কেরানীগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন

জনগণকে অন্তত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ দিতে হবে

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি | তারিখ: ০৩-১২-২০১২

  • ২৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবিষ্যতে ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে না বলে ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, জনগণকে অন্তত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন ভর্তুকি দামে বিদ্যুৎ দিচ্ছি। উৎপাদনের চেয়ে কম খরচে আপনারা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন।’
প্রধানমন্ত্রী গতকাল রোববার ঢাকার কেরানীগঞ্জে পাওয়ারপ্যাক-মুতিয়ারা ১০০ মেগাওয়াট কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। তিনি বিদ্যুৎ ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধনের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ব্যাপারে গণসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। এ জন্য বিদ্যুতের যথেচ্ছ ব্যবহার কাম্য নয়।
সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পাওয়ারপ্যাক হোল্ডিং ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশে ৭ দশমিক ১১ একর জমিতে বিওও পদ্ধতিতে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুবিদ আলী ভূঁইয়া, সাংসদ নসরুল হামিদ, সিকদার গ্রুপের চেয়ারম্যান জায়নুল হক সিকদার প্রমুখ অনুুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্ষমতা নেওয়ার পর গত চার বছরে বিদ্যুৎসহ দেশের আর্থসামাজিক প্রতিটি খাতেই অনন্য অর্জন সাধিত হয়েছে। অক্লান্ত পরিশ্রমের সুফল জনগণ পাচ্ছে। সরকারের শুরুতেই ভঙ্গুর বিদ্যুৎব্যবস্থা পুনর্গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নিই।’
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সংস্কারের পাশাপাশি দ্রুত চাহিদা পূরণে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেয়। এতে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট এবং বড় বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। এরই মধ্যে সরকারি-বেসরকারি খাতে প্রায় ৮০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে ৫২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় তিন হাজার ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ ছয় হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হয়েছি এবং আমাদের উৎপাদন সামর্থ্য আট হাজার ৪২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।’
বর্তমানে জাতীয় প্রয়োজনে উৎপাদনে রেশনিং করার কারণে এখনো কিছুটা লোডশেডিং আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আরও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছি। ভারত থেকেও বিদ্যুৎ আমদানির উদ্যোগ নিয়েছি। এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনকে উৎসাহিত করছি।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

২০১২.১২.০৩ ০৩:৩৬
আমরা দাম দিব কিন্তু আলো কখন দিবেন তাই দেখান দয়াকরে

Akbar ali

Akbar ali

২০১২.১২.০৩ ০৭:০৫
জনগনকে আর কত ধোকা দেবেন ???????

আবুল হাসান

আবুল হাসান

২০১২.১২.০৩ ০৮:০৪
আর পারছি না

Sezan

Sezan

২০১২.১২.০৩ ০৮:১০
কুইক রেন্টাল এর ছোট ছোট মেশিন দিয়ে কতদিন চলবে ???

Aminur Rahman

Aminur Rahman

২০১২.১২.০৩ ০৮:২৭
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনারা ভর্তুকি দিচ্ছেন কি নিজেদের অর্থে নাকি জনগণের অর্থে ?

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.১২.০৩ ০৯:৩৩
উৎপাদন খরছ লাগামহীন করে তা জনগন থেকে আদায় করার প্রবনতা ত্যাগ করতে হবে ।
২০১২.১২.০৩ ১০:২৮
আপনারা দুর্নীতির মাধ্যমে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বাড়াতে থাকবেন, আর বোকারাম জনগণ তা কুলুর বরদের মত বয়ে বেড়াবে।

Tajerul islam sadhin

Tajerul islam sadhin

২০১২.১২.০৩ ১০:৪১
দেশের বিদ্যুত্‍ চাহিদা মেটাতে প্রধানমণ্ত্রী দৃশ্যত যাযা করেছেন এবং যাযা হচ্ছে তা অবশ্যই প্রশংসা পাবার যোগ্যো।

২০১২.১২.০৩ ১০:৫৩
ক্ষমতা গ্রহনের চার বছরপর এখনো উনি রেন্টাল প্লান্ট উদ্ভোধন করে বলে বেড়াচ্ছেন বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করেছেন!!! স্থায়ী বিদ্যুৎ কবে আসবে ? নাকি উনার ক্ষমতার মেয়াদ শেষ বিদ্যুৎ প্লান্টের মেয়াদও শেষ, উনাকে আবার ক্ষমতা না দিলে দেশ জাহান্নামে যাক, তাতে কি ?
তাছাড়া দলের লোকদের বিনা টেন্ডারে প্লান্ট করার সুযোগ করে দিয়ে বিদ্যুতের দাম তো উনি নিজেই বাড়িয়ে দিলেন।
এই রেন্টাল প্লান্ট বসানোর জন্য কত হাজার একর সরকারি জমি দলীয় লোকদের দিয়েছেন তার হিসাবও দেয়া লাগবে !

Osman Sarker

Osman Sarker

২০১২.১২.০৩ ১২:০৩
আগে কৃষকের উৎপাদন খরচ দেওয়ার ব্যবস্থা করুন, প্লিজ

হিমেল ৭১৭

হিমেল ৭১৭

২০১২.১২.০৩ ১২:২৮
এত দিন বেতন অধেক টাকাই বিদূৎ দামে দিলাম!
ঐ গুলো কি বিদুৎ দাম না! নাকি!

Belal

Belal

২০১২.১২.০৩ ১২:২৮
দাম আমরা দেব। ভোগ আপনারা করেন। তবে এই দাম সময় হলে পাই পাই করে ফিরিয়ে দিতে হবেগো খালা।

Tajerul islam sadhin

Tajerul islam sadhin

২০১২.১২.০৩ ১২:৩৭
কথায় আছে ভাঙ্গা গাছ বাঁচলেও সোজা হয় না ।
খালি আমপাতা জোড়া জোড়া কবিতা পড়লেই ভাল ছাত্র হওয়া যায় না, ভাল ছাত্র হতে প্রচুর সময় ও সব বিষয় ভালভাবে পড়তে হয় ,, শুধু ঐ একটা না । । ।

Md. Aliuzzaman

Md. Aliuzzaman

২০১২.১২.০৩ ১২:৪৩
আর কত দেবো !

md.zulfiquer islam

md.zulfiquer islam

২০১২.১২.০৩ ১৩:০০
Honorable prime minister please do not tell this kind of speech.

shawon

shawon

২০১২.১২.০৩ ১৩:২২
আপনাদের বেতনভাতাও তো জনগনের ট্যাক্স ভ্যাটের টাকা দিয়েই আসে, শুধু অন্তত বিদ্যুৎ কেন?? !!!!!!!!!!!!!!

