ঢাকার জয়, মার্শাল আয়ুবের ডাবল সেঞ্চুরি
জাতীয় লিগে চারটি ম্যাচ চলছিল। এর মধ্যে একটি ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে আজ তৃতীয় দিনেই। রাজশাহী বিভাগকে ১২৭ রানে হারিয়েছে ঢাকা। বাকি তিনটি নিষ্পত্তি হবে কাল মঙ্গলবার, খেলার শেষ দিনে।
ঢাকা-রাজশাহী: প্রথম ইনিংসে ঢাকা ১১৬ রানে অলআউট হওয়ার পর রাজশাহীর সংগ্রহ ছিল ১৭৮ রান। প্রথম ইনিংসে রাজশাহীর চেয়ে ৬২ রানে পিছিয়ে থাকা ঢাকা আজ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩২২ রানে অলআউট হয়। জয়ের জন্য রাজশাহীর লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬১ রান। তবে মাহমুদউল্লাহর বোলিংয়ের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে মাত্র ১৩৩ রানে থেমে যায় মুশফিকুর রহিমের দল। ঢাকার জয় ১২৭ রানে। মাহমুদউল্লাহ চারটি ও শাহাদাত হোসেন দুটি উইকেট শিকার করেন।
চট্টগ্রাম-ঢাকা মহানগর: বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে চলছে রানবন্যা। প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রাম করেছিল ৪১১ রান। তামিম ইকবাল ১৯২ ও মমিনুল হক ১২০ রান করেন। জবাবে আজ দিন শেষে ঢাকা মহানগরের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৫০৯ রান। ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন মার্শাল আয়ুব (২০৯)। মেহরাব হোসেন জুনিয়র করেন ১২২ রান। তাসামুল হক ৫৯ ও সগীর হোসেন ২০ রানে অপরাজিত আছেন। খেলার তিন দিনে কেবল একটি ইনিংস শেষ হয়েছে। এর মানে, কাল অতিনাটকীয় কিছু না ঘটলে ড্রয়েই সমাপ্ত হবে এই ম্যাচ।
খুলনা-বরিশাল: দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে খুলনার সংগ্রহ ২ উইকেটে ৯৫; জয় পেতে কাল আরও ১৬২ রান করতে হবে শাহরিয়ার নাফীসের দলকে। প্রথম ইনিংসে খুলনা ৩১৪ ও বরিশাল ২৭৮ রান করে। দ্বিতীয় ইনিংসে খুলনা তোলে ২২০ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন তাপস ঘোষ। বরিশালের হয়ে একাই সাতটি উইকেট তুলে নেন সোহাগ গাজী। আর গতকাল ব্যাট হাতে তিনি দারুণ এক সেঞ্চুরিও তুলে নিয়েছেন।
রংপুর-সিলেট: ৪ উইকেটে ১৬৮ নিয়ে দিনের খেলা শুরু করা সিলেটের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩২৩ রানে। সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন অধিনায়ক অলক কাপালি। আরিফুল হক তিনটি ও আলাউদ্দিন বাবু দুটি উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামা রংপুরের দিন শেষে সংগ্রহ কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০ রান। সিলেটের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ রানে পিছিয়ে সোহরাওয়ার্দীর দল। প্রথম ইনিংসে রংপুর ২৯৫ রানে অলআউট হয়।
পাঠকের মন্তব্য
- আপনার মতামত দিন







