সুন্দরবন
অনন্য এক বনভূমি
-
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্যারাবন বা ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট
ছবি: জিয়া ইসলাম
-
আবান মার্কার কাবরাজি
সুন্দরবন শুধু পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বা প্যারাবনই নয়, জীববৈচিত্র্যের ব্যাপকতায় বিশ্বব্যাপী এর গুরুত্ব অনন্যসাধারণ। এর গুরুত্ব ও ঐশ্বর্যরাশি নিয়ে লিখেছেন আইইউসিএন-এর এশীয় অঞ্চলের পরিচালক আবান মার্কার কাবরাজি।
বৈশ্বিক গুরুত্বের দিক থেকে সুন্দরবন সত্যি সত্যিই এক অনন্য বনভূমি। এটি উপকূলীয় এক বিশাল ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বা প্যারাবনের প্রান্তর। চিরপরিবর্তমান দ্বীপমালা ও সর্পিল খালের চোখজুড়ানো গোলকধাঁধা তৈরি করে বাংলাদেশের উপকূল হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত চলে যাওয়া বদ্বীপের পুরোটাতেই এর বিস্তৃতি। সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশটি ছড়িয়ে আছে প্রায় ছয় হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে। অনেকের মতে, এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্যারাবন ও বিপুলসংখ্যক জীববৈচিত্র্যের আবাস।
হিমালয় থেকে নেমে এসে সাগরে মেশার সময় গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর মোহনায় সুন্দরবনের সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিশাল নদী বঙ্গোপসাগরের যেখানে মিশেছে, সাগর সেখানে নোনা পানির সঙ্গে মিশে ঈষৎ নোনা মোহনা তৈরি করেছে। এখানে বেড়ে উঠছে বিচিত্র প্রাণসম্পদ।
বিশ্বের ৩৫টি সত্যিকারের প্যারাবনের জীবপ্রজাতির মধ্যে সুন্দরবনেই রয়েছে ১২ থেকে ১৩টি। সুন্দরবনের মতো উপকূলীয় এলাকায় টিকে থাকে বলেই প্যারাবনগুলো অনন্য। প্যারাবনগুলো ব্যাপক বিস্তৃত বনভূমি গড়ে তোলার কারণে বিশেষভাবে পরিচিত। নানা ধরনের মাছ, কাঁকড়া আর ঝিনুকের গুরুত্বপূর্ণ প্রজননভূমি হওয়ায় মানুষের খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রে এগুলো দারুণ উপকারে আসে। কারণ, বেড়ে ওঠার পর এরা বন ছেড়ে খোলা সাগরে বের হয়ে আসে এবং জেলেদের হাতে ধরা পড়ে। প্যারাবনগুলো জলবায়ুর পরিবর্তন এবং বিশেষ করে সাগরের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় হুমকির মুখে থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক অবকাঠামোর জোগান দেওয়ার কারণে এসব বিখ্যাত। কার্বন আধার হিসেবে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও প্রবল উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার ক্ষমতায় এগুলো অভ্যন্তরীণ ভূখণ্ডের মানুষদের প্রতিরক্ষা দেয়। প্রতিবছরই উপকূলে জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে বলে বাংলাদেশে, বিশেষ করে এর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে নিরাপত্তাব্যূহ হিসেবে প্যারাবনের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এটা সবার জানা যে এই অঞ্চলটি বনের প্রকৃতি ও মানববসতির মারাত্মক ক্ষতিকর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়প্রবণ।
এই প্যারাবনেই বৈচিত্র্যময় বুনো প্রাণীরা বেড়ে উঠছে। অবশ্যই রয়েল বেঙ্গল টাইগারই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। সৌন্দর্য, বুদ্ধি আর রাজসিক আচরণের কারণেই এদের খ্যাতি বেশি। লোককাহিনিতে এর শক্তি, ভয়ংকর দৃষ্টি আর বনের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার ক্ষমতায় অতিপ্রাকৃত ছোপ দেওয়া হয়েছে। এই অনন্য বনভূমিতে অবশ্য আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বুনো প্রাণী রয়েছে। চিত্রল হরিণ, বার্কিং ডিয়ার, বুনো ভালুক, বানর, ভোঁদড়, বেশ কিছু বনবিড়াল, গেছো বেড়াল ও ইঁদুর, বেজি ও গন্ধগোকুলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গাঙ্গেয় ডলফিন, ইরাবতী ডলফিন, কুমির, মনিটর গিরগিটি, গোখরা এবং অন্যান্য বিষাক্ত সাপ আর নানা ধরনের সরীসৃপ ও উভচরের মতো জলজ প্রাণী। বাংলাদেশে জানা মোট পাখির ৩৬ শতাংশ—অন্তত ২২৬ প্রজাতির বিপুলসংখ্যক পাখি রয়েছে এখানে।