Zaman

Zaman

২০১২.১২.০৩ ১৫:২৬
আমরা দিতে রাজি আছি কিন্তু আমাদের আয় বাড়ানোর ব্যবসথা করে দেন অথবা বাড়িওয়ালাদের বলে দিন বাড়িভাড়া কমাতে।
২০১২.১২.০৩ ১৫:৩৯
আচ্ছা ভাই সকল বলুন তো রিক্সা বাড়া বেশী প্রয়োজনীয় নাকি দেশের উন্নয়নের জন্য বিদ্যুতের জন্য খরচ বৃদ্ধি করা বেশী প্রয়োজনীয়। আপনারা রিক্সা ভাড়া দিতে পারেন অনাআশেয় কিন্তু জীবনের জন্য প্রয়োজনী বিদ্যুৎ , গ্যাস , পানি এগুলি সরকারী ভাবে পেলে দুটাকা বেশী দিতে আপনাদের কৃপনতা কেন। যেখানে এক কেজি পানির দাম ২০টাকা(বোতল) সেখানে সাপলাইয়ের পানি হলে টনে টনে পানি ব্যবহার করছেন বিল যদি ১০০টাকা বেশী দিতে বলে দেখা যাবে দেশের মানুষ সব ভিকারী হয়ে গেছে। যেখানে ১কিউব গ্যাসের দাম ৩০টাকা সেখানে সারা বাস গ্যাস ব্যবহারের জন্য ৪০০টাকা অর্থাৎ দৈনিক ১৩ টাকা। আপনি সারা দিন চুলা জ্বালিয়ে রাখেন অথবা তিন বেলা যাবতীয় রান্না করেন, ঘন্টার পর ঘন্টা পানি সিদ্ধ করে তার জন্য আপনি দৈনিক ১৩ টাকা তার মানে আপনি সারা দিনে দ্বৈত চুলায় এক কিউব গ্যাস ব্যবহার করছেন না। এখন যদি ১৩টাকা থেকে যদি ২৫ টাকা করা হয় তাতে দেখা যাবে শুরু হয়ে গেছে গেল গেল সব গেল, মানুষ না খেয়ে মেরে যাচ্ছে। (বস্তত আমাদের দেশে কেহই মরে নাই।) তেমনি বিদ্যুতের । আচ্ছা আমরা বাঙ্গালী এমন কেন??????????????? প্রয়োজনীয় হোক আর অপ্রয়োনীয় হোক, সরকারী হলে এটি মাগনা কিংবা বিনা পয়সায় কিংবা ভুর্তুকী মূল্যে চাই কেন।??????????
২০১২.১২.০৩ ১৫:৪০
রিক্সায় মতিঝিল হতে মালিবাগ যেতে ৪০-৫০ লাগে। আর মিতিঝিল থেকে সাযেদাব যেতে ৫০-৬০ টাকা লাগে। কখনো কারো কখনো শুনি নি রিক্সা ভাড়া বেশী। অথচ বাসে মালিবাগ থেকে মতিঝিল আসতে লাগে ৪টাকা। কিন্তু কাউকে কখনো বলতে শুনিনি রিক্সা ভাড়া বেশী। একটি পরিবারে দৈনিক কত টাকা শুধু রিক্সার পিছনে ব্যায় হয়। ধরা যাক গৃহ কর্তা বাজারের বেগ নিয়ে বের হলেন বাজারে যাবেন, রাস্তা আসলেন রিক্সা উঠলেন বাজারে গেলেন ভাড়া ৩০টাকা। তেমনি আসতেও ৩০টাকা। কিন্তু এ রাস্তা তিনি হেটেও বাজারে যেতে পারতেন কিন্তু হেটে যেতে কষ্ট হবে, তাই রিক্সা ভাড়া আবশ্যক। তেমনি গৃহকর্র্তীর যাতায়ত বাবত কত রিক্সা ভাড়া ব্যায় হয়, তেমনি পরিবারে ছেলেমেয়েদের স্কুল কলেজে যাতায়ত বাবত কত রিক্সা ভাড়া ব্যায় হয়। তার আমরা সবাই কম বেশী জানি। গড়ে একটি পরিবারে দৈনিক মাথাপিছু ৩০থেকে ৫০টাকা শুধু রিক্সা বাড়া বাবদ ব্যায় হয় এ ব্যাপারে কেহ সন্দেহ করবে না। আচ্ছা আসি বিদ্যুৎ বিদ্যুতের ব্যাপারে। ঘরে বসে আছেন টিভি দেখছেন, মাথার উপর পাখা চলছে, বাতি জ্বলছে। ছেলেমেয়েরা লেখা পড়া করছে। কারণ বিদ্যুৎ আছে। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল সমস্ত বাড়ী অন্ধকার, শহর অন্ধকার, দেশ অন্ধকার নিমিষেই। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া বন্দ, পাখা চলছিল বন্দ, লাইট জ্বলছিল তাও বন্দ। টিভিতে খবর দেখছিলেন তাও বন্দ। সুতরাং রিক্সা অপেক্ষা বিদ্যুৎই বেশী প্রয়োজনীয় হবে, এ ব্যাপারে একেবারে গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়। এখন আমি বিদ্যুৎ বিলের ব্যাপারে আমার পরিবারে কয়েক মাস আগে বিদ্যুৎ বিল আসল ৭০০টাকা। আমরা পরিবারে ৪জন সদস্য। প্রত্যেক দিনের জন্য বিদ্যুৎ বাবদ খরচ আসল ২৪টাকা।এবং প্রত্যেক সদস্যের জন্য গড়ে বিল আসল ৫টাকা ৮০পয়সা। বর্তমান মাসে বিদ্যুৎ বিল আসে ১২০০টাকা। প্রতি দিনের জন্য বিদ্যুৎ বিল আসল ৪০টাকা। প্রত্যেক জনের জন্য নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সাপলাই বাবদ আসল ১০টাকা। এ যে একটি পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের যাবিত দিনের রিক্সা ভাড়া বাবত যে ব্যায় হয় তার কাছে ন্যাহায়েত সামান্যই। তাই আসুন, অপ্রয়োজনীয় ব্যায় কমিয়ে যা প্রযোজনীয় অত্যাবশ্যক তার জন্য কিছু ব্যায় করি দেখবেন কিছু দিনের মধ্যে একটি সুন্দর দেশ পাবেন। সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনারাই পারেন জনগনকে বুঝাতে দেশের উন্নয়নের জন্য রিক্সা বেশী প্রয়োজনীয় না বিদ্যুৎ এর জন্য ব্যায় করা বেশী প্রয়োজনী, তার বিশ্লেষন করতে। তাকিয়ে দেখেন ঢাকা শহরে রিক্সা আর রিক্সায় ভরে গেছে কারন মানুষ রিক্সায় চরে। সুতরাং আপনারাই ঠিক করুন, রিক্সা মুক্তা ও লোডশেডিং মুক্ত শহর চান নাকি রিক্সার ভরপুর ও বিদ্যুৎ বিহীন শহর চান।

