শিরোনাম:

কোকোর পাচার করা অর্থ ফেরত

এটা সরকারের ষড়যন্ত্র: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৪-১১-২০১২

  • ১৯ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ‘পাচার করা’ অর্থ ফেরত আনার খবর প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। এটা বিরোধী দলের বিরুদ্ধে সরকারের ষড়যন্ত্রের একটি অংশ বলে দাবি করেছেন দলটির মুখপাত্র ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গতকাল শুক্রবার সকালে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ দাবি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সরকারের এজেন্টে পরিণত হয়েছে। তারা এখন সরকারের দায়িত্ব নিয়ে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চরিত্রহননের কাজে নেমেছে।
এদিকে কোকোর আইনজীবী মাহবুবউদ্দিন দাবি করেন, সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্যই দুদক এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, এ মামলায় সিঙ্গাপুরের ইউনাইটেড ওভারসিজ ব্যাংকে যে সময় টাকা জমা রাখার কথা বলা হচ্ছে, সে সময় কোকো কারাগারে বন্দী ছিলেন।
দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান গত বৃহস্পতিবার কোকোর পাচার করা অর্থ ফেরত আনার তথ্য জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ চেষ্টার পর তাঁরা পাচার করা অর্থের একটি অংশ দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরেছেন, যার পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা।
দুদকের এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা মনে করি, দুদকের কথিত অর্থ ফেরত আনার ঘটনাটি বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চরিত্রহননের চেষ্টার অংশবিশেষ। এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’ তিনি দুদককে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ সংস্থা আখ্যায়িত করে বলেন, জনগণের নজর অন্যদিকে সরিয়ে দিতে সরকারের এজেন্ট হিসেবে দুদক কোকোসহ বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। অথচ হল-মার্ক, ডেসটিনি এবং পুঁজিবাজারের লাখ লাখ কোটি টাকা সরকারি দলের লোকজন বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। দুদক এখন পর্যন্ত সরকারি দলের কোনো নেতার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ গঠন কিংবা তদন্ত করেনি। রেলের ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্তকেই নির্দোষ বলে সনদপত্র দিয়েছে তারা।
ছাত্রলীগের হামলায় গুরুতর আহত শরীয়তপুর জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক সিরাজুল হক মোল্লা ও ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল হক মোল্লাকে গতকাল সকালে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে দেখতে গিয়ে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
আইনজীবীর সংবাদ সম্মেলন: গতকাল নোয়াখালী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আরাফাত রহমান কোকোর আইনজীবী ও বিএনপির সাংসদ মাহবুবউদ্দিন দুদক চেয়ারম্যানের বক্তব্যকে বিভ্রান্তিকর ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
মাহবুবউদ্দিন বলেন, সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া ও কোকোকে আটক করা হয়। ২০০৮ সালের শেষের দিকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। অথচ, সিঙ্গাপুরের ইউনাইটেড ওভারসিস ব্যাংকে যে সময় টাকা জমা রাখার কথা বলা হচ্ছে, তাহলো ২০০৭ সালের ১৬ নভেম্বর, ওই সময় কোকো দেশে কারাগারে বন্দী ছিলেন। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, কোকো যখন বাংলাদেশের কারাগারে, তখন তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিল কে?

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.১১.২৪ ০৬:২৩
কেউ কারও থেকে কম নয় । দুর্নীতিতে সব দলই গিনিস বুকে নাম রেকর্ড করাতে ব্যস্ত। অথচ তাদের ভাষনে তারা সবাই দেবতা ।
২০১২.১১.২৪ ০৭:১৫
তার মানে ফখরুল সাহেব, আপনি আমাদের বোঝাতে চাইছেন কোকো মাত্র সাড়ে ১৩ কোটি টাকা সরিয়েছে ? আর তারই ধারাবাহিকতায় লাখ লাখ কোটি টাকা সরকারি দলের লোকজন বিদেশে পাচার করে দিয়েছে ? তারা ক্ষমতায় থাকায় দূদক তাদের এখন ধরছেনা, তাতে অসুবিধা কোথায় ? আপনারা আবার যখন আসবেন, তখন তাদের একইভাবে ধরবেন , কাটাকাটি হয়ে যাবে , তাই না ? এখন কথা হল, আপনাদের এই ধরাধরি, আড়ি কাটাকাটি আর থুক্কু খেলার মাঝখানে আমরা জনগন কি পাব ?

এর সরল উত্তর- অশ্ব ডিম্ব।

Mohamed S Rahman

Mohamed S Rahman

২০১২.১১.২৪ ০৭:৩৮
ম্যাডাম এখন বলে দিলেই পারেন ঐ টাকা শেখ হাসিনা তার নিজস্ব হিসাব থেকে কোকোর নামে ব্যাঙ্কে জমা দিয়ে এখন কোকোর বদনাম রাটাচ্ছেন। ২০০ সুটকেসে করে যে সম্পদ সৌদী আরবে গিয়েছিল তার হিসাব কখন পাব? আর দেরী সইছে না। তাড়াতাড়ি আমাদেরকে জানতে দিন ঐ ২শত সুটকেসে কী ছিল।

