আবার মারমুখী ছাত্রলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী | তারিখ: ১২-০৯-২০১২

  • ৭৮ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রদলের এক কর্মীকে বে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রদলের এক কর্মীকে বেধড়ক লাঠিপেটা করেন ছাত্রলীগের কর্মীরা

ছবি: শহীদুল ইসলাম

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আবার মারমুখী হয়ে উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর গতকাল মঙ্গলবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
বেলা সোয়া ১১টার দিকে পুলিশের সামনেই ছাত্রলীগ এ হামলা চালায়। এর প্রতিবাদে রাজশাহী নগরের বিনোদপুর বাজার এলাকায় অন্তত ১০টি যানবাহনের কাচ ভাঙচুর করেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
হামলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন, মোস্তফা কামাল, মাসুদ রানা, কাজল আহমেদ, রবিন আহমেদসহ অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হন। আরাফাতসহ পাঁচজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তির চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল ক্যাম্পাসে মিছিল করার জন্য বিনোদপুর বাজারে জড়ো হন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। তাঁরা মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। মিছিলের খবর পেয়ে আগে থেকেই সিনেট ভবন ও প্রধান ফটকের পাশে অবস্থান নেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
ছাত্রদল ক্যাম্পাসে ঢুকলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি আখেরুজ্জামান, সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন, বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদ আল তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ নোমান, উপপ্রচার সম্পাদক সাহানুর সাকিলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন নেতা-কর্মী বাধা দেন। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের একাংশ তখন প্রধান ফটকের বাইরে চলে যায়। এরপর ছাত্রদলের নেতা আরাফাত কয়েকজন নেতা-কর্মী নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে যান। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তখন রড, হকিস্টিক, ছুরি ও কিরিচ নিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা চালান। দৌড়ে পালাতে গিয়ে প্রধান ফটকের কাছে পড়ে যান ছাত্রদলের নেতা দেলোয়ার। এ সময় হকিস্টিক, লাঠি ও ছুরি দিয়ে তাঁকে উপর্যুপরি আঘাত করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পেটানো হয় মোস্তফা, মাসুদ ও কাজলকেও।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। পুলিশ ধাওয়া করে তাঁদের তাড়িয়ে দেয়। বিকেলে বিনোদপুর এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে যানবাহন ভাঙচুর শুরু করলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের লাঠিপেটা করে পুলিশ। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য জাকারিয়া আহমেদকে আটক করা হয়।
অছাত্রদের প্রতিহত করেছে ছাত্রলীগ!: বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চাই ক্যাম্পাসের যাঁরা প্রকৃত ছাত্র, তাঁরাই রাজনীতি করুন। কিন্তু ছাত্রদলের নামে যাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকে আহত হয়েছেন, তাঁদের কারোরই ছাত্রত্ব নেই। ছাত্র হিসেবে এই অছাত্রদের প্রতিহত করা আমাদের দায়িত্ব।’
ছাত্রদলকে দায়ী করল পুলিশ: মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রদলের ছেলেরাই ইচ্ছা করে গায়ে পড়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা চাচ্ছিল, তাদের ওপর হামলা হোক এবং তা গণমাধ্যমে আসুক। তাদের (ছাত্রদল) ক্যাম্পাসের বাইরে কর্মসূচি পালন করতে বললেও তারা ক্যাম্পাসে গিয়েছিল।’
ছাত্রদলের আহত নেতাদের অবস্থা ও বক্তব্য: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন দেলোয়ারের ডান হাত ভেঙে গেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কেটে গেছে বাঁ-হাতের একটি আঙুল। শরীরের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে আঘাতের চিহ্ন। দেলোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি আরাফাতকে বাঁচাতে গিয়েছিলাম। এ সময় ছাত্রলীগের ছেলেরা পাইপ, চায়নিজ কুড়াল, ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়।’
হামলায় ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরাফাত রেজার কাঁধের বাম পাশ গুরুতর জখম হয়েছে। পিঠে রয়েছে ধারালো অস্ত্রের হালকা আঘাতের চিহ্ন। আরাফাত বলেন, কর্মসূচি পালন ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য সোমবার তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে দুটি আবেদন করেন। কর্মসূচির কথা জানতে পেরে ছাত্রলীগ নৃশংস হামলা চালায়। তাদের সহযোগিতা করেছে পুলিশ। ২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছাত্রদলের অপর তিন নেতা দুই হাতে আঘাত পেয়েছেন।
বড় ঘটনা ঘটেনি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রদল আবেদন করে তাদের কর্মসূচি পালনে সহযোগিতা চেয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৯ সাল থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় আমি তাদের ক্যাম্পাসের বাইরে কর্মসূচি পালন করতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা শোনেনি।’
ছাত্রলীগের হামলার ব্যাপারে প্রক্টর বলেন, ‘এত বড় ক্যাম্পাসে একটু ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটতেই পারে। বড় ঘটনার আশঙ্কায় আমি তো পুলিশ মোতায়েন করেছি। আমার জানামতে, বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
এর আগে গত সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীকে বেধড়ক পেটান ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

ASM Foysal

ASM Foysal

২০১২.০৯.১২ ০৩:২০
সামনে নির্বাচন, লগি-বৈঠার একটু মহড়া না দিলে কি হয়!

