কেরানীগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন
জনগণকে অন্তত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ দিতে হবে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবিষ্যতে ভর্তুকি মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে না বলে ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, জনগণকে অন্তত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন ভর্তুকি দামে বিদ্যুৎ দিচ্ছি। উৎপাদনের চেয়ে কম খরচে আপনারা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন।’
প্রধানমন্ত্রী গতকাল রোববার ঢাকার কেরানীগঞ্জে পাওয়ারপ্যাক-মুতিয়ারা ১০০ মেগাওয়াট কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। তিনি বিদ্যুৎ ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধনের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ব্যাপারে গণসচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে প্রতিবছর প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। এ জন্য বিদ্যুতের যথেচ্ছ ব্যবহার কাম্য নয়।
সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পাওয়ারপ্যাক হোল্ডিং ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশে ৭ দশমিক ১১ একর জমিতে বিওও পদ্ধতিতে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুবিদ আলী ভূঁইয়া, সাংসদ নসরুল হামিদ, সিকদার গ্রুপের চেয়ারম্যান জায়নুল হক সিকদার প্রমুখ অনুুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্ষমতা নেওয়ার পর গত চার বছরে বিদ্যুৎসহ দেশের আর্থসামাজিক প্রতিটি খাতেই অনন্য অর্জন সাধিত হয়েছে। অক্লান্ত পরিশ্রমের সুফল জনগণ পাচ্ছে। সরকারের শুরুতেই ভঙ্গুর বিদ্যুৎব্যবস্থা পুনর্গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নিই।’
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সংস্কারের পাশাপাশি দ্রুত চাহিদা পূরণে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকে অগ্রাধিকার দেয়। এতে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট এবং বড় বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। এরই মধ্যে সরকারি-বেসরকারি খাতে প্রায় ৮০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে ৫২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় তিন হাজার ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ ছয় হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম হয়েছি এবং আমাদের উৎপাদন সামর্থ্য আট হাজার ৪২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।’
বর্তমানে জাতীয় প্রয়োজনে উৎপাদনে রেশনিং করার কারণে এখনো কিছুটা লোডশেডিং আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আরও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছি। ভারত থেকেও বিদ্যুৎ আমদানির উদ্যোগ নিয়েছি। এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনকে উৎসাহিত করছি।’








২০১২.১২.০৩ ০৩:৩৬Akbar ali
২০১২.১২.০৩ ০৭:০৫আবুল হাসান
২০১২.১২.০৩ ০৮:০৪Sezan
২০১২.১২.০৩ ০৮:১০Aminur Rahman
২০১২.১২.০৩ ০৮:২৭ABDUL MAJID QUAZI
২০১২.১২.০৩ ০৯:৩৩Tajerul islam sadhin
২০১২.১২.০৩ ১০:৪১
২০১২.১২.০৩ ১০:৫৩তাছাড়া দলের লোকদের বিনা টেন্ডারে প্লান্ট করার সুযোগ করে দিয়ে বিদ্যুতের দাম তো উনি নিজেই বাড়িয়ে দিলেন।
এই রেন্টাল প্লান্ট বসানোর জন্য কত হাজার একর সরকারি জমি দলীয় লোকদের দিয়েছেন তার হিসাবও দেয়া লাগবে !
Osman Sarker
২০১২.১২.০৩ ১২:০৩হিমেল ৭১৭
২০১২.১২.০৩ ১২:২৮ঐ গুলো কি বিদুৎ দাম না! নাকি!
Belal
২০১২.১২.০৩ ১২:২৮Tajerul islam sadhin
২০১২.১২.০৩ ১২:৩৭খালি আমপাতা জোড়া জোড়া কবিতা পড়লেই ভাল ছাত্র হওয়া যায় না, ভাল ছাত্র হতে প্রচুর সময় ও সব বিষয় ভালভাবে পড়তে হয় ,, শুধু ঐ একটা না । । ।
Md. Aliuzzaman
২০১২.১২.০৩ ১২:৪৩md.zulfiquer islam
২০১২.১২.০৩ ১৩:০০shawon
২০১২.১২.০৩ ১৩:২২Zaman
২০১২.১২.০৩ ১৫:২৬তৌফিকুল মিয়াদ (তৌফিক)
২০১২.১২.০৩ ১৫:৪৭কিন্তু এই উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার দায় তো আমরা নিতে পারি না। রেন্টাল- কুইক রেন্টাল বিদ্যুতের নামে দলীয় ব্যবসায়ীদের অর্থ হাতিয়ে নেবার রাস্তা তো আপনিই দেখিয়ে দিয়েছেন। বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার পিছনের এই ঘটনার দায় আপনি এড়িয়ে যেতে পারেন না।
Atik
২০১২.১২.০৩ ২০:৩৬
২০১২.১২.০৩ ২২:২৯