে ত্যাগ করতে হবে।
আট।জামাত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার দিকে ভালো করে নজর দিতে হবে
নয়।ধর্মনিরপেক্ষতা যে ধর্মহীনতা নয় সেটা কাজে প্রমান করতে হবে
দশ।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।সেটা হল সকল সেকুলার মুসলিমদের নিয়ে একটা সাধারন আন্দোলন করতে হবে।ধর্ম সম্পর্কে ভালো ও স্বাধীন একটা গবেষণা প্রতিষ্ঠান করতে হবে।http://en.wikipedia.org/wiki/Secular_Islam_Summit
আমি আশা করি এসব করা হলে শুধু আমাদের দেশই নয়,পৃথিবী থেকে মৌলবাদ ধ্বংস হবে এবং মানুষ শান্তিতে থাকবে।
Md. Shafiur Rahman
২০১২.১২.০৭ ১৯:৪৬Tahmina Nigar
২০১২.১২.০৭ ২০:২২asheq e rasul s
২০১২.১২.০৭ ২০:২৬Mizanur Rahman
২০১২.১২.০৭ ২০:২৯Mohamed S Rahman
২০১২.১২.০৭ ২০:২৯ওমর ফারুক
২০১২.১২.০৭ ২০:৫১অপেক্ষা করছি এই সিরিজের পরবর্তী কলাম " তোমরা যারা ছাত্রলীগ করো " এর জন্য।
Mohammad Tanvir Shahriar
২০১২.১২.০৭ ২০:৫২NURA ALAM TUSAR
২০১২.১২.০৭ ২০:৫৭We want to know more about their sin.. . help us.
Iftekhar Ahmed
২০১২.১২.০৭ ২১:২৩BK VIR
২০১২.১২.০৭ ২১:৩৪Nomaaan
২০১২.১২.০৭ ২১:৩৫kamal uddin
২০১২.১২.০৭ ২১:৫৩projjal kanti singha
২০১২.১২.০৭ ২২:১০masum
২০১২.১২.০৭ ২২:২১Md.Sharfaraz Hossain Shaikat
২০১২.১২.০৭ ২৩:০৩Tanvir
২০১২.১২.০৭ ২৩:১২Umama Putul
২০১২.১২.০৭ ২৩:১৭আব্দুল জব্বার
২০১২.১২.০৭ ২৩:২৫Muhammad Zakaria
২০১২.১২.০৭ ২৩:২৮MD. AFJAL HOSSAIN
২০১২.১২.০৭ ২৩:৩২Mahadi Hassan
২০১২.১২.০৭ ২৩:৪৬Anowar Hossain @Kuwait
২০১২.১২.০৭ ২৩:৫৭Md alim
২০১২.১২.০৮ ০০:০৩খুব ভাল লাগল। Thank you.
Mamun Mirza
২০১২.১২.০৮ ০০:০৫Abdullah Al Mahin
২০১২.১২.০৮ ০০:০৬তবে আজ আর তাদেরকে শুধু আবেগ বা শক্তি দিয়ে আটকানো যাবে না, গনতান্ত্রিক উপায়ে আটকাতে হবে। তাদেরকে আটকাতে হবে বিতর্কে, তাদের আটকাতে হবে যুক্তিতে। সেরকম কিছু করুন দয়া করে।
এ দেশের মানুষ ধর্মভীরু, আর আ.লীগ এবং বি.এন.পি এর রাজনৈতিক ব্যর্থতার জন্যই আজকের এই অশুভ শক্তি।
Munna
২০১২.১২.০৮ ০০:১০ওদের চোখ খোলা কিন্ত ওরা দেখে না বা দেখতে পারে না। ওদের মন খোলা কিন্ত বের হতে পারে না। ওরা চিন্তা করে কিন্তু খুব গভীরে যেতে পারে না। তার পরও আমি মনে করি ওদের বুঝ আসবে একদিন।
Pathik - R C
২০১২.১২.০৮ ০০:২৩Munna
২০১২.১২.০৮ ০০:২৮Rajiul Hasan
২০১২.১২.০৮ ০১:০৬তারা শুধুমাত্র ইসলামকে পুঁজি করে নিজেদের ফায়দা ওঠানোর চেষ্টা করে চলে নিরন্তর। তারা কোনক্রমেই ইসলামের মাঝে নেই, এবং কোনদিন ছিলই না। তারা শুধুমাত্র আমাদের মুসলমানদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই সদা প্রস্তুত।