মাকসুদুলের নেতৃত্বে ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন

শাবাশ বাংলার বিজ্ঞানীরা

ইফতেখার মাহমুদ | তারিখ: ২০-০৯-২০১২

  • ১১৭ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনকে বলা হয়েছিল স্বপ্নযাত্রা। জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে দেশের বিজ্ঞানীরা এবার ওই যাত্রাপথের মধ্যগগনে পৌঁছেছেন। পাটসহ বিশ্বের ৫০০টি উদ্ভিদের অন্যতম শত্রু ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছেন তাঁরা। অর্থাৎ ছত্রাক কীভাবে ফসলের জৈব উপাদান নষ্ট করে, উৎপাদন কমিয়ে দেয়, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা সেই সূত্র বা রহস্য বের করেছেন।
ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের ওই ছত্রাকের আক্রমণে দুনিয়াজুড়ে ৫০০টি উদ্ভিদের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ছত্রাকের আক্রমণে শুধু পাটের উৎপাদনই ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ কমে যেতে পারে। ছত্রাক কীভাবে ফসলের ক্ষতি করে তা জানতে বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানী বছরের পর বছর চেষ্টা করে গেলেও এ সম্পর্কে জানতে পারেননি।
মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীদের দল সেই অজানা রহস্যের সূত্র খুঁজে পেয়েছে। এখন স্বপ্নের পথ বেয়ে মূল গন্তব্যে পৌঁছানোর পালা। অর্থাৎ ছত্রাকের আক্রমণ সহ্য করে টিকে থাকতে পারে এমন জাত উদ্ভাবন করে কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া।
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের সম্পদের অপ্রতুলতা আছে। কিন্তু এ ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে আমরা অর্থ দিতে কার্পণ্য করিনি।’ এই গবেষণার সাফল্যকে কৃষকের দরজায় পৌঁছে দিতে সরকার সম্ভাব্য সব কিছু করবে বলে জানান তিনি।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পাটবিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের আওতায় মাত্র এক বছরের মাথায় দেশের বিজ্ঞানীরা এই অভাবনীয় সফলতা পেলেন। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে এই প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত একটি গবেষণা কেন্দ্রে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এই যুগান্তকারী কাজটি সম্পন্ন করেছেন। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সফলতার খবরটি জাতীয় সংসদে ঘোষণা করেন। আর বিশ্বের বিজ্ঞানবিষয়ক অন্যতম প্রভাবশালী সাময়িকী বিএমসি জেনোমিকসও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচনবিষয়ক গবেষণাটি গতকালই প্রকাশ করেছে।
মাকসুদুল আলম তাঁর সর্বশেষ আবিষ্কার নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সরকারি অর্থায়ন, ব্যবস্থাপনা ও লোকবল দিয়ে এ ধরনের সুশৃঙ্খল একটি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিচালনা সারা বিশ্বের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
পাট ও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করেই থেমে থাকেনি মাকসুদুলের বিজ্ঞানী দল। এই গবেষণার ফলাফলে যাতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মালিকানা বা পেটেন্ট থাকে তা নিশ্চিত করার পথেও তাঁরা অনেক দূর এগিয়েছেন। পাটের ওপর দুটি ও ছত্রাকের ওপর তিনটি গবেষণার পেটেন্ট (কৃতিস্বত্ব) দাবি করে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে। এই পাঁচটি গবেষণার পেটেন্ট পেতে ওই প্রকল্পের আওতায় তিনজন ব্যারিস্টার কাজ করছেন।
শুধু তা-ই নয়, অল্প পানিতে ও দ্রুত পাটের আঁশ জাগ দেওয়া বা পচানোর মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। তবে এর সুফল কৃষক পর্যায়ে পৌঁছাতে দেশবাসীকে আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে বলে এই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। এই ছত্রাকটি ধান, গম, ভুট্টা, সয়াবিন, তুলা, যবের মতো বিশ্বের প্রধান ফসলগুলোরও অন্যতম শত্রু।
জীবনরহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে ওই ছত্রাক ফসলের শরীরে প্রবেশ করে কীভাবে তাদের প্রোটিনসহ অন্যান্য জীবনীশক্তি নষ্ট করে, তার রহস্য খুঁজে পাওয়া গেছে। ফলে এই দিক থেকে গবেষণাটিকে বৈশ্বিকভাবেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। বিশ্বের তিনটি ফসল, চারটি জীবাণুসহ মোট ১৯টি জীবের জীবনরহস্য উন্মোচনের নেতৃত্বে ছিলেন এই কৃতী বিজ্ঞানী। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবার ও বাংলাদেশের হয়ে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের মধ্য দিয়ে মাকসুদুল শুধু দেশে নয়, বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।
পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের গবেষণার সফলতার পর মাকসুদুল আলম ২০১০ সালের নভেম্বর থেকে পাটবিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের কাজে হাত দেন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়াদের ৬৬ কোটি টাকার এ প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে তাঁর জন্য প্রতি মাসে পারিশ্রমিক হিসেবে ১৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ পৌনে ছয় কোটি টাকা শুধু মাকসুদুল আলমের পারিশ্রমিক হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু মাকসুদুল সেই টাকা নিতে রাজি হননি। বিনা পারিশ্রমিকে গবেষণার পুরো কাজটি করে দিয়েছেন তিনি।
দেশের জেনোম গবেষণার পথিকৃৎ মাকসুদুল আলম ও তাঁর সঙ্গী বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পাট ও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন দেশের অর্থনীতির ইতিহাসকেই বদলে দিতে পারে। ষাট ও সত্তর দশকেও বাংলাদেশের মতো অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল ব্রাজিল ও মালয়েশিয়ার। উন্নত মানের রাবার চাষ করে মালয়েশিয়া, কফি ও লেবুর আবাদ করে ব্রাজিল তাদের অর্থনীতিকে মজবুত করে। কৃষি খাতের এই উদ্ভাবনের ওপর ভিত্তি করেই এই দুই দেশের অর্থনীতি আজ বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।
গবেষক দলের প্রধান মাকসুদুল আলম এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, ‘একসময় বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার বড় অংশ আসত পাট থেকে। পাটের ওপর ভিত্তি করে এ দেশের অর্থনীতির প্রাথমিক বুনিয়াদ তৈরি হয়েছিল। আমাদের পাট এবং পাটের প্রধান শত্রু ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আমরা আবারও পাটের সেই স্বর্ণালী দিন ফিরিয়ে আনতে পারব। সেই স্বপ্নের গন্তব্যে পৌঁছাতে আরও কিছুকাল অপেক্ষা করতে হবে।’
পাট ও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচনকারী বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২০ বছর আগে দেশের বিজ্ঞানীরা সাদা আঁশের পাটের একটি লাইন (জাত তৈরির আগের পর্যায়) উদ্ভাবন করেছিলেন। এই ধবধবে সাদা আঁশযুক্ত পাটের আঁশ ব্যবহার করতে প্রক্রিয়াজাত (ব্লিচিং) করার দরকার হয় না। প্রক্রিয়াজাত ছাড়াই এটি সরাসরি কাপড় বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।
পরিশোধন করতে না হলে পাটের উৎপাদন-ব্যয় হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি পাটের বর্জ্য থেকে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। এই জাতকে ঘিরে বিজ্ঞানীরা এমনটাই আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু লাইন থেকে জাত তৈরি করতে গিয়েই লাগল বিপত্তি। ধবধবে সাদা আঁশের ওই পাট দেশবাসীর মনে আশার ঝিলিক দিয়ে আবার হতাশায় ডুবিয়ে দিয়েছিল। ওই পাটের জাতটি বড় হওয়ার আগেই ছত্রাকের আক্রমণে কাণ্ডপচা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। পাটের সাদা আঁশ দিয়ে সরাসরি কাপড় তৈরির সেই স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি।
পাটবিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ওই সাদা পাটের জাতকে ছত্রাকসহিষ্ণু করার কাজটাই শুরু করতে যাচ্ছেন তাঁরা। ওই জাতের ওপর আক্রমণকারী ছত্রাকটির ব্যবহূত হাতিয়ার ও তা ব্যবহারের কলাকৌশল এর জীবনরহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে জানা গেছে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রচলিত পদ্ধতির গবেষণা আমাদের অনেক নতুন নতুন ফসলের উচ্চফলনশীল জাত উপহার দিয়েছে। এসব জাতের আশানুরূপ ফলন বাড়ানো আর সম্ভব হচ্ছে না। কারণ ফসলের জাত উন্নয়নের প্রচলিত পদ্ধতির সক্ষমতার প্রায় পুরোটা ব্যবহার হয়ে গেছে। একমাত্র জেনোম গবেষণার মাধ্যমে নতুন জাত উদ্ভাবন করা যাবে, যার মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো যাবে।
বাংলাদেশ আরও কী পাবে: পেটেন্ট পাওয়া গেলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বাংলাদেশে উদ্ভাবিত পাটের জাত ও ছত্রাক প্রতিরোধক ফসল চাষ করতে হলে বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে অর্থ দিতে হবে। যেমন মাইক্রোসফট কোম্পানির সফটওয়্যার ব্যবহারকারী বিশ্বের প্রতিটি কম্পিউটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে মেধাস্বত্ব বাবদ অর্থ দিতে হয়। ভারত ইতিমধ্যে নিমের পেটেন্টের জন্য আবেদন জমা দিয়েছে। পাট ও ছত্রাকের পেটেন্ট দাবি করে বাংলাদেশই প্রথম আবেদন জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
মাকসুদুল আলম এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এত দিন জেনোমবিষয়ক যাবতীয় তথ্য উন্নত বিশ্বের তথ্যভান্ডার থেকে শুধু সংগ্রহই করে গেছে। কিন্তু এখন সে তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধ করতে আমরাও অংশ নিলাম। বিশ্ব দেখবে আমরা শুধু তথ্য নিই না, দিতেও পারি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
২০১২.০৯.২০ ০২:৪০
Bravo Maksudul Alam, Joy Bangla....

