পাহাড় কেটে সড়ক

সেই ভূমি ব্যবসায়ীর সাত লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট | তারিখ: ০৩-১২-২০১২

  • ১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

সিলেটের জাফলংয়ে পাহাড় কেটে সড়ক করায় ভূমি ব্যবসায়ী আতাউর রহমানকে সাত লাখ ৮৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের (এনফোর্সমেন্ট) পরিচালক মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী আজ সোমবার আতাউর রহমানকে ঢাকায় তলব করে এই অর্থদণ্ড দিয়ে এক মাসের মধ্যে পাহাড়টি আগের অবস্থায় ফেরানোর নির্দেশ দেন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক এস এম ফজলুল করীম প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, এই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ওই ভূমি ব্যবসায়ী জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেছেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, আতাউর রহমান সিলেটের প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্র জাফলংয়ে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থার নামে সবচেয়ে উঁচু পাহাড় কেটে সড়ক করছিলেন। গতকাল রোববার ‘প্রথম আলো’য় ‘পাহাড় কেটে সড়ক’ শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সূত্র ধরে ভূমি ব্যবসায়ী আতাউর রহমানকে পরিবেশ অধিদপ্তর নোটিশ জারি করে। প্রকাশিত প্রতিবেদন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী পাহাড় কাটার সত্যতা পাওয়ায় আজ তাঁকে ঢাকায় তলব করে ওই দণ্ড দেওয়া হয়।
‘পাহাড়টি জাফলংয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ধারক’ উল্লেখ করে এনফোর্সমেন্ট পরিচালকের দপ্তর থেকে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাহাড় থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতায় ৭৮৭ বর্গফুট মাটি কেটে কথিত সড়ক নির্মাণের অপরাধে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই দিন সিলেটের পাঠানটুলায় একটি টিলা কেটে বাড়ি নির্মাণ করায় সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষক ভুবনজয় আচার্যকে এক লাখ দুই হাজার টাকা জরিমানা করে (পরিবেশ অধিদপ্তর)। পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের নিজস্ব প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই জরিমানা করা হয়।
পাহাড় ও টিলা কাটার দায়ে অর্থদণ্ড প্রসঙ্গে পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘অব্যাহতভাবে পাহাড়-টিলা কাটার ঘটনায় সিলেট অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, পাহাড়ি ভূমির ক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্যের অপরিমেয় ক্ষতি হচ্ছে। উচ্চ অঙ্কের জরিমানা আরোপের মাধ্যমে পরিবেশ ধ্বংসকারীদের আর্থিক ক্ষতির মাধ্যমে অপরাধ দমনের প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও সময়ের প্রয়োজন হবে।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Mohamed S Rahman

Mohamed S Rahman

২০১২.১২.০৪ ০০:০৩
সুবিচার হতো যদি ঐ ভুমিখোরের যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতো।