এভাবে যেতে হলো এক ক্রিকেটারকে!
কুন্তল চন্দ (১৯৮৪-২০১২)
তাঁর একটা বিশেষ গুণ ছিল। ড্রেসিংরুম মাতিয়ে রাখতেন। সতীর্থদের সঙ্গে কখনো ঝগড়া হতে দেখেনি কেউ। সদা হাস্যময়, অমায়িক এক ক্রিকেটার ছিলেন কুন্তল চন্দ। বন্ধু ও কাছের মানুষ ডাকত পাপন বলে। হাসিখুশি এ তরুণটি আর নেই। সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেছেন না-ফেরার দেশে। আততায়ীর হাতে খুন হয়েছেন টাঙ্গাইলের এই তরুণ। গতকাল সকাল আটটার দিকে তুরাগের ধউর এলাকার বেড়িবাঁধ থেকে কুন্তলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ডানহাতি এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলেছেন। আশরাফুল-রাজিন-বিকাশদের সঙ্গে খেলেছেন শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ২০০০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। উইকেটের পেছনে তাঁর পারফরম্যান্স ছিল দারুণ। কিন্তু যোগ্য পৃষ্ঠপোষণা না পাওয়ায় প্রতিশ্রুতিকে দিতে পারেননি পরিণতি। জায়গা করে নিতে পারেননি জাতীয় দলে। জাতীয় ক্রিকেট লিগে খেলেছেন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের হয়ে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন কলাবাগান, আবাহনীর হয়ে। তবে সর্বশেষ তাঁর চুক্তি ছিল বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অবশ্য খুব বেশি সাফল্য পাননি। মাত্র ৩ ম্যাচ খেলে ৫ ইনিংসে করেছেন ১৩২ রান। সর্বোচ্চ ৭১। ফিল্ডার হিসেবে আলাদা খ্যাতি ছিল তাঁর। ক্যাচ ফসকেছেন কমই। কিন্তু ঘাতকের নির্মম থাবায় জীবনটাকেই হাত থেকে ফেলে দিতে হলো কুন্তলকে!








S. M. Abdul Haque
২০১২.১২.০৪ ০৫:০২
২০১২.১২.০৪ ০৮:০৭feroz
২০১২.১২.০৪ ১০:৩২md. masudur rahman
২০১২.১২.০৪ ১৪:৪২Nashid Qurishy
২০১২.১২.০৪ ১৪:৫৫Rasel Miah
২০১২.১২.০৪ ১৯:২০