শিরোনাম:

ইউরোপের তোপের মুখে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ০৩-১২-২০১২

  • ১৩ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

দখল করা ফিলিস্তিনি ভূমিতে তিন হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণার পর ইসরায়েল আজ সোমবার তার ইউরোপীয় মিত্রদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের সিদ্ধান্তে চলমান শান্তি-প্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়েছে এমন দাবি করে তিনটি ইউরোপীয় দেশ ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছে।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফিলিপ লালিয়ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আজ সকালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়। নতুন বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্তকে ‘দুই-রাষ্ট্র সমাধানের পথে বড় বাধা’ হিসেবে অভিহিত করে একটি চিঠিও পাঠানো হয় ইসরায়েল সরকারের কাছে।
জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পেতে ফিলিস্তিন সাধারণ পরিষদে যে প্রস্তাব উত্থাপন করে, ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে সে প্রস্তাবকে সমর্থন করে ফ্রান্স।
যুক্তরাজ্য ও সুইডেন তাদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছে। জার্মানি বলেছে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি মেনে চলার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের সামর্থ্যকে হেয় করবে নতুন বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্তটি।
তবে ইসরায়েলকে শাস্তি দিতে ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, তা এখনো পরিষ্কার করেনি ইউরোপীয় দেশগুলো।
গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা উপত্যকার যে অংশ ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল, সেটিসহ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েল নতুন বসতি স্থাপনের যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে, তা আন্তর্জাতিক মহলের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকলেও যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের সমালোচনা করেছে। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল টাবুকে লন্ডনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে জার্মানি আজ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। আসছে বুধবার জার্মানি যাচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেখানে তিনি জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
মেরকেলের মুখপাত্র স্টিফেন সেইবার্ট জানান, বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতি জার্মানির দৃষ্টিভঙ্গি ভীষণ নেতিবাচক।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Hazrat Ali

Hazrat Ali

২০১২.১২.০৩ ২০:০৬
ইসরায়েল সরকারকে ইনধোন দাতা দেশ, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য ও জার্মানি ওসুইডেন এবং ইউরোপীয় দেশ গুলো।

Dr. Moazzem Hossain Nilu

Dr. Moazzem Hossain Nilu

২০১২.১২.০৩ ২০:১২
ইউরোপের লোক দেখানো ইসরাইল বিরোধীতার কোন মূল্য নেই। কারণ ওরাই ঈসরাইল রাষ্ট্রটির প্রতিষ্ঠা করেছে।
ওরা উপরে উপরে ঈসরাইলের বিরোধীতা করবে, আর ভেতরে ভেতরে ঈসরাইল রাষ্ট্রটিকে লালন করবে।

Arif Newaz

Arif Newaz

২০১২.১২.০৩ ২০:১৯
হিটলার যে কেন অকালে চলে গেল... যদি আরও কিছুদিন থাকত, তবে আমি নিশ্চিত এই ইহুদি'দের জন্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাঁধত... !!!

Zahid Hossain

Zahid Hossain

২০১২.১২.০৩ ২০:৩৬
No other country or organization is so dangerous for world, especially, Middle-East peace than Israel alone. I think Israel is deliberately encouraged by European nations, USA, Canda, Australia to attack and kill Palestinians and deprived them of an independent nation. If only USA has good heart for Muslims, they can settle this longstanding dispute within a week.

২০১২.১২.০৩ ২১:১৬
ইহুদিরা অভিশপত জাতি

Saiful hassan

Saiful hassan

২০১২.১২.০৩ ২২:১৫
হিটলারের মত ভবিষ্যৎদ্রষ্টাকে আমাদের সম্মান জানানো উচিৎ।

M A Ghani Sarker

M A Ghani Sarker

২০১২.১২.০৩ ২২:২৫
জারমানসহ অন্যান্য ইউরোপীয় রাষ্ট্র হিটলারকে পছন্দ করেনা, কিন্তু আমি মনে করি হিটলারই সঠিক ছিল।

মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা

মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা

২০১২.১২.০৩ ২২:৪৬
খবর যদি সত্য হয় তবে ইউরোপীয় মিত্রদের উদ্যোগ প্রসংশনীয়। ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও সুইডেনকে দৃঢ় উদ্যোগ নিয়ে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও স্বীকৃতি দিতে হবে, এবং ইসরায়েল সরকারকে ইন্ধন ও মদদ দেয়া হতে বিরত থাকতে হবে।

পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা উপত্যকার যে অংশ ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল, সেটিসহ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকের একটি প্রসংশনীয় উদ্যোগ।

জাতিসংঘকে আরো দৃঢ় ও কঠোর উদ্যোগ নিয়ে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বেঁচে থাকার অধিকার দেয়া উচিৎ।

saddam hossain

saddam hossain

২০১২.১২.০৩ ২২:৫১
সবই তো নিয়া নিছে , আর কি বাকী আছে নেবার..........

Md. Shamsuddoha Tapos

Md. Shamsuddoha Tapos

২০১২.১২.০৩ ২৩:১০
হিটলার একজন গানি মানুষ সিলেন।

Mohammad Reduanul Hoque

Mohammad Reduanul Hoque

২০১২.১২.০৩ ২৩:২১
ইসরায়েল দখল করা ফিলিস্তিনি ভূমিতে তিন হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণার পরও কি যুক্ত রাষ্ট্র ইসরাইল কে সমর্থন করবে? তারাপূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা উপত্যকার যে অংশ ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল, সেটিসহ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকেস্বীকৃতি দিয়েছে।
২০১২.১২.০৩ ২৩:৫২
As an act against Islam, the western countries created this cancerous country. Therefore, seldom whatever they say against Israel, is mere eyewash action only.

tasnim

tasnim

২০১২.১২.০৪ ০১:০১
হিটলার আপনার অভাব পূরণ হবার নয়। প্যালেস্টাইনের এই বিপদের সময় আপনাকে খুব মিস করছি।
কেন যে আপনি অকালে চলে গেলে