শিরোনাম:

প্রধান কার্যালয় ভবনও দখল করছে হলমার্ক

ইফতেখার মাহমুদ | তারিখ: ১২-০৯-২০১২

  • ২৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

রাজধানীর বেগম রোকেয়া সরণি ধরে এগিয়ে আগারগাঁও-তালতলা পেরোলেই বহুল আলোচিত হলমার্ক গ্রুপের প্রধান কার্যালয়। ২০৫/৪ পশ্চিম কাফরুলের এই সাততলা ভবনের তিনটি তলার ১৬ হাজার বর্গফুট জায়গা অত্যন্ত কম দামে কিনে নিয়ে প্রধান কার্যালয় করেছে গ্রুপটি। এখন তারা দখল করতে শুরু করেছে পুরো ভবনটিই।
এর আশপাশের ভবনগুলোর প্রতি বর্গফুট জায়গা বিক্রি হয়েছে ছয় থেকে আট হাজার টাকায়। অথচ মালিকপক্ষের পারিবারিক দ্বন্দ্বের সুযোগ নিয়ে হলমার্ক গ্রুপ ভবনটির প্রতি বর্গফুট জায়গা কিনেছে অর্ধেক দামে। বাকি জায়গা আর কেনা নয়, দখলের চেষ্টায় আছে সরকারি জমি ও বেসরকারি মালিকানাধীন প্লট দখলকারী হলমার্ক। গ্রুপটি এখন সবচেয়ে আলোচিত সোনালী ব্যাংক থেকে দুই হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ জালিয়াতির জন্য।
প্রধান কার্যালয় ভবনের চতুর্থ তলাটি হলমার্ক কেনেনি। অথচ তারা এর মালিকানা দাবি করে ভাড়াটিয়াদের ফ্লোর খালি করতে চিঠি দিয়েছে। অন্যান্য ফ্লোরের ভাড়াটিয়াদেরও ভবন ছেড়ে দিতে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ জন্য ভবনের একজন ভাড়াটিয়া হলমার্ক গ্রুপের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছেন। আরেক ভাড়াটিয়া ভয় পেয়ে ভবন ছেড়ে চলে গেছেন। বাকিরা আছেন আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায়।
হুমকি দিয়ে উচ্ছেদ: ভবনটির চতুর্থ তলায় ছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলা মানসিক হাসপাতাল। গত জুন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভবনটি ছেড়ে মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে চলে যায়। হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের লোকদের হুমকির কারণে প্রায় ১০ লাখ টাকার অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো ফেলে রেখেই তারা চলে যায়।
হাসপাতালের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে জানান, ‘হলমার্ক গ্রুপের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা প্রায়ই আসতেন, অনেক রাত পর্যন্ত থাকতেন। শেরেবাংলা নগর থানাসহ মিরপুর এলাকার বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তারাও ওই কার্যালয়ে প্রায়ই যেতেন।’ ফলে হলমার্ক গ্রুপ তাঁদের ওই ভবন থেকে চলে যাওয়ার জন্য বললে তাঁরা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তিনি।
চতুর্থ তলায়ই কম্পিউটার ও প্রযুক্তিপণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ইয়ার ২০০০ কোং (প্রা.) লিমিটেডের কার্যালয় অবস্থিত। ২০১১ সালের ১৪ আগস্ট হলমার্ক গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আসলাম উদ্দিন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফিজ আকবর আহমেদকে একটি চিঠি দেন। চিঠিতে বলা হয়, হলমার্ক গ্রুপ ওই ভবনের চতুর্থ তলাটি কিনেছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে ১৫ দিনের মধ্যে ফ্লোরটি ছেড়ে দিতে হবে।
চিঠি পাওয়ার পর হাফিজ আকবর আহমেদ হলমার্ক গ্রুপের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ২০১০ সালের ১ সেপ্টেম্বর ভবনের মালিক মো. ওয়াজউদ্দিনের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য এবং নবায়নযোগ্য শর্তে ভাড়া নিয়েছেন। কিন্তু হলমার্ক গ্রুপের কয়েকজন লোক এসে ধমকের সুরে চলে যেতে বলছে। হলমার্ক গ্রুপ বিভিন্ন লোক মারফত অফিসে এসে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
হাফিজ আকবর এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, ‘অন্য ভাড়াটিয়ারা হলমার্কের ভয়ে চলে গেছে। আমিও আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি।’
সাইনবোর্ড তুলে নিয়েছে হলমার্ক: অন্যের মালিকানাধীন ভবন দখল করতে চাইলেও নিজেদের কেনা জমি থেকে সাইনবোর্ড এখন উঠিয়ে ফেলেছে হলমার্ক গ্রুপ। প্রধান কার্যালয়ের দুই পাশ ও পেছনে প্রায় সাতবিঘা জমি কিনেছে তারা। মাস খানেক আগেও নিজেদের মালিক হিসেবে দাবি করে ওই জমিগুলোর সামনে সাইনবোর্ড টাঙায় তারা। কিন্তু সোনালী ব্যাংক হলমার্ক গ্রুপের কাছে টাকা ফেরত চাওয়ার পরপরই জমি থেকে সাইনবোর্ড উঠিয়ে নেওয়া হয়।
হলমার্ক গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ওই ভবনের দুটি ফ্লোর তাঁরা কিনেছেন। পশ্চিম কাফরুলের ২০৫/২ নম্বর হোল্ডিংয়ের জমিসহ আরও কিছু জমি কেনা হয়েছে। তবে ক্রয় করা মোট জমির পরিমাণ জানেন না। দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
পারিবারিক দ্বন্দ্বের ফায়দা: ভবনটির মূল মালিক মো. ওয়াজউদ্দিন ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে হলমার্ক গ্রুপের কাছে ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছয় হাজার বর্গফুট জায়গা প্রতি বর্গফুট তিন হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এরপর ২০১১ সালে তৃতীয় তলাটি প্রতি বর্গফুট তিন হাজার ৭০০ টাকায় এবং চলতি বছর সাততলার একাংশ (৪০০০ বর্গফুট) চার হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেন তাঁরা।
বাজারদরের চেয়ে অর্ধেক দামে বিক্রি করার কারণ জানতে চাইলে মো. ওয়াজউদ্দিনের স্ত্রী মোসাম্মৎ পারভীন প্রথম আলোকে জানান, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে অর্ধেক দামে জায়গা বিক্রি করতে তিনি বাধ্য হন। টেলিফোনে তিনি জানান, তাঁর অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর সদরের নাজিমপুর গ্রামে বসবাস করছেন। প্রথম স্ত্রীর সন্তানদের সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে তাঁরা ঢাকায় আসতে পারছেন না। ফলে ওই ভবনের বাজারদর সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। স্বামীর চিকিৎসার জন্য অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় হলমার্কের তানভীর মাহমুদ যে দাম দিতে চেয়েছেন, তাতেই রাজি হয়ে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তিনি।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

Md. Mizanur Rahman

Md. Mizanur Rahman

২০১২.০৯.১২ ০৩:৪১
আর কত। নির্যাতনকারী, লুটেরাদের পতন অনিবার্য।
২০১২.০৯.১২ ০৩:৫৮
বিবেকহীন, স্বল্পশিক্ষিত, মানুষের কাছে এর বেশি আমরা আর কি আশা করতে পারি ?????

Osman Mia

Osman Mia

২০১২.০৯.১২ ০৪:১৫
tanvir should be given highest punishment as soon as possible. if he will be released other people will come front to do any more corruption. i hate that tanvir.

Mahtaf Hossain

Mahtaf Hossain

২০১২.০৯.১২ ০৭:০৫
চিন্তা নেই `হলমার্ক', চালিয়ে যাও, তোমার সাথে মন্ত্রী-উপদেষ্টা আছে না ! আপাততঃ ক'দিন হুজুগের বাঙালী, টক-শো-এর পন্ডিত এবং মাথামোটা পত্রিকা-ওয়ালারা ঝামেলা পাকালেও দিনে দিনে কালে কালে সব চাপা পড়ে যাবে। এবং একদিন তুমি ঠিকই `তেনাদের' সহযোগিতা নিয়ে এদেশে আরও বড় কোন জাল-জালিয়াতি-দখলবাজির `ল্যান্ডমার্ক' স্থাপন করে ফেলতে পারবে।

Habib_Sumon

Habib_Sumon

২০১২.০৯.১২ ০৭:৩৭
‘হলমার্ক গ্রুপের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা প্রায়ই আসতেন, অনেক রাত পর্যন্ত থাকতেন।"
এই ধরনের উপদেষ্টাগুলয় দেশের ১২টা বাজাচ্ছে।

Rabbani Chowdhury

Rabbani Chowdhury

২০১২.০৯.১২ ০৭:৫০
ভেবে দেখা দরকার যে বহুল আলোচিত হলমার্ক গ্রুপের ঢাকা শহরের বহু ভবন দখল করার তাদের পরিকল্পনায় ছিল কিনা !!

Linus Malo

Linus Malo

২০১২.০৯.১২ ০৮:৫২
উপদেষ্টাগন আর কোথায় কোথায় উপদেশ দিতে যান তার একটা ফিরিশতি প্রকাশের জন্য প্রিয় পত্রিকা প্রথম আলোকে অনুরোধ।

Rohan Issan

Rohan Issan

২০১২.০৯.১২ ০৮:৫৮
চালিয়ে যাও তানভীর (তফসীর), এরপর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার পদ টা আর নয়ত মন্ত্রিত্ব দখল করতে পারলেই..... সব গুনাহ মাফি হয়ে যাবে..... ওহ আরেকটা কথা তুমি কিন্তু সত্যিকারের দেশ প্রেমিক

২০১২.০৯.১২ ০৮:৫৮
‘হলমার্ক গ্রুপের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা প্রায়ই আসতেন, অনেক রাত পর্যন্ত থাকতেন। শেরেবাংলা নগর থানাসহ মিরপুর এলাকার বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তারাও ওই কার্যালয়ে প্রায়ই যেতেন।’ -- এখন বুঝুন! তানভীর মাহমুদ কেবল উপলক্ষ্য মাত্র, বলির পাঠা আর কি! যাক কেচো খুড়তে খুরতে একদিন সাপ বেড়িয়ে যাবে। তবে দুদক তদন্ত করুক বা না করুক, সাপের গরতো যে কোথায় তার হদিস কিন্তু জনগন পেয়ে গেছে।

M. Mahboob Hossain

M. Mahboob Hossain

২০১২.০৯.১২ ০৯:১৯
আমাদের বাংকে জমান টাকা যেভাবে সরকারের লওকজন লুটপাট করছে তা দেখে মনে হয় সবাইকে বলি চল আমরা চওর চওর বলে ওদের ধরতে নেমে যাই । কেহ আসবেন কি আমার সাথে ?

shibbir

shibbir

২০১২.০৯.১২ ০৯:৩৫
Thanks md. mizanur rahman must allah save us and give panished this kind of person.
If can not do good job please don't crime It is not better for life.

Syed Shafqat Rabbi

Syed Shafqat Rabbi

২০১২.০৯.১২ ০৯:৩৫
নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার আশা এবার অবশ্যই পুরণ হবে, ডঃ ইউনুসের সাথে দন্দের অবসান শেষ হতে যাচ্ছে, তবে শান্তিতে নয়। দূর্নীতির নতুন দিগন্ত উম্মোচনের জন। আগাম শুভেচ্ছা।

moazzem hossen

moazzem hossen

২০১২.০৯.১২ ০৯:৪০
এই অল্প শিক্ষিত তানভীর দেখি খাম্বা মামুনের উত্তরসূরি। মামুনের আগে খাম্বা টাইটেল দেয়া হয়েছে উনি এই টাইটেল এ খুব খুশি, তানভীর তুমি কোন টাইটেল টা চাও জানাবে। আসলে সবাই জানে সিঁদেল চুরির বিচার হয় ঝাড়ু পেটা করে, পকেট মারের বিচার গণধোলাই কিন্তু এমন বড় চুরির বিচার কিছুই হয়না, অতীত ইতিহাস তাই বলে। বাংলাদেশের আইনের শাসনএবং তার প্রয়োগ তেমন একটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনা সব রাঘব বোয়ালেরা সেটা জানে বলেই আজ এই অবস্থা।

Meer abul Hasan Al Murad

Meer abul Hasan Al Murad

২০১২.০৯.১২ ০৯:৪৮
Not only Tanvir/s also the abettors should be taken under justice immediately. Thanks Prothom Alo for ur patriotic journalism.

B. Rashid

B. Rashid

২০১২.০৯.১২ ০৯:৪৯
উপদেষ্টাগন আর কোথায় কোথায় উপদেশ দিতে যান তার একটা ফিরিশতি প্রকাশের জন্য প্রিয় পত্রিকা প্রথম আলোকে অনুরোধ করছি।

Munir Al Sayed

Munir Al Sayed

২০১২.০৯.১২ ০৯:৫৫
হলমারক একসময় পার পেয়ে যাবে আমরা অসহায় জনগন কিছুদিন সেটা নিয়ে মাতামাতি করব, তারপর সব শেষ , ারন সর্ষের মধ্যে ভুত থাকলে এইসব চোরদের কিছুই হয় না।

M.A.H. Tofail Mahmud

M.A.H. Tofail Mahmud

২০১২.০৯.১২ ১০:১৬
same incident happened with us at Rajfulbaria (savar). We have 4acres of land which was occupied by Tanvir by force with the help of Govt. land officer.

imtiaz ahmed chowdhury

imtiaz ahmed chowdhury

২০১২.০৯.১২ ১০:৩৬
সবই ঠিক আছে । যার যা খুশি করুক । দেশ তো তাদেরই । আমরা শুধু খবরের কাগজ পড়বো আর টিভিতে তাদের দেখবো । এই দেশ নিয়ে আমার আর কোনো বিনদু মাতরো আশা নেই । সব সেশ ।

Syed Hasanujjaman ( Hasan )

Syed Hasanujjaman ( Hasan )

২০১২.০৯.১২ ১০:৩৬
হলমার্ক হলমার্ক হলমার্ক !!!!! আপনারা কোথায় ছিলেন এতদিন !!!!!!! এটাই হল হুজুগে বাংগালীর স্বভাব। জমি কিনেছে অর্ধেক দামে ??????? তো আপনারা কোথায় ছিলেন এতদিন,আপনারা পুর্ন দামে কিনতে পারলেন না ?????? কথা হল যার জমি সে কি হলমার্ক ছাড়া বাংলাদেশের কোথাও জমি বিক্রি করতে পারল না ????

C.M. Mashiur Rahman Khan

C.M. Mashiur Rahman Khan

২০১২.০৯.১২ ১০:৪৮
কোন সমস্যা নেই তানভির মিয়া । সুবিধাভোগিরা আপনাকে বাচানোর জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচেছ। বিশ্বাস করছেন না তাই না? এই যে এত দিন হলো আপনি দিব্যি ঘুরে বেরাচেছন তার পর ও না ?

Forhad

Forhad

২০১২.০৯.১২ ১১:০০
মেটরিক ফেল তানভীর দেখিয়ে দিল কিভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া যায়।

monir

monir

২০১২.০৯.১২ ১১:০০
এখন পয'ন্ত সোনালী ব্যাংক হলমার্কের তানভীরের বিরুদ্বে মামলা করল না। যতদিন পয'ন্ত সোনালী ব্যাংকের বত'মান দূনী'তিবাজ পষ'দ থাকবে ততদিন পয'ন্ত হলমার্কের তানভীরের বিরুদ্বে কিছুই হবে না। যতসব লোকদেখান হম্ভিতম্ভি হবে।
২০১২.০৯.১২ ১১:২৯
ইতিমধ্যে বহুল আলোচিত হলমার্ক কেলেংকারী সুপরিকল্পিতভাবে ধামাচাপার দায়িত্ব পেয়ে ছাত্রলীগ গত দুদিন সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন, তাছাড়া সরকারের আলোচিত উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের সাথে হলমার্কের সুসম্পর্ক ও সখ্যতার পরিপ্রেক্ষিতে “একটি মাত্র ভবন” ওনারা দখল করতেই পারে । তার পর ‍যেই হলমার্ক সেই হলমার্ক ই থেকে যাবে, আমরা সাধারন পাঠক অন্য কোন বিষয়ে মনোনিবেশ করবো ।

alamin

alamin

২০১২.০৯.১২ ১২:০৫
হলমার্কের তানভীর মাহমুদ কে এখন ও জেলে জেতে হয় নাই !!!!!!!! ভাবতে অভাক ই লাগে !!!!!!! তাকে রসি দিয়া বেদে ৪ রাসতার মোরে সাধারন জনগনের কাছে ছেরে দিতে হবে