১৯৯৭ সালে ইউনেসকো অনন্য জীববৈচিত্র্যের সুবাদে সুন্দরবনের অংশবিশেষ বিশ্ব-ঐতিহ্যের অংশ ঘোষণা করে কনভেনশনের ২ ও ৩ ধারার অধীনে প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের শ্রেণীভুক্ত করেছে। এক লাখ ৩৯ হাজার ৭০০ হেক্টরের বেশি এলাকাজুড়ে তিনটি অভয়ারণ্য এই মনোমুগ্ধকর বিশ্ব-ঐতিহ্যের ক্ষেত্র গড়ে তুলেছে। আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি হিসেবে ১৯৯২ সালে সুন্দরবনকে রামসার অঞ্চল ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশের বন বিভাগও বৃহত্তর সংরক্ষিত সুন্দরবনে চান্দপাই, দুধমুখী ও ধাঙমারি অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করেছে।
মানুষের জন্যও সুন্দরবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ব্যাপক পরিবেশগত সেবা দিয়ে থাকে। বহু শতাব্দী ধরে এই এলাকায় মানুষ বাস করে আসছে। এই অঞ্চলের বিপুল সম্পদ আকর্ষণীয় বলেই বনের বিশাল অংশকে চিংড়ি চাষ ও কৃষিকাজের জন্য সাফ করা হয়েছে, জন্তুজানোয়ার হত্যা করা হয়েছে, আর নদী বা খালের গতিপথ পরিবর্তন বা বাঁধ দেওয়ায় বসতি ধ্বংস হয়ে গেছে। তা সত্ত্বেও অনুমান করা হয়, বিশেষ করে সুন্দরবনের লাগোয়া উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ জীবিকার জন্য প্রত্যক্ষভাবে এর ওপর নির্ভরশীল। মধু, মোম, নিপাপাতা ও ঔষধি গুল্মের মতো পণ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। নদী ও খালে বিপুল পরিমাণ মাছ, চিংড়ি, ঝিনুক আর কাঁকড়ার বাস। প্রতিবছর শীত মৌসুমে জেলেরা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার জন্য উপকূলে পাড়ি জমান এবং ঝড়ের আগেই মূল ভূখণ্ডে ফিরে আসেন।
বাংলাদেশে উপকূলীয় এলাকা জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেবল মৎস্য সম্পদই জাতীয় জিডিপিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম অবদান রাখছে। সেই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলে দুটি সামুদ্রিক বন্দর, তিনটি রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা ও তিনটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
তা সত্ত্বেও উপকূলীয় এলাকায় ২৯ শতাংশ মানুষ চরম দরিদ্র অবস্থায় বাস করে বলে দারিদ্র্য খুবই সাধারণ ব্যাপার। বিশেষ করে উপকূলীয় নারীরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে সুবিধাবঞ্চিত। তবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও লিঙ্গ-সমতার ক্ষেত্রে জাতীয় নীতিমালা এখন নারীদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।
সুন্দরবনকে বেশ কিছু পরিবেশগত হুমকির মোকাবিলা করতে হচ্ছে। অঞ্চলটি বারবার প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত হওয়ায় মানুষের পাশাপাশি প্রাকৃতিক অবকাঠামোও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সীমিত সম্পদের ওপর বেড়ে ওঠা জনসংখ্যার চাপে ভূমির পরিবর্তিত ব্যবহার উপকূলীয় পরিবেশের প্রতি মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি করেছে। সেই সঙ্গে ভূমিক্ষয় ও প্লাবন, রুদ্ধ নিষ্কাশনব্যবস্থা, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, খরা, ভূমিকম্প, সুপেয় পানির অভাব, আর্সেনিকদূষণ, পরিবেশদূষণ ও জলবায়ুর পরিবর্তন বনভূমির অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এই বিশাল ও অনন্য বনভূমির রক্ষণাবেক্ষণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি, বেসরকারি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের এক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক এলাকায় দারুণ সক্রিয় হলেও অনেকেরই ভিন্ন ভিন্ন কর্মপরিকল্পনা থাকায় সমন্বয়ের ব্যাপারটি বেশ জটিল। এই মুহূর্তে গোটা উপকূলীয় ও সামুদ্রিক এলাকার ব্যবস্থাপনার একক দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। সমন্বিত উপকূলীয় ব্যবস্থাপনার বিষয়টি দেখার এবং সামগ্রিক জাতীয় উন্নয়ন কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমন্বিত উপকূলীয় উন্নয়নের কথা বলার জন্য বাংলাদেশের একটি উপকূলীয় অঞ্চল নীতি রয়েছে। খাতভিত্তিক নীতিমালা এবং একটি উপকূলীয় উন্নয়ন কৌশলের সমন্বিত নেটওয়ার্ক এই নীতিকে সমর্থন দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক কনভেনশন, চুক্তি ও প্রটোকলের সদস্য। এর ভেতর রয়েছে কিয়োটো প্রোটোকল অব ক্লাইমেট চেঞ্জের ২১ নম্বর এজেন্ডা, ইউএন এফসিসি, বাসেল কনভেনশন, ‘ব্র্যান্ডস আর কনভেনশন’ এবং সামুদ্রিক আইনবিষয়ক জাতিসংঘের কনভেনশন। বাংলাদেশ সাউথ এশিয়ান রিজিওনাল কো-অপারেশনের (সার্ক) সদস্য। এর মাধ্যমে সার্কভুক্ত আটটি দেশের পরিবেশমন্ত্রীরা সাময়িক ভিত্তিতে আঞ্চলিক সহযোগিতাবিষয়ক বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনার লক্ষ্যে মিলিত হয়ে থাকেন। এই অবকাঠামোর মাধ্যমে সার্ক পরিবেশসংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনা, ঢাকা ঘোষণা ও জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত সার্ক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের একটি পাঁচসালা পরিকল্পনা রয়েছে। উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের যেকোনো অঞ্চলের উন্নয়নে সরকারের লক্ষ্য সম্পর্কে জানার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনাবিন্দু। দারিদ্র্য-বিমোচনের লক্ষ্যে কৌশলগত পরিকল্পনা, ন্যাশনাল অ্যাডাপশন প্রোগ্রামস অব অ্যাকশন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত কৌশলগত পরিকল্পনা, জাতীয় জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশ টাইগার অ্যাকশন প্ল্যানসহ উপকূলীয় এলাকার সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কিছু জাতীয় পরিকল্পনা রয়েছে। সমন্বিত উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা, উপকূলীয় জীবিকা, বিপর্যয় ঝুঁকি হ্রাস, বনসম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন উদ্যোগ—এসব পরিকল্পনার পরিপূরকের কাজ করছে।
তা সত্ত্বেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা বাকি রয়ে গেছে। বাংলাদেশকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয় বলে জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত বিপদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য স্থিতিশীল জীবিকার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার বনভূমি রক্ষার চ্যালেঞ্জও বিবেচ্য। সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল বিপুলসংখ্যক গোষ্ঠীর ভেতর সমন্বয় স্থাপন এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রয়ে গেছে। ওপরে যেমন বলা হয়েছে, উপকূলীয় এলাকার নারীদের নাজুক অবস্থার কারণে লিঙ্গসমতা এখনো দূর বিবেচনার পর্যায়ে রয়ে গেছে। বিশেষ করে সবশেষে রয়েছে জীববৈচিত্র্য ও বনভূমির অবস্থার আলোকে সামাল দেওয়ার মতো ব্যাপক জ্ঞান।
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে সক্রিয়। আইইউসিএন আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত ও উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করে থাকে। আইইউসিএন এক হাজার ২০০টির বেশি সরকার ও এনজিও সদস্য এবং ১৬০টির মতো দেশের প্রায় ১১ হাজার স্বেচ্ছাসেবী বিশেষজ্ঞ নিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংস্থা। ৪৫টি দেশে এক হাজারের বেশি কর্মী এবং বিশ্বজুড়ে সরকারি, এনজিও ও বেসরকারি খাতের কয়েক শ অংশীদারের সমর্থনে আইইউসিএনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।
বর্তমানে আইইউসিএন বাংলাদেশের উপকূলসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে এর ‘ম্যানগ্রোভস ফর দ্য ফিউচার’-এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের অংশীদারি উদ্যোগের লক্ষ্যে কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ম্যানগ্রোভস ফর দ্য ফিউচার উপকূলীয় বনাঞ্চলে স্থিতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে বিনিয়োগে উৎসাহ জোগানোর জন্য একটি অংশীদারি উদ্যোগ। এই সংস্থা এমএফএফ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ, খাত ও এজেন্সিকে ক্রমবর্ধমান উপকূলীয় স্থিতিশীলতার পক্ষে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করার লক্ষ্যে একটি সহযোগিতামূলক মঞ্চের ব্যবস্থা করেছে। অংশীদারিভিত্তিক, জনমুখী, নীতিসংশ্লিষ্ট ও বিনিয়োগমুখী পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যবান উপকূলীয় বনভূমি গড়ে তোলাই এমএফএফের মিশন—যেটা জ্ঞান উৎপাদন ও প্রয়োগ করে, সম্প্রদায় ও অন্য স্বার্থসংশ্লিষ্টদের ক্ষমতায়ন করে, নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়, জীবিকার নিশ্চয়তা দেয় এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের মুখে স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে।
সহলেখক: ইশতিয়াক উদ্দীন আহমদ: বাংলাদেশে আইইউসিএন-এর আবাসিক প্রতিনিধি এবং মাইকেল ডোহার্টি: প্রকৃতি বিষয়ক আলোকচিত্রী
ইংরেজি থেকে অনূদিত
আবান মার্কার কাবরাজি, পাকিস্তান
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন






