ইউরোপের তোপের মুখে ইসরায়েল
দখল করা ফিলিস্তিনি ভূমিতে তিন হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণার পর ইসরায়েল আজ সোমবার তার ইউরোপীয় মিত্রদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের সিদ্ধান্তে চলমান শান্তি-প্রক্রিয়া হুমকির মুখে পড়েছে এমন দাবি করে তিনটি ইউরোপীয় দেশ ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছে।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফিলিপ লালিয়ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আজ সকালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়। নতুন বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্তকে ‘দুই-রাষ্ট্র সমাধানের পথে বড় বাধা’ হিসেবে অভিহিত করে একটি চিঠিও পাঠানো হয় ইসরায়েল সরকারের কাছে।
জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পেতে ফিলিস্তিন সাধারণ পরিষদে যে প্রস্তাব উত্থাপন করে, ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে সে প্রস্তাবকে সমর্থন করে ফ্রান্স।
যুক্তরাজ্য ও সুইডেন তাদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছে। জার্মানি বলেছে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি মেনে চলার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের সামর্থ্যকে হেয় করবে নতুন বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্তটি।
তবে ইসরায়েলকে শাস্তি দিতে ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, তা এখনো পরিষ্কার করেনি ইউরোপীয় দেশগুলো।
গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা উপত্যকার যে অংশ ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল, সেটিসহ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েল নতুন বসতি স্থাপনের যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে, তা আন্তর্জাতিক মহলের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকলেও যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের সমালোচনা করেছে। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল টাবুকে লন্ডনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে জার্মানি আজ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। আসছে বুধবার জার্মানি যাচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেখানে তিনি জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
মেরকেলের মুখপাত্র স্টিফেন সেইবার্ট জানান, বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতি জার্মানির দৃষ্টিভঙ্গি ভীষণ নেতিবাচক।







Hazrat Ali
২০১২.১২.০৩ ২০:০৬Dr. Moazzem Hossain Nilu
২০১২.১২.০৩ ২০:১২ওরা উপরে উপরে ঈসরাইলের বিরোধীতা করবে, আর ভেতরে ভেতরে ঈসরাইল রাষ্ট্রটিকে লালন করবে।
Arif Newaz
২০১২.১২.০৩ ২০:১৯Zahid Hossain
২০১২.১২.০৩ ২০:৩৬
২০১২.১২.০৩ ২১:১৬Saiful hassan
২০১২.১২.০৩ ২২:১৫M A Ghani Sarker
২০১২.১২.০৩ ২২:২৫মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা
২০১২.১২.০৩ ২২:৪৬পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা উপত্যকার যে অংশ ইসরায়েল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল, সেটিসহ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়া জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকের একটি প্রসংশনীয় উদ্যোগ।
জাতিসংঘকে আরো দৃঢ় ও কঠোর উদ্যোগ নিয়ে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বেঁচে থাকার অধিকার দেয়া উচিৎ।
saddam hossain
২০১২.১২.০৩ ২২:৫১Md. Shamsuddoha Tapos
২০১২.১২.০৩ ২৩:১০Mohammad Reduanul Hoque
২০১২.১২.০৩ ২৩:২১tasnim
২০১২.১২.০৪ ০১:০১কেন যে আপনি অকালে চলে গেলে