তৌফিকুল মিয়াদ (তৌফিক)

তৌফিকুল মিয়াদ (তৌফিক)

২০১২.১২.০৩ ১৫:৪৭
উৎপাদন খরচ তো আমরা দিব।
কিন্তু এই উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার দায় তো আমরা নিতে পারি না। রেন্টাল- কুইক রেন্টাল বিদ্যুতের নামে দলীয় ব্যবসায়ীদের অর্থ হাতিয়ে নেবার রাস্তা তো আপনিই দেখিয়ে দিয়েছেন। বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার পিছনের এই ঘটনার দায় আপনি এড়িয়ে যেতে পারেন না।
২০১২.১২.০৩ ১৮:০২
সব কিছুর আগে বিদ্যুৎ চুরি বন্দ করতে হবে। সে জন্য প্রত্যেক খাম্বার গোড়ায় একটি ডিজিটাল মিটার স্থাপন করা যেতে পারে। এবং উক্ত এলাকার মিটার গুলির ব্যবহৃত বিদ্যুতের পরিমান ও খাম্বার গোড়ার মিটারের রিডিং পরিক্ষা করেই জানা জাবে ঠিক কোন খাম্বার গোড়াতে কত বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে। কারণ বিদ্যুৎ চুরির সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের লাইন চেকারাই জড়িত থাকে। সুতরাং তাদেরকে টাইট দেওয়ার জন্য খাম্বার গোড়ায় একটি করে ডিজিটাল মিটার লাগানো যেতে পারে।

Atik

Atik

২০১২.১২.০৩ ২০:৩৬
উৎপাদন খরচ দিতে আমরা রাজি আছি, কিন্তু অপরিকল্পিত ভাবে উৎপাদন খরচ বাড়ালেতো হবে না। আমরা কি জানতে পারি, আশুগঞ্জ কিংবা কাপ্তাইএ প্রতি উইনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কত?

২০১২.১২.০৩ ২২:২৯
আর কত নেবেন ? নিতে নিতে আমাদেরকে ফতুর করে ফেললেন l বিদ্যুৎ এর উত্পাদন খরচ এত কিভাবে হতে পারে ?
২০১২.১২.০৩ ২২:৫২
জনগণের দুঃখ-দুর্দশা কি আপনারা কখনই বুঝবেন না???