• হোম
  • সারা দেশ
  •   এনজিওর ওপর নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

এনজিওর ওপর নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

প্রথম আলো ডেস্ক | তারিখ: ১২-০৯-২০১২

  • ১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

বাংলাদেশে বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ কঠোর হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
এনজিও খাতে নতুন যে নিয়ন্ত্রণ কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে সরকার বলছে, নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়, স্বচ্ছতা আনয়নের জন্য এমন কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকার গত ২৫ আগস্ট ওই কমিশন গঠনের ঘোষণা দেয়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, এ ধরনের কমিশন এনজিওগুলোর কাজে অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপের সুযোগ করে দেবে।
তবে বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব রণজিৎ কুমার বিশ্বাস বলছেন, কমিশন গঠনের বিষয়টি এখনো ভাবনার পর্যায়ে রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলেও এনজিওদের নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা নেই।
এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো থাকা সত্ত্বেও আলাদা একটি কমিশন গঠনের কারণ হিসেবে সচিব বলেন, এনজিওগুলো দেখা যায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিবন্ধিত, আবার বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত এনজিওগুলো এনজিও ব্যুরো বা জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধিত। আসলে সরকারের ভাবনা হলো, সব এনজিওকে একই ছাতার নিচে একটি সমন্বিত কার্যক্রমের আওতায় আনা।
গণসাক্ষরতা অভিযানের কর্ণধার রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, ‘নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলে এনজিওদের উদ্ভাবনীমূলক কাজ বা মানবাধিকার-সংক্রান্ত কাজ ব্যাহত হবে। এর পরিণতি সমাজের জন্য বা দেশের জন্য ভালো হবে না। এটা বলে নেওয়া ভালো, এক ধরনের রেগুলেটরি মেকানিজম থাকা প্রয়োজন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির জন্য।’
ইতিমধ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি এনজিওর নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, ‘এনজিওদের ওপর নতুন করে নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ কেন নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত।’

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.০৯.১২ ১৩:৩৭
যে জীবন ব্যবস্তা নিয়ন্ত্রন বিহীন সে জীবন ব্যবস্তা রসাতলে যেতে বাধ্য ।