শিরোনাম:

ন্যায়বিচারের জন্য উপস্থিত হয়েছি

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৩-১২-২০১২

  • ১৮ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
সৈয়দ আবুল হোসেন

সৈয়দ আবুল হোসেন

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন বলেছেন, ন্যায়বিচার করার চেয়ে অন্যায় বিচার করা খুবই সহজ। আজ সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ কথা বলেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।
দুদক কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সৈয়দ আবুল হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বলেছি, আমি ন্যায়বিচারের জন্য আজ এখানে উপস্থিত হয়েছি। আরও যতবার দরকার, ততবার এখানে আসব।’
সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, ‘আমার সাংবাদিক বন্ধুরা সবাই সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে থাকেন বলে আমি বিশ্বাস করি। কিন্তু তার পরও কিছু কিছু সাংবাদিক বন্ধু, কিছু কিছু সংবাদপত্র, কিছু কিছু আলোচনা অসত্য তথ্যের ওপরে হয়েছে, যা আমাকে বিভ্রান্ত করেছে, আমাকে ক্ষুব্ধ করেছে।’ আজকের বিষয়ে কী আলোচনা হয়েছে—সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা আমার কথাটাকে কিন্তু বলতে দিলেন না, অন্যদিকে নিয়ে গেলেন।’
এ সময় সাংবাদিকেরা জানান, এর আগে তিনি এ কথাগুলো বলেছেন।
এরপর সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘আজ পদ্মা সেতুর সামগ্রিক অনেক বিষয়ে অলোচনা হয়েছে। কথাগুলো দুদক যদি আপনাদের জানায়, তাদের কাছে জেনে নেবেন। আর আমি কিছু কথা লিখিত আকারে বলেছি। লিখিত আকারে যেগুলো বলেছি, সেগুলো এখন সাংবাদিক বন্ধুদের দেওয়া হবে।’
সৈয়দ আবুল হোসেন দাবি করেন, ‘কোনোভাবে কোনো কাজে অস্বচ্ছতার সঙ্গে সৈয়দ আবুল হোসেন, প্রাক্তন যোগাযোগমন্ত্রী, জড়িত নয়—এ কথাটি বুঝে নেন।’
‘আপনি কি বোঝাতে চান যে দুদক যে তদন্ত করছে তাতে আপনার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যাবে না’—একজন সাংবাদিকের এ প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, ‘আমি তাদের (দুদক) বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তারা কতটুকু বুঝেছে, সেটা তো আমি বলতে পারব না। আমি স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রশ্নের জবাব দিয়েছি।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.১২.০৩ ১৭:৩৩
চট্রগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলের যোগাযোগ হলে, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রেলের যাতায়ত করা গেলে আমি নিশ্চিত কক্সবাজারের পর্যটক একলাফে দ্বিগুন/তিনগুন হয়ে যাবে। কারন পর্যটনের জন্য বাস নয় রেলেই হচ্ছে উত্তম তথা আরাম দায়ক ও নিরাপদ মাধ্যম। আমাদের প্রাক্ত যোগাযোগ মন্ত্রী(সৈয়দ আবুল হোসেন) কক্সবাজার পর্যন্ত রেলের লাইন সম্প্রসারনের জন্য কাজে হাত দিয়ে ছিলেন এবং কাজ ধ্রুতই অগ্রগতি লাভ করছিল। কিন্তু আমরা তো সেই মন্ত্রকে পরিবর্তন করে দিলাম এখন সেই কাজের (চট্রগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল লাইনের সম্প্রসারণ) কি অবস্থা আমি জানি না। আমার ধারণ আপনিও জানেন না। কারণ এখন বর্তমান মন্ত্রী(ওবায়দুল কাদের) সেই কাজের তদারকি করেন না যতটানা করেছিল সৈয়দ আবুল হোসেন। আসল কাজ করতে গেল আমি নিশ্চিত যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের মত অপবাদ মাথায় নিয়ে বর্তমান যোগাযোগ মন্ত্রীকেও মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগ করতে হবে। তাই আসল কাজে কেউ হাত দিবেন না। যেমন রেল ব্যবস্থার অটোমেশন, ডিজিটাল টিকেটিং, বিআরটিএর ডিজিটালাইজেশন, পরিবহন ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশ অপারেশন এই সব কর্মে যদি কেহ হাত দেয়,বা করতে চায় তাহলে- আমি নিশ্চিত তার তার মন্ত্রীত্ব চলে যাবে।
২০১২.১২.০৩ ১৭:৩৬
যোগাযোগ মন্ত্রীর এই হাসি-ই যোগাযোগ মন্ত্রীর জন্য কাল হয়েছে। ওনি সব সময় হাসি হাসি মুখ করে কথা বলেন কিন্তু পাবলিক মনে করে ওনি কত টাকা যে মেরে দিয়েছেন। য একটি মানুষের গুন আমাদের দেশে সেটি দুষ।

দেলোয়ার হোসেন

দেলোয়ার হোসেন

২০১২.১২.০৩ ১৭:৪৫
এত ঘটনা-রটনা , যার কারনে পদ্মা সেতু হলো না!....তবু ও তিনি হাসেন !!!!

rocky

rocky

২০১২.১২.০৩ ১৭:৪৭
কি সুন্দর কথার ফুল ঝুড়ি,
২০১২.১২.০৩ ১৭:৫৭
দেখেন গোলাম রহমান সাহেব আর একটা সততার সার্টিফিকেট দেয় কিনা ।

mizan

mizan

২০১২.১২.০৩ ১৭:৫৯
//////// সীমা অতিক্রম করে ফেলছে এই পদ্মা নিয়ে ।

আসাদ জামান

আসাদ জামান

২০১২.১২.০৩ ১৮:১৫
ন্যায়বিচার মানেই তো তালগাছটা আমার।

Nur Islam

Nur Islam

২০১২.১২.০৩ ১৮:২৫
থাক্ পদ্মা সেতুর দরকার নাই,আমার, আবুলদের বাঁচাও।

MASUDUR RAHMAN

MASUDUR RAHMAN

২০১২.১২.০৩ ১৮:৩৩
"ন্যায়বিচারের জন্য উপস্থিত হয়েছি"" দুদকের দেয়া সারটিফিকেট সাথে নিয়ে আসছেন কি ??