Md Musa

Md Musa

২০১২.১১.২৪ ০৮:৩৫
ফখরুল, এরকম শক্ত প্রমানের পরেও আপনারা কেন এটাকে ষড়যন্ত্র বলছেন আমরা সেটা বেশ বুঝতে পারি। কারন সত্য স্বীকার করলে আপনারা অস্তিত্ব সংকটে পড়বেন যেখানে আপনাদের দলের নেত্রী বলেছেন তার ছেলেরা নাকি কোনদিন কোন দুর্নীতিই করেনি। কিন্তু সমস্যা হলো কি, দেশের মানুষ গর্দভ নয়।
২০১২.১১.২৪ ০৯:০৫
হল-মার্ক, ডেসটিনি এবং পুঁজিবাজারের লাখ লাখ কোটি টাকা সরকারি দলের লোকজন বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। দুদক এখন পর্যন্ত সরকারি দলের কোনো নেতার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ গঠন কিংবা তদন্ত করেনি। রেলের ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্তকেই নির্দোষ বলে সনদপত্র দিয়েছে তারা।

Mohammed

Mohammed

২০১২.১১.২৪ ০৯:২৬
চরিত্র থাকলে তা হরণ করা যায়।
২০১২.১১.২৪ ০৯:৫২
একটা সাধারণ প্রশ্ন ঘুষ যদি সিমেন্স দি্যে থাকে তবে টাকার মালিক বাংলাদেশ কিভাবে হয় ??? এ টাকা তো সিমেন্সের । সিঙ্গাপুর কি সিমন্সকে টাকা না দিয়ে বাংলাদেশকে দিয়ে দিল !!!

Moniruzzaman

Moniruzzaman

২০১২.১১.২৪ ১০:১০
সভ্যতা-ভব্যতা জ্ঞান থালে সেই লোকের রাজনীতি করা মানায় না।

Durbar

Durbar

২০১২.১১.২৪ ১০:১৭
‘আমরা মনে করি, দুদকের কথিত অর্থ ফেরত আনার ঘটনাটি বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চরিত্রহননের চেষ্টার অংশবিশেষ।"
মি: মির্জা,আপনাদের মনে করা করিতে যদি সব সমস্যার সমাধান হোত ,তাহলেতো দেশে আইন-আদালতের কোন দরকারই পড়তো না ।

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১২.১১.২৪ ১১:৩০
জনাব, অাপনার কথাগুলো সত্যি ভাবতে ভাল লাগছে । তবে অাসলে কী সত্যি ? কারন রাজনীতিবিদদের প্রতি বিশবাস কমে গেছে অাপনাদের কারনেই!
২০১২.১১.২৪ ১২:২৬
Before deposited money in the bank first needed bank account number (sb or current a/c) and the account holder name. If he is in jail his representative (only knowing the a/c holder name) can deposited money it does not matter who is deposited money in the bank. Deposit slip can proof who is deposited money. But we saw in news paper some singapore partner is involve with this semans matter.
But the question is a lot of proof is done and money is return this is the reality. Please show how they survive in foreign country who is paying them we want to know.

BNP people we know the fact why you trying to forcing us to believe the story. so you tell us what is the real story we saw how black money make it white money as a prime minister as a honest persons mother.

MK. Hasan

MK. Hasan

২০১২.১১.২৪ ১২:৩২
When read the news paper then I think country ownership are only BNP & AWL. We the general people are stupid. Its the time of Political leader to think about mass people not Zia and Mojib family.

kazi abdul mohite

kazi abdul mohite

২০১২.১১.২৪ ১২:৪৮
আমাদের রাজনীতিবিদরা জনকল্যান করার চাইতেও আমাদের মগজ ধোলাই করতে বেশি পছন্দ করে।ধরলাম দুদক রাজনৈতিক ভাবে পরিচালিত হয়ে কথা বলসে।কিন্তু FBI তো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে সিমেন্স এর ঘুষ প্রদানের বিষয় টি তদন্ত করেনি।

kazi abdul mohite

kazi abdul mohite

২০১২.১১.২৪ ১২:৪৮
আমাদের রাজনীতিবিদরা জনকল্যান করার চাইতেও আমাদের মগজ ধোলাই করতে বেশি পছন্দ করে।

Md. Shamsuddoha Tapos

Md. Shamsuddoha Tapos

২০১২.১১.২৪ ১৩:২৪
জনাব, পাবলিক রে কি পাগল পাইসেন ?

২০১২.১১.২৪ ১৩:২৬
Amount deposited in the bank at Singapur after arresting mr. Koko? By whom the money is deposited? pls publish it.

Momenur Rashid Siddiquee

Momenur Rashid Siddiquee

২০১২.১১.২৪ ১৪:০৭
ho ho ho, hi hi hi, ha ha ha

Naz

Naz

২০১২.১১.২৪ ১৪:৪৯
দূদক সরকারের এজেন্ট, সরকারদলীয় কোন চোরকে কিছুই করতে পারেনি ইত্যাদি ইত্যাদি ..... সবই মানলাম কিন্তু তাই বলে বিদেশি সরকার আর ব্যাংকগুলো বাংলাদেশে শখের বশে টাকাগুলো পাঠিয়ে দিয়েছে - তাই না? জজ মিয়ার গল্প আর চলবেনা। আপনাদের কাছ থেকে আর ভাল কিছু আশা করা ঠিক হবেনা। যারা চোরের পক্ষ দেয় তাদেরে আর ভোট দেয়া যায় না।

Shakti Chandra Mondal

Shakti Chandra Mondal

২০১২.১১.২৫ ০০:২৫
হায়রে !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! ........পক্খে সাফায় গায়. ...........