গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রগতিশীল সব শক্তিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে
এত দিন সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার পেছনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নাম আসত। এখন আওয়ামী লীগের সমর্থক এমনকি পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধেও সাম্প্রদায়িক হামলার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এসব হামলার সুষ্ঠু বিচারও হচ্ছে না।
রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল রোববার জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মানবাধিকার এবং বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে কয়েকজন বক্তা এসব কথা বলেন। তাঁরা বলেন, দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করতে হলে সব প্রগতিশীল শক্তিকে একযোগে কাজ করতে হবে।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), সুইজারল্যান্ড সরকার, সুইডেন সরকার ও ডেনমার্ক দূতাবাস মানবাধিকার কমিশনের ধারাবাহিক এই গোলটেবিল বৈঠকে সহযোগিতা দিচ্ছে। ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে এবং ৬ ডিসেম্বর খুলনায় একই ধরনের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠকে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, কিন্তু অসাম্প্রদায়িকতার চেতনা হুমকির মুখে। একে অপরের ওপর শ্রদ্ধা না থাকলে মানবাধিকার নিশ্চিত হবে না।’ তবে রামুর ঘটনার কথা উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ওই ঘটনার পর দেশে গুজরাটের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারত।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন আইন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এম শাহ আলম, সাবেক সচিব ও লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ, আইনজীবী রানা দাসগুপ্ত, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, মানবাধিকার কমিশনের সদস্য কাজী রিয়াজুল হক, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি) মহা-পরিচালক দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন






