শিরোনাম:

সময়চিত্র

জজ মিয়া সিনড্রম

আসিফ নজরুল | তারিখ: ১৩-১০-২০১২

  • ৭১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
জজ মিয়া সিনড্রমে পূতিগন্ধময় হয়ে উঠবে মানবাধিকার, আইনের শাসন আর গণতন্ত্র

জজ মিয়া সিনড্রমে পূতিগন্ধময় হয়ে উঠবে মানবাধিকার, আইনের শাসন আর গণতন্ত্র

জজ মিয়ার আবির্ভাব ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় পৈশাচিক গ্রেনেড হামলার পর। কয়েক মাস ‘ব্যাপক তদন্তের’ পর বিএনপি সরকার এ ঘটনার জন্য জজ মিয়া নামক একজনকে দায়ী করে সংবাদমাধ্যমে হাজির করে। পলকা দেহের ছিঁচকে অপরাধী জজ মিয়া আর্জেস বোমা দূরের কথা, শেখ হাসিনার জনসভায় ঢিল মারার সামর্থ্য রাখেন কি না, তা নিয়েই মানুষের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হলো। পরে গণমাধ্যম আবিষ্কার করে যে জজ মিয়া বানানো অপরাধী, তাঁর পরিবারকে টাকা-পয়সা দিয়ে তাঁকে অপরাধী হতে রাজি করা হয়েছে। জজ মিয়া কি গ্রেনেড মারতে পারেন?—প্রথম আলোর এই প্রশ্নের জবাবে তাঁর এক আত্মীয় ‘হেসেই খুন হয়ে’ গিয়েছিলেন!
জজ মিয়া এরপর একধরনের কিংবদন্তিতে পরিণত হন। বাংলা ভাষা পায় নতুন একটি শব্দ। গবেট ধরনের কাণ্ডকীর্তি করে কোনো কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার নাম হয় ‘জজ মিয়া বানানো’। সাম্প্রতিক কালে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাংবাদিকেরা বারবার সরকারকে জজ মিয়া নাটক না সাজানোর অনুরোধ করেছিলেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সরকার তা-ই করার চেষ্টা করছে। একজন না, সরকার বরং সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডে সাতজন জজ মিয়াকে হাজির করেছে! এই জজ মিয়াদের নাম বলার দিন গোলমেলে বক্তব্য দিয়ে বাক্পটু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণের মুখে আকস্মিক প্রস্থান করেছেন। পরদিন র‌্যাবের চৌকস মুখপাত্রকে দিয়ে অবস্থা সামাল দেওয়ার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে।
এই একটি ঘটনা শুধু নয়, বিভিন্ন অপর্কীতি ঢাকার জন্য নানা ধরনের জজ মিয়াকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে বর্তমানে। সাগর-রুনির ঘটনার মতো অবিকল না হোক, কোনো না কোনোভাবে জজ মিয়াদের মানবঢাল গড়ে আসল অপরাধীদের রক্ষা করতে চাইছে সরকার। আমরা যদি শুধু সাম্প্রতিক কালের কয়েকটি ঘটনার বিশ্লেষণ করি, তা হলে এসব সন্দেহ না হওয়ার কোনো কারণ নেই।

২.
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাগর-রুনি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তারকৃত যে সাতজনের নাম বলেছেন, তাঁদের পাঁচজন র‌্যাব ও পুলিশের হাতে আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন চিকিৎসক নারায়ণ হত্যা মামলায়। র‌্যাব তখন দাবি করেছিল যে নারায়ণ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক সাইফুর, সহকারী তরিকুল এবং গাড়িচালক কামরুলও জড়িত ছিলেন। র‌্যাবের বক্তব্য অনুসারে সাইফুর ও তরিকুল গাড়িচালক কামরুলকে নারায়ণের বাসায় ১০৮ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা ডাকাতি করার জন্য প্ররোচিত করেন, এরপর কামরুল পেশাদার অপরাধীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (২ সেপ্টেম্বর, প্রথম আলো)। আদালতে তখন দুজন অপরাধীর দেওয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তি অনুসারে আসামিরা সেখানে গিয়েছিলেন ডাকাতি করতে, কিন্তু নারায়ণ জেগে উঠলে তাঁকে হত্যা করা হয়। তার মানে নারায়ণ হত্যার সুস্পষ্ট মোটিভ ছিল ডাকাতি। কিন্তু সাগর-রুনির বাসায় হত্যাকাণ্ডের দিন কোনো ডাকাতি হয়নি। তা হলে একই পেশাদার খুনিরা কী কারণে সাগর-রুনিকে হত্যা করেছিল নারায়ণকে হত্যার কয়েক মাস আগে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, নারায়ণের গাড়িচালক কামরুলও সাগর-রুনি হত্যা মামলায় সংশ্লিষ্ট ছিলেন। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার আগে থেকে কামরুল চিকিৎসক নারায়ণের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ছিলেন, সে অবস্থায় কীভাবে তাঁর পক্ষে সম্পূর্ণ ভিন্ন জগতের দুজনকে খুনের সঙ্গে জড়িত হওয়া সম্ভব? নারায়ণ হত্যাকাণ্ডের বিফ্রিংয়ের দিন র‌্যাব সন্দেহভাজনদের সাংবাদিকদের সামনে হাজির করেছিল, সাগর-রুনির সময় কেন তা করা হলো না?
পেছনে গেলে প্রশ্ন আরও বাড়বে, এর কোনো কোনোটি বেশ অস্বস্তিকর। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বেঁধে দেওয়া সময় ৪৮ ঘণ্টা শেষ হওয়ার আগেই পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেছিলেন: মামলার তদন্তে প্রণিধানযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এই মামলার তদারক করছেন। ‘প্রধানমন্ত্রীর তদারকিতে থাকা’ একটি মামলার তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, এটি পুলিশের সর্বোচ্চ ব্যক্তি জানানোর কয়েক মাস পর পুলিশ কেন সর্বোচ্চ আদালতে জানাল যে মামলার তদন্তে কোনো অগ্রগতিই হয়নি? পুলিশের মহাপরিদর্শক কি তা হলে ঘটা করে অসত্য কথা বলেছিলেন, নাকি তাঁর বর্ণিত অগ্রগতি পরে ধামাচাপা দেওয়া হয় তাঁর চেয়েও শক্তিশালী কারও নির্দেশে? হত্যাকাণ্ডের পর পর পুলিশ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেছিলেন যে খুন করেছে অপেশাদার, খুনে অনভিজ্ঞ মানুষ। এখন কেন পেশাদার খুনিদের কথা বলা হচ্ছে তা হলে? আর রুনি কি এই পেশাদার খুনিদের রান্না করে খাইয়ে আপ্যায়ন করেছিলেন খুন হওয়ার আগে! পেশাদার খুনিদের পক্ষে কি সম্ভব সাগর-রুনির একমাত্র সন্তান মেঘকে জীবিত অবস্থায় ঘটনাস্থলে রেখে যাওয়া? আর র‌্যাবের ১০ অক্টোবরের বক্তব্যমতে, যখন এই পাঁচ পেশাদার খুনিকে জিজ্ঞাসাবাদই করা হয়নি, তখন কিসের ভিত্তিতে তাঁরাই সাগর-রুনির সন্দেহভাজন হত্যাকারী তা বলা হচ্ছে?
এবার আসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্যমতে অভিযুক্ত তানভীর ও দারোয়ান এনামুল প্রসঙ্গে। তানভিরকে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দারা অনেকবার গ্রেপ্তার বা জিজ্ঞাসাবাদের উদ্দেশ্যে ডেকে নিয়ে যায়। তাঁর মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও কম্পিউটার জব্দের পর তন্নতন্ন করে পরীক্ষা করা হয়। এর পরও অক্টোবরের আগে তাঁকে গ্রেপ্তার না করা বা তাঁর মোবাইল, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ফেরত দেওয়ার মানে হলো হত্যাকাণ্ডে তাঁর জড়িত থাকার প্রমাণ পায়নি পুলিশ। এখন হঠাৎ করে তাঁকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। আমাদের প্রশ্ন, স্কলাসটিকা স্কুলের কর্মকর্তা তানভীর চিকিৎসক নারায়ণের ড্রাইভার ও পাঁচ পেশাদার খুনির সঙ্গে সংযুক্ত হলেন কীভাবে? যে দারোয়ান এনামুলের খোঁজের জন্য ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষিত হলো, তাঁকে পুলিশ প্রথমে গ্রেপ্তার করে ছেড়ে দিয়েছিল কেন? প্রথম থেকেই সন্দেহভাজন অভিযুক্ত বা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী এই ব্যক্তির মোবাইল ফোন জব্দ করে তা সরকারি হেফাজতে না রেখে কেন তদন্তকারী একজন কর্মকর্তার ভাইয়ের কাছে রেখে আড়াল করা হয়েছিল?
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে দুটো ধারণা চালু আছে। এক: তাঁরা সরকারের কোনো এক ভয়াবহ দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ পেয়েছিলেন, তাই তাঁদের মেরে ফেলা হয়। আরও ব্যাপকভাবে প্রচারিত ধারণা হচ্ছে, সাগর-রুনির হত্যাকারীরা সরকারপন্থী বা একসময় সরকারি দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁদের গডফাদার সরকারের আরও ঘনিষ্ঠ কেউ, তিনিই সর্বোচ্চ পর্যায়ের কারও থেকে হত্যাকারীদের দায়মুক্তির আশ্বাস পেয়েছেন। সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত না হলে এসব ধারণার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। নির্মম খুনিদের ক্ষমা করার মানসিকতা এই সরকারের রয়েছে, তা আমরা সংবিধানে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির (কার্যত প্রধানমন্ত্রীর) ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারের অপপ্রয়োগের মধ্য দিয়ে দেখেছি।

