গণমাধ্যমের সামনে জবানবন্দি নেওয়ায় পাঁচ পুলিশকে তলব
ভোলার জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ জাবেদ ইমামকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করে জবানবন্দি নেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত। ওই বিচারককে কোন আইনের অধীনে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করে জবানবন্দি নেওয়া হলো তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম এম এ সালাম এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (রমনা অঞ্চল) নুরুল ইসলাম, নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম, জব্দ তালিকার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন, রেকর্ডিং কর্মকর্তা শাফিয়ার রহমানকে আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, ‘গণমাধ্যমের সামনে বিচারক জাবেদ ইমামকে যেভাবে হাজির করা হয়েছে, তা আইনের পরিপন্থী। পুলিশ বিচার বিভাগকে জনগণের সামনে হেয় প্রতিপন্ন করতে “মিডিয়া ট্রায়াল” করেছে। এটা গুরুতর অন্যায়। পুলিশ একজন আসামিকে নিয়ে এভাবে মিডিয়া ট্রায়াল করতে পারে না। বিচারের আগেই কাউকে এভাবে হাজির করার বিধানও নেই। তাই ওই পুলিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।
যদি কোনো আসামি দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে চান, তাঁকে অবশ্যই আদালতে হাজির করতে হবে। তা না করে পুলিশ জোরপূর্বক ওই জজকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বাধ্য করেছেন। এভাবে একজন আসামিকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করে তাকে বিচারের আগেই দোষী প্রমাণিত করা ফৌজদারি অপরাধ আইনের পরিপন্থী বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।
গত শনিবার সন্ধ্যায় একটি মাইক্রোবাসে করে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ জাবেদ ইমাম রাজধানীর ইডেন কলেজের সামনে পৌঁছালে সেখানে দায়িত্বরত নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান তাঁর গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করেন। এ সময় জাবেদ ইমামের গাড়ি থেকে ৩৪২ বোতল ফেনসিডিল ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।







masud
২০১২.১২.০৩ ২০:৫৬Zahid Hossain
২০১২.১২.০৩ ২১:০১mahfuza bulbul
২০১২.১২.০৩ ২১:০৬মোল্লা বাবুল (Mollah Babul)
২০১২.১২.০৩ ২১:২১
২০১২.১২.০৩ ২১:২৭Abul Kalam
২০১২.১২.০৩ ২১:৪১রিহান্নুম রুবাইয়াত
২০১২.১২.০৩ ২১:৪১