• হোম
  • সারা দেশ
  •   ছাত্রলীগের দোষীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শাস্তি দিন

মানববন্ধনে ড. কামাল

ছাত্রলীগের দোষীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শাস্তি দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১২-০৯-২০১২

  • ৬ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার কঠোর সমালোচনা করেছেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণফোরাম আয়োজিত মানববন্ধনে ড. কামাল এ দাবি জানান। হলমার্কসহ সব অর্থ কেলেঙ্কারি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোমবারের ঘটনা উল্লেখ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ছাত্রলীগের এ ধরনের কর্মকাণ্ড বঙ্গবন্ধুকে অপমান করেছে। বঙ্গবন্ধুকে এভাবে ঘাটে ঘাটে অপমান করা হবে, এটা আমি তাঁর একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে সহ্য করব না। ওই হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছেন, তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জনগণকে জানানোর দাবি করেন গণফোরামের সভাপতি।
ড. কামাল আরও বলেন, ছাত্রলীগ মুক্তিযুদ্ধ, ছয় দফাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। তারা তাদের অতীত ঐতিহ্য ও গৌরবকে পদদলিত করেছে। এদের গুন্ডামি ও মাস্তানি করার লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে। তাই তারা যা খুশি তা করে যাচ্ছে।
সোনালী ব্যাংক ও হলমার্ক গ্রুপের অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেন ড. কামাল। তিনি বলেন, ‘অপরাধে প্রশ্রয়দানকারীরাও সমান দোষী। মন্ত্রী-এমপিরা ব্যর্থ হলে লম্বা লম্বা কথা না, আগে পদত্যাগ করুন। তারপর যা বলার আছে বলুন।’
বিগত বিএনপি-জামায়াত জোটের সমালোচনা করে গণফোরামের সভাপতি বলেন, ‘সীমাহীন লোভ থেকেই হাওয়া ভবনের সৃষ্টি হয়েছিল। সে কথা ভুলে গেলে জাতিকে খেসারত দিতে হবে।’
পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে ড. কামাল হোসেন বলেন, পদ্মা সেতুর ব্যাপারে সব তথ্য জনগণকে জানাতে হবে। সব তথ্য-উপাত্ত সংসদে উপস্থাপন করুন।
মানববন্ধনের সময় অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.০৯.১২ ০৫:১১
অরন্যে বিলাপ করছেন ড: কামাল হুসেন। কোন ফল হবে না - কেউ তা কানে নিবে না । সেই দিন আজ আর নেই ।

তালুকদার

তালুকদার

২০১২.০৯.১২ ০৯:২১
না জনাব ড.কামাল হোসেন কিছুই হবেন না এই ছাত্রলীগের ছেলেদের!কারন উপর থেকে নির্দেশ না আসলে এইসব ছাত্রলীগের নামধারী পশুরা এই হামলা করতনা।কিছুই হবেনা এদের বিরুদ্ধে! যখন আওয়ামীলীগের পতন হবে তখন তাদের উচ্চ পর্যায় থেকে বলা হবে যে,ছাত্রলীগের অনৈতিক কর্যকলাপের জন্য আমাদের নির্বাচনে পরাজিত হতে হয়েছে!যেমন ২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজিত হবার পর একইভাবে বলা হয়েছিল,দলের কিছু লোকের জন্য আমরা পরাজিত হয়েছি (আমি এখানে নাম উল্লেখ করলাম না)! এবং একইভাবে বলা হবে (যারা বর্তমানে মন্ত্রী আছেন ও ছিলেন,উপদেষ্টা, ও সাংসদরা)যে সব দুর্নীতি করেছে সেসব আন্তর্জাতিক মহল ভালোর চোখে দেখেনি! এবং তারপর একবছর চুপ থেকেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে নেমে পড়বে!এতে সায় দিবেন তাদের শ'খানেক বুদ্ভিজিবি যাদের কাজই হলো তারা অন্যায় করলেও সেটাকে সমর্থন দেওয়া ও অন্যদেরকে নিন্দা জানানো! এবং সরকারের পতন হবে/বা নির্বাচনে পরাজয় হবে এবং আওয়ামীলীগ পুনরায় ক্ষমতা ফিরে পাবে।আর পুনরায় শুরু হবে ছাত্রলীগের তান্ডব আর বিরোধীদল তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামবে আর মার খাবে,নির্বাচন আসবে আওয়ামীলীগ পরাজয় বরন করবে আর বিএনপি ক্ষমতায় আসবে!এভাবেই এই দুই রাজনৈতিক দলগুলিই পর্যায়ক্রমে ক্ষমায় এসে তাদের পুরানো অভ্যাস চর্চা শুরু করবে,দেশের পরিবর্তন কিছুই হবে না!এতে কিহবে দেশে সব সাইটেই নানান অস্তিরতা সৃষ্টি হবে! শিক্ষার মান কমে যাবে,বৈদেশিক সহায়তা কমে যাবে,ঋণের বোঝা বাড়বে,সমাজে অবক্ষয়ের সৃষ্টি হবে,দ্রব্য মূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধিতে সাধারন মানুষের ক্রয়ক্ষমতা থাকবে না!
তাই আমাদের উচিত এমন একটি রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে নির্বাচিত করা যাতে দেশের মানুষ সুখে শান্তিতে থাকতে পারে।বাংলাদেশের মানুষ এখন আর হরতাল,অবরোধ,ছাত্রদের মারা মারি আর দেখতে চায় না!শিক্ষা অঙ্গন থেকে যদি ছাত্র রাজনীতি একেবারে উঠিয়ে দেওয়া যায় তাহলে সব চেয়ে ভাল কাজ হবে।যে দেশের শিক্ষা অঙ্গনে রাজনীতি চর্চা হয় দেশে ভাল মানের ছাত্র তৈরী হবে কিভাবে?এখন সময় হয়েছে পরিবর্তনের! আমাদেরকে দেশের সমস্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।নির্বাচিত করতে হবে একজন দেশপ্রেমিক ব্যক্তিকে যিনি এই দেশটাকে বংগবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিনত করবেন।

২০১২.০৯.১২ ১০:০০
তাদের কিছুই হবে না, কারন তারা যেনতেন ছেলে নয় একদম খাটি সোনার!!!

Tara Mian

Tara Mian

২০১২.০৯.১২ ১১:১২
সোনার ছেলে,
মাস্তান ছেলে,
ছত্র লীগ এমনই খেলে।
এদের যারা লেলায়,
শাস্তি নয় কেন তাদের বেলায়?

Mofassel Uddin Ahmed

Mofassel Uddin Ahmed

২০১২.০৯.১২ ১১:৪৭
বুয়েট প্রসঙ্গে প্রধান মন্ত্রী কঠোর হতে চাইলে কিভাবে কঠোর হন তা বুঝিয়ে দিলেন। ছাত্রলীগের গুন্ডাদের লেলিয়ে দেয়ার পিছনে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর ইন্ধন আছে বলে এসব ঘটনাই ইঙ্গিত বহন করে।

২০১২.০৯.১২ ১৫:৫৩
একথা সবাই জানে যে অন্যায়কারী আর অন্যায় প্রশ্রয় কারী উভয়ই সমান অপরাধী ।একথা আমরা বুঝে তো লাভ নাই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তো বুঝে না। তিনি কি জানেন না তার বাপ কি ধরনের রাজনীতি করেছিল? যদিও জানেন তবু তিনি মানেন না কারন মানলে তো ক্ষতি । আর ওনারে আর কি বলব আমারাই তো বোকা তা নাহলে কি আর ওনাকে ভোট দিয়েছিলাম ।