পদ্মা সেতু প্রকল্প

দুদক ১০ জনকে দায়ী করতে পারে?

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-১২-২০১২

  • ৩১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রায় নিশ্চিত হয়েছে যে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র হয়েছে। কানাডার প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনকে কাজ পাইয়ে দিতে আর্থিক লেনদেন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে অর্থের লেনদেন হয়নি। এর আগেই আটকে যায় পদ্মা সেতুর কাজ।
দুদক এ জন্য ৮ থেকে ১০ জনকে দায়ী করতে পারে। এর মধ্যে এসএনসি-লাভালিনের তিনজন সাবেক কর্মকর্তাও রয়েছেন। এই তিনজন কানাডার নাগরিক। আর বাকি সাতজনের মধ্যে সাবেক মন্ত্রীসহ পদ্মা সেতু প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত চারজন সরকারি কর্মকর্তার নাম রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্য দুজন সড়ক ভবনের কর্মকর্তা।
সরকারের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এর মধ্যে কজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আজ মঙ্গলবার বা কাল বুধবার এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, দুদকের তদন্তে প্রায় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। দুদকের তদন্তে এসএনসি-লাভালিনের যে তিনজন সাবেক কর্মকর্তার নাম এসেছে, তাঁরা হলেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ শাহ ও একই বিভাগের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল। এর মধ্যে রমেশ শাহ ও মোহাম্মদ ইসমাইলের বিরুদ্ধে কানাডার পুলিশও পদ্মা সেতু প্রকল্পে কাজ পেতে দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেছে। তাঁরা বর্তমানে জামিনে আছেন। রমেশ শাহর ডায়েরিতে সর্বপ্রথম কাজ পেতে ঘুষ লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়।
গতকাল সোমবার দুদক পদ্মা সেতু নিয়ে করা তদন্ত কার্যক্রম শেষ করেছে। গতকাল দুদক তদন্ত শেষ করেছে দুজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে। তাঁরা হলেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী। সৈয়দ আবুল হোসেন এরই মধ্যে দুদককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে তাঁর কাছে এসএনসি-লাভালিনের কর্মকর্তাদের নিয়ে এসেছিলেন আবুল হাসান চৌধুরী। এ ছাড়া দুদকের তদন্তে সাবেক সেতুসচিব মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া এবং সাবেক প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলামের নামও এসেছে বলে জানা গেছে। সাবেক সেতুসচিব বর্তমানে বাধ্যতামূলক ছুটিতে আছেন এবং সাবেক প্রকল্প পরিচালকের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তবে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা দুদক পায়নি বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, পদ্মা সেতু নিয়ে করা তদন্তের ফলাফল নিয়ে বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে কাল বুধবার বৈঠক করবে দুদক। আজ মঙ্গলবার এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও হরতালের কারণে তা এক দিন পিছিয়ে গেছে। গত রোববার বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দলটি দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় আসে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক প্রধান আইনজীবী লুই গ্যাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পোর নেতৃত্বে গঠিত এই দল গত সোমবার দুদকের সঙ্গে এক দফা বৈঠক করেছে। দলের অন্য দুই সদস্য হলেন হংকংয়ের দুর্নীতিবিরোধী স্বাধীন কমিশনের সাবেক কমিশনার টিমোথি টং ও যুক্তরাজ্যের সিরিয়াস ফ্রড কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক রিচার্ড অল্ডারম্যান। সোমবারের বৈঠকে তাঁরা দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। দুদক সূত্রে জানা গেছে, তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করাটাই রীতি। বিশ্বব্যাংক ঠিক সেটাই চাইছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংক গত ১৩ নভেম্বর পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ দুদককে দিয়েছে। এর আগে আরও দুই দফা দুর্নীতির তথ্য দেয় বিশ্বব্যাংক। সেই তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই কাজ করছে দুদক। তবে দুদকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের দেওয়া প্রমাণ ছাড়াও দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের আরও কিছু তথ্য পেয়েছেন দুদকের তদন্তকারীরা। এরই ভিত্তিতে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আট থেকে ১০ জনের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছেন তাঁরা।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, তদন্তে নাম এলেও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি দুদক। তবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীকে রক্ষার চেষ্টা করা হলে বিশ্বব্যাংক তা মানবে না বলেও দুদক জানে। এর আগেও সরকার তাঁকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল। তাতে বরং পদ্মা সেতুর কাজ পিছিয়ে গেছে। এবারও একই চেষ্টা হলে পদ্মা সেতু আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলে সরকারি সূত্রগুলো বলছে।
