মাকসুদুলের নেতৃত্বে ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন
শাবাশ বাংলার বিজ্ঞানীরা
পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনকে বলা হয়েছিল স্বপ্নযাত্রা। জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে দেশের বিজ্ঞানীরা এবার ওই যাত্রাপথের মধ্যগগনে পৌঁছেছেন। পাটসহ বিশ্বের ৫০০টি উদ্ভিদের অন্যতম শত্রু ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছেন তাঁরা। অর্থাৎ ছত্রাক কীভাবে ফসলের জৈব উপাদান নষ্ট করে, উৎপাদন কমিয়ে দেয়, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা সেই সূত্র বা রহস্য বের করেছেন।
ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের ওই ছত্রাকের আক্রমণে দুনিয়াজুড়ে ৫০০টি উদ্ভিদের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ছত্রাকের আক্রমণে শুধু পাটের উৎপাদনই ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ কমে যেতে পারে। ছত্রাক কীভাবে ফসলের ক্ষতি করে তা জানতে বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানী বছরের পর বছর চেষ্টা করে গেলেও এ সম্পর্কে জানতে পারেননি।
মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীদের দল সেই অজানা রহস্যের সূত্র খুঁজে পেয়েছে। এখন স্বপ্নের পথ বেয়ে মূল গন্তব্যে পৌঁছানোর পালা। অর্থাৎ ছত্রাকের আক্রমণ সহ্য করে টিকে থাকতে পারে এমন জাত উদ্ভাবন করে কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়া।
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের সম্পদের অপ্রতুলতা আছে। কিন্তু এ ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে আমরা অর্থ দিতে কার্পণ্য করিনি।’ এই গবেষণার সাফল্যকে কৃষকের দরজায় পৌঁছে দিতে সরকার সম্ভাব্য সব কিছু করবে বলে জানান তিনি।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের পাটবিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের আওতায় মাত্র এক বছরের মাথায় দেশের বিজ্ঞানীরা এই অভাবনীয় সফলতা পেলেন। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটে এই প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত একটি গবেষণা কেন্দ্রে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এই যুগান্তকারী কাজটি সম্পন্ন করেছেন। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সফলতার খবরটি জাতীয় সংসদে ঘোষণা করেন। আর বিশ্বের বিজ্ঞানবিষয়ক অন্যতম প্রভাবশালী সাময়িকী বিএমসি জেনোমিকসও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচনবিষয়ক গবেষণাটি গতকালই প্রকাশ করেছে।
মাকসুদুল আলম তাঁর সর্বশেষ আবিষ্কার নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সরকারি অর্থায়ন, ব্যবস্থাপনা ও লোকবল দিয়ে এ ধরনের সুশৃঙ্খল একটি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিচালনা সারা বিশ্বের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
পাট ও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করেই থেমে থাকেনি মাকসুদুলের বিজ্ঞানী দল। এই গবেষণার ফলাফলে যাতে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মালিকানা বা পেটেন্ট থাকে তা নিশ্চিত করার পথেও তাঁরা অনেক দূর এগিয়েছেন। পাটের ওপর দুটি ও ছত্রাকের ওপর তিনটি গবেষণার পেটেন্ট (কৃতিস্বত্ব) দাবি করে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে। এই পাঁচটি গবেষণার পেটেন্ট পেতে ওই প্রকল্পের আওতায় তিনজন ব্যারিস্টার কাজ করছেন।
শুধু তা-ই নয়, অল্প পানিতে ও দ্রুত পাটের আঁশ জাগ দেওয়া বা পচানোর মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। তবে এর সুফল কৃষক পর্যায়ে পৌঁছাতে দেশবাসীকে আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে বলে এই বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। এই ছত্রাকটি ধান, গম, ভুট্টা, সয়াবিন, তুলা, যবের মতো বিশ্বের প্রধান ফসলগুলোরও অন্যতম শত্রু।
জীবনরহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে ওই ছত্রাক ফসলের শরীরে প্রবেশ করে কীভাবে তাদের প্রোটিনসহ অন্যান্য জীবনীশক্তি নষ্ট করে, তার রহস্য খুঁজে পাওয়া গেছে। ফলে এই দিক থেকে গবেষণাটিকে বৈশ্বিকভাবেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। বিশ্বের তিনটি ফসল, চারটি জীবাণুসহ মোট ১৯টি জীবের জীবনরহস্য উন্মোচনের নেতৃত্বে ছিলেন এই কৃতী বিজ্ঞানী। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবার ও বাংলাদেশের হয়ে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের মধ্য দিয়ে মাকসুদুল শুধু দেশে নয়, বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।
পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের গবেষণার সফলতার পর মাকসুদুল আলম ২০১০ সালের নভেম্বর থেকে পাটবিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্পের কাজে হাত দেন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত মেয়াদের ৬৬ কোটি টাকার এ প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে তাঁর জন্য প্রতি মাসে পারিশ্রমিক হিসেবে ১৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ পৌনে ছয় কোটি টাকা শুধু মাকসুদুল আলমের পারিশ্রমিক হিসেবে ধরা হয়েছিল। কিন্তু মাকসুদুল সেই টাকা নিতে রাজি হননি। বিনা পারিশ্রমিকে গবেষণার পুরো কাজটি করে দিয়েছেন তিনি।
দেশের জেনোম গবেষণার পথিকৃৎ মাকসুদুল আলম ও তাঁর সঙ্গী বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পাট ও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন দেশের অর্থনীতির ইতিহাসকেই বদলে দিতে পারে। ষাট ও সত্তর দশকেও বাংলাদেশের মতো অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল ব্রাজিল ও মালয়েশিয়ার। উন্নত মানের রাবার চাষ করে মালয়েশিয়া, কফি ও লেবুর আবাদ করে ব্রাজিল তাদের অর্থনীতিকে মজবুত করে। কৃষি খাতের এই উদ্ভাবনের ওপর ভিত্তি করেই এই দুই দেশের অর্থনীতি আজ বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।
গবেষক দলের প্রধান মাকসুদুল আলম এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, ‘একসময় বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার বড় অংশ আসত পাট থেকে। পাটের ওপর ভিত্তি করে এ দেশের অর্থনীতির প্রাথমিক বুনিয়াদ তৈরি হয়েছিল। আমাদের পাট এবং পাটের প্রধান শত্রু ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আমরা আবারও পাটের সেই স্বর্ণালী দিন ফিরিয়ে আনতে পারব। সেই স্বপ্নের গন্তব্যে পৌঁছাতে আরও কিছুকাল অপেক্ষা করতে হবে।’
পাট ও ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচনকারী বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২০ বছর আগে দেশের বিজ্ঞানীরা সাদা আঁশের পাটের একটি লাইন (জাত তৈরির আগের পর্যায়) উদ্ভাবন করেছিলেন। এই ধবধবে সাদা আঁশযুক্ত পাটের আঁশ ব্যবহার করতে প্রক্রিয়াজাত (ব্লিচিং) করার দরকার হয় না। প্রক্রিয়াজাত ছাড়াই এটি সরাসরি কাপড় বা অন্যান্য সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।
পরিশোধন করতে না হলে পাটের উৎপাদন-ব্যয় হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি পাটের বর্জ্য থেকে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। এই জাতকে ঘিরে বিজ্ঞানীরা এমনটাই আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু লাইন থেকে জাত তৈরি করতে গিয়েই লাগল বিপত্তি। ধবধবে সাদা আঁশের ওই পাট দেশবাসীর মনে আশার ঝিলিক দিয়ে আবার হতাশায় ডুবিয়ে দিয়েছিল। ওই পাটের জাতটি বড় হওয়ার আগেই ছত্রাকের আক্রমণে কাণ্ডপচা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। পাটের সাদা আঁশ দিয়ে সরাসরি কাপড় তৈরির সেই স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি।
পাটবিষয়ক মৌলিক ও ফলিত গবেষণা প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ওই সাদা পাটের জাতকে ছত্রাকসহিষ্ণু করার কাজটাই শুরু করতে যাচ্ছেন তাঁরা। ওই জাতের ওপর আক্রমণকারী ছত্রাকটির ব্যবহূত হাতিয়ার ও তা ব্যবহারের কলাকৌশল এর জীবনরহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে জানা গেছে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রচলিত পদ্ধতির গবেষণা আমাদের অনেক নতুন নতুন ফসলের উচ্চফলনশীল জাত উপহার দিয়েছে। এসব জাতের আশানুরূপ ফলন বাড়ানো আর সম্ভব হচ্ছে না। কারণ ফসলের জাত উন্নয়নের প্রচলিত পদ্ধতির সক্ষমতার প্রায় পুরোটা ব্যবহার হয়ে গেছে। একমাত্র জেনোম গবেষণার মাধ্যমে নতুন জাত উদ্ভাবন করা যাবে, যার মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো যাবে।
বাংলাদেশ আরও কী পাবে: পেটেন্ট পাওয়া গেলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বাংলাদেশে উদ্ভাবিত পাটের জাত ও ছত্রাক প্রতিরোধক ফসল চাষ করতে হলে বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে অর্থ দিতে হবে। যেমন মাইক্রোসফট কোম্পানির সফটওয়্যার ব্যবহারকারী বিশ্বের প্রতিটি কম্পিউটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে মেধাস্বত্ব বাবদ অর্থ দিতে হয়। ভারত ইতিমধ্যে নিমের পেটেন্টের জন্য আবেদন জমা দিয়েছে। পাট ও ছত্রাকের পেটেন্ট দাবি করে বাংলাদেশই প্রথম আবেদন জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
মাকসুদুল আলম এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এত দিন জেনোমবিষয়ক যাবতীয় তথ্য উন্নত বিশ্বের তথ্যভান্ডার থেকে শুধু সংগ্রহই করে গেছে। কিন্তু এখন সে তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধ করতে আমরাও অংশ নিলাম। বিশ্ব দেখবে আমরা শুধু তথ্য নিই না, দিতেও পারি।







Apu kowsar
২০১২.০৯.২০ ০৩:০৭Liton Biswas
২০১২.০৯.২০ ০৩:০৭S M FAZLE BARI
২০১২.০৯.২০ ০৩:১৬আমরা পাটের জীবনরহস্য ও শত্রু ছত্রাকের জীবনরহস্য এর স্থপতি বিজ্ঞানী মাকসুদুল কে ধন্যবাদ জানায় কিন্তু অবশ্যই আমাদের বলতে হবে দেশ কমান্ডার (প্রধানমন্ত্রী) শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে ঘোষণা না দিলে জাতি হয়তবা বিষয় টি জানতে পারত না, বিজ্ঞানী মাকসুদুলের সৃস্টিও অনাসৃস্টি হয়ে যেত । তাই আবারো বলি ................ উন্মোচনের ঘোষক হাসিনা লও লও সালাম ।।
সত্যি খবর টা শুনার পর থেকে মনটা অনন্দে ভরে গেছে, এত এত নিরানন্দ খবরের মধ্যে এমন খবর শুনলে আনন্দে চোখে পানি চলে আসে । আমরা বাংলাদেশীরাও পারি, ভাবতেই গর্বে বুক টা ফুলে উঠে । অন্তর থেকে জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম ও তার সহযোগীদের প্রান ঢালা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি*
sanjidur rahman chowdhury
২০১২.০৯.২০ ০৩:৪৭আলো দেখালেন মা্কসুদুল আ্লম স্যার।তাকে সহ বাংলার এই মেধাবিদের অভিনন্দন...
Mohammed
২০১২.০৯.২০ ০৩:৫৪এগিয়ে চলো বংগবীরেরা !
mohammed mohsin
২০১২.০৯.২০ ০৪:০৪Nazmul
২০১২.০৯.২০ ০৪:০৪Monowar-ul-Haque
২০১২.০৯.২০ ০৪:১৭zakir ( জাপান )
২০১২.০৯.২০ ০৪:৩১Fazlul H. Quazi
২০১২.০৯.২০ ০৪:৩২donsumon
২০১২.০৯.২০ ০৫:২২sarwar
২০১২.০৯.২০ ০৫:২২Mizanur Rahman
২০১২.০৯.২০ ০৫:২৬একই সাথে বর্তমান বিজ্ঞানমনস্ক সরকারকে ধন্যবাদ.
আসিফ মাহমুদ খান ।। ওয়েস্ট সাসেক্স ।
২০১২.০৯.২০ ০৫:৪৬sabuj hossain
২০১২.০৯.২০ ০৫:৪৭HRKHAN
২০১২.০৯.২০ ০৬:০৩Salwa
২০১২.০৯.২০ ০৬:৩২Mahbub
২০১২.০৯.২০ ০৬:৩২Mohammed hasan
২০১২.০৯.২০ ০৬:৩৯Musabbir
২০১২.০৯.২০ ০৬:৫৩দু:খিত বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম, আপনার আবিস্কার শুধু রাজনৈতিক গলাবাজিতে ব্যবহার হবে, এদেশে এর এপ্লিক্যাশনের ব্যবস্থা করার আগ্রহ সরকারী মহলের হবে না।
Mohammad nurul Hoque
২০১২.০৯.২০ ০৬:৫৬Razu
২০১২.০৯.২০ ০৭:০২হানিফ- ভালোখবর
২০১২.০৯.২০ ০৭:০৩Salute you sir!!!!!!!!!!!
Shamim Khan
২০১২.০৯.২০ ০৭:২৭MD Rashid
২০১২.০৯.২০ ০৭:৪০Md. Khaled Hossain
২০১২.০৯.২০ ০৮:১৬Iahtiak
২০১২.০৯.২০ ০৮:২৩Dr. Asad Zaman Asad
২০১২.০৯.২০ ০৮:২৪চোখ ভিজে গেল জলে ! আপনাদের মত মানুষদের কারণেই বাংলাদেশকে নিয়ে আবার সোনার বাংলার, স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে !
Ratan Jyoti
২০১২.০৯.২০ ০৮:৩৪Dr. Md.Nuruzzaman
২০১২.০৯.২০ ০৮:৩৯I am really happy to read this article. We have to give more effort in research. Yes we can and show ...................to world. In-shallah Allah will help us. Just need to do our best level to reach the goal.
zia
২০১২.০৯.২০ ০৮:৪০Sameer
২০১২.০৯.২০ ০৮:৪৬Muhammad Shahadat Hossain
২০১২.০৯.২০ ০৮:৫২musafir
২০১২.০৯.২০ ০৮:৫৩Kamal Hossain
২০১২.০৯.২০ ০৮:৫৬Wahid
২০১২.০৯.২০ ০৯:০৬Md Nasim Wahid
২০১২.০৯.২০ ০৯:১৯Md.Humayun Kabir
২০১২.০৯.২০ ০৯:২০amos halder
২০১২.০৯.২০ ০৯:৩২WE R PROUD OF U ALL..
U ALL R A REASON OF GREAT BLESSINGS TO US, TO ALL THE BANGLADESHIS!!!!
tea leaf
২০১২.০৯.২০ ০৯:৪১রাসেল
২০১২.০৯.২০ ০৯:৪১M. Mondle
২০১২.০৯.২০ ০৯:৪৯1. Prime Minister
2. Mr. Moksudul Alam
3. Agriculture Minister
With Many Many Thanks
Mahbubur Rahman
২০১২.০৯.২০ ০৯:৫৫Abdul Hamid
২০১২.০৯.২০ ০৯:৫৬মাকসুদুল আলম ফরিদপুরে ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা "দলিলউদ্দিন আহমেদ" ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের (ইপিআর) একজন কর্মকর্তা এবং তার মা ছিলেন লিরিয়ান আহমেদ একজন সমাজকর্মী ও শিক্ষিকা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার পিতা শহীদ হলে পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ে মা লিরিয়ান আহমেদের উপর। শিক্ষকতা করে তিনি তাঁর চার ছেলে ও চার মেয়েকে গড়ে তোলেন। স্বাধীনতার পর মাকসুদ চলে যান রাশিয়ায়। সেখানে মস্কো রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে অণুপ্রাণবিজ্ঞানে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন[৩]। পরে জার্মানিতে বিখ্যাত ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পুনরায় পিএইচডি করেন। মস্কোতে মাকসুদ ভ্লাদিমির পেত্রোভিচ মুলাচেভের সংস্পর্শে আসেন।
পেত্রোভিচের প্রাণরসায়নের নানা শাখায় অবদান রয়েছে। জার্মানিতে তিনি কাজ করার সুযোগ পান প্রাণরসায়নের অন্য দুই দিকপাল "ডিয়েটার ওয়স্টারহেল্ট" ও "জেরাল্ড হেজেলবাউয়ের" সঙ্গে। জার্মানির পর তিনি হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ে মেরিন বাই প্রডাক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং সেন্টারে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান গবেষণার জন্য মাকসুদ ও তাঁর সহকর্মীদের ১০ লাখ ডলার অনুদান দেয়। ওই সেন্টারে কাজ করার সময় ২০০০ সালে তিনি ও তাঁর সহকর্মী "রেন্ডি লারসেন" প্রাচীন জীবাণুতে মায়োগ্লোবিনের মতো এক নতুন ধরনের প্রোটিন আবিষ্কার করেন। এ আবিষ্কারের সুবাদে মাকসুদের খ্যাতি ও দক্ষতা সবার নজরে আসে। হাওয়াইয়ান পেঁপের জিন নকশা উন্মোচনের জন্য ডাক পড়ে তাঁর। এ কাজ সম্পন্ন করার পর বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারের প্রচ্ছদে স্থান পান তিনি। পেঁপের জিন নকশা উন্মোচনের পর তিনি পাটের জিন নকশা উন্মোচনের কথা ভেবেছিলেন। সে সময় কয়েকবার বাংলাদেশেও এসেছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর ডাক পড়ে মালয়েশিয়ায় রাবারের জিন নকশা উন্মোচনের জন্য, ওই কাজেও তিনি সফল হন। পরে তিনি মনোনিবেশ করেন পাটের জিন নকশা উন্মোচনে।
Md.Shajidul Islam
২০১২.০৯.২০ ১০:০২Kazi Helal Uddin
২০১২.০৯.২০ ১০:১১sacrifices his time knowledge and salary for our beloved country.We feel proud for you sir.
May Almighty Allah help you to do more great invention for our country.Helal, Sydney,Australia
Ashrafuzzaman
২০১২.০৯.২০ ১০:১১তাজিন মাহবুব আহমেদ
২০১২.০৯.২০ ১০:২০Ronju Khan
২০১২.০৯.২০ ১০:২২Rumana
২০১২.০৯.২০ ১০:২৩Rubel Shankar
২০১২.০৯.২০ ১০:২৬......... আপনাকে পা ছুঁয়ে সালাম করতে ইচ্ছা করছে স্যার।
Maruf Ahmed
২০১২.০৯.২০ ১০:৪৭satyajit
২০১২.০৯.২০ ১০:৫৪AftabAlamgir
২০১২.০৯.২০ ১১:০১Abdullah al shames
২০১২.০৯.২০ ১১:০২Ahsan Al
২০১২.০৯.২০ ১১:০২Syed Kamrul Huq
২০১২.০৯.২০ ১১:০২M A Jabbar
২০১২.০৯.২০ ১১:০৪sheak ahamed
২০১২.০৯.২০ ১১:১১Shumon
২০১২.০৯.২০ ১১:২৬Atique
২০১২.০৯.২০ ১১:২৮Md Nazim Uddin Sylhet
২০১২.০৯.২০ ১১:২৮Atique
২০১২.০৯.২০ ১১:৩১রাহিতুল ইসলাম রুয়েল
২০১২.০৯.২০ ১১:৩৭Mahbubul islam
২০১২.০৯.২০ ১১:৩৮Md. Healal uddin
২০১২.০৯.২০ ১১:৪৩Shaheen_Raozan_Chittagong
২০১২.০৯.২০ ১১:৪৭May Allah bless him with more knowledge and energy for survive our country.
Kazi Masudur Rahman
২০১২.০৯.২০ ১১:৫৫আমরা তার নোবেল পুরুস্কার পাওয়ার প্রত্যাশায় রইলাম।
Fuadmansoor
২০১২.০৯.২০ ১২:০০Shajed
২০১২.০৯.২০ ১২:০৯Mujahid
২০১২.০৯.২০ ১২:১০Ahsan
২০১২.০৯.২০ ১২:১৮Md Nazim Uddin Sylhet
২০১২.০৯.২০ ১২:২০zahid
২০১২.০৯.২০ ১২:২২Abul Bashar Sarker
২০১২.০৯.২০ ১২:২৯Amrita Paul
২০১২.০৯.২০ ১২:৩০Md. Shaikh Russel
২০১২.০৯.২০ ১২:৩১জিন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম স্যার কে অভিনন্দন !!!!!!!!!!!!!!!!!
Kamrul Islam Sagar
২০১২.০৯.২০ ১২:৩৩jakir hussain
২০১২.০৯.২০ ১২:৪৭mukul
২০১২.০৯.২০ ১২:৫৪Md. Shaikh Russel
২০১২.০৯.২০ ১২:৫৪Mohammad Ataur Rahman
২০১২.০৯.২০ ১৩:০৩With Many Many Thanks to them who involved each and other.
Regards.
Mohammad Ataur Rahman
Saidur Rahman
২০১২.০৯.২০ ১৩:১৫মাননীয় কৃষিমন্ত্রী যথার্থই বলেছেন যে, আমাদের সম্পদের অপ্রতুলতা আছে। কিন্তু, এ ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে আমরা অর্থ দিতে কার্পণ্য করিনি।
ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করে অদূর ভবিষ্যতে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। অন্য কোন রাষ্ট্রে এ ঘটনা ঘটলে রাষ্ট্রনেতা, কৃষক, সাধারণ মানুষ সকলেই আপ্লুত হতো। কিন্তু, আমরা বরাবরই দেখে আসছি, বেশি উৎপাদন তথা বাম্পার ফলন হলে কৃষকের ঘরে হাহাকার দেখা দেয়। বাম্পার ফলনের সুফল ভোগ করে স্বার্থন্বেষী পুঁজিপতিরা। রাষ্ট্র সবসময়ই কৃষক স্বার্থের প্রতি বেশি উদাসীন। পাটের প্রতি আমাদের ধার্মিকতা দেখানোর জন্যে সরকার ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ প্রণয়ন করে। সেখানে বলা হয়, এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত পণ্য, পাটজাত মোড়ক দ্বারা মোড়কজাতকরণ ব্যতীত বিক্রয়, বিতরণ সরবরাহ করা যাবে না। এ বিষয়ে সরকারকে সুপারিশ দেওয়ার জন্যে একটি উপদেষ্টা কমিটিও তৈরি হয়। আইনে আরো বলা হয়, কোন ব্যক্তি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করে কৃত্রিম মোড়ক দ্বারা কোন পণ্য বা পণ্য সামগ্রী মোড়কজাতকরণ, বিক্রয়, বিতরণ বা সরবরাহ করলে বা করার অনুমতি প্রদান করা হলে, তিনি অনূর্ধ্ব এক বৎসর কারাদ- বা অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদ- বা উভয় দ-ে দ-নীয় হবেন।
এখন প্রশ্ন হলো, এসব আইনের প্রয়োগ কোথায়? প্রণীত বিধিসমূহ কী কী? এই আইনের আওতায় সৃষ্ট কমিটি সরকারকে কী সুপারিশ দিলো? সেগুলোর কোন প্রয়োগ আমরা দেখতে পাচ্ছি না কেন?
মাকসুদুল আলমের মতো এদেশে অনেক মেধাবী মানুষ, গবেষক আছেন। সরকার গবেষণার জন্যে অর্থ খরচ করছে, বড় বড় প্রতিষ্ঠানও বানাচ্ছে কিংবা বানানোর অনুমতি দিচ্ছে। কিন্তু সেসব গবেষণার প্রয়োগ কোথায়? শুনতে পাই, বেশিরভাগ গবেষণাপত্র কিংবা গবেষণা প্রতিবেদন ড্রয়ারে পড়ে থাকে, কিংবা বাক্সবন্দী করা হয়।
এদেশের মেধাবী যুবকরা স্থানীয় প্রযুক্তিতে মোটরযান তৈরি করছে। ভারত ও চীনের পথ অনুসরণ করে আমাদের দেশও সেগুলো নজরে নিয়ে এসে দেশের গাড়ি শিল্প বিকাশে পথ সৃষ্টি করতে পারে, এবং দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে পারে। সেটা এ পর্যন্ত করেছে বলে কোন নজির দেখতে পাচ্ছি না। উল্টো, বিদেশ থেকে গাড়ি আমদানির হিড়িক দেখে দুঃখ হয়।
পাটের প্রতি সত্যিই আমরা যতœশীল হলে, পাটশিল্পের এ দশা হতো না, পাট কারখানাগুলো বন্ধ হতো না, পাটচাষীদের কপাল পুড়তো না। শুধু গবেষণায় হাততালি দিলে চলবে না। গবেষণায় রাষ্ট্রের কিছুই আসে যায় না, যদি গবেষণালব্ধ ফলাফলকে বাস্তবে রূপ দেওয়া না হয়।
Md. Sariful Islam
২০১২.০৯.২০ ১৩:১৭MD. MAHMUDUL HASAN
২০১২.০৯.২০ ১৩:২৬Imran Parvez
২০১২.০৯.২০ ১৩:৪২সকল বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন। আপনারাই দেশের সূর্যসন্তান। মাকসুদুল হক, আপনার দেশপ্রেম দেশের বাইরে কাজ করা সকল বিজ্ঞানীদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তারাও এখন হয়ত দেশের গবেষনায় সাহায্য করার সাহস পাবেন।
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর অবদানও উল্লেখ করা উচিত। আমরা শুধু রাজনীতিবিদদের খারাপটা নিয়ে আলোচনা করতেই ভালবাসি। ভালকে সামান্য প্রশংসা বা উৎসাহ দেই না। বিগত আওয়ামীলীগ আমলেও উনি ছিলেন সবচে সফল মন্ত্রী। এবারও তিনি নিশ্চুপে কাজ করে যাচ্ছেন সফলতার সাথে। রাজনীতিবিদদের এত খারাপ খবরের ভীরে ওনার কৃতিত্ব চাপা পরে গেছে। আওয়ামীলীগ বিএনপি বুঝি না। এই মানুষটাকে দেশের স্বার্থে সবসময় কৃষিমন্ত্রনালয়ে রাখা উচিত।
মতিয়া চৌধুরী আপনি দীর্ঘদিন সুস্থ থাকুন এবং দেশের কৃষিতে সফল অবদান রাখুন এই কামনা করি।
Hussain
২০১২.০৯.২০ ১৪:০৬ashraf
২০১২.০৯.২০ ১৪:১৭http://www.bbc.co.uk/news/science-environment-19654825
বাপি দে (কলকাতা)
২০১২.০৯.২০ ১৪:২১AHAHIDUL ISLAM
২০১২.০৯.২০ ১৪:২৩Arafat
২০১২.০৯.২০ ১৪:৩৫Rasel mahmud
২০১২.০৯.২০ ১৪:৪১Md. Aliul Hoque Palash
২০১২.০৯.২০ ১৫:০৩সফিকুল ইসলাম সুমন
২০১২.০৯.২০ ১৫:০৬Hasanujjaman
২০১২.০৯.২০ ১৫:০৯Naz
২০১২.০৯.২০ ১৫:১৩দেলোয়ার হোসেন
২০১২.০৯.২০ ১৫:১৪সব শহীদেরা শুনো , বিফলে যায়নি তোমাদের অমূল্য প্রান -
মাকসুদুলরাই তোমাদের উত্তরসূরি , বাংলা মায়ের যোগ্য সন্তান ।
Raju Das Gupta
২০১২.০৯.২০ ১৫:২০dr kaes
২০১২.০৯.২০ ১৫:২৪Wahiduzzaman BULBUL
২০১২.০৯.২০ ১৫:৩২gonesh das
২০১২.০৯.২০ ১৫:৪৩Abul
২০১২.০৯.২০ ১৬:২১debobroto goswami
২০১২.০৯.২০ ১৬:৩৪
২০১২.০৯.২০ ১৮:৩১Monir
২০১২.০৯.২০ ১৯:৩৮Fahim Mahmud Rony
২০১২.০৯.২০ ১৯:৫৩Kausar
২০১২.০৯.২০ ২০:৩৬naser
২০১২.০৯.২০ ২০:৫৫md mottaleb hossain
২০১২.০৯.২০ ২১:১৯Shaheen Parvez
২০১২.০৯.২০ ২২:৩৩