৩.
জজ মিয়া ধরনের গল্প ফাঁদার চেষ্টার লক্ষণ রয়েছে রামুতে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর বর্বর, পাশবিক ও অমানবিক আক্রমণের ঘটনায়ও। এ ঘটনার মূল দায় চাপানোর চেষ্টা চলেছে বিএনপির স্থানীয় সাংসদের ওপর। অথচ আমরা পত্রপত্রিকার প্রতিবেদনে পাই ভিন্ন চিত্র। রামুর ঘটনায় প্রথম মিটিং-মিছিলের মাধ্যমে উত্তেজনাকর ও উসকানিমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও মৎস্যজীবী লীগ। পরে এতে রোহিঙ্গা, জামায়াত ও বিএনপির কর্মীরা যোগ দেন। উত্তেজিত জনসমাগমে ভাষণ দেন বিএনপির স্থানীয় সাংসদ, আওয়ামী লীগের স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানার ওসি। ওসি পাহারারত বৌদ্ধ যুবকদের কিছু হবে না বলে সরে যেতে বলার কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় আক্রমণ, অগ্নিসংযোগ আর লুটতরাজের ঘটনা। আক্রমণকালে ব্যবহার করা হয় গান পাউডার, পেট্রল ও কংক্রিটের ব্লক। এই বর্বরোচিত হামলার প্রস্তুতি ও হামলা চলে অন্তত ছয় ঘণ্টা ধরে এবং এই পুরো সময় নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে পুলিশ, প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস।
প্রশ্ন আসে, আওয়ামী লীগ আমলের পুলিশ, প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস কি বিএনপির সাংসদের নির্দেশে আক্রমণকালে চুপ হয়ে বসে ছিল? সরকারি দলের লোকজন প্রথম মিটিং-মিছিল শুরু করেছিল কি বিএনপির সাংসদের নির্দেশে? গান পাউডার আর সরকারি উন্নয়নকাজে ব্যবহারের জন্য বানানো কংক্রিট ব্লক কি বিরোধী দলের সাংসদের হেফাজতে থাকে? যে সরকার আট মাসে রাজধানীতে সাগর-রুনির মতো সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনো চলছে বলছে, সেই সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কীভাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বুঝে গেলেন রামুর ঘটনা বিএনপির সাংসদ করেছেন? তদন্ত চলাকালে দেশের প্রধানমন্ত্রীই বা একই অভিযোগ করেন কীভাবে? প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ অসত্য, এমন তথ্যপ্রমাণ পেলে তদন্তরত পুলিশ বা গোয়েন্দার কি এখন বুকের পাটা হবে তা বলার? তা হলে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে কীভাবে?
বিএনপির সাংসদ হয়তো উত্তেজনাকর বক্তব্য প্রদান করেছেন সেদিন, অন্য কোনোভাবেও এ ঘটনার তিনি ভাগীদার হতে পারেন। কিন্তু ছাত্রলীগের মিছিল, গান পাউডার, সুদক্ষ ও পেশাদারভাবে অগ্নিসংযোগের ঘটনা আর পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামু সফরের পর উখিয়া আর পটিয়াতেও) দায় আড়াল করতে চাইলে তাঁকে বা অন্য কাউকে জজ মিয়া বানাতে হবে সরকারকে।

