‘ভাগ্যবান’ পেলে
গারিঞ্চা ও পেলে: যখন ব্রাজিল দলে
তাঁর বাঁ পা ছিল ডান পায়ের চেয়ে কিছুটা খাটো। কিন্তু সেই বিসদৃশ পা জোড়া নিয়েই কাঁপিয়েছিলেন ফুটবল বিশ্ব। ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন অসংযমী, আকণ্ঠ ডুবে থাকতেন মদে। সে কারণেই কি না ৪৯ বছর বয়সেই অন্যলোকে পাড়ি জমিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের কিংবদন্তি গারিঞ্চা। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর ১৮ মাস আগে, ১৯৮১ সালে আর্জেন্টাইন রিপোর্টার কার্লোস বিকিচকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলে যান, পাশে খেলা দুর্দান্ত কিছু সতীর্থকে ছাড়া ‘পেলে’ এত বড় খেলোয়াড় হতে পারতেন না! ২১ বছর পর আলোর মুখ দেখেছে সেই অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার।
গারিঞ্চা সেখানে দাবি করেছেন, সতীর্থদের সাহায্য ছাড়া পেলে কখনোই ‘ফুটবলসম্রাট পেলে’ হতে পারতেন না। ১৯৫৮ সালে ব্রাজিলকে প্রথম বিশ্বকাপ জেতাতে এই জুটিরই ছিল বড় ভূমিকা। কিন্তু পেলে সম্পর্কে কেন যেন কিছুটা অবজ্ঞাই প্রকাশ করেছেন ‘বাঁকা পায়ের দেবদূত’, ‘সে একজন ভালো খেলোয়াড় ছিল। কিন্তু সে ভাগ্যবানও ছিল। সে অনেক গোল করেছিল। কিন্তু তার ভাগ্য ভালো, তাকে পাস দেওয়ার জন্য বেশ কিছু ভালো খেলোয়াড়ও তার আশপাশে ছিল।’ এএফপি।








সাক্ষাতকার গ্রহনকারী একজন আর্জেন্টাইন হওয়ায় সন্দেহ থেকেই যায় যে, কথাগুলো সত্যিই গারিঞ্চার কিনা!
আজ থেকে ১৫/২০ বছর পর পেলের স্থলে মেসিকে আর গারিঞ্চার বদলে জাভি বা ইনিয়েস্তার নাম বসালেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়ে যায়! এবং ঐ ইতিহাসকে অস্বীকার উপায় বর্তমানের মেসি ভক্তদেরও থাকবে না। তাই যার যতটুকু প্রাপ্য তাকে সেই সম্মান দেখানো উচিত সে পেলে হোক আর মেসি বা ম্যারাডোনা হোক।
Abdullah al shames
২০১২.১১.২৪ ১০:০৩Abdullah al shames
২০১২.১১.২৪ ১০:৩০raihan
২০১২.১১.২৪ ১১:৩২Mahabube Alahi Tabannum
২০১২.১১.২৪ ১১:৪৯Md. Shafiqul Islam
২০১২.১১.২৪ ১৪:০৯Zahid Hossain
২০১২.১১.২৪ ১৫:০২