জানা গেছে, বুধবারের বৈঠকের পর বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দলটি ফিরে গিয়ে তাদের প্রতিবেদন দেবে। দুদকের তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গৃহীত আইনি পদক্ষেপে সন্তুষ্ট হয়ে ইতিবাচক প্রতিবেদন দিলে বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে অর্থ-সহায়তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুততার সঙ্গে নেবে। আর না হলে আবারও সংকটে পড়বে পদ্মা সেতু প্রকল্প।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, সঠিকভাবে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলে এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও বাড়বে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা যেমন বিশ্ব জানবে, তেমনি দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষ হিসেবে দুদকের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়বে। এর ফলে ভবিষ্যতে ঋণ পাওয়াও বাংলাদেশের জন্য সহজ হবে। অন্যদিকে, পদ্মা সেতুর কাজও দ্রুত শুরু করা যাবে। ফলে সব দিক থেকেই বাংলাদেশ লাভবান হবে। এতে রাজনৈতিকভাবেও আওয়ামী লীগ সরকার লাভবান হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।
আবার, দুদকের তদন্তে কানাডার নাগরিকদের নাম এলে সেটিও বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা। এর মধ্যে কানাডা পুলিশের তদন্তে এসএনসি-লাভালিনের সাবেক কর্মকর্তা কেভিন ওয়ালেসের নাম আসেনি। সুতরাং বাংলাদেশ থেকে তাঁকে অভিযুক্ত করা হলে সেটিও কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে একটি আলোচিত বিষয় হবে।
দুদকের তদন্ত ও মামলা করা নিয়ে গোলাম রহমান গতকাল রাতে প্রথম আলোকে বলেন, অনুসন্ধান দলের প্রতিবেদনের ওপর পর্যালোচনা করে কমিশন মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি এ সময় আরও বলেন, ‘আমরা একেবারে নিরপেক্ষভাবে বিষয়টিকে দেখছি। এখানে কোনো ব্যক্তির মুখের দিকে তাকিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। প্রতিবেদনে যাঁদের নাম আসবে, তাঁদের বিষয়ে কমিশন সভায় পর্যালোচনা করা হবে। আমরা জোর করে কাউকে আসামি করব না, আবার প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড়বও না।’
দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ: তদন্তের শেষ দিনে দুদক গতকাল পৃথকভাবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। দুদকের জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের প্রধান আবদুল্লাহ আল জাহিদের নেতৃত্বে চার সদস্যের অনুসন্ধান দল তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।
গতকাল সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দেড় ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় আবুল হাসান চৌধুরীকে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজ করেননি বলে জানান। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সরকারের বড় অর্জন মিডিয়াকে স্বাধীনতা দেওয়া। আর এটা বিজয়ের মাস। কাজেই যা লিখবেন, বস্তুনিষ্ঠ লিখবেন।’
দুপুরে টানা আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সৈয়দ আবুল হোসেনকে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু প্রকল্পের অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি স্বচ্ছতার সঙ্গে সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছি, এখন তদন্ত কর্মকর্তারা যদি বুঝতে না পারেন, আমার কিছু করার নেই।’ তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন দাবি করে দুদকের অনুসন্ধান দলের কাছে জমা দেওয়া লিখিত বক্তব্য সাংবাদিকদের বিতরণ করেন।
লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, ‘এসএনসি-লাভালিনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে আবুল হাসান চৌধুরী আমার কাছে এসেছিলেন। আমাকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন, এসএনসি-লাভালিনের দরপ্রস্তাব যেন সঠিকভাবে মূল্যায়িত হয়।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Zakaria