Nasim Hasan

Nasim Hasan

২০১২.০৯.১২ ০৩:৪২
ছাত্রলীগের হামলার ব্যাপারে প্রক্টর বলেন, ‘এত বড় ক্যাম্পাসে একটু ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটতেই পারে'। কঠিন কথাই বটে! বড় বড় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা তাহলে পড়ালেখা ছাড়াও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া-ও করে থাকে। রক্ত দিয়েই পেলাম আজব স্বাধীনতা।

Md.Rashed Alam

Md.Rashed Alam

২০১২.০৯.১২ ০৩:৪৫
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগ বিষয়ে আপনার আদব-কায়দার ব্যাখ্যাটি কি ! আচ্ছা ছাত্রলীগ, ছাত্রদল বা ছাত্রশিবিরদের যারা ব্যাবহার করে , বেয়াদব বানায় তাদের কি হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন ? বুয়েটের ছাত্রদের এখন আর কথায় কথায় ব্যাবহার করতে পারেন না তাই তাদের প্রতি আপনার ক্ষোব আছে তা অনেকেই জানেন কিন্তু তাই বলে মাত্র একজন দলিয় ভিসিকে প্রশ্রয় দেবার বুয়েটের সকল ছাত্র - শিক্ষককে যেভাবে তথাকথিত নৈতিকতার বানী শোনালেন তা ছাত্রলীগের ব্যাপারে ঠিক উল্টা হবে এটা সকলেরই প্রত্যাশিত ছিলো ।
ছাত্রলীগকে হঠাত এত মারমূখি করা হলো কি সংবাদের শিরনাম পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ? সকলের মনে আছে কি না জানি না যে , পুঁজিবাজারের হরিলুটের সময় সংবাদ মাধ্যমগুলোর শিরনাম যখন আওমীলিগের নির্মম লুটের কাহিনীতে ভরপুর তখন হঠাত করেই জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্রগ্রাম বিশবিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হলো যে সকল সংবাদ মাধ্যমগুলো পুঁজিবাজারের লুটের শিরনাম থেকে ছাত্রলীগ এর কর্মকান্ড নিয়ে ব্যাস্থ হয়েপরলো । অতিতেও ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল তাদের মনিবদের কুকর্ম থেকে মিডিয়া ও সাধারন জনগনের দৃষ্টি ফেরাতে নিজেদের বলির পাঠা বানিয়েছে , হয়ত সোনালি ব্যাংক সহ সকল দূর্নীতির বিষয় থেকে মনযোগ সরানোর উদ্দেশ্যেই হঠাত করে ছাত্রলীগকে ব্যাবহার করা হচ্ছে ।
দেশের মানুষ এখন এত গাধা নয়, শাক দিয়ে মাছ ঢেকে লাভ নেই ।
২০১২.০৯.১২ ০৩:৪৬
বঙ্গবন্ধু অ-নে-ক স্বপ্ন দেখতেন, এখনো তাঁর অনেক স্বপ্নপূরণ বাকী রয়েছে !!
২০১২.০৯.১২ ০৩:৪৭
এগুলো সবই স্বপ্ন বাস্তবায়নের অংশবিশেষ, সামনে নিশ্চয়ই আরো চমক অপেক্ষা করছে
২০১২.০৯.১২ ০৩:৪৭
বি. এ. ফেল আর অষ্টম শ্রেণী পাশের কাছে এর বেশি আমরা আর কি আশা করতে পারি ?????
২০১২.০৯.১২ ০৩:৪৮
যেমন রাজা তেমন প্রজা, অবাক হবার কি আছে ?
২০১২.০৯.১২ ০৩:৪৮
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি..............!!!!
২০১২.০৯.১২ ০৩:৫৪
সেই যে '৭১ এ ওরা যুদ্ধ শুরু করেছিল, এখনো থামতে পারছে না; আগে করেছিল বিদেশীদের সঙ্গে, এখন যে স্বদেশীদের সঙ্গে করছে, সে খবরই রাখছে না l

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.০৯.১২ ০৪:০৫
আইন যেখানে নিজস্ব গতিতে চলেনা সেখানে পেশি শক্তি ও কৌসল প্রয়োগ ছাড়া গতি নেই । আওয়মিলীগের ছাত্র সমগঘটন যেখানে আইন মানেনা, পুলিশ যেখানে দেশের জনগনের সেবক না হয়ে কোন দলের আজ্ঞাবহ দাসে পরিনত হয়ে গেছে সেখানে কৌশলে মোকাবিলা করতে হবে ছাত্রলীগের অপকর্ম বন্ধ করতে, প্রয়োজনে কৌসলে অত্যাচারিকে চিরতরে মুছে ফেলতে হবে । তাছাড়া দেশে শান্তি ফিরে আসবেনা ।

sheikh tanha (south korea) মঙ্গল বাড়ীর লিচু

sheikh tanha (south korea) মঙ্গল বাড়ীর লিচু

২০১২.০৯.১২ ০৫:১১
আমার দেশের সোনার ছেলে।এদের কিছু বলবে কে ? দেশটাকে পুরাই গিলে খাচ্ছে।

