নাটকীয় ম্যাচে শিরোপা রাসেলের
শিরোপা ধরে রাখতে পারল না শেখ জামাল ধানমন্ডি। তাদের ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো গ্রামীণফোন ফেডারেশন কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। এটাই শেখ রাসেলের প্রথম বড় কোনো টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়।
ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো গোল হয়নি। অতিরিক্ত সময়ের চার মিনিট যেতে না যেতেই গোলের দেখা পেয়ে যায় শেখ জামাল। কোনাকুনি শটে রাসেলের জালে বল জড়িয়ে দেন জামালের মাইক। এরপর বেশ কিছু সময় গোল হয়নি। মনে হচ্ছিল, শিরোপা নিজেদের ঘরেই রেখে দিতে চলেছে শেখ জামাল। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শেখ রাসেল। ১১ মিনিটে হেড থেকে দুর্দান্ত এক গোল করে ম্যাচে সমতায় ফেরান এমিলি। খেলা শেষ হওয়ার একেবারে অন্তিম মুহূর্তে বাঁ পায়ের শটে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান সনি। সেই গোল আর শোধ করার সময় পায়নি শেখ জামাল।
ফাইনাল মানেই টান টান উত্তেজনা। আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ। তবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আজকের ফাইনালটা ছিল সেদিক থেকে অনেকটাই ব্যতিক্রম। বাংলাদেশের ফুটবলের দুই ঐতিহ্যবাহী দল আবাহনী ও মোহামেডান না থাকায় ফাইনাল ম্যাচ অনেকটাই প্রাণ হারায়। তাই এ ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা ছিল কম। মাঠের লড়াইয়েও তেমন উত্তেজনা ছড়াতে পারেননি শেখ রাসেল ও শেখ জামালের খেলোয়াড়েরা। অতিরিক্ত সময়ের খেলাটুকুই যা একটু ব্যতিক্রম ছিল। এ পর্যায়ে এসে দেখা দেয় সত্যিকারের ফাইনালের আবহ।
কাগজে-কলমে এ ম্যাচে এগিয়ে ছিল শেখ রাসেল। কিন্তু শেখ জামাল এগিয়ে ছিল অভিজ্ঞতায়। এটি ছিল জামালের টানা তৃতীয় ফেডারেশন কাপ ফাইনাল। আর রাসেল এর আগে কোনো প্রতিযোগিতার ফাইনালই খেলেছে মাত্র একবার। সেটা গত বছর স্বাধীনতা কাপে। ওই ম্যাচে ফরাশগঞ্জের কাছে হেরে যায় তারা। কিন্তু এবারের মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্টের ফাইনালে আজ দুরন্ত শেখ রাসেলের কাছে হার মেনেছে শেখ জামালের অভিজ্ঞতা।








Russo
২০১২.১০.২২ ২৩:০৪আমি যদিও মোহামেডান এর সমর্থক এবং মোহামেডান ছাড়া অন্য অন্য কার কি হল তাতে আমার কিছুই আসে যায় না, কিন্তু তবুও ঢাকার মাঠে দর্শক নাই এটা মেনে নেয়া কষ্টের ব্যাপার। টিকিট বিক্রি না হলে বাফুফের উচিৎ গেট খুলে ফ্রি দর্শক দের মাঠে নিয়ে আসা। মাঠে আসার পুরাতন অভ্যাসটা ফিরে আসলে একদিন দর্শক টিকেট কেটে মাঠে ফিরবে।
Mohammad Abdullah
২০১২.১০.২২ ২৩:২১