Zakaria

২০১২.১২.০৪ ০৩:৩৭
41 years since the birth of U.A.E....Witness the progress of this country from simple desert to world fastest developed civilization in the history of mankind. One can simply say what a true leader can do....This is kind of leader born once in a blue moon which we lack in subcontinent...
২০১২.১২.০৪ ০৩:৪০
জানি আপনার টিকিটির নাগাল কেউ পাবে না, এ ব্যবস্থা করেই লোক দেখানো এই জিজ্ঞাসাবাদ। জয় তু আবুল....

Russell

Russell

২০১২.১২.০৪ ০৭:৪০
Please Hurry up, we have not time.
২০১২.১২.০৪ ০৮:২৭
সেতুর অর্থায়নটা পুরোপুরি বাতিল হলে যারপর নাই খুশী হতুম।

Abu Sufian Shakil

Abu Sufian Shakil

২০১২.১২.০৪ ০৮:৪২
বেচারা দুদক!! পড়ে গেছে গ্যাঁড়াকলে।

alamin

alamin

২০১২.১২.০৪ ০৮:৫৮
বড়ই হতবাগা জাতী আমরা দুর্নীতির কারনে আজ আমাদের ১৬ কোটি মানুষের ভাগ্য আকাশে কালো মেঘ !!!!

Aminur Rahman

Aminur Rahman

২০১২.১২.০৪ ০৯:১৭
স্বজন প্রীতি বাদ দিয়ে আসুন আমরা দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করি। মনে রাখবেন, স্বজন প্রীতি আর দুর্নীতি পরস্পরের পরিপুরক। আর পাপ তার বাপকেও ছাড়ে না।

kazi abdul mohite

kazi abdul mohite

২০১২.১২.০৪ ০৯:২৪
@২০১২.১২.০৪ ০৮:২৭ সাধারন মা্নুষ ও রাজনৈতিক ভাবে কতটা প্রতিহিংসা পরায়ন হতে পারে এই মন্তব্য তার প্রমান। পদ্মা সেতু পুরা দেশের ভবিষ্যত যা আমদের জাতীয় প্রবৃদ্ধি আরো বাড়াবে। দুদক যদি তার তদন্ত্যের মাধ্যমে আবুল সাহেব কে দোষী সাব্যস্ত না করেও বিশ্ব ব্যাংক কে সন্তুষ্ট করতে পারে তা হলে অ তো আমদের কিছু বলা উচিত না।

২০১২.১২.০৪ ০৯:৪৯
@Russell
ভাই এত হা হুতাশ করা লাভ নাই, মানুষ আর আওয়ামীলীগের মধ্যে পার্থ্যক বুঝতে না পারলে কখনোই মনে শান্তি আসবে না।

Anjuman Kamal

Anjuman Kamal

২০১২.১২.০৪ ০৯:৫৭
জনগন পদ্মা সেতু দেখতে চায়। সে জন্য যারা যারা দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের অবশ্যই বিচার করতে হবে। আশা করি দুদক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

Sayed Baker

Sayed Baker

২০১২.১২.০৪ ১০:১২
Earlier our Prime Minister said, there was NO corruption but how funny DUDOK guys are telling lies ...

Aminul Ahesan

Aminul Ahesan

২০১২.১২.০৪ ১০:১৩
দুর্নীতির সাথে সংশ্লিস্ট সকলের বিরুদ্ধে মামলা করা হোক। কেউই যেন পার পেয়ে না যায় সে যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেনো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি তিনি যেনো প্রয়োজনে দুদককে এ বিষয়ে প্রকাশ্যভাবে আশ্বস্ত করেন। চুড়ান্ত বিচারে দুর্নীতিবাজরা কখনোই কারো উপকারে আসে না।

mahbub

mahbub

২০১২.১২.০৪ ১০:৩৪
দুদক তো নামে মাত্র দুদক প্রতিবেদন জমা দিবে আর সরকার কাজ করবে ।
কিন্তু সরকার তো দো- টানাই ।

Shaheen_Raozan_Chittagong

Shaheen_Raozan_Chittagong

২০১২.১২.০৪ ১০:৪৯
How much money people need to survive his life!! I wonder what those people will answer during the judgment day. everybody should think before doing any illegal activaties.

Mohiuddin Maswood

Mohiuddin Maswood

২০১২.১২.০৪ ১০:৫৭
ইতোপূর্বের দেয় সার্টিফিকেটের হাল কী হবে? অবশ্য এখনকার মামলা নিষ্পত্তি হতে হতে এ সরকারের মেয়াদও নিস্পত্তি হয়ে যাবে। সেই ট্রনজিট টাইমের জন্য একটু রিলিফ পাওয়া যবে সরকারি মহলে সেটা মন্দ নয়। সেদিক থেকে মামলার বিষয়টি বিবেচনা করলে সঠিকই বলতে হবে।

SHAMSUL HUDA

SHAMSUL HUDA

২০১২.১২.০৪ ১০:৫৮
Punish those masterminds of Padma Bridge corruption. This poor nation needs the WB loan badly.
২০১২.১২.০৪ ১০:৫৯
আলাদিনের আশচারয়ো পদিপের সেই গোলাম কে জা ই হুকুম করা হোক না কেন সে শুধু 'জো হুকুম মালিক ' বলেই হুকুম তামিল করে থকে !!!

Palash Golder

Palash Golder

২০১২.১২.০৪ ১১:১০
প্রথম আলোর কাছে অনুরোধ পত্রিকায় পদ্মা সেতুর ছবিটি না দেওয়ার জন্য। ছবিটি দেখলে দুঃখ পাই। যদি কখনও বাস্তবে দেখতে পারতাম। সেটা কি কখনও সম্ভব? কারণ পদ্মা সেতুর পিছনে এখন দুইজন আবুল আছে যে।

palash

palash

২০১২.১২.০৪ ১১:৩১
বিএনপি ডুবেছিল দূনীতির কারণে । মনে হয় আওয়ামিলীগেরও তাই হবে।

মেহেদী আকরাম

মেহেদী আকরাম

২০১২.১২.০৪ ১১:৪৬
রুই কাতলা ধরতে পারবে না...
দুই একটা চুনা পুটি ধরে বলবে আমার পেরেছি...............

Ratan Jyoti

Ratan Jyoti

২০১২.১২.০৪ ১২:০৫
তবে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা দুদক পায়নি বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

Jinu

Jinu

২০১২.১২.০৪ ১২:০৭
ACC should convict those directly or indirectly were involved to save this crucial project which will have a huge impact in the economic uplift of Bangladesh.

Mohammad Nuruddin Jahangir

Mohammad Nuruddin Jahangir

২০১২.১২.০৪ ১৪:৩২
আসলে দুদককে বাদ দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

md manir hossain khan

md manir hossain khan

২০১২.১২.০৪ ১৫:১১
হাসিনা বলেছে দুনী"তী হয় নাই । দুদক মিথ্যাবাদী। হা.................. হা .................হা................

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

মাহতাব হোসেন # বাউফল # পটুয়াখালী #

২০১২.১২.০৪ ১৬:১৯
`পড়েছো মোঘলের হাতে, খানা খেতে হবে সাথে'।

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.১২.০৪ ১৮:৩৪
হায়রে পদ্মাসেতু ! তুই আর কত জ্বালাবি আমাদের!

Fuadmansoor

Fuadmansoor

২০১২.১২.০৪ ১৮:৩৭
how many Abuls are conected with this issue ! may I know

mizan

mizan

২০১২.১২.০৪ ১৮:৪১
আবুল সাহেব বলছে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র হয়েছে কিন্তু দুর্নীতি হয়নি,সঠিক বিচারের জন্য দুদকে এসেছি। প্রধান মন্ত্রি বলছেন আবুল সাহেব দেশ প্রেমিক। দুদকের অর্ধেক কর্মকর্তা আবুল সহ ১২ জনের নামে মামলা করতে চায়, দুদকের বাকি অর্ধেক চায়না মামলা করতে,এদিকে আব্দুর রাহমান সাহেবের তদন্ত নাকি এখন শেষ হয়নি এই তদন্ত রাস্তাটা কি এত লম্বা শুরু হলে শেষ হতে দেখিনা কোন ক্ষেত্রে। বিশ্বব্যাংক বলছে বেবস্তা না নেয়া হলে গুড বাই ই ই ই ই ই ।

Fuadmansoor

Fuadmansoor

২০১২.১২.০৪ ১৮:৪৬
পদ্মা সেতু এখন সম্পূর্ণ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর উপর নির্ভর

Fuadmansoor

Fuadmansoor

২০১২.১২.০৪ ১৯:০৬
@ Mohammad Nuruddin Jahangir:"আসলে দুদককে বাদ দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়"। কি ভাবে ? বিশ্বব্যাংক তো দুদক কে বাদ দিবে না এবং দেওয়ার কথাও না, কারন দুদক ছাড়া আমদের দেশে আর অন্য কোনো বিভাগের এ ধরনের কাজের দায়িত্ব নেই

saiful

saiful

২০১২.১২.০৪ ২৩:৪১
এই আবুলদের কে নিয়ে কি করি?
আবুল.........মাল
আবুল......হুসেন
আবুল...... হাসান