ছাত্র রাজনীতি কি কন দরকার আছে ? এটা কি উঠিয়ে দেয়া যায় না? দরকার হয় এদের দিয়ে নতুন ১টা সংঘঠন করে দেয়া হোক। পৃথিবীর কোথাও এমন দেখিনা।ছাত্রলীগ কে নোবেল প্রাইজ দেয়া উছিত।

MAS Molla

MAS Molla

২০১২.০৯.১২ ০৬:৩১
It seems to be the last or the penultimate power show before 'death'.

Mofassel Uddin Ahmed

Mofassel Uddin Ahmed

২০১২.০৯.১২ ০৬:৫৯
তৈরী থাক ছাত্রলীগ, সময় আসবে, বিবেক বানেরা তখন চুপ করে থাকবে তোমাদের আক্রান্ত হতে দেখে

Nazmul Huda Mollik

Nazmul Huda Mollik

২০১২.০৯.১২ ০৭:০৭
মাননীয় প্রক্টর: এই ছেলেগুলো যদি আপনার আত্নীয়, সন্তান হতো???
যদি ছাত্রলীগের সাথে থাকতো আপনার সন্তানকে কি বলতেন ???
যদি ছাত্রদল করতো তাহলে আপনি কি পদক্ষেপ নিতেন আর আপনার সন্তানকে কি বোঝাতেন ???

মুঃ কামাল হোসাইন খান সুমন।

মুঃ কামাল হোসাইন খান সুমন।

২০১২.০৯.১২ ০৭:০৭
এগুলোর কারন হচ্ছেঃ তারা বুঝতে পেরেছে, তাদের সময় পুরিয়ে এসেছে তাই শেষের বেলায় কাউকে ছাড় দেয়া যাবেনা, কারন ছাত্রদলকে ছাড় দিলে তারাওতো পদ্মা সেতু চাঁদাবাজিতে ভাগ বসাতে পারে।

Habib_Sumon

Habib_Sumon

২০১২.০৯.১২ ০৭:১৬
ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা এবং এর প্রতিবাদে রাজশাহী নগরের বিনোদপুর বাজার এলাকায় অন্তত ১০টি যানবাহনের কাচ ভাঙচুর দুইটাই খারাপ কাজ।
আজকের প্রজন্ম আগামী দিনের ভবিশ্যত।

Habib_Sumon

Habib_Sumon

২০১২.০৯.১২ ০৭:১৯
রাজনীতি তো মানুষের সেবার জন্য রড, হকিস্টিক, ছুরি ও কিরিচ নিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা চালানর জন্য নয়।

Habib_Sumon

Habib_Sumon

২০১২.০৯.১২ ০৭:২৪
হায়রে পুলিশ !!!!!
২০১২.০৯.১২ ০৭:৪৬
আমাদের দেশের তথাকথিত দ্বিদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পরিচালিত একটা সরকারের মেয়াদের শেষের দিকে এসে যখন সরকার বেসামাল হয়ে পড়ে তখন এধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তখন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহল থেকে বলা এগুলো ছোট খাট কিছু অঘটন, এখন তা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনে আছে --ইত্যাদি ইত্যাদি । কিছু মামলা, ধরপাকড় হয় । তার পরে শুরু হয় পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির মহড়া । রাস্তায় শক্তি প্রদর্শনে কে কতটা পারদর্শি - আম জনতা কেবল তাই চেয়ে চেয়ে দেখে । তখন রাস্তায় কে কত বেশী লগি, বৈঠার কারিশমা প্রদর্শন, লাশের উপর দাড়িয়ে নাচতে পারে, কে কত গাড়ি ভাংচুর করে পুড়িয়ে জালিয়ে তছ-নছ করতে পারে তারই অদম্য প্রতিযোগীতা চলে । তার পরে একটা ১/১১ সৃষ্টি হবে । তখন এই দ্বিদল তলে তলে এসব ১/১১ এ সৃষ্ট অস্থায়ী সরকারের সাথে এবং বিভিন্ন দাতাগোষ্টির সাথে ঘুসুর-ঘাসুর , ফুসুর-ফুসুর শুরু করে দেয় । যে যত বেশী আজ্ঞাবহ হতে পারে সে ততবেশী পরবর্তী বৈতরনী পাড়ি দেবার অনুকুল পরিবেশ পেয়ে থাকে । এসব দেখে শুনে এখন আর মন তেমন বেশী উদ্বেগে উতলা হয় না। মনে হয় যেন এটাই আমাদের গণতান্ত্রিক রুটিনওয়ার্ক ।

Rabbani Chowdhury

Rabbani Chowdhury

২০১২.০৯.১২ ০৭:৪৮
সবুজ সংকেত নিয়েই হয়তো আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মারমুখী হয়ে উঠেছে।

Md.Ali Ashraf

Md.Ali Ashraf

২০১২.০৯.১২ ০৮:০০
আমাদের প্রধানমন্ত্রী কি এগুলো দেখেন?

SAGAR

SAGAR

২০১২.০৯.১২ ০৮:৩৩
আওয়ামী লীগের নেতাদের মুখ আর ছাত্র লীগের নেতাদের হাত সবসময়ই সচল ছিল, আছে এবং থাকবে!

মনিরুজ্জামান

মনিরুজ্জামান

২০১২.০৯.১২ ০৮:৩৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কর্মীদের হামলা প্রসঙ্গে মতিহার থানার ওসি আনিছুর রহমান
"ছাত্রদলের ছেলেরাই ইচ্ছা করে গায়ে পড়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা চাইছিল, তাদের ওপর হামলা হোক এবং তা গণমাধ্যমে আসুক""----------------------- Smart move by BNP to attract public sympathy(Vote), keep going......

Mizan

Mizan

২০১২.০৯.১২ ০৯:০৫
এ কোন দেশ এ কেমন মানুস .....
ধিক ধিক শতধিক ছাত্রলীগ
ধিক ধিক শতধিক আওয়ামিলীগ

KHONDOKAR

KHONDOKAR

২০১২.০৯.১২ ০৯:১০
রক্ত সিরিঞ্জ দিয়ে নয়, চাপাতি দিয়ে কোপায়া অথবা হকি ইস্টিক দিয়া মাথা ফাটায়া রক্ত বাহির করতে হয়. BUET ছাত্ররা বেকুব

Shamim Khan

Shamim Khan

২০১২.০৯.১২ ০৯:১৪
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রদলের ছেলেরাই ইচ্ছা করে গায়ে পড়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা চাচ্ছিল, তাদের ওপর হামলা হোক এবং তা গণমাধ্যমে আসুক। --- HAHA VERY FUNNY .
২০১২.০৯.১২ ০৯:১৬
জাতে মাতাল তালে ঠিক, আমরা সবাই ছাত্রলীগ !!!

Fuadmansoor

Fuadmansoor

২০১২.০৯.১২ ০৯:১৬
এই যে ডানের ছেলেটা student of the month হয়েছে কয়েক বার। বাকিরা ও খারাপ না। বেচে থাকতে হলে যা যা শিখেছে সেগুল একটু practice করা হছছে , thank you for understanding..

shawon

shawon

২০১২.০৯.১২ ০৯:২২
ছাত্রদলকে দায়ী করল পুলিশ: মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রদলের ছেলেরাই ইচ্ছা করে গায়ে পড়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা চাচ্ছিল, তাদের ওপর হামলা হোক এবং তা গণমাধ্যমে আসুক। তাদের (ছাত্রদল) ক্যাম্পাসের বাইরে কর্মসূচি পালন করতে বললেও তারা ক্যাম্পাসে গিয়েছিল।
পুলিশ কর্মকর্তার মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কথায় এটাই প্রমান করে যে পুলিশ তার দায়িত্ব পালনে পুরোপুরি ব্যর্থ।
পুলিশ কর্মকর্তা মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং অন্যান্য পুলিশদের চোখের সামনে ছাত্রদলের ছেলেরা কি করে গায়ে পড়ে এ ঘটনা ঘটায়??? নিশ্চই তিনি এই ঘটনা ঘটানোর সুযোগ দিয়েছিলেন ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের যোগসাজসে!!!!
তাই আমি সংশ্লিষ্ট কর্তিপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি ওসি মতিহার এর দায়িত্ব পালনে অবহেলার জন্য বরখাস্ত করা হোক এবং আইনের আত্তাতায় এনে তার সন্দেহ জনক কথা বারতার কারণে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক।

Syed Shafqat Rabbi

Syed Shafqat Rabbi

২০১২.০৯.১২ ০৯:২৯
গাছ তোমার নাম কি?
ফলে পরিচয়। আওয়ামীলীগ তাদের যথার্থ পরিচয় তুলে ধরার আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dr. Md. Humayun Kabir

Dr. Md. Humayun Kabir

২০১২.০৯.১২ ০৯:২৯
২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আওযামী লীগের সাধারন (প্রকৃতপক্ষে অসাধারন, সত্যিকার, নিঃস্বার্থ) সমর্থকরা শুধুমাত্রই আওযামী লীগের সমর্থক হওয়ার অপরাধে যখন বিএনপি-জামাত জোটের খুন, ধর্ষন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের শিকার হচ্ছিলো, আওযামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা যখন বিএনপি-জামাত জোটের এসব অন্যায়, অপরাধ, নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে রাজপথে ভূলুন্ঠিত, রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত হযেছেন, তখন ছাত্রলীগ নামধারী এসব নপুংসক (এবং এই কারনেই এরা সবসময হাযেনার মত দল বেধে চলাচল করে), উচ্ছিষ্টভোগী অমানুষেরা কোথায ছিলেন ? আমার এই প্রশ্ন শুধুমাত্র তাদের কাছেই নয়, আমার এই প্রশ্ন বর্তমান আওযামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার কাছেও। তাদের কারোরই কি এই প্রশ্নের উত্তর দেবার সাহস আছে ?

অবিলম্বে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি আইন করে বন্ধ করা হোক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলোর কোন শাখা থাকতে পারবে না। কোন ছাত্র রাজনীতি করতে চাইলে সে ক্যাম্পাসের বাইরে স্থানীয় ছাত্র সংগঠনে রাজনীতি করবে। আমাদের এই আকাংঙ্খা বাস্তবাযিত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে নাই বললেই চলে, কারন তাতে করে এই ছেলেগুলোকে ব্যবহার করে ক্যাম্পাসের ভিতর ভর্তি বানিজ্য, সিট বানিজ্য, শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ বানিজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করবেন কিভাবে আমাদের তথাকথিত রাজনৈতিক (প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট) দলের ত্যাগী (প্রকৃতপক্ষে হিংস্র , লোভী, কাপুরুষ, চতুস্পদী পশু - যাদের সন্তানরা পড়াশোনা করে বিদেশে অথবা এদেশেরই বিভিন্ন প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে) নেতারা ?
২০১২.০৯.১২ ০৯:৪২
এখােন গািড় িক েদাষ করল ?

২০১২.০৯.১২ ০৯:৪৫
সামনের দিকে খেয়াল আ। লীগের তাই কোন মতে যেন বিরোধী দল আন্দোলন করতে না পারে সেজন্যই এই মহড়া। এটা কোন স্বাধীন দেশে নয় কারন একেক জনের জন্যএকেক আইন

Md. Kamruz Zaman Chowdhury (Titu)

Md. Kamruz Zaman Chowdhury (Titu)

২০১২.০৯.১২ ০৯:৫০
বেগম খালেদা জিয়া অছাত্র, কুছাত্র এবং ০২/০৩ সন্তানের জনক দিয়া ছাত্রদলের কমিটি করেছেন আবার তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে চাচ্ছেন আর পরিস্থিতি অশান্ত হচ্ছে । প্রকৃত ছাত্র এবং মেধাবীরা অবশ্যই ছাত্র রাজনীতি করবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং তাদের সে সুযোগ দিতে হবে কিন্তু কোন অছাত্র গিয়ে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা না করাই শ্রেয় ।

salahuddin

salahuddin

২০১২.০৯.১২ ০৯:৫২
এরা যে ছাত্রলীগ এটাই তাদের পরিচয়... সাবধান ! ছাত্রলীগ থেকে সাবধান... এরা দেশের বন্ধু... এরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতেছে..

shawon

shawon

২০১২.০৯.১২ ০৯:৫৩
ছাত্রলীগের হামলার ব্যাপারে প্রক্টর বলেন, ‘এত বড় ক্যাম্পাসে একটু ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটতেই পারে। বড় ঘটনার আশঙ্কায় আমি তো পুলিশ মোতায়েন করেছি। আমার জানামতে, বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি।
প্রক্টর সাহেব যে মিথ্যা কথা বলছেন তা উপরের ছবিটি প্রমান করে। এটা কি একটু ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ? এই রকম ঘটনা প্রক্টর সাহেবের সাথে ঘটলে may be এটাকে উনি একটু বলতেন না।

Forhad

Forhad

২০১২.০৯.১২ ০৯:৫৬
"আবার মারমুখী ছাএলীগ" ...... কেন মাঝখানে ওরা শান্ত ছিল নাকি ?? জানতাম না তো !!