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.১২.০৩ ১৮:৫৮
আমাদের দেশের ক্ষমতাসীন মন্ত্রী , সাংসদ , নেতাকর্মী সবাই অতি সত ও সজ্জন। তাই তাঁদের ন্যায় বিচার পেতে কোন সমস্যা হয়না। আপনি প্রধান মন্ত্রী কর্তৃক প্রকৃত দেশপ্রেমিকের খেতাব পেযেছেন । দুদক থেকে পেয়েছেন সততার সনদ।আপনি ন্যায় বিচার পাবেন নাতো কে পাবে ?

reaz hoque

reaz hoque

২০১২.১২.০৩ ১৯:১৭
Mr. Abul Hossain is really a fun loving person. He was just kidding the whole system. He also knows what he did earlier. We the public say please leave us alone. We just dont wish to hear or watch on tv. We want just exemplary n speepy trial n punishment. Plz.

ripon

ripon

২০১২.১২.০৩ ১৯:৪৫
jokes of the day

Chowdhury

Chowdhury

২০১২.১২.০৩ ২০:২৬
আবুল হোসেন করবে চট্রগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল পথ ? ভাই হসালে... আর কাদের ভাই তো রেলমন্ত্রী নয়। দ: চট্রগ্রাম থেকে কেউ রেল মন্ত্রী হলে চট্রগ্রাম - কক্সবাজার রেল পথ হবে।

afsar mehtab

afsar mehtab

২০১২.১২.০৩ ২০:৩৮
this lucky guy was introduces as a DESH PREMIK by the priminister.

Md.Nazmul Islam

Md.Nazmul Islam

২০১২.১২.০৩ ২০:৩৯
"ন্যায়বিচারের জন্য উপস্থিত হয়েছি"" দুদকের দেয়া সারটিফিকেট সাথে নিয়ে আসছেন কি ??

Md. Shawkat Ali

Md. Shawkat Ali

২০১২.১২.০৩ ২০:৫৭
সাবেক মন্ত্রী আবুল হোসেন কে যে যত খারাপ মনে করুক তাতে আমি কান দেব না। আমি আওয়ামীলীগ করি না বা জীবনেও নৌকায় ভোট দেইনি হয়তো ভবিষ্যতেও দেব না কিন্তু আবুল হোসেন এর মত লোকদের সারাজীবন ভালবেসে যাব। কারণ তিনি তার সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য যত বড় বড় ও ভাল পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন তা অতিতে কেউ নিতে পারেন নাই। একজন বড় মাপের চিন্তাশীল মানুষ ছাড়া এইসব প্লান নেয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়। তবে সবভাল কাজের মধ্যেই কিছু না কিছু ভূল থাকে। সেই ভূল ক্ষমার যোগ্য। তাই আমি আবুল হোসেন সাহেব এর ভূলগুলিকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখি।

Md. Abdul Wahab

Md. Abdul Wahab

২০১২.১২.০৩ ২১:১৯
যোগাযোগ মন্ত্রী (সাবেক) পদ্মা ব্রীজ আপনি খেয়ে ফেলেছেন এটা ধ্রুবতারার মতো সত্য। যেমন- সরকারের কেউ কেউ খেয়েছে সোনালি ব্যাংক, কেউ কেউ খেয়েছে শেয়ার বাজার, কেউ কেউ আবার হলমার্কের মাধ্যমে খেয়েছে। অতএব আপনি আর হাসি দেখাবেননা।

Russo

Russo

২০১২.১২.০৩ ২২:৩৬
Md. Shawkat Ali ২০১২.১২.০৩ ২০:৫৭
আবুল হোসেন এর মত লোকদের সারাজীবন ভালবেসে যাব। কারণ তিনি তার সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য যত বড় বড় ও ভাল পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন তা অতিতে কেউ নিতে পারেন নাই। একজন বড় মাপের চিন্তাশীল মানুষ ছাড়া এইসব প্লান নেয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

ভাই, বাংলাদেশে পরিকল্পনা করবার জন্য একটা আলাদা মন্ত্রণালয় আছে। আর এই মন্ত্রণালয়ে নেয়া পরিকল্পনা গুলোকে বাস্তবায়ন এর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় টাকা ছাড় করে, আর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এর নিযুক্ত মন্ত্রী গন সেই কাজ তদারকি করেন। আপনি উনাকে ভালবেসেছে খুব ভাল কথা, কিন্তু উনার কাজ তো পরিকল্পনা করা না।

আমিও প্রতি মাসে পরিকল্পনা গ্রহণ করি আমার স্ত্রী কে শাড়ি গহনা কিনে দেব। কোন কোন মাসে দুই তিন বারও এই পরিকল্পনা করি। আপনার ফোন নম্বরটা যদি পাইতাম, তাহলে আমার স্ত্রীকে বলতাম আপনার সাথে একবার যেন ফোনে কথা বলে। তাহলে সে আমার এই পরিকল্পনা গুলো বুঝতে পারত, আর আমাকে আরও অনেক অনেক বেশি ভালবাসত।