• হোম
  • রাজধানী
  •   রিজেন্সি হোটেলে বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত চান পাঁচ প্রবাসী

কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

রিজেন্সি হোটেলে বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত চান পাঁচ প্রবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১২-০৯-২০১২

  • ৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • Share on Facebook

ঢাকা রিজেন্সি হোটেলে বিনিয়োগ করা মূল অর্থ ও লভ্যাংশ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রবাসী পাঁচজন ব্যবসায়ী।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহ মো. আশরাফ ইসলাম, শাহাদাত মনির, শামসুদ্দোহা, মইনুল ইসলাম ও মমিন আলী। তাঁরা নিজেদের ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের পরিচালক বলে দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন শাহ মো. আশরাফ ইসলাম। তিনি বলেন, ২০০৫ সালে গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরে তাঁরা জানতে পারেন ব্রিটিশ বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ (বিবিআইজি) নামের একটি প্রতিষ্ঠান ‘ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’ নামে পাঁচ তারা হোটেল করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে প্রবাসীরা বিনিয়োগ করে ওই হোটেলের মালিক হতে পারবেন। এতে উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁরা পাঁচজনসহ যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ১২০ জন বাংলাদেশি ৪৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ঢাকা রিজেন্সি হোটেলের পরিচালক হন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০০৭ সালে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায় রাজউক ট্রেড সেন্টারে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল চালু হয়। এরপর কোনো লভ্যাংশ না পেয়ে বিনিয়োগকারীরা হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুসলেহ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর ২০১০ সালের শেষের দিকে কয়েকজন পরিচালককে আড়াই লাখ টাকা করে দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লিখিত পাঁচ বিনিয়োগকারী দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে তাঁরা যৌথ মুলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধন কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন রিজেন্সি হোটেলের তিন নির্বাহী পরিচালক জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁদের স্ত্রী ও মাকে কোম্পানির পরিচালক করে এবং কোম্পানির হিসাব থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ও মূল টাকাসহ লভ্যাংশ ফেরত পেতে তিনজন নির্বাহী পরিচালককে আইনি নোটিশ পাঠালে তাঁরা এই পাঁচ বিনিয়োগকারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা রিজেন্সি হোটেলের চেয়ারম্যান কবির রেজা প্রথম আলোকে বলেন, সম্মেলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা কোম্পানির অংশীদার, তবে পরিচালক নন। তিনি দাবি করেন, দুই মাস আগে কোম্পানির বার্ষিক সভায় সব অংশীদারকে লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগ সঠিক নয়।

পাঠকের মন্তব্য

পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।

ABDUL MAJID QUAZI

ABDUL MAJID QUAZI

২০১২.০৯.১২ ০৪:৪৩
দেশে ভাল বিনিয়োগের পরিবশের এই হল উৎকৃষ্ট নমুনা ।

monir

monir

২০১২.০৯.১২ ০৮:৪২
এভাবে চললে কোন প্রবাসী বিনিয়োগকারী এ দেশে বিনিয়োগ করবে না। এই প্রতারকের শাস্তি দাবি করছি।

kishore

kishore

২০১২.০৯.১২ ১০:৪৭
Bangladesh is not a country for investment.

nazi

nazi

২০১২.০৯.১২ ১০:৫০
Well come to Bangladesh and Good Luck!!