Mokaddesur Rahman

Mokaddesur Rahman

২০১২.০৯.১২ ০৯:৫৯
পত্রপত্রিকায় এ রকম ঢালাও খবর পরিবেশন ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। এ রকম খবর পরিবেশনের আগে আমাদের অবশ্যই ৬৯, ৭১ ও ৯০-এর কথা মনে করা উচিত। ছাত্ররাজনীতির গৌরবময় ঐতিহ্য এত তাড়াতাড়ি বিস্মৃত হলে তো চলবে না। অবশ্য এসব কথা বলেই কী লাভ? আমাদের দেশে প্রচলিত রাজনীতির ধারাটাই এমন হয়ে গেছে যে, কেউ প্রতিপক্ষের হাতে মার খেলে সে বড় 'নেতা' বনে যায়। আর আমাদের মত আমজনতার সহানুভূতিও ঐ মার খাওয়া নেতার উপরেই গিয়ে পড়ে। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী কোনো প্রথম সারির নেতা ছিলেন না। বরং বলা যায় দলীয় রাজনীতিতে তিনি অনেকটা মধ্যম সারিতে অবস্থান করতেন। রাজনীতিবিদ হিসেবেও তাঁর ভাবমূর্তি খুব ক্লিন ছিল না। অথচ বেচারা 'গুম' হয়ে জনগণের কি সিমপ্যাথিটাই না পেলেন! পেশিশক্তির রাজনীতি করে অনুরূপ সিমপ্যাথি পেয়েছিলেন বিএনপিরই আরেক নেতা জয়নাল আবেদীন ফারুক- পুলিশ কর্মকর্তা হারুনের হাতে ধোলাই খেয়ে। এই ধারা ছাত্ররাজনীতির ক্ষেত্রে আরো বেশি মাত্রায় সক্রিয়। শিক্ষাজীবনে প্রগতিশীল বাম ধারার রাজনীতি করতে গিয়েও এটি লক্ষ্য করেছি। ক্যাম্পাসে একটা কথা প্রায়ই শোনা যেত, যে যত বেশি মার খায় সে নাকি তত বড় নেতা! অবশ্য আমি নিজে কোনোদিন মার খাইনি, যদিও পার্টিতে আমার অবস্থান উপেক্ষণীয় ছিল না। যা হোক, কথা হচ্ছে, ছাত্রদল আজ ছাত্রলীগের হাতে মার খেয়েছে বলে তারা কি ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে গেছে? আমরা ভুলে যাচ্ছি কেন যে, এই ছাত্রদলও অতীতে একইভাবে ছাত্রলীগ ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের উপর চড়াও হয়েছে। এরাই কি শিবিরের সঙ্গে মিশে গিয়ে ক্যাম্পাসে প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতিকে উৎসাহিত করেনি? বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে এই ছাত্রদল যা করত, আজকের ছাত্রলীগ তার তুলনায় কমই তো করছে। আমাদের সবাইকে মানতে হবে, ক্যাম্পাসে রাজনীতি এখন পুরোপুরি ক্যাডারনির্ভর। সেখানে ছাত্রদল ছাত্রলীগ বলে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। ছাত্ররাজনীতির এই চলমান সংকটের গভীরে না গিয়ে আমরা কেবল একপেশে দৃষ্টিকোণ থেকে ক্রমাগত ছাত্রলীগকেই দোষারোপ করে যাচ্ছি, যা মোটেই সঙ্গত নয়। এভাবে ছাত্রলীগকে দোষ দিয়ে আমরা কি আমাদের নিজেদের দায়িত্বটুকু অস্বীকার করে যাচ্ছি না?

Forhad

Forhad

২০১২.০৯.১২ ১০:০২
"চার হাজার কোটি টাকা দুরনিতী তেমন কিছু না" ...
"এত বড় ক্যামপাসে এক টু ধাওয়া পালটা ধাওয়া হতেই পারে" ... হুমমমমমম ..। কেমন যেন মিল খুজে পাচছি !!

Arup Das (Oronno)

Arup Das (Oronno)

২০১২.০৯.১২ ১০:০৮
সংবাদে দেখলাম রাজ়শাহী ইউনির্ভাসিটির এক ছাত্রলীগ নেতা ছাত্রদলের উপর হামলার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছেঃ"ছাত্রদল নাকি বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে ক্যাম্পাসে অরাজগতা সৃস্টি করতে চেয়েছিল,তাই (ছাত্রলীগ) তারা তাদের পিটিয়েছে"।তখন পুলিশ ভাইয়েরা ও নিরবতার ভূমিকায় ছিল।তাহলে কি এতে বুঝে নিতে পারিনা যে, আমাদের মানে সাধারন মানুষের আইন সৃংঙ্খলার দায়িতব এখন ছাত্রলীগ গুন্ডাদের হাতে।তাহলে ত "আমাদের সামনে আরও ভয়াবহ সুখের দিন অপেক্ষা করছে।সে সুখের সাগরে ত আমরা ভেসে যাব!!!"
২০১২.০৯.১২ ১০:০৮
ঠিক এমন ভাবেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ছেলেরা আমাদেরকে মেরেছিল। আপরাধ-আমরা ছাত্র ইউনিয়ন করতাম। রাতের অন্ধকারে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে বন্দুকের নলের উপর সাক্ষর নিয়েছিল, ছাত্রদলের মেম্বার বানিয়েছিল। জীবন বাচানোর জন্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ার চালিয়ে যাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে মিছিল দিতাম, 'দেশ গড়েছেন শহীদ জিয়া. নেত্রী মোদের খালেদা জিয়া '! হায়রে নিয়তি।

imtiaz ahmed chowdhury

imtiaz ahmed chowdhury

২০১২.০৯.১২ ১০:২০
ছি:

২০১২.০৯.১২ ১০:২১
বৃক্ষ তোমার নাম কি ? ফলে পরিচয়... আবারো প্রমানিত হলো ছাত্রলীগ কি জিনিস...

Ronju Khan

Ronju Khan

২০১২.০৯.১২ ১০:২৮
বিএনপির আমলে কোন ক্যাম্পাস এ ছাএলীগ অবস্থান করতে পেরেছিল কোন ক্যাম্পাস এ তারা জামাই আদরে ছিল বলবেন কি?

Jahangir Hossain Shadhin

Jahangir Hossain Shadhin

২০১২.০৯.১২ ১০:৩২
আওয়ামী লীগের নেতাদের মুখ আর ছাত্র লীগের নেতাদের হাত সবসময়ই সচল ছিল, আছে এবং থাকবে! তাদের স্বপ্ন পুরন হচ্ছে ।

monir

monir

২০১২.০৯.১২ ১০:৩৪
প্রধানমন্ত্রী কঠোর হতে বলেছেন, তাই ছাত্রলীগ সাধারণ ছাত্র এবং ছাত্রদলের ওপর একের পর এক হামলা চালিয়েছে। ছাত্র-রাজনীতি তো আসলে কোন সুস্থ চিন্তা নয়, ছাত্র-রাজনীতি বন্ধ কর।
২০১২.০৯.১২ ১০:৩৪
খবর : আবার মারমুখী ছাত্রলীগ !!!
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কখন মারমুখী ছিল না ??

Forhad

Forhad

২০১২.০৯.১২ ১০:৩৪
@ কোহিনুর সুলতানা শিউলী ... দলীয় বৃওের বাইরে এসে অন্যায়কে অন্যায় হিসেবে দেখলে ব্যক্তি হিসেবেতো বটেই জাতি হিসেবেও আমরা অনেক এগিয়ে যাব।
২০১২.০৯.১২ ১০:৩৮
ছাত্রলীগকে হঠাত এত মারমূখি করা হলো কি সংবাদের শিরনাম পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ?
২০১২.০৯.১২ ১০:৫৭
গতকাল ও আজ সবকটি দৈনিকের প্রথম পাতার ছবিগুলোতে যাদেরকে মারমুখী ও সন্ত্রাসী ভঙ্গিমায় দেখা যাচ্ছে তাদের কাউকে কি প্রকৃত ছাত্র বলতে যা বুঝায় সেরকম মনে হয় ?? বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা পড়া করতে আসা ছাত্র নামক মেধাবী কোন ছেলে কি এরকম অমানবিক কাজ করতে পারে ?

Sayham Hassan

Sayham Hassan

২০১২.০৯.১২ ১১:০৫
আমাদের প্রধানমন্ত্রী কঠোর হবার কথা বলেন, যা কিনা উনার মুখে মানায়না। মানাত যদি উনি একজন সুশাসক হতে পারতেন। ছাত্ররাজনীতি এখন আমাদের জন্য একটি ক্যানসার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করতে হবে, তানাহলে ইতিহাসের পাতায় বিষাক্ত আবর্জনা হিসেবে নাম লিখা থাকবে।

Md. Kamruz Zaman Chowdhury (Titu)

Md. Kamruz Zaman Chowdhury (Titu)

২০১২.০৯.১২ ১১:১৫
@কোহিনূর সুলতানা শিউলী, ধন্যবাদ আমি আপনার সাথে একমত এবং অধিকাংশ সচেতন ব্যক্তি আপনাদের সাথে একমত বলে আমি মনে করি ।

Md. Didar Hossain

Md. Didar Hossain

২০১২.০৯.১২ ১১:১৮
What is happening in the country?

shawon

shawon

২০১২.০৯.১২ ১১:২৬
কোহিনুর ভাই আপনি কি আপনার মতো সবার মস্তিষ্ক ওয়াস করতে চাচ্ছেন? ইলিয়াস আলী মানুষের sympathy পেয়েছে B.N.P নেতা হিসেবে নয় বরং মানুষ হিসেবে, কারন রাষ্ট্রের নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব বিধানে অঙ্গীকারবদ্ধ প্রতিটি রাষ্ট্রের সরকার আর ইলিয়ার আলীর এই নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে আওয়ামি সরকার। আপনার মতো লোকেরা ছাত্র জীবনে রাজনীতিতে ঢুকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তাই শিক্ষা জীবনে ভাল কিছু শিখতে পারে না

Nurul Shimul

Nurul Shimul

২০১২.০৯.১২ ১১:৩২
এদের ছাত্র লীগ বলে "ছাত্র" কথাটির অবমুল্যায়ন করবেন না প্লীজ!!!!

Ayaz Ahmed

Ayaz Ahmed

২০১২.০৯.১২ ১১:৩৭
আমরা অসভ্য জাতি , অসভ্য ছিলাম, থাকবো।

Mohammad Nuruddin Jahangir

Mohammad Nuruddin Jahangir

২০১২.০৯.১২ ১২:০২
সামনে বি এন পি আনদোলন করবে তাই মহডা দিয়ে ঝালাই করে নিচ্চে নিজেদেরকে ।
২০১২.০৯.১২ ১২:১৭
যেমন রাজা তেমন প্রজা.....
গাছ তোমার নাম কি?
.......ফলে পরিচয়।

shawkat Ali

shawkat Ali

২০১২.০৯.১২ ১২:২৩
ছাত্রলীগ এই শতাব্দির নিউ ক্ল্যাসিকেল টেরর। গ্রেট ফাইটার। আরও কত কী .....

Sharif

Sharif

২০১২.০৯.১২ ১২:৩৭
Forhad@ সাহেব আপনার ছাত্রদল কি ধোয়া তুলসী পাতা ?
২০১২.০৯.১২ ১২:৩৮
আজকের মারামারি আগামীর ভবিষ্যত মানে চাকরী সহজ।

zahid

zahid

২০১২.০৯.১২ ১২:৪৯
THIS EXPERIENCE THEY CAN USE IN JOB MARKET. HASINA WILL NOT HELP YOU.

Sezan

Sezan

২০১২.০৯.১২ ১২:৫০
Allah give you power to beat, so beat as much as possible !!!

Saleh Ahmed

Saleh Ahmed

২০১২.০৯.১২ ১২:৫৫
Actually the fact is each and every field is invaded by criminal. School, college, university, state rulling, judiciary, politics every field being invaded.

Mizan

Mizan

২০১২.০৯.১২ ১৩:২০
মারামারি না করে দলের সফল আনা জাবে না

Tanvir

Tanvir

২০১২.০৯.১২ ১৩:৪৬
@কোহিনূর সুলতানা শিউলী
ছাত্রদল আগে ছাত্রলীগের ওপর অত্যাচার করেছিলো বলে এখন ছাত্রলীগের অত্যাচারি কর্মকান্ড বৈধ তাই না?

samir

samir

২০১২.০৯.১২ ১৪:১০
কোহিনূর সুলতানা শিউলী,আমি তোমাকে ভালবাসি .Superb.

হেলাল

হেলাল

২০১২.০৯.১২ ১৪:১৫
@ কোহিনূর সুলতানা শিউলী
আপনার এইসব পক্ষপাতিত্ব মন্তব্য কারোরই কাছে ভালো লাগবেনা!

maruf khan

maruf khan

২০১২.০৯.১২ ১৪:১৫
job well done ছাত্রলীগ..।

Rupok Reza

Rupok Reza

২০১২.০৯.১২ ১৪:৩৭
‘আমি হাত জোড় করে সরকার ও বিরোধী দলকে বলছি, দয়া করে নোংরা কাজে ছাত্রদের আর ব্যবহার করবেন না।

২০১২.০৯.১২ ১৫:২১
বিষয়টা সত্যি মজার ।আপনি আওয়ামিলীগ করেন তারপর আপনি বি এন পি কেন পৃথিবীর সবাইকে ধরে মারেন কোন বিচার নেই ।

২০১২.০৯.১২ ১৫:৩৪
আর কি বলব ।

sheikh mohammed shiful islam

sheikh mohammed shiful islam

২০১২.০৯.১২ ১৫:৪৫
@Md. Kamruz Zaman Chy. (Titu)@ হা ভাই আপনে ঠিক বলেছেন, রতনে রত্ন চিনে আর ফকিরে ফকির চিনে ,,,,,আপনে যে লাইনের .......আপনে ঠিক চিনবেন ঐ লাইনের আরেক ////////কে ।
২০১২.০৯.১২ ১৭:১৮
কিছু কিছু কমেন্টকারী বিএনপির আগের আমলের ফিরিস্তি দিচ্ছে । তাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে দিন বদলের কথা বলে । বিএনপি যা করেছে আওয়ামী লীগও যদি তাই করে তাহলে আওয়ামী লীগকে আনার কি প্রয়োজন ছিল?

Habibul Alam

Habibul Alam

২০১২.০৯.১২ ১৭:২৪
এতা অশাভাবিক না ।

















ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ














ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জানে খমতার বািরে কত ধকল তাদের ৈতে হবে । আর শে কারনে চেশতা করচে জাতে খমতা ধরে রাখা জায় । বিরধিরা না থাক্লে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের
আর তাদের ছাত্র লীগের রাজৎো থাকবে । ডেশের মানুশ কে বিস্বাস করা জায় না । ওশব নিরবাচন দরকার নাি আপাতত .
সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

Habibul Alam

Habibul Alam

২০১২.০৯.১২ ১৭:২৭
আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরসতুত হচচে দেশ রখখা করতে ।

zaman

zaman

২০১২.০৯.১২ ১৯:৫১
এরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এরাই আগামীতে দেশকে নেতৃত্ব দেবে, কি ভয়ংকর ব্যাপার, ভাবতেই ভয় লাগে,
প্রধান মন্ত্রির দুর্নীতির বিরুদ্দে লম্বা লম্বা কথা আর শুনা যায় না,
হাঁ হাঁ হা.........।
২০১২.০৯.১২ ২৩:১৩
আজকে পেপারে দেখলাম - ছাত্রদলের নেতা কর্মী দের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং গ্রেফতার ও করা হয়েছে - জয় বাংলা। উপরের ছবি ভুয়া মনে হয় - কিংবা পুলিশে দেখে না।