৪.
বিএনপি জজ মিয়া বানিয়েছিল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জঘন্য হত্যা ও হত্যা-প্রচেষ্টার দায় আড়াল করতে। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, আওয়ামী লীগ জজ মিয়া বানাচ্ছে সাগর-রুনির মতো নির্বিরোধী দুজন তরুণ সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দায় আড়াল করতে! হয়তো জজ মিয়া বানাবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর চরম লজ্জাকর অপরাধের দায় আড়াল করার জন্যও। অভিযোগ রয়েছে যে এর আগে বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারি, দুর্নীতির অভিযোগ এবং কিছু সন্ত্রাস ও হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রেও মূল বা বড় অপরাধীদের আড়াল করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে চুনোপুঁটি বা আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ মানুষকে। এর একটি বড় লক্ষণ আমরা দেখতে পাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাতেও।
রাজশাহীতে পুলিশের সামনে পিস্তলে গুলি ভরে, পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ে ছাত্রলীগের ছেলেরা হামলা করেছিল ছাত্রশিবিরের ওপর। এর অসংখ্য স্পষ্ট, প্রামাণ্য আর অকাট্য ছবি ছাপা হলো পত্রিকায়। অথচ এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হলো গুলির শিকার ছাত্রশিবিরের কর্মীদের! নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুলিশ অস্ত্রধারী ছাত্রলীগের কারও টিকিটি স্পর্শ করেনি, কিন্তু দুই দিন পর বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর শান্তিপূর্ণ মিছিলে বেধড়কভাবে লাঠিপেটা করেছে। কাজেই এটা শুধু বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিশোধের বিষয় নয়। এটি নিজের অপরাধ আড়াল করা কিংবা ভিন্নমত দমনের বেপরোয়া মানসিকতা। দিনের পর দিন এটি করে পার পেয়ে গেলে একপর্যায়ে জজ মিয়া গল্প বানানোর দুঃসাহস সৃষ্টি হয় সরকারের মধ্যে। এখনো তা-ই হচ্ছে।
গুণীজনদের কাছে আমরা শিখেছি যে অনেক লোককে কিছু সময়ের জন্য বোকা বানানো যায়, কিছু লোককে অনেক সময়ের জন্যও বোকা বানানো যায়, কিন্তু অনেক লোককে দীর্ঘ সময়ের জন্য বোকা বানানো যায় না। আমরা নাগরিকেরা যদি শক্তভাবে এই বার্তা দিতে ব্যর্থ হই, তা হলে অচিরেই জজ মিয়া নির্মাতাদের হাতে বিপন্ন হবে সমাজ, রাজনীতি আর দেশ। জজ মিয়া সিনড্রমে পূতিগন্ধময় হয়ে উঠবে মানবাধিকার, আইনের শাসন আর গণতন্ত্র। রামুর মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর ঘটনায় কাউকে জজ মিয়া সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা হলে বাংলাদেশের জন্য চরম বিপর্যয়কর এমন কিছু আবার ঘটার আশঙ্কাও থাকবে।
 আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.১০.১৩ ০২:১৬
সত্য ভাষন এবং সাহসের জণ্য ধণ্যবাদ !

aziz

aziz

২০১২.১০.১৩ ০২:২৯
নির্মম খুনিদের ক্ষমা করার মানসিকতা এই সরকারের রয়েছে, তা আমরা সংবিধানে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির (কার্যত প্রধানমন্ত্রীর) ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারের অপপ্রয়োগের মধ্য দিয়ে দেখেছি।

Ripon

Ripon

২০১২.১০.১৩ ০২:৩৬
লিখা গুলি পরে মনে হল , এখনও আমাদের দেশে কিছু ভালো মানুস আছে "আমাদের পাসে দারানোর মতো"
Thanks sir for your writing.

siam ahsan

siam ahsan

২০১২.১০.১৩ ০২:৪৭
ধন্যবাদ আসিফ নজরুল স্যারকে তার সত্য ও সুন্দর লেখার জন্য।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.১০.১৩ ০৩:১৬
নিজের গা বাচাতে [দলের লোক বা বন্ধুদের বাচাতে ] আমরা কত মারাত্মক অপরাধ করি ? অথচ দু দিনের দুনিয়া এটা । দুই রাজনৈতিক দলের অনেক বাঘা বাঘা রাজনীতিবিদ এ সরকারের আমলে মৃত্যু বরন করেছেন। তা দেখে কারও শিক্ষা হচ্ছে না ।
২০১২.১০.১৩ ০৩:৪২
সময়োপযোগী লেখাটির জন্য লেখককে ধন্যবাদ জানাই।

khurshid alam

khurshid alam

২০১২.১০.১৩ ০৩:৫১
sallute to you sir for this brave article

MUHAMMAD

MUHAMMAD

২০১২.১০.১৩ ০৩:৫৪
দারুন একটা লেখা, তবে চোর কি শুনে নীতিবাক্য ?

kayes

kayes

২০১২.১০.১৩ ০৪:৩৬
its simple..than why government dont understand...

akash

akash

২০১২.১০.১৩ ০৫:৪৭
মনে হয় অচিরেই আমরা নতুন জজ মিয়া-২ কাহিনী শুনব।প্রবাস থেকে যখন এসব ঘটনা পড়ি তখন খুব খারাপ লাগে।

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.১০.১৩ ০৬:৩৯
আপনার এ রাস্ট্র-চিন্তা-মূলক লেখাটার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

julian

julian

২০১২.১০.১৩ ০৭:০৬
যে অনেক লোককে কিছু সময়ের জন্য বোকা বানানো যায়, কিছু লোককে অনেক সময়ের জন্যও বোকা বানানো যায়, কিন্তু অনেক লোককে দীর্ঘ সময়ের জন্য বোকা বানানো যায় না।

Sumon

Sumon

২০১২.১০.১৩ ০৭:৪০
We as people of Bangladesh are very worry. We want to see true criminals.

Md. Abdur Rauf Shiblu

Md. Abdur Rauf Shiblu

২০১২.১০.১৩ ০৮:০৭
Excellent article ....!! BRAVO..!!

Mahbub Alam

Mahbub Alam

২০১২.১০.১৩ ০৮:১৭
Simply great.

zakir ( জাপান )

zakir ( জাপান )

২০১২.১০.১৩ ০৮:১৯
লেখাটা পড়ে একটা ব্যাপার বুঝতে পারলাম যে আমাদের রাজনৈতিক দল গুলো একই পথের পথিক।

tonni

tonni

২০১২.১০.১৩ ০৮:২৪
Thanks for nice writing.

kamaluddin

kamaluddin

২০১২.১০.১৩ ০৮:৩৮
ধন্যবাদ জনাব আসিফ নজরূল আপনার মতো সত্য কথকদের দেশে এখন বড়ই প্রয়োজন।

Mithel Ahmed

Mithel Ahmed

২০১২.১০.১৩ ০৮:৫৮
স্যার আপনার লেখা অসাধারন।

Alam

Alam

২০১২.১০.১৩ ০৯:০৪
Many many Thanks

A. M. Zubair

A. M. Zubair

২০১২.১০.১৩ ০৯:০৪
লেখক আসিফ নজরুল ইসলামকে ধন্যবাদ, সেই সাথে প্রথম আলোকে ধন্যবাদ এই প্রতিবেদন প্রকাশের সাহসিকতা দেখাবার জন্য।

Akas

Akas

২০১২.১০.১৩ ০৯:০৯
Excellent writing!

