প্রথম আলো প্রতিনিধিকে মারধর করলেন লক্ষ্মীপুরের তাহের
প্রথম আলোর লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি এম জে আলমকে মারধর করেছেন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র আবু তাহের। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জেলা শহরের মার্কাজ মসজিদ এলাকায় সরকারি জমি দখলের ছবি তুলতে গেলে আওয়ামী লীগের বহুল আলোচিত নেতা তাহেরের রোষানলে পড়েন এই সাংবাদিক।
লক্ষ্মীপুর-রামগতি সড়কের মার্কাজ মসজিদ-সংলগ্ন স্থানে গণপূর্ত বিভাগের জমি দখল হওয়ার অভিযোগ পেয়ে ছবি তুলতে যান প্রথম আলোর প্রতিনিধি। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, জায়গাটিতে পৌরসভার প্রস্তাবিত নিউমার্কেট লেখা সাউনবোর্ড লাগানো। সাংবাদিক ওই জায়গার ছবি তুলছেন, এমন খবর পেয়েই মেয়র আবু তাহের ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং এম জে আলমকে গালাগাল শুরু করেন। একপর্যায় তাঁর জামার কলার ধরে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। আলমের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলেও কেউ তাঁকে উদ্ধার করতে সাহস পায়নি। উপস্থিত লোকজনের সামনেই তাহের সাংবাদিক আলমকে টেনেহিঁচড়ে তাঁর গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। তাঁকে শহরের নছির আহম্মদ ভূঁইয়া মিলনায়তনে আটকে রাখা হয়। তাহের প্রথম আলোর প্রতিনিধির কাছ থেকে ওই জমি দখলের ব্যাপারে প্রতিবেদন না লেখার প্রতিশ্রুতি আদায়ের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সেখানে লোকজন জড়ো হলে আধা ঘণ্টা পর সাংবাদিক আলমকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এম জে আলম বলেন, ‘দখলের ছবি তুলতে তাঁর অনুমতি কেন নিইনি—এ কথা বলেই আবু তাহের আমাকে গালাগাল করতে থাকেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মারধর শুরু করেন। তারপর টেনেহিঁচড়ে গাড়িতে তোলেন। তিনি আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। আমি তাৎক্ষণিক ঘটনাটি থানার পুলিশকে জানাই। বর্তমানে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা ধিক্কার জানাই। ন্যক্কারজনকভাবে হামলা করে সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শনিবার (আজ) আমরা জরুরি সভা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেব।’
সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হত্যার হুমকির বিষয়ে আবু তাহেরের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর ছেলে এ কে এম সালাউদ্দিন ওরফে টিপু বলেন, ‘অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ওই ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা অনুতপ্ত।’
জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ছরোয়ার বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।’







bitu
২০১২.১১.২৪ ০৩:৪২Azad Abul Kalam
২০১২.১১.২৪ ০৫:৪৬ABDUL MAJID QUAZI
২০১২.১১.২৪ ০৬:১৫ইকবাল পারভেজ
২০১২.১১.২৪ ০৬:২৪Zahid Ishtiaque
২০১২.১১.২৪ ০৬:৩২MAMUN AHMED
২০১২.১১.২৪ ০৭:৫৩ব্যবস্থা নেবেন ?!!!!! কি ব্যবস্থা নেবেন ?
MD Ahmed
২০১২.১১.২৪ ০৮:০০mahfuza bulbul
২০১২.১১.২৪ ০৮:২৩mosabber
২০১২.১১.২৪ ০৮:৫৬Akas
২০১২.১১.২৪ ০৯:০১Mohammad Shah Alam
২০১২.১১.২৪ ০৯:৪০moazzem hossen
২০১২.১১.২৪ ০৯:৫০kmiukhan
২০১২.১১.২৪ ০৯:৫১Mohiuddin Maswood
২০১২.১১.২৪ ১০:০০mahadi
২০১২.১১.২৪ ১০:০৫Imtiaj
২০১২.১১.২৪ ১০:০৬আইন-আদালত তার কাছে মেনেছে হের!
Mohammad Morshed
২০১২.১১.২৪ ১০:১০MIZAN
২০১২.১১.২৪ ১০:১২SHAME SHAME SHAME
s rahman
২০১২.১১.২৪ ১০:৩৪Emdad
২০১২.১১.২৪ ১০:৩৪Forhad
২০১২.১১.২৪ ১১:৩১M Jasem
২০১২.১১.২৪ ১১:৩৯What a Police Officer - why someone has to complain to police? Is this not police duty to maintain peace in society?
shamim
২০১২.১১.২৪ ১১:৪২বাবুল করিম
২০১২.১১.২৪ ১১:৪৯Shafiq Islam
২০১২.১১.২৪ ১১:৫০উনি তো লক্ষীপুরের গডফাদার উনার বিচার কে করবে ,তিনি সেই ব্যক্তি যার ছেলেকে ফাসির সাজাপ্রাপ্ত থেকে ক্ষমা করে দেয় বর্তমান সরকারের রাষ্ট্রপতি । এই হল আমাদের দেশের শাসন ব্যবস্থা ।
md. anwar hossain chowdhury
২০১২.১১.২৪ ১২:২৯anowar ullah chowdhury
২০১২.১১.২৪ ১৩:১৩ibne mizan
২০১২.১১.২৪ ১৪:০০সুহাস
২০১২.১১.২৪ ১৪:১৪Mohammad
২০১২.১১.২৪ ১৪:৫৫Saiful Islam
২০১২.১১.২৪ ১৫:৫৪Abdullah Al Zubayer
২০১২.১১.২৪ ১৬:১৫Selina Sultana
২০১২.১১.২৪ ১৮:৫৮Atiqur Rahman Ramzan
২০১২.১১.২৪ ২০:৩৯