Apu kowsar

Apu kowsar

২০১২.০৯.২০ ০৩:০৭
"বিশ্বের তিনটি ফসল, চারটি জীবাণুসহ মোট ১৯টি জীবের জীবনরহস্য উন্মোচনের নেতৃত্বেt ছিলেন এই কৃতী বিজ্ঞানী। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবার ও বাংলাদেশের হয়ে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের মধ্য দিয়ে মাকসুদুল শুধু দেশে নয়, বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন"------ আমি ১০০ % নিশচিৎ,ইনশাললাহ আমাদের "মাকসুদুল আলম " দেশের তরে নোবেল জিতে আনবেন।

Liton Biswas

Liton Biswas

২০১২.০৯.২০ ০৩:০৭
sabas Bangladesh a bissho obak takiya roy!!!!!!!!!!!!!

S M FAZLE BARI

S M FAZLE BARI

২০১২.০৯.২০ ০৩:১৬
জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে দেশের বিজ্ঞানীরা এবার ওই যাত্রাপথের মধ্যগগনে পৌঁছেছেন। পাটসহ বিশ্বের ৫০০টি উদ্ভিদের অন্যতম শত্রু ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছেন তাঁরা।
আমরা পাটের জীবনরহস্য ও শত্রু ছত্রাকের জীবনরহস্য এর স্থপতি বিজ্ঞানী মাকসুদুল কে ধন্যবাদ জানায় কিন্তু অবশ্যই আমাদের বলতে হবে দেশ কমান্ডার (প্রধানমন্ত্রী) শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে ঘোষণা না দিলে জাতি হয়তবা বিষয় টি জানতে পারত না, বিজ্ঞানী মাকসুদুলের সৃস্টিও অনাসৃস্টি হয়ে যেত । তাই আবারো বলি ................ উন্মোচনের ঘোষক হাসিনা লও লও সালাম ।।
সত্যি খবর টা শুনার পর থেকে মনটা অনন্দে ভরে গেছে, এত এত নিরানন্দ খবরের মধ্যে এমন খবর শুনলে আনন্দে চোখে পানি চলে আসে । আমরা বাংলাদেশীরাও পারি, ভাবতেই গর্বে বুক টা ফুলে উঠে । অন্তর থেকে জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম ও তার সহযোগীদের প্রান ঢালা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি*

sanjidur rahman chowdhury

sanjidur rahman chowdhury

২০১২.০৯.২০ ০৩:৪৭
এটি একটি বিশাল আনন্দের খবর।যেখানে প্রতিদিন আমাদের হতাশার খবর দেখতে হয়, সেখানে নতুন
আলো দেখালেন মা্কসুদুল আ্লম স্যার।তাকে সহ বাংলার এই মেধাবিদের অভিনন্দন...

Mohammed

Mohammed

২০১২.০৯.২০ ০৩:৫৪
মাকসুদুল আলম ও তাঁর সঙ্গী বিজ্ঞানীদের জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা । আপনাদের সাফল্যে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। আশাকরবো আপনাদের জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে।
এগিয়ে চলো বংগবীরেরা !

mohammed mohsin

mohammed mohsin

২০১২.০৯.২০ ০৪:০৪
thanks to all. mohsin, Italy.

Nazmul

Nazmul

২০১২.০৯.২০ ০৪:০৪
Congratulations Mr. Alam and the team! Bravo! Sabas Bangladesh scientist, we are proud of you. Please keep going and make Bangladesh a progressive modern and industrial rich country. Well done, thank you for your all the work.

Monowar-ul-Haque

Monowar-ul-Haque

২০১২.০৯.২০ ০৪:১৭
Well done sir.Thousand salute to you and your team for make us proud.May Allah! bless you.

zakir ( জাপান )

zakir ( জাপান )

২০১২.০৯.২০ ০৪:৩১
মাকসুদুল আলম সাহেব আপনাকে কি বলে ধন্যবাদ জানাব সেই ভাষাটা খুজে পাচ্ছি না। হাজার হাজার মাইল দূর থেকে আপনাকে জানাই লাল সালাম।

Fazlul H. Quazi

Fazlul H. Quazi

২০১২.০৯.২০ ০৪:৩২
Mr. Moksudul Alam, please go on with your works.

donsumon

donsumon

২০১২.০৯.২০ ০৫:২২
বাংলাদেশ এর সব খারাপ খবর শুনতে শুনতে যখন আর কোন আশা পাইনা তখন এই রকম এক দুইটা খবর একটু হলেও আশা ফিরিয়ে দেয়। মনে হয় এখনও আশা শেষ হয়নি

sarwar

sarwar

২০১২.০৯.২০ ০৫:২২
দেশের প্র্রতি অগাদ ভালবাসার কারনেই মাকসুদুল আলম বিনা পারিশ্রমিকে এত বড় কাজটি করেছেন এই বিশাল মনের মানুষকে আমি সেলুট জানাই।

Mizanur Rahman

Mizanur Rahman

২০১২.০৯.২০ ০৫:২৬
অসাধারণ - মানুষের কল্যাণে আপনাদের চেষ্টা চালিয়ে যান।
একই সাথে বর্তমান বিজ্ঞানমনস্ক সরকারকে ধন্যবাদ.

আসিফ মাহমুদ খান ।।  ওয়েস্ট  সাসেক্স  ।

আসিফ মাহমুদ খান ।। ওয়েস্ট সাসেক্স ।

২০১২.০৯.২০ ০৫:৪৬
স্যার, স্যালুট আপনাকে, একবার দুবার নয় , হাজার, লাখ, কোটি বার ।

sabuj hossain

sabuj hossain

২০১২.০৯.২০ ০৫:৪৭
Thanks to maksudol alam.

HRKHAN

HRKHAN

২০১২.০৯.২০ ০৬:০৩
Wow, Salute Dr Alam
২০১২.০৯.২০ ০৬:২৩
Congratulation Mr Mukhsudul Alam.........go ahead......................

Salwa

Salwa

২০১২.০৯.২০ ০৬:৩২
সরকারের এরকম আরও অন্যান্য খাতে গবেষণা করার করার জন্য অর্থ বরাদ্দ করা উচিত। আমাদের দেশে ভাল গবেষণার সুযোগের অভাবে মেধাবী ছাত্ররা যারা গবেষণা করতে ভালবাসে তারা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যায়। সরকার এরুপ সুযগ সুবিধা দিলে অনেক অনেক মেধাবী দেশে এসে গবেষণা করতে আগ্রহী ।. বেসরকারী প্রতিষ্ঠান গুলোও বিদেশী এক্স পার্র্ট না এনে দেশী মেধাকে কাজে লাগানো উচিত, কারণ এরাই বিদেশে গিয়ে বড় বড় কোম্পানিতে এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করছে.

Mahbub

Mahbub

২০১২.০৯.২০ ০৬:৩২
সুন্দর সংবাদ দিয়ে দিন শুরু হলো !

Mohammed hasan

Mohammed hasan

২০১২.০৯.২০ ০৬:৩৯
শাবাশ মাকসুদুল শাবাশ মতিয়া চৌধুরী শাবাশ শেখ হাসিনা আপনাদের সালাম

Musabbir

Musabbir

২০১২.০৯.২০ ০৬:৫৩
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই রকম একটা যুগান্তকারী আবিস্কারের জন্য। বিজ্ঞানীদের কাজ বিজ্ঞানীরা করেছে কিন্তু তার সুফল কৃষক পর্যায়ে পৌছানোর দায়িত্ব সরকারের। আসলে এই আবিস্কার নিয়ে এতটা আশাবাদী হওয়ার কিছু দেখছি না। গত বছর দুই আগে পাটের জেনোম আবিস্কারের পর বলা হয়েছিল বাংলাদেশ পাটের হারানো গৌরব ফিরে পাওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার, কিন্তু বাস্তবে হলো কি? গত দুই বছরে পাট চাষীদের হতাশা ছাড়া দেখার মত কোন উন্নয়নই চোখে পড়েনি। এই আবিস্কার সরকারের বড় গলায় প্রচারনা ছাড়া কৃষকের বিন্দুমাত্র উপকারে আসবে বলে আমার মনে হয় না।
দু:খিত বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম, আপনার আবিস্কার শুধু রাজনৈতিক গলাবাজিতে ব্যবহার হবে, এদেশে এর এপ্লিক্যাশনের ব্যবস্থা করার আগ্রহ সরকারী মহলের হবে না।

Mohammad nurul Hoque

Mohammad nurul Hoque

২০১২.০৯.২০ ০৬:৫৬
We are proud of you. Go ahead, nations always salute you.

Razu

Razu

২০১২.০৯.২০ ০৭:০২
we are proud of you sir...

হানিফ- ভালোখবর

হানিফ- ভালোখবর

২০১২.০৯.২০ ০৭:০৩
ধন্যবাদ জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম এবং তার সঙ্গীদের । পাটের সুদিন আসবে ফিরে । বিশ্ব সভায় আসন নিব নতুন করে।
২০১২.০৯.২০ ০৭:২৬
Work, with dedication and without payment in bangladesh! Unbelievable!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
Salute you sir!!!!!!!!!!!

Shamim Khan

Shamim Khan

২০১২.০৯.২০ ০৭:২৭
Salut to Dr. Maqsudul Alam and his team.

MD Rashid

MD Rashid

২০১২.০৯.২০ ০৭:৪০
গুরুত্বপুর্ন এই আবিষ্কারের জন্য মাকসুদুল আলম ও তার পাঁচ সদস্যের বিজ্ঞানীদলটিকে প্রানডালা অভিনন্দন জানাই।এভাবেই দেশটা এগিয়ে যাক জ্ঞান বিজ্ঞানের সব শাখায়,এই কামনা রইল।

Md. Khaled Hossain

Md. Khaled Hossain

২০১২.০৯.২০ ০৮:১৬
শাবাশ !!!!!!! মাকসুদুল আলম

Iahtiak

Iahtiak

২০১২.০৯.২০ ০৮:২৩
Congrats Dr. Maksudul Alam and your team. Go ahead Bangladesh.

Dr. Asad Zaman Asad

Dr. Asad Zaman Asad

২০১২.০৯.২০ ০৮:২৪
"সুযোগ ও কাজের পরিবেশ পেলে যে অনেক কিছু সম্ভব তা আমাদের গবেষকেরা প্রমাণ করে দিয়েছেন। এখানেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। এদের নিয়েই আমরা চলুন নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। আসুন দেশকে মায়ের মতোই ভালোবাসি।"--মাকসুদুল আলাম,
চোখ ভিজে গেল জলে ! আপনাদের মত মানুষদের কারণেই বাংলাদেশকে নিয়ে আবার সোনার বাংলার, স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে !

Ratan Jyoti

Ratan Jyoti

২০১২.০৯.২০ ০৮:৩৪
We proud of all of you for returning our dream!!!!!

Dr. Md.Nuruzzaman

Dr. Md.Nuruzzaman

২০১২.০৯.২০ ০৮:৩৯
It is very good news for scientist those are in this field and out of this field.
I am really happy to read this article. We have to give more effort in research. Yes we can and show ...................to world. In-shallah Allah will help us. Just need to do our best level to reach the goal.

zia

zia

২০১২.০৯.২০ ০৮:৪০
First of all I would like to congratulate the scientists whose such a crucial invention will place Bangladesh in forefront of the world of science and technology among other developed and developing countries. I hope government will give them proper honor and our PM must have the ability to realize the magnitude of this kind of invention being a wife of another great nuclear scientist of our country Late Dr. M. A. Wazed Miah.

Sameer

Sameer

২০১২.০৯.২০ ০৮:৪৬
Salute You Sir!! You are the real Hero of Bangladesh...

Muhammad Shahadat Hossain

Muhammad Shahadat Hossain

২০১২.০৯.২০ ০৮:৫২
ভাল খবর

musafir

musafir

২০১২.০৯.২০ ০৮:৫৩
" পৌনে ছয় কোটি টাকা শুধু মাকসুদুল আলমের পারিশ্রমিক হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু মাকসুদুল সেই টাকা নিতে রাজি হননি। বিনা পারিশ্রমিকে গবেষণার পুরো কাজটি করে দিয়েছেন তিনি।" HATS OF SIR

Kamal Hossain

Kamal Hossain

২০১২.০৯.২০ ০৮:৫৬
Our congratulations.

Wahid

Wahid

২০১২.০৯.২০ ০৯:০৬
মাকসুদুল আলম sir thanking u from my heart :). we need ppls like u

Md Nasim Wahid

Md Nasim Wahid

২০১২.০৯.২০ ০৯:১৯
একখানা ছবি যদি দিতেন উনার।

Md.Humayun Kabir

Md.Humayun Kabir

২০১২.০৯.২০ ০৯:২০
Good among many odds.

amos halder

amos halder

২০১২.০৯.২০ ০৯:৩২
HATS OFF MAKSUDUL ALAM SIR N YOUR WHOLE TEAM...
WE R PROUD OF U ALL..
U ALL R A REASON OF GREAT BLESSINGS TO US, TO ALL THE BANGLADESHIS!!!!

tea leaf

tea leaf

২০১২.০৯.২০ ০৯:৪১
ছত্রাকের জীবনরহস্যের মালিকানা বা পেটেন্ট যেন চুরি হয়ে না যায়

রাসেল

রাসেল

২০১২.০৯.২০ ০৯:৪১
সাবাশ বাংলাদেশ......:)

M. Mondle

M. Mondle

২০১২.০৯.২০ ০৯:৪৯
Congratulations-
1. Prime Minister
2. Mr. Moksudul Alam
3. Agriculture Minister
With Many Many Thanks

Mahbubur Rahman

Mahbubur Rahman

২০১২.০৯.২০ ০৯:৫৫
Maksudul Alam....I am speech less..you are the GOLD of my country....I am speechless....I dont find what to say....Thank you from my heart.....

Abdul Hamid

Abdul Hamid

২০১২.০৯.২০ ০৯:৫৬
ড. মাকসুদুল আলম (জন্মঃ ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৫৪ - ) একজন বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ। তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা । ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ঘোষণা দেন
মাকসুদুল আলম ফরিদপুরে ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা "দলিলউদ্দিন আহমেদ" ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের (ইপিআর) একজন কর্মকর্তা এবং তার মা ছিলেন লিরিয়ান আহমেদ একজন সমাজকর্মী ও শিক্ষিকা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার পিতা শহীদ হলে পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ে মা লিরিয়ান আহমেদের উপর। শিক্ষকতা করে তিনি তাঁর চার ছেলে ও চার মেয়েকে গড়ে তোলেন। স্বাধীনতার পর মাকসুদ চলে যান রাশিয়ায়। সেখানে মস্কো রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে অণুপ্রাণবিজ্ঞানে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন[৩]। পরে জার্মানিতে বিখ্যাত ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পুনরায় পিএইচডি করেন। মস্কোতে মাকসুদ ভ্লাদিমির পেত্রোভিচ মুলাচেভের সংস্পর্শে আসেন।
পেত্রোভিচের প্রাণরসায়নের নানা শাখায় অবদান রয়েছে। জার্মানিতে তিনি কাজ করার সুযোগ পান প্রাণরসায়নের অন্য দুই দিকপাল "ডিয়েটার ওয়স্টারহেল্ট" ও "জেরাল্ড হেজেলবাউয়ের" সঙ্গে। জার্মানির পর তিনি হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে মেরিন বাই প্রডাক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টারে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গবেষণার জন্য মাকসুদ ও তাঁর সহকর্মীদের ১০ লাখ ডলার অনুদান দেয়। ওই সেন্টারে কাজ করার সময় ২০০০ সালে তিনি ও তাঁর সহকর্মী "রেন্ডি লারসেন" প্রাচীন জীবাণুতে মায়োগ্লোবিনের মতো এক নতুন ধরনের প্রোটিন আবিষ্কার করেন। এ আবিষ্কারের সুবাদে মাকসুদের খ্যাতি ও দক্ষতা সবার নজরে আসে। হাওয়াইয়ান পেঁপের জিন নকশা উন্মোচনের জন্য ডাক পড়ে তাঁর। এ কাজ সম্পন্ন করার পর বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারের প্রচ্ছদে স্থান পান তিনি। পেঁপের জিন নকশা উন্মোচনের পর তিনি পাটের জিন নকশা উন্মোচনের কথা ভেবেছিলেন। সে সময় কয়েকবার বাংলাদেশেও এসেছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর ডাক পড়ে মালয়েশিয়ায় রাবারের জিন নকশা উন্মোচনের জন্য, ওই কাজেও তিনি সফল হন। পরে তিনি মনোনিবেশ করেন পাটের জিন নকশা উন্মোচনে।

Md.Shajidul Islam

Md.Shajidul Islam

২০১২.০৯.২০ ১০:০২
সাবাস ! সাবাস ! সেরা বাংলাদেশি পরুষকার টা তাকে দেয়া েহ্াক , আমি জানি ডিসিরা হিংসায় জলে পুরে মরছে । পেশাজিবিদের যথাযথ সামমান দেয়ার দাবি থাক্ ল.

Kazi Helal Uddin

Kazi Helal Uddin

২০১২.০৯.২০ ১০:১১
congratulation.When our leader are stilling people money that time some like Maksudul Alam Sir
sacrifices his time knowledge and salary for our beloved country.We feel proud for you sir.
May Almighty Allah help you to do more great invention for our country.Helal, Sydney,Australia

Ashrafuzzaman

Ashrafuzzaman

২০১২.০৯.২০ ১০:১১
অভিনন্দন মাকসুদুল আলমকে। দেশের জন্য এত বড় অর্জনের জন্য এবং কোন লোভ ছাড়া কাজের জন্য যেখানে তাকে প্রতি মাসে ১৬ লাখ টাকা করে সম্মানী দিতে চেয়েছিল অথচ তিনি তা নিতে অস্বীকার করেছেন। এই সরকারকেও ধন্যবাদ তাকে গবেষণার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

তাজিন মাহবুব আহমেদ

তাজিন মাহবুব আহমেদ

২০১২.০৯.২০ ১০:২০
মাকসুদুল আলম স্যার এবং সহযোগী সাইনটিস্টদের অভিনন্দন। আরেকবার নোবেল স্বাদের অপেক্ষায় রইলাম। ইউনুস স্যারের মত আরেকবার দেশবাসীকে বিশ্বজয়ের আনন্দে ভাসান এই কামনা করি।

Ronju Khan

Ronju Khan

২০১২.০৯.২০ ১০:২২
আমরা এখন আশা করতেই পারি বাংলাদেশের পত্রিকা গুলা এখন আর বস্তাপচা রাজনৈতিক খবরকে গুরুত্ব না দিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা বিষয়ক খবর গুলাকে গুরুত্ব দিবে আমরা নিজেরাও এখন আর চায়ের দোকানে ফাউ আলোচনায় ব্যাস্ত না থেকে গবেষনাগারে ঐ মুল্যবান সময় ব্যয় করব তাইলেই আমাদের দেশ অনেক অনেক দূর এগিয়ে যাবে বিজ্ঞাণী মাকসুদুল আলমের আবিস্কার সারথক হবে । সালাম তোমাই বাংলার অহংকার মাকসুদুল আলম।

Rumana

Rumana

২০১২.০৯.২০ ১০:২৩
অভিননদন মাকসুদুল আলম কে......

Rubel Shankar

Rubel Shankar

২০১২.০৯.২০ ১০:২৬
`প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে তাঁর জন্য প্রতি মাসে পারিশ্রমিক হিসেবে ১৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ পৌনে ছয় কোটি টাকা শুধু মাকসুদুল আলমের পারিশ্রমিক হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু মাকসুদুল সেই টাকা নিতে রাজি হননি। বিনা পারিশ্রমিকে গবেষণার পুরো কাজটি করে দিয়েছেন তিনি।' .. সত্যি কত বোকা উনি!!
......... আপনাকে পা ছুঁয়ে সালাম করতে ইচ্ছা করছে স্যার।

Maruf Ahmed

Maruf Ahmed

২০১২.০৯.২০ ১০:৪৭
congratulation sir, keep it up,,Goverment do something for patent quickly

satyajit

satyajit

২০১২.০৯.২০ ১০:৫৪
we are really fill proud.....

AftabAlamgir

AftabAlamgir

২০১২.০৯.২০ ১১:০১
এর কারণ, আমাদের এবারের কৃষিমন্ত্রী রাজাকার নয়...:)

Abdullah al shames

Abdullah al shames

২০১২.০৯.২০ ১১:০২
Inshallah, He will get Noble prize one day. We had Sotten Bosu, Jogodis Chandra Basu, we know they deserve Noble, But they, the white skin, don't want to value our achievement. I'm looking forward for patent notice.

Ahsan Al

Ahsan Al

২০১২.০৯.২০ ১১:০২
বিজ্ঞানীদের গবেষনা নিয়ে যদি রাজনীতি হয়, তাহলে সব অর্জন করা নষট হয়ে যাবে।

Syed Kamrul Huq

Syed Kamrul Huq

২০১২.০৯.২০ ১১:০২
স্যার আপনি এগিয়ে যান। নানা কারনে আজ এ জাতি বড়ই বিপদ সংকুল পথ পাড়ি দিচ্ছে। আপনার নিমগ্ন প্রচেষ্টায় ড: ইউনুস - এর পর আরেকটি গৌরবের পাদটিকা এ দুর্ভাগা জাতির ললাটে লিপিবদ্ধ হোক। আপনার পূর্ণ সফলতা কামনা করছি।

M A Jabbar

M A Jabbar

২০১২.০৯.২০ ১১:০৪
eto boro ekjon genius scientist er education and biography jana dorkar..if possible please publish for our knowledge.

sheak ahamed

sheak ahamed

২০১২.০৯.২০ ১১:১১
congratulation!!! to Maksudul Alom & his team.

Shumon

Shumon

২০১২.০৯.২০ ১১:২৬
Congratulations! "Bir Bangali jege otho, Bangladesher onnoyon koro"

Atique

Atique

২০১২.০৯.২০ ১১:২৮
Allah will help u everywhere bcoz u r a real patriot.

Md Nazim Uddin Sylhet

Md Nazim Uddin Sylhet

২০১২.০৯.২০ ১১:২৮
Congratulation Maksudul Alam Sir......

Atique

Atique

২০১২.০৯.২০ ১১:৩১
কিন্তু আফসস আপনি আপনার পাঅনা তাকা নিলেন না কিন্তু অননরা সব লুত করে খাচে

রাহিতুল ইসলাম রুয়েল

রাহিতুল ইসলাম রুয়েল

২০১২.০৯.২০ ১১:৩৭
মাকসুদুল আলম স্যারকে অনেক অনেক অভিনন্দন

Mahbubul islam

Mahbubul islam

২০১২.০৯.২০ ১১:৩৮
বিজ্ঞানী মাকসুদুল ও সহযোগীদের ধন্যবাদ .( সিঙ্গাপুর)

Md. Healal uddin

Md. Healal uddin

২০১২.০৯.২০ ১১:৪৩
we are proud of you .. Maksudul alam, you are arise the hope & aspiration of Mass people. god bless u.

Shaheen_Raozan_Chittagong

Shaheen_Raozan_Chittagong

২০১২.০৯.২০ ১১:৪৭
Mashallah, Congratulation!!
May Allah bless him with more knowledge and energy for survive our country.

Kazi Masudur Rahman

Kazi Masudur Rahman

২০১২.০৯.২০ ১১:৫৫
২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়াদের ৬৬ কোটি টাকার এ প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে তাঁর জন্য প্রতি মাসে পারিশ্রমিক হিসেবে ১৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ পৌনে ছয় কোটি টাকা শুধু মাকসুদুল আলমের পারিশ্রমিক হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু মাকসুদুল সেই টাকা নিতে রাজি হননি। বিনা পারিশ্রমিকে গবেষণার পুরো কাজটি করে দিয়েছেন তিনি। এদের কাছ থেকে আমাদের রাজনীতিবীদরা কী কিছুই শিখেবে না।
আমরা তার নোবেল পুরুস্কার পাওয়ার প্রত্যাশায় রইলাম।

Fuadmansoor

Fuadmansoor

২০১২.০৯.২০ ১২:০০
আমার সোনার বাংলা

Shajed

Shajed

২০১২.০৯.২০ ১২:০৯
এক কথায় অসাধারন !

Mujahid

Mujahid

২০১২.০৯.২০ ১২:১০
আললাহ সাহায করুন । আমিন,

Ahsan

Ahsan

২০১২.০৯.২০ ১২:১৮
some one really love country and they allowys hardworking that is we are running, we are seck of political news. this kind of news make peace. god bless him & his team.

Md Nazim Uddin Sylhet

Md Nazim Uddin Sylhet

২০১২.০৯.২০ ১২:২০
Thank you very much to all secntific and go ahed about this research. I pray and wish more success about it.

zahid

zahid

২০১২.০৯.২০ ১২:২২
what is doing the other government research institute.

Abul Bashar Sarker

Abul Bashar Sarker

২০১২.০৯.২০ ১২:২৯
Congratulation. We are proud of Mr. Maqsudul Alam. Long live Mr. Maqsudul Alam.

Amrita Paul

Amrita Paul

২০১২.০৯.২০ ১২:৩০
Congratulation!

Md. Shaikh Russel

Md. Shaikh Russel

২০১২.০৯.২০ ১২:৩১
বাংলার বিজ্ঞানী না বলে বাংলাদেশের বাঙালি বিজ্ঞানী বললে খুশি হতাম;
জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম স্যার কে অভিনন্দন !!!!!!!!!!!!!!!!!

Kamrul Islam Sagar

Kamrul Islam Sagar

২০১২.০৯.২০ ১২:৩৩
Awesome !!!!!!!!!! Carry on................

jakir hussain

jakir hussain

২০১২.০৯.২০ ১২:৪৭
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যার নাম দূর্নীতি ! এই দূর্নীতির জীবানু আমাদের রক্তের সাথে মিশে গেছে ! একে ধ্বংস করা দরকার ! এই দূর্নীতি নামক ক্ষতিকর জীবানুর জীবন রহস্য বের করার জন্য কোন বিঙ্ঘানীকি এগিয়ে আসবেন ?

mukul

mukul

২০১২.০৯.২০ ১২:৫৪
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমকে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দেয়া ছাড়াও তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যাতে যুক্ত্রারাষ্ট্র তাকে আবার কব্জা করে না নেয়। আমাদের এই গর্বের ধনকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের।

Md. Shaikh Russel

Md. Shaikh Russel

২০১২.০৯.২০ ১২:৫৪
জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল স্যার এর মত সকল বাংলাদেশী গবেষকরা যদি বিদেশে লেখাপড়া শেষ করে দেশে ফিরে এসে গবেষণা করেন তাহলে আমাদের দেশ থেকে নতুন বতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে উপস্থাপন করা সম্ভব। আমাদের দেশ থেকে যে সকল মেধাবী ছাত্ররা বিদেশে পড়াশুনা করতে গমন করেন তাদের প্রতি অনুরোধ আপনারা লেখাপড়া শেষে অর্থের লোভে বিদেশে না থেকে দেশে এসে গবেষণা করুন। তাহলে আপনি যে দেশে জন্মেছেন সেই দেশের কাছে কিছুটা হলেও ঋণ শোধ করতে পারবেন।

Mohammad Ataur Rahman

Mohammad Ataur Rahman

২০১২.০৯.২০ ১৩:০৩
Warm Congratulations for Dr. Maksudul Alam sir and his team! Bravo! our Bangladeshi scientist, we are proud of you. Please keep going and make Bangladesh a progressive modern and industrial rich country. Well done, thank you for your all the work. Work with dedication and without payment in bangladesh! Unbelievable!!!, Salute you sir!!! and Congratulations to our Govt. - Honb'le Prime Minister Sheikh Hasina, Agricultural Minister Motia Chowdhury and their team.
With Many Many Thanks to them who involved each and other.

Regards.
Mohammad Ataur Rahman

Saidur Rahman

Saidur Rahman

২০১২.০৯.২০ ১৩:১৫
অভিনন্দন, মাকসুদুল আলম।

মাননীয় কৃষিমন্ত্রী যথার্থই বলেছেন যে, আমাদের সম্পদের অপ্রতুলতা আছে। কিন্তু, এ ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে আমরা অর্থ দিতে কার্পণ্য করিনি।

ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করে অদূর ভবিষ্যতে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। অন্য কোন রাষ্ট্রে এ ঘটনা ঘটলে রাষ্ট্রনেতা, কৃষক, সাধারণ মানুষ সকলেই আপ্লুত হতো। কিন্তু, আমরা বরাবরই দেখে আসছি, বেশি উৎপাদন তথা বাম্পার ফলন হলে কৃষকের ঘরে হাহাকার দেখা দেয়। বাম্পার ফলনের সুফল ভোগ করে স্বার্থন্বেষী পুঁজিপতিরা। রাষ্ট্র সবসময়ই কৃষক স্বার্থের প্রতি বেশি উদাসীন। পাটের প্রতি আমাদের ধার্মিকতা দেখানোর জন্যে সরকার ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ প্রণয়ন করে। সেখানে বলা হয়, এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত পণ্য, পাটজাত মোড়ক দ্বারা মোড়কজাতকরণ ব্যতীত বিক্রয়, বিতরণ সরবরাহ করা যাবে না। এ বিষয়ে সরকারকে সুপারিশ দেওয়ার জন্যে একটি উপদেষ্টা কমিটিও তৈরি হয়। আইনে আরো বলা হয়, কোন ব্যক্তি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করে কৃত্রিম মোড়ক দ্বারা কোন পণ্য বা পণ্য সামগ্রী মোড়কজাতকরণ, বিক্রয়, বিতরণ বা সরবরাহ করলে বা করার অনুমতি প্রদান করা হলে, তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদ- বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদ- বা উভয় দ-ে দ-নীয় হবেন।

এখন প্রশ্ন হলো, এসব আইনের প্রয়োগ কোথায়? প্রণীত বিধিসমূহ কী কী? এই আইনের আওতায় সৃষ্ট কমিটি সরকারকে কী সুপারিশ দিলো? সেগুলোর কোন প্রয়োগ আমরা দেখতে পাচ্ছি না কেন?

মাকসুদুল আলমের মতো এদেশে অনেক মেধাবী মানুষ, গবেষক আছেন। সরকার গবেষণার জন্যে অর্থ খরচ করছে, বড় বড় প্রতিষ্ঠানও বানাচ্ছে কিংবা বানানোর অনুমতি দিচ্ছে। কিন্তু সেসব গবেষণার প্রয়োগ কোথায়? শুনতে পাই, বেশিরভাগ গবেষণাপত্র কিংবা গবেষণা প্রতিবেদন ড্রয়ারে পড়ে থাকে, কিংবা বাক্সবন্দী করা হয়।

এদেশের মেধাবী যুবকরা স্থানীয় প্রযুক্তিতে মোটরযান তৈরি করছে। ভারত ও চীনের পথ অনুসরণ করে আমাদের দেশও সেগুলো নজরে নিয়ে এসে দেশের গাড়ি শিল্প বিকাশে পথ সৃষ্টি করতে পারে, এবং দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে পারে। সেটা এ পর্যন্ত করেছে বলে কোন নজির দেখতে পাচ্ছি না। উল্টো, বিদেশ থেকে গাড়ি আমদানির হিড়িক দেখে দুঃখ হয়।

পাটের প্রতি সত্যিই আমরা যতœশীল হলে, পাটশিল্পের এ দশা হতো না, পাট কারখানাগুলো বন্ধ হতো না, পাটচাষীদের কপাল পুড়তো না। শুধু গবেষণায় হাততালি দিলে চলবে না। গবেষণায় রাষ্ট্রের কিছুই আসে যায় না, যদি গবেষণালব্ধ ফলাফলকে বাস্তবে রূপ দেওয়া না হয়।

Md. Sariful Islam

Md. Sariful Islam

২০১২.০৯.২০ ১৩:১৭
Musabbir@ Think Positive.

MD. MAHMUDUL HASAN

MD. MAHMUDUL HASAN

২০১২.০৯.২০ ১৩:২৬
“২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়াদের ৬৬ কোটি টাকার এ প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে তাঁর জন্য প্রতি মাসে পারিশ্রমিক হিসেবে ১৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ পৌনে ছয় কোটি টাকা শুধু মাকসুদুল আলমের পারিশ্রমিক হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু মাকসুদুল সেই টাকা নিতে রাজি হননি। বিনা পারিশ্রমিকে গবেষণার পুরো কাজটি করে দিয়েছেন তিনি।”-- এরকম একজন নির্লোভি এবং অসাধারন গুন সম্পন্ন বিজ্ঞানী যাতে আরো হাজারো আমাদের দেশে জন্ম নেয়, মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ -র কাছে আমরা সেই প্রার্থণা করি । আমিন ।

Imran Parvez

Imran Parvez

২০১২.০৯.২০ ১৩:৪২
আভিননদন গবেষনা দলকে, মাকসুদুল আলাম sir আমাদের অহংকার,আমরা পারি তা দেখালেন, আমরা নতুন generation আপনাদেরকে follow করতে চাহ
২০১২.০৯.২০ ১৩:৫৮
হেডলাইনে বহুদিন পর একটা আনন্দের সংবাদ পেলাম।
সকল বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন। আপনারাই দেশের সূর্যসন্তান। মাকসুদুল হক, আপনার দেশপ্রেম দেশের বাইরে কাজ করা সকল বিজ্ঞানীদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তারাও এখন হয়ত দেশের গবেষনায় সাহায্য করার সাহস পাবেন।
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর অবদানও উল্লেখ করা উচিত। আমরা শুধু রাজনীতিবিদদের খারাপটা নিয়ে আলোচনা করতেই ভালবাসি। ভালকে সামান্য প্রশংসা বা উৎসাহ দেই না। বিগত আওয়ামীলীগ আমলেও উনি ছিলেন সবচে সফল মন্ত্রী। এবারও তিনি নিশ্চুপে কাজ করে যাচ্ছেন সফলতার সাথে। রাজনীতিবিদদের এত খারাপ খবরের ভীরে ওনার কৃতিত্ব চাপা পরে গেছে। আওয়ামীলীগ বিএনপি বুঝি না। এই মানুষটাকে দেশের স্বার্থে সবসময় কৃষিমন্ত্রনালয়ে রাখা উচিত।
মতিয়া চৌধুরী আপনি দীর্ঘদিন সুস্থ থাকুন এবং দেশের কৃষিতে সফল অবদান রাখুন এই কামনা করি।

Hussain

Hussain

২০১২.০৯.২০ ১৪:০৬
Congratulations Maksudul Alam for your grate achievement and courage.

ashraf

ashraf

২০১২.০৯.২০ ১৪:১৭
জীনতত্ত্ব গবেষণার খারাপ দিকও আছে, (আশা করি প্রথম আলো মন্তব্যটি ছাপবে)
http://www.bbc.co.uk/news/science-environment-19654825

বাপি দে (কলকাতা)

বাপি দে (কলকাতা)

২০১২.০৯.২০ ১৪:২১
CONGRATULATIONS........

AHAHIDUL ISLAM

AHAHIDUL ISLAM

২০১২.০৯.২০ ১৪:২৩
এটি একটি বিশাল আনন্দের খবর,ইনশাললাহ আমাদের "মাকসুদুল আলম " দেশের তরেোবেল জিতে আনবেন। আপনাদের সাফল্যে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।

Arafat

Arafat

২০১২.০৯.২০ ১৪:৩৫
Great Achievement ..............4 Bangladesh............Salute Sir

Rasel mahmud

Rasel mahmud

২০১২.০৯.২০ ১৪:৪১
শাবাশ বাংলার বিজ্ঞানীরা

Md. Aliul Hoque Palash

Md. Aliul Hoque Palash

২০১২.০৯.২০ ১৫:০৩
এই রকম খবর পরে দুই চখে পানি চলে আসছে।

সফিকুল ইসলাম সুমন

সফিকুল ইসলাম সুমন

২০১২.০৯.২০ ১৫:০৬
অমিমাংসীত রাজনৈতিক পরিস্তিতি আর সবক্ষেত্রে যখন সীমাহীন অনিয়মের খবর আমাদের নিত্যসঙ্গী সে সময় মাকসুদুল আলম ও তার সহযাত্রীদের গৌরবময় সাফল্যের গল্প শোনে আমরা যথার্থই গৌরবান্বিত। আপনাদের মতো মেধাবীরা আছে বলেই আমরা স্বপ্ন দেখতে সাহস পাই । আপনাদের এ যাত্রা অন্তহীন হোক, অহর্নিশ শুভকামনা আপনাদের জন্য ।

Hasanujjaman

Hasanujjaman

২০১২.০৯.২০ ১৫:০৯
সালাম সালাম হাজার সালাম।

Naz

Naz

২০১২.০৯.২০ ১৫:১৩
আশাকরি এখন বিশ্বের চোখ খুলবে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের প্রতি আর সামনের নোবেল পুরষ্কারটা যাতে বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমকে দেয়া হয় তার জন্য যেন লভিং করা হয় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে।

দেলোয়ার হোসেন

দেলোয়ার হোসেন

২০১২.০৯.২০ ১৫:১৪
বিনা পারিশ্রমিকে মাকসুদুল আলম দেশকে করলেন এমন উজাড় করে দান ,
সব শহীদেরা শুনো , বিফলে যায়নি তোমাদের অমূল্য প্রান -
মাকসুদুলরাই তোমাদের উত্তরসূরি , বাংলা মায়ের যোগ্য সন্তান ।

Raju Das Gupta

Raju Das Gupta

২০১২.০৯.২০ ১৫:২০
অভিননদন
২০১২.০৯.২০ ১৫:২২
মাকসুদুল আলম ও তাঁর সঙ্গী বিজ্ঞানীদের জানাই আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা .

dr kaes

dr kaes

২০১২.০৯.২০ ১৫:২৪
পৃথিবীর আর কোনও বিজ্ঞানী এত ফসলের জেনম আবিস্কার করতে পেরেছে কিনা সন্দেহ আছে। মাক্সুদুল আলামকে বাংলাদেশের সরবচ্চ সম্মাননা দেয়া হোক। কৃতজ্ঞতা রইল প্রধান মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রী, বিজ্ঞানী দলকে।

Wahiduzzaman BULBUL

Wahiduzzaman BULBUL

২০১২.০৯.২০ ১৫:৩২
৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত এবং অগনিত মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে বিশ্বের বুকে “বাংরাদেশ” নামে এক স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। প্রথমআলোর শিরোনাম “শাবাশ বাংলার বিজ্ঞানীরা” একদম মেনে নিতে পারছিনা। “বাংলা” বলতে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের বাইরে বিশাল আয়তনের কলকাতাকেও বুঝায়। তাই শিরোনাম “শাবাশ বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা” হওয়া উচিৎ ছিল।

gonesh das

gonesh das

২০১২.০৯.২০ ১৫:৪৩
Congratulation! scientist Maksudul alam and his group.Go ahead.
২০১২.০৯.২০ ১৬:০১
Opposition leader should appreciate this great achievement of the bangladeshi scientist.

Abul

Abul

২০১২.০৯.২০ ১৬:২১
কয়েক বছর আগে পাটের জিন সিকোএন্সিং করে বলা হলো বিরাট সাফল্য । পাট তার সোনালী দিন ফিরে পাবে । কাজের কাজ কিছুই হলো না । পাট যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে গেছে ।

debobroto goswami

debobroto goswami

২০১২.০৯.২০ ১৬:৩৪
Congratulation Sir !!!!!!!!!

২০১২.০৯.২০ ১৮:৩১
Still i have doubt.
২০১২.০৯.২০ ১৯:৩৭
sabas Bangladesh !! proud to be a Bangladeshi....

Monir

Monir

২০১২.০৯.২০ ১৯:৩৮
congratulations sir

Fahim Mahmud Rony

Fahim Mahmud Rony

২০১২.০৯.২০ ১৯:৫৩
স্বপ্নযাত্রা।

Kausar

Kausar

২০১২.০৯.২০ ২০:৩৬
ধন্য সে মায়ের কোলে এমন মনিষির জনম, ধন্য সেই পুরুষের যার রক্ত মিষে এমন নির্লোভি মনিষি নিজেকে ধন্য করেছে। এদেশের মাটি, আলো, বাতাস, পানি আমরা যেভাবে পেয়েছিলাম তা ধিরে ধিরে সুযোগ্য সন্তানদের হাতে অর্পিত হোক। তোমাদের সাথে আমরাও গর্বিত হে বিগ্যানি।

naser

naser

২০১২.০৯.২০ ২০:৫৫
Congratulation on his brilliant success. This legendary man Maksudul Alam proved again that every human is special, you just have to believe so in order to become one.

md mottaleb hossain

md mottaleb hossain

২০১২.০৯.২০ ২১:১৯
Thousand of salute to you sir and your team for make us proud. May Allah! bless you.

Shaheen Parvez

Shaheen Parvez

২০১২.০৯.২০ ২২:৩৩
Congratulation