Md. Amran Hussain Bhuiyan

Md. Amran Hussain Bhuiyan

২০১২.১০.১৩ ০৯:২১
সাহসী আর্টিকেল।

Mohammed Rezaul Karim

Mohammed Rezaul Karim

২০১২.১০.১৩ ০৯:২১
এই লেখায় মন্তব্য লেখার কিছু নেই। এসব লিখেো কোন লাভ হয় বলে মনে হয় না।

monir

monir

২০১২.১০.১৩ ০৯:৩২
জোট সরকারের আমলে এধরনের নাটক দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত ছিলাম।

Mohammad Shah Alam

Mohammad Shah Alam

২০১২.১০.১৩ ০৯:৫২
No political comments! but what a nice writing it is! thanks a lot sir,proud for you.

Fatmi

Fatmi

২০১২.১০.১৩ ০৯:৫৪
এখনতো সব ছবিরই সিকুয়্যাল হচ্ছে। এবার খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে জজ মিয়া নাটকের সিকুয়্যাল " জজ মিয়া রিটার্নস''!!

Quazi Bashir Ahmed

Quazi Bashir Ahmed

২০১২.১০.১৩ ১০:০৯
Thanks much to Prothom Alo and Professor Asif Nazrul for publishing this neutral(not one-eyed) news which not only is a writing but also have some very good points to observe latest big news in Bangladesh...

Forhad

Forhad

২০১২.১০.১৩ ১০:২৫
স্যার, ঘুমানো মানুষকে জাগানো যায়। কিন্তু যে জেগে জেগে ঘুমায় তাকে কি করে জাগাবেন ?

Shafiq Islam

Shafiq Islam

২০১২.১০.১৩ ১০:৩১
Thanks for a courageous article from Dr. Asif Nazrul.

Md. Zaker Hossain

Md. Zaker Hossain

২০১২.১০.১৩ ১০:৪২
Thank you....

HCMCVietnam

HCMCVietnam

২০১২.১০.১৩ ১০:৫৯
Thank you Sir to write such an authentic and imperial article..
২০১২.১০.১৩ ১১:০৯
A BNP intellectaul's writing..
২০১২.১০.১৩ ১১:৩৩
সংগ্রামী অভিনন্দন স্যার সাহসিকতা নিয়ে সত্য কথা ঘুরিয়ে পেচিয়ে না বলে স্পষ্টভাবে বলার জন্য । ছোটবেলায় পড়েছি “তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইবনা কেন “ আর এখন সেই বাক্য বদলে হয়েছে “ তুমি অধম তাই বলিয়া আমার উত্তম হইবার কোনই সম্ভবনা নেই “ বাংলাদেশের রাজনীতিতে জজমিয়া নামক ধারাবাহিক নাটকের যত তাড়াতাড়ী সমাপ্তি ঘটবে ততই দেশ ও গনতন্ত্রের জন্য মঙ্গল।

Emran

Emran

২০১২.১০.১৩ ১১:৩৯
তথ্যপূর্ন লেখা মানুষ হলে না বুঝার উপায় নাই।

সুহাস

সুহাস

২০১২.১০.১৩ ১১:৪২
আমাদের দেশটাকে অন্য কোন দেশের কাছে লিজ দেওয়া হোক। আমাদের রাজনিতী মানেই যত সব আযোগ্য লোক।

Syed Ahsanul Habib

Syed Ahsanul Habib

২০১২.১০.১৩ ১১:৪৯
Yes, This 2nd episode of Zoze Mia drama written by bangladeshi politician.

Shafiqul Islam

Shafiqul Islam

২০১২.১০.১৩ ১২:০০
আসিফ নজরুল সাহেব, জজ মিয়ার কাহিনিটা আগে বলেন। সেটার প্রযোজক, পরিচালক, কলাকুশলীদের আগে পরিচয় করাইয়া দেন। তাদের আগে বিচার হঊক। তার পরে এই গান গাইবেন।

mahmoudul Kabir Khan

mahmoudul Kabir Khan

২০১২.১০.১৩ ১২:১৬
ঠিক ই বলেছেন।এই সরকার সব গটনাতে জজমিয়া সাজানোর চেষ্টা করে।

Ahmed Sajon Sheikh

Ahmed Sajon Sheikh

২০১২.১০.১৩ ১২:১৭
আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ স্যার এমন চমতকার ও সর্বজন গ্রহণ যোগ্য কলাম লিখবার জন্য। আপনি যথার্তই লিখেছেনর এরকম আর কত জজ মিয়া নাটক সাজানো হইেবে আসল গডফাদারদেরকে রক্ষা করার জন্য। আসল অপরাধীরা কি সবসময়ই আড়ালে থেকে যাবে ? তাহলে আমাদের দেশে খালেদা এবং হাসিনার মধ্যে তো আমরা কোন তফাত খুজে পাইবনা। এরা দুজনই জজ মিয়া নাটক তৈরিতে ওস্তাদ।

Jannatul Ferdous Keya

Jannatul Ferdous Keya

২০১২.১০.১৩ ১২:২৪
গুণীজনদের কাছে আমরা শিখেছি যে অনেক লোককে কিছু সময়ের জন্য বোকা বানানো যায়, কিছু লোককে অনেক সময়ের জন্যও বোকা বানানো যায়, কিন্তু অনেক লোককে দীর্ঘ সময়ের জন্য বোকা বানানো যায় না। খুব ভাল লেখা কিন্তু আমরা যদি জনগণ এখনই
এর প্রতি সচেতন না হই.। তাহলে সব লেখাই পণ্ড শ্রম......

Md. Tohfatul Islam

Md. Tohfatul Islam

২০১২.১০.১৩ ১২:২৫
well said sir. we have to raise our voice like you. we can't tolerate this any more.

Jannatul Ferdous Keya

Jannatul Ferdous Keya

২০১২.১০.১৩ ১২:২৬
জজ মিয়া চরিত্র সব বড় অপরাধিকে হার মানায়............

Mahadi Sikder

Mahadi Sikder

২০১২.১০.১৩ ১২:২৬
এ রকম অপ্রিয় সত্য কথা লেখার জন্য স্যার আপনাকে ধন্যবাদ।

farid

farid

২০১২.১০.১৩ ১২:৪০
আসিফ নজরুল কি লেখবে সেটা সবাই জানে !

shawon

shawon

২০১২.১০.১৩ ১৩:৩১
সম্মানিত লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ মিথ্যার রুপ উন্মোচনের জন্য, এবং অপ্রিয় সত্যকে অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে প্রকাশের জন্য।
দুর্ভাগ্য আমাদের জনগনের নিজেদের ভাগ্যকে দুই অপশক্তির হাতে বারবার তুলে দেয়ার জন্য।

kowser uddin

kowser uddin

২০১২.১০.১৩ ১৩:৩৪
ধন্যবাদ জনাব আসিফ নজরূল আপনার মতো সত্য কথকদের দেশে এখন বড়ই প্রয়োজন।

S. M. Ashraful Alam

S. M. Ashraful Alam

২০১২.১০.১৩ ১৩:৩৫
Thanks a lot Dr. Asif Nazrul sir for his neutral and unbiased article.

Nazrul Islam Majumder

Nazrul Islam Majumder

২০১২.১০.১৩ ১৪:০১
Thanks to Sir Asif Nazrul.

shaifu

shaifu

২০১২.১০.১৩ ১৪:২৭
রামুর ঘটনায় প্রথম মিটিং-মিছিলের মাধ্যমে উত্তেজনাকর ও উসকানিমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও মৎস্যজীবী লীগ। পরে এতে রোহিঙ্গা, জামায়াত ও বিএনপির কর্মীরা যোগ দেন।

assad

assad

২০১২.১০.১৩ ১৪:৩৭
এই (বিএনপি ও আওয়ামিলিগ ) দুই দলের হাত থেকে দেশ বাচানোই এখন দেশের মনুষের কাজ বলে আমি মনে করি ।

Akashchowdhury

Akashchowdhury

২০১২.১০.১৩ ১৪:৪০
খুবই অসাধারন একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনে অসংখ্য প্রশ্ন রয়েছে যার একটির সদুত্তর বর্তমান সরকার দিতে পারেনি। তাহলে আমরা সাধারন জনগণ কি বুঝব? সরকার কেন সাধারন জনগণকে এত বোকা ভাবে কেন?

Sultana Jahida

Sultana Jahida

২০১২.১০.১৩ ১৪:৪৭
Thank you, Sir for your brave writing indeed.

farid

farid

২০১২.১০.১৩ ১৪:৪৭
যে দেশে মিডিয়া সাধীন,সে দেশে শান্তিতে নাই। আরব দেশের মত মিডিয়া কে control করে রাখলে দেশ শান্তিতে থাকবে।

Fatmi

Fatmi

২০১২.১০.১৩ ১৪:৫৯
ধন্যবাদ স্যার আপনাকে এই অসাধারণ লেখাটির জন্য।

Ali Akbar

Ali Akbar

২০১২.১০.১৩ ১৫:০৯
যারা স্যার এর এই সত্য বাক্য পড়েও স্যার এর বিরোধিতা করছেন তাদের কাছে এই দেশের কোন মূল্য নেই, তারা শুধু চান কিভাবে নিজের আখের গুছানো যায়, নিজের পকেট ভারী করা ছাড়া তাদের এই দেশের প্রতি কোন দায় বদ্ধতা নেই। ধিক তাদের যারা এই দেশের খেয়ে দেশের তলা ফুটো করতে চায়।

Ibrahim

Ibrahim

২০১২.১০.১৩ ১৫:১১
দেশের অনিয়ম ও ধামাচাপা, লেখকের লেখা ও পাঠকের পড়াও মতামত ইত্যাদি চলতেই থাকবে। এতে প্রশাসনের তথা সরকারের কিছু আসে যায় কি?

ROB

ROB

২০১২.১০.১৩ ১৫:১৩
What an excellent article!!!!

Sharif

Sharif

২০১২.১০.১৩ ১৫:১৭
আসিফ নজরুল সাহেব একজন বি এন পির নিরপেক্ষ লেখক ।

Mujib Khan

Mujib Khan

২০১২.১০.১৩ ১৫:১৮
খুবই সময়োপযোগী লেখা। এই রকম সত্যভাষণ সব সময়েই প্রয়োজন।

Kallol

Kallol

২০১২.১০.১৩ ১৫:২৬
Oh I am really so happy after reading the article. Thank you

Md. Ruhul Amin

Md. Ruhul Amin

২০১২.১০.১৩ ১৬:৩৩
Thanks Dr. Asif Nazrul for your valuable & realistic article.

Khairul Basher

Khairul Basher

২০১২.১০.১৩ ১৬:৩৪
Thanks BNP for their creativity – Joy Joj Mia.

shahadat hosen

shahadat hosen

২০১২.১০.১৩ ১৬:৪৫
Nice logical article. Thank you Mr. Asif. Hopes you will continue raising your voice impartially.
২০১২.১০.১৩ ১৬:৪৭
I salute you, Sir.

Md. Shamsuddoha Tapos

Md. Shamsuddoha Tapos

২০১২.১০.১৩ ১৭:২১
জজ মিয়া সিনড্রম !!! জটিল লিকসেন !!! Thanks.

Mujahid

Mujahid

২০১২.১০.১৩ ১৭:২৩
A nice news. Thanks to Mr. Asif Nazrul.

prodip

prodip

২০১২.১০.১৩ ১৭:৩০
Asif Nazrul, Congratulations, you are forthcoming minister or adviser to PM in next BNP regime.

toha

toha

২০১২.১০.১৩ ১৭:৩৫
sir thanks.

mahfuza bulbul

mahfuza bulbul

২০১২.১০.১৩ ১৯:২৫
তদন্তাধীন বিষয় গুলো নিয়ে যেভাবে লিখেছেন, তাতেতো তদন্ত কাজ মারাত্মক বিঘ্নিত হবার সম্ভাবনা ! অবশ্য এবিষয়ে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা অন্যান্য মন্ত্রী যা-ই বলুন না কেন, তদন্ত ত্বরান্বিত বই বিঘ্নিত হবে না।

Md. Rezaur Rahman Khan

Md. Rezaur Rahman Khan

২০১২.১০.১৩ ২৩:৪০
Mr.Asif Nazrul,
You are perfect.