কোকোর পাচার করা অর্থ ফেরত
এটা সরকারের ষড়যন্ত্র: ফখরুল
খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ‘পাচার করা’ অর্থ ফেরত আনার খবর প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। এটা বিরোধী দলের বিরুদ্ধে সরকারের ষড়যন্ত্রের একটি অংশ বলে দাবি করেছেন দলটির মুখপাত্র ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গতকাল শুক্রবার সকালে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ দাবি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সরকারের এজেন্টে পরিণত হয়েছে। তারা এখন সরকারের দায়িত্ব নিয়ে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চরিত্রহননের কাজে নেমেছে।
এদিকে কোকোর আইনজীবী মাহবুবউদ্দিন দাবি করেন, সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্যই দুদক এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, এ মামলায় সিঙ্গাপুরের ইউনাইটেড ওভারসিজ ব্যাংকে যে সময় টাকা জমা রাখার কথা বলা হচ্ছে, সে সময় কোকো কারাগারে বন্দী ছিলেন।
দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান গত বৃহস্পতিবার কোকোর পাচার করা অর্থ ফেরত আনার তথ্য জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ চেষ্টার পর তাঁরা পাচার করা অর্থের একটি অংশ দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরেছেন, যার পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা।
দুদকের এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা মনে করি, দুদকের কথিত অর্থ ফেরত আনার ঘটনাটি বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চরিত্রহননের চেষ্টার অংশবিশেষ। এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’ তিনি দুদককে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ সংস্থা আখ্যায়িত করে বলেন, জনগণের নজর অন্যদিকে সরিয়ে দিতে সরকারের এজেন্ট হিসেবে দুদক কোকোসহ বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। অথচ হল-মার্ক, ডেসটিনি এবং পুঁজিবাজারের লাখ লাখ কোটি টাকা সরকারি দলের লোকজন বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। দুদক এখন পর্যন্ত সরকারি দলের কোনো নেতার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ গঠন কিংবা তদন্ত করেনি। রেলের ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্তকেই নির্দোষ বলে সনদপত্র দিয়েছে তারা।
ছাত্রলীগের হামলায় গুরুতর আহত শরীয়তপুর জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক সিরাজুল হক মোল্লা ও ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল হক মোল্লাকে গতকাল সকালে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে দেখতে গিয়ে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
আইনজীবীর সংবাদ সম্মেলন: গতকাল নোয়াখালী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আরাফাত রহমান কোকোর আইনজীবী ও বিএনপির সাংসদ মাহবুবউদ্দিন দুদক চেয়ারম্যানের বক্তব্যকে বিভ্রান্তিকর ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
মাহবুবউদ্দিন বলেন, সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া ও কোকোকে আটক করা হয়। ২০০৮ সালের শেষের দিকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। অথচ, সিঙ্গাপুরের ইউনাইটেড ওভারসিস ব্যাংকে যে সময় টাকা জমা রাখার কথা বলা হচ্ছে, তাহলো ২০০৭ সালের ১৬ নভেম্বর, ওই সময় কোকো দেশে কারাগারে বন্দী ছিলেন। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, কোকো যখন বাংলাদেশের কারাগারে, তখন তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিল কে?







ABDUL MAJID QUAZI
২০১২.১১.২৪ ০৬:২৩এর সরল উত্তর- অশ্ব ডিম্ব।
Mohamed S Rahman
২০১২.১১.২৪ ০৭:৩৮Md Musa
২০১২.১১.২৪ ০৮:৩৫Mohammed
২০১২.১১.২৪ ০৯:২৬Moniruzzaman
২০১২.১১.২৪ ১০:১০Durbar
২০১২.১১.২৪ ১০:১৭মি: মির্জা,আপনাদের মনে করা করিতে যদি সব সমস্যার সমাধান হোত ,তাহলেতো দেশে আইন-আদালতের কোন দরকারই পড়তো না ।
Mohammad Shah Alam
২০১২.১১.২৪ ১১:৩০But the question is a lot of proof is done and money is return this is the reality. Please show how they survive in foreign country who is paying them we want to know.
BNP people we know the fact why you trying to forcing us to believe the story. so you tell us what is the real story we saw how black money make it white money as a prime minister as a honest persons mother.
MK. Hasan
২০১২.১১.২৪ ১২:৩২kazi abdul mohite
২০১২.১১.২৪ ১২:৪৮kazi abdul mohite
২০১২.১১.২৪ ১২:৪৮Md. Shamsuddoha Tapos
২০১২.১১.২৪ ১৩:২৪
২০১২.১১.২৪ ১৩:২৬Momenur Rashid Siddiquee
২০১২.১১.২৪ ১৪:০৭Naz
২০১২.১১.২৪ ১৪:৪৯Shakti Chandra Mondal
২০১২.১১.২